আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

কুশিয়ারায় জেলের জালে আড়াই মণের বাঘাইড়

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেটের কুশিয়ারায় জেলের জালে আড়াই মণ ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে ফেঞ্চুগঞ্জের কুশিয়ারা নদীতে জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রির জন্য দাম হাঁকানো হচ্ছে দেড় লাখ টাকা।

মাছের বিক্রেতা মো. আলাউদ্দিন জানান, বিশালাকারের ১০০ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছটি ফেঞ্চুগঞ্জের জেলেদের কাছে থেকে ৬০ হাজর টাকায় বিক্রির জন্য তিনি সিলেট নগরের লালবাজারে নিয়ে আসেন। এককভাবে কেউ না নিলে মাছটি কেটে কেজি দরে বিক্রি করা হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশালাকারের বাঘাইড় মাছটি দেখতে লোকজন বাজারে ভিড় করেছেন। অনেকে মাছটি একবার ছুঁয়েও দেখছেন।

সিলেট নগরের সুবিদবাজার থেকে মাছ কিনতে লালবাজারে আসা রওনক জামান বলেন, 'বাজারে এত বড় মাছ কম উঠে। লোকমুখে বড় বাঘাইড় বাজারে উঠেছে শুনে তিনি কিনতে এসেছেন। কিন্তু দাম বেশি চাওয়া হচ্ছে। তবে কেজিতে বিক্রি করা হলে কেনার আগ্রহ আছে।'

মাছের বিক্রেতা মো. আলাউদ্দিন বলেন, মাছটি বিক্রির জন্য তিনি দেড় লাখ টাকা দাম চাচ্ছেন। অবশ্যই ৮০ বা ৯০ হাজার টাকা পেলে বিক্রি করে দেবেন। একত্রে মাছটি বিক্রি করতে না পারলে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মাছটি কেটে বিক্রি করবেন। সেক্ষেত্রে কেজিপ্রতি দাম পড়বে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা। কেজি দরে মাছ নিতে এরইমধ্যে ৮ জন নাম লিখিয়েছেন বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



বিএফইউজে নির্বাচন আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | ২০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
নির্বাচন কমিশন প্রার্থী ও ভোটারদের জন্য প্রকাশ করেছে নির্বাচন সংক্রান্ত আচরণবিধি। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করাসহ নানা নির্দেশনা রয়েছে আচরণবিধিতে

সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) আওয়ামী সমর্থিত অংশের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ শনিবার (২৩ অক্টোবর)। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ সারাদেশে ১০টি ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোট।

 

নির্বাচনের তফসিল থেকে শুরু করে আদালতের স্থগিতাদেশসহ নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে প্রায় তিন বছর পর এ ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার বিএফইউজে সভাপতি, মহাসচিব ও কোষাধ্যক্ষ- এ তিন পদের জন্য নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন সারাদেশের ভোটাররা। বাকি পদে নির্বাচন হবে ইউনিটভিত্তিক ভোটারদের ভোটে। এবারের নির্বাচনে পেশাজীবী, সংগঠক ও যোগ্যদের নির্বাচিত করতে চান ভোটাররা।

 

বিএফইউজের নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এ বছর সভাপতি পদে তিনজন ও মহাসচিব পদে তিনজন ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএফইউজের তিনবারের নির্বাচিত মহাসচিব ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল ভূঁইয়া, ডিইউজের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সূর্য ও বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব ওমর ফারুক। আর মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আব্দুল মজিদ, বিএফইউজের কোষাধ্যক্ষ, নাগরিক টিভির হেড অব নিউজ দীপ আজাদ ও দৈনিক কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক লায়েকুজ্জামান। এছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন খায়রুজ্জামান কামাল, নজরুল কবির ও মোহাম্মদ আবু সাঈদ।

 

নির্বাচন কমিশন প্রার্থী ও ভোটারদের জন্য প্রকাশ করেছে নির্বাচন সংক্রান্ত আচরণবিধি। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করাসহ নানা নির্দেশনা রয়েছে আচরণবিধিতে।

 

বিএফইউজের নির্বাচনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা তিন হাজার ৯৮০ জন। এরমধ্যে ঢাকায় রয়েছেন দুই হাজার ৯৭৭ জন।

 

সভাপতি, মহাসচিব ও কোষাধ্যক্ষ এ তিন পদ ছাড়াও এবারের নির্বাচনে ঢাকা থেকে সহ-সভাপতি পদে পাঁচজন, যুগ্ম-মহাসচিব পদে চারজন, দপ্তর সম্পাদক পদে ছয়জন ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও বাকি নয়টি ইউনিট থেকে সহ-সভাপতি, যুগ্ম মহাসচিব, নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচনে লড়ছেন প্রার্থীরা। এরমধ্যে কিছু পদে কয়েকজনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বিএফইউজে

আরও খবর



ফেসবুকের ১৫০ কোটি গ্রাহকের তথ্য বিক্রি!

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বজুড়ে বেশ জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। অভিযোগ উঠেছে জনপ্রিয় এই মাধ্যমটির ১৫০ কোটি গ্রাহকের তথ্য বিক্রি হয়ে গেছে। গ্রাহকদের এসব তথ্য কিনেছে একটি হ্যাকার ফোরাম। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রোমানিয়াভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রাইভেসি অ্যাফেয়ার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

তবে এই তথ্য বিক্রির সঙ্গে সোমবার (৪ অক্টোবর) ফেসবুক বিপর্যয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। এ ঘটনা ঘটেছে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে। তবে ফেসবুকের সমস্যার সময় ব্যবহারকারীদের ডাটা চুরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানান ফেসবুকের একজন মুখপাত্র।

তিনি বলেন, ব্যাকবোন রাউটারের কনফিগারেশনে পরিবর্তন আনার সময় কারিগরি ত্রুটির কারণে গত সোমবার রাতে বন্ধ হয়ে যায় ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের সেবা। ত্রুটি কাটিয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর সেবা চালু করতে সক্ষম হন প্রকৌশলীরা।

এদিকে প্রাইভেসি অ্যাফেয়ার্স তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওয়েব স্ক্র্যাপারসনামের একটি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য চুরিতে নিয়োজিত একটি গ্রুপের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে, ফেসবুকের প্রায় ১৫০ কোটি গ্রাহকের তথ্য একটি হ্যাকার ফোরামের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। ওয়েব স্ক্র্যাপাররা কিছু প্রমাণ সংযুক্ত করে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে এই তথ্য বিক্রি করেছে। ক্রেতা হ্যাকার ফোরাম প্রতি এক মিলিয়ন বা ১০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্যের জন্য পাঁচ হাজার ডলার মূল্য পরিশোধ করেছে। এতে ফেসবুকের দেড়শ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য কিনতে তাদের গুণতে হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা প্রায় ৬৫ কোটি টাকা।

ওয়েব স্ক্র্যাপারস ও হ্যাকারদের ই-মেইল বার্তার কিছু স্ক্রিনশটও প্রকাশ করা হয়েছে প্রাইভেসি অ্যাফেয়ার্সের ওই প্রতিবেদনে। তবে বিপুল পরিমাণ এই তথ্য কোন হ্যাকার গ্রুপ কিনে নিয়েছে, সেটা প্রকাশ করেনি প্রাইভেসি অ্যাফেয়ার্স।

সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের মধ্যে একটি কমন সুইচ প্ল্যাটফর্ম তৈরির জন্য রাউটারে নতুন কনফিগারেশনটি চলছিল। মূলত ফেসবুক ও এর অন্তর্ভুক্ত মাধ্যমগুলোর মাঝে সহজে ডাটা আদান-প্রদান করার জন্যই এই প্রক্রিয়াটি চলছিল।


আরও খবর



কেরালার পর উত্তরাখণ্ড, বন্যায় ৪৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ১৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কেরালার পর প্রবল বৃষ্টি এবং বন্যায় বিধ্বস্ত ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্য। মঙ্গলবার পর্যন্ত সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল ১৬, বুধবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬ জনে। রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র নৈনিতাল থেকে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

টানা তিনদিন প্রবল বৃষ্টি হয়ে চলেছে গোটা উত্তরাখণ্ড জুড়ে। বহু এলাকায় বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়েছে পানি। এতে বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন গাছে। ঘরছাড়া মানুষদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় কাজে নেমেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

রাজ্যের হরিদ্বার, দেরাদুন, আলমোরাসহ বিভিন্ন এলাকায় কাজ করছে এই বাহিনীর ১০টি দল। ঘর-বাড়ি, অফিস-আদালতসহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গৌলা নদীর ব্রিজটিও। রাস্তায় ধস নামায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র নৈনিতালের সঙ্গে।

এখন পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাজ্যজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৪৬। প্রবল বৃষ্টিতে একের পর এক ঘর বাড়ি ভেঙে পড়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

উত্তরাখণ্ডের আবহাওয়া অফিস থেকে ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল।


আরও খবর



নুসরাতের মামলা: অসংলগ্ন অনুমান আর কল্পনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নুসরাতের মামলা তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্তে যতই গভীরে যাওয়া হচ্ছে ততই মামলার অসংলগ্নতা, অনুমান ও কল্পনা নির্ভরতার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, মামলাটি তথ্য-উপাত্ত ও আলামত-সাক্ষীর ভিত্তিতে নয়, বরং আক্রোশ, কল্পনা ও অনুমানের উপর নির্ভর করেই করা হয়েছে। শেষ পর্যায়ে তদন্তে প্রচুর অসংলগ্নতা পাওয়া যাচ্ছে এবং এই অসংলগ্নতাই এই মামলাকে অসার, ভিত্তিহীন ও প্রতিহিংসামূলক হিসেবে প্রতিপন্ন করছে বলে জানা গেছে। মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে নুসরাত আট নাম্বার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যে মামলাটি করেছে সেই মামলার মধ্যে একের পর এক অসংলগ্নতা পাওয়া যাচ্ছে।

প্রথম অসংলগ্নতা হলো, নুসরাত দাবি করেছে তার বোন ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে। কিন্তু মুনিয়া ও নুসরাতের কথোপকথনের যে অডিও পুলিশের হাতে গেছে তদন্তে সে অডিওতে কোথাও মুনিয়া বলে নি যে তিনি ধর্ষিত হয়েছেন। তাহলে মুনিয়া যে ধর্ষিত হয়েছেন মামলার বাদী এমন তথ্য কোথায় পেলেন?

দ্বিতীয়ত, এই মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় এই অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে এই মামলায় অন্তত ছয়জন আসামী আছেন যাদের সাথে মুনিয়ার কখনো দেখা সাক্ষাৎ হয় নি। বিশেষ করে, মামলায় যেসব নারীদের আসামী করা হয়েছে তারা কিভাবে ধর্ষণের সাথে যুক্ত থাকবেন সেই প্রশ্নেরও কোনো উত্তর নেই।

তৃতীয়ত, নুসরাতের সাথে মুনিয়ার মৃত্যুর দিন দীর্ঘক্ষণ কথা হয়েছে, এই কথোপকথনের মধ্যে কোথাও মুনিয়া তাকে হত্যা করা হতে পারে বা তাকে কেউ খুন করবে এ ধরনের আশঙ্কার কথা বলা হয় নি। তাহলে এসময়ের মধ্যে মুনিয়াকে কারা হত্যা করলো?

চতুর্থত, এই মামলার সবচেয়ে দুর্বল দিক হিসেবে মনে করা হচ্ছে, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের অভাব। মুনিয়াকে যদি হত্যা করা হয় তাহলে প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য লাগবে। প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ছাড়া একটি হত্যা মামলা আইনের দৃষ্টিতে অচল।

পঞ্চমত, মুনিয়াকে হত্যা করার জন্য যদি কেউ তার বাসায় এসে থাকে তবে সেখানে চিৎকার চেঁচামেচি হবে, সেখানে ধ্বস্তাধস্তি হবে, সেখানে পাশের ফ্ল্যাটের যারা আছেন তারা বিষয়টি জানবেন। পাশাপাশি মুনিয়াও নুসরাতের সাথে বারবার কথোপকথন করছিলেন। সেক্ষেত্রে নুসরাতকে কেন মুনিয়া টেলিফোন করলেন না সেটি একটি বড় প্রশ্ন।

অসংলগ্নতা ছাড়াও এই মামলায় অনেকগুলো কল্পনাপ্রসূত অনুমান নির্ভর ব্যাপার রয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের পক্ষ থেকে এর আগে তদন্তে দেখা গেছে যে পুরো মামলাটি একটি অনুমান নির্ভর ও কল্পনাপ্রসূত। যে কল্পনা ও অনুমানের মূল লক্ষ্য হলো কিছু ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করা। ব্ল্যাকমেইল করে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলই এই মামলার মূল উদ্দেশ্য কিনা সেটিই এখন খতিয়ে দেখা দরকার বলে বিভিন্ন মহল মনে করছেন। কারণ একটি মামলার ক্ষেত্রে তিনটি মূল উপজীব্য বিষয় রয়েছে। প্রথম হলো সাক্ষ্য-প্রমাণ। দ্বিতীয় হলো আলামত। তৃতীয় হলো পারিপার্শ্বিকতা। এই তিনটি ক্ষেত্রেই এই মামলায় কোনো যুক্তি নেই। শুধু অনুমান ও কল্পনা নির্ভরতা রয়েছে। নুসরাতের দায়ের করা মামলায় কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষী নেই, এমনকি পরোক্ষ কোনো সাক্ষীও নেই। এমন কোনো আলামতও নেই যাতে প্রমাণিত হয় মুনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বা ধর্ষণ করা হয়েছে। এই মামলায় আসামীদের যে পারস্পরিক যোগসাজশ দেখানো হয়েছে তা কল্পনা প্রসূত। এধরনের অনুমান নির্ভর ও কল্পনা প্রসূত মামলা যদি চলতে থাকে তবে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা হতে পারে। এ ধরনের মামলা যেকোনো ব্যক্তিকে অপদস্থ করা ও সম্মানহানি করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিউজ ট্যাগ: পিবিআই নুসরাত

আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




বিয়ের আগে বর-কনের যেসব স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা কিংবা রোগব্যাধির কারণে অনেক সময় বিয়ের পর দুজনের মধ্যে ঝামেলার সৃষ্টি হয়।

বিয়ের আগেই যদি কয়েকটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যায় তাহলে আর দ্বিধা-দন্দ্বের মধ্যে থাকতে হয় না। এ কারণে বিয়ের আগে হবু বর ও কনের কয়েকটি মেডিকেল পরীক্ষা করা জরুরি। জেনে নিন কোন পরীক্ষাগুলো করবেন-

এইচআইভি:

বিয়ের আগে হবু বর ও কনের এইচআইভি পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে রক্ত, শরীরের সিরাম নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষা করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা রোধকারী ভাইরাসের উপস্থিতি জানা যায়।

এইচআইভি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এই ভাইরাস শরীরে থাকলে তার থেকে এইডস পর্যন্ত হতে পারে। অনেকেই আগে থেকে শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি টের পান না।

ফলে ওই ব্যক্তি যৌন সম্পর্ক করলে তা সঙ্গীর শরীরে এমনকি গর্ভের সন্তানেরও হতে পারে এইডস। যদি হবু বর বা কনের কারও এইচআইভি সংক্রমণ থাকলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও কয়েকবার ভাবা উচিত।

নারীর ওভারি পরীক্ষা :

বর্তমানে অনেক নারীই বেশি বয়সে বিয়ে করেন। আবার অনেক নারীদের জীবনযাত্রাতেও এসেছে পরিবর্তন। অনেকেই এখন ধূমপান, মদ্যপান বা অন্যান্য নেশায় আসক্ত। তাই বিয়ের আগে নারীরর ওভারি টেস্ট করানো একান্ত প্রয়োজন।

ওভারিতে সমস্যা থাকলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণু তৈরির পরিমাণ কমতে শুরু থাকে। তাই বিয়ের পর সন্তান ধারণে সমস্যা হতে পারে।

বন্ধ্যাত্ব পরীক্ষা :

ভবিষ্যতে সন্তান হবে কি না তা জানতে হবু বর ও কনে দুজনারই বন্ধ্যাত্ব পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। এই পরীক্ষা করলে পুরুষের শুক্রাণুর স্থিতি ও কাউন্ট কতটা আছে তা জানা যায়। সময় থাকতে থাকতে এর চিকিৎসাও করা যায়।

জেনেটিক টেস্ট :

বিয়ের আগে হবু বর ও কনে উভয়েরই জেনেটিক পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। এই পরীক্ষা করলে জানা যাবে আপনার হবু সঙ্গীর কোনো জিনঘটিত সমস্যা আছে কি না।

এসটিডি পরীক্ষা :

নারী-পুরুষ উভয়েরই এসটিডি বা যৌন রোগের পরীক্ষা করা উচিত। বিয়ের আগে একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্ক থাকলে এই পরীক্ষার মাধ্যমে তা জানা যায়।

রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা :

হবু বর ও কনের রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি। কারণ স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একে অপরের সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকলে গর্ভাবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে বিয়ের আগে দুজনেরই আরএইচ ফ্যাক্টর একই হওয়া দরকার।

ব্লাড ডিসঅর্ডার পরীক্ষা :

বিয়ের আগে নারীর ব্লাড ডিসঅর্ডার পরীক্ষা করানো উচিত। এই পরীক্ষা করালে জানা যাবে হবু কনে রক্তাল্পতায় ভুগছেন কি না। কারণ সন্তান ধারণের জন্য শরীরে রক্তের পরিমাণ ঠিক থাকা দরকার।

থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা :

বিয়ের আগে হবু বর ও কনের থ্যালাসেমিয়ার পরীক্ষাও জরুরি। দুজনের মধ্যে একজনের শরীরেও যদি এই রোগ থাকে তাহলে সন্তানও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা :

একটি সুখী দাম্পত্য জীবন গড়তে দুজনকে মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে। বর্তমানে অনেকেই মানসিক নানা সমস্যায় ভোগেন।

কেউ হয়তো অতিরিক্ত রাগ করেন, আবার কারও সন্দেহপ্রবণতা বেশি, হঠাৎ হতাশ হয়ে পড়া, অবসন্নতা ইত্যাদি সমস্যা মানসিক রোগের কারণ হতে পারে।


আরও খবর
আজকের ভালো মন্দ

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১

আজ আপনার জন্মদিন হলে

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21