আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

লাখ টাকা বেতনে লোক নিচ্ছে সৌদি আরব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারিভাবে সৌদি আরবে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশি ডিপ্লোমা ও বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের সৌদি আরব ইলেকট্রিক ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানিতে চাকরির জন্য লোকবল নিতে চায়।

আগ্রহীরা নির্ধারিত নিয়ম মেনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: সার্ভিস টেকনিশিয়ান। পদসংখ্যা: ১০।

যোগ্যতা: ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল।

বেতন: ৩০০০-৪৫০০ (সৌদি রিয়াল), বাংলাদেশি টাকায় ৬৮ হাজার ৬৭০ থেকে ১ লাখ ৩ হাজার ৫ টাকা।

পদের নাম: সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার/টেস্টিং অ্যান্ড কমিশনিং ইঞ্জিনিয়ার। পদসংখ্যা: ১০। যোগ্যতা: বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। মাসিক মূল বেতন: ৫,০০০-৬,০০০ (সৌদি রিয়াল), বাংলাদেশি টাকায় ১,১৪,৪৫০-১,৩৭,৩৪০ টাকা।

অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট কাজে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বয়স ৩৫-৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে এক বছর থাকতে হবে।

চাকরির শর্ত: চাকরিতে যোগ দেওয়ার বিমানভাড়া কর্মী বহন করবেন, থাকা কোম্পানি বহন করবে। চাকরির মেয়াদ দুই বছর। সৌদি আরবের শ্রম আইন অনুযায়ী অন্যান্য শর্ত প্রযোজ্য হবে। যাদের বিরুদ্ধে দেশে বা সৌদি আরবে মামলা আছে, তাঁরা নিয়োগের অযোগ্য।

বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য খরচ: চূড়ান্ত নির্বাচিত কর্মীদের বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ বাবদ ৭২ হাজার টাকা, ভ্যাট ১০ হাজার ৮০০ টাকা, বোয়েসেলের নিবন্ধন ফি বাবদ ৩০০ টাকা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ ফি ৩০০ টাকা, কল্যাণ বোর্ডের ইনস্যুরেন্স ফি ৪৯০ টাকা, স্মার্ট কার্ড ফি ২৫০ টাকাসহ মোট ৮৭ হাজার ৩৪০ টাকা সোনালী ব্যাংক মগবাজার শাখা থেকে পে-অর্ডারের মাধ্যমে বোয়েসেল অফিসে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া ভিসা ফি প্রার্থীকে দিতে হবে।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। ইংরেজিতে জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, পাসপোর্টের স্ক্যান কপি ও অভিজ্ঞতার সনদের কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।


আরও খবর



বঙ্গোপসাগরে মিথেন গ্যাসের সন্ধান পেল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গোপসাগরে মিথেন গ্যাসের (গ্যাস হাইড্রেট) সন্ধান মিলেছে। সমুদ্রে এক গবেষণা সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

বঙ্গোপসাগরে গ্যাস হাইড্রেট এবং সামুদ্রিক জেনেটিক সম্পদের ওপর গবেষণার ফলাফল নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (মেরিটাইস অ্যাফেয়ার্স ইউনিট) মোহাম্মাদ খুরশেদ আলম।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (মেরিটাইস অ্যাফেয়ার্স ইউনিট) মোহাম্মাদ খুরশেদ আলম বলেন, ২০১১ সালে জাতিসংঘে মহীসোপানের সীমানা নির্ধারণ বিষয়ক কমিশনে বাংলাদেশের পেশ করা মহীসোপানের দাবি সংবলিত সাবমিশনটি প্রস্তুতের প্রাক্কালে বাংলাদেশ সরকার ২০০৭-২০০৮ সালে বঙ্গোপসাগরে ফ্রান্সের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার এবং ২০১০ সালে একটি ডাচ প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় প্রায় ৩ হাজার লাইন কিলোমিটার সিসমিক ও ব্যাথিম্যাট্রিক জরিপ সম্পন্ন করে। এসব জরিপে ৩৫০ নটিক্যাল মাইলের ভিতরে মহীসোপানে ৬ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার পর্যন্ত সমুদ্রাঞ্চলে থাকা সম্পদের বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে, যা বাপেক্স, পেট্রোবাংলা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটে সংরক্ষিত রয়েছে। এসব জরিপের তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করেই ডেস্কটপ স্টাডিটি পরিচালনা করা হয়।

ডেস্কটপ স্টাডি গ্রুপ গঠনের পর যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটনে অবস্থিত ন্যাশনাল ওশেনোগ্রাফি সেন্টারসহ পেট্রোবাংলা, বাপেক্স এবং স্থানীয় বিশেষজ্ঞগণের যৌথ প্রয়াসে গত ৩ বছর নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। এমনকি কোভিড-১৯ জনিত অচলাবস্থায়ও এই স্টাডি গ্রুপ কাজ করে গেছে। ওই স্টাডিটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অধিকৃত জলসীমায় সমুদ্রে ও তলদেশে গ্যাস হাইড্রেটের উপস্থিতি পাওয়া গেছে এবং এর অবস্থান, প্রকৃতি ও মজুদের ব্যাপারে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে।

গ্যাস হাইড্রেট তথা মিথেন গ্যাস মূলতঃ উচ্চচাপ ও নিম্ন তাপমাত্রায় গঠিত জমাট বরফ আকৃতির এক ধরনের কঠিন পদার্থ, যা স্তূপীকৃত বালির ছিদ্রের ভেতরে ছড়ানো স্ফটিক আকারে অথবা কাদার তলানিতে ক্ষুদ্র পিন্ড, শিট বা রেখা আকারে বিদ্যমান থাকে। মহীসোপানের প্রান্তসীমায় ৩০০ মিটারের অধিক গভীরতায় সমুদ্রের তলদেশের নিচে গ্যাস হাইড্রেট পানি ও মাটির চাপে মিথেন বা স্ফটিক রূপে পাওয়া যায়, যা সাধারণত ৫০০ মিটার গভীরতায় স্থিতিশীল অবস্থায় থাকে। স্থিতিশীল গ্যাস হাইড্রেট সমৃদ্ধ এ অঞ্চলটি সমুদ্রের তলদেশ থেকে প্রায় ১০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে বিশেষ করে ভারতের কৃষ্ণ-গোদাভারী এবং মহানন্দা বেসিনে বিপুল পরিমাণ গ্যাস হাইড্রেট মজুদের সম্ভাবনা বিষয়ে ভারত ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। কৃষ্ণ-গোদাভারী এবং মহানন্দা বেসিন এলাকায় প্রতিবছর প্রায় ১-২ বিলিয়ন টন মিশ্রিত তলানি জমা হয়। ভারত ইতিমধ্যে কৃষ্ণ-গোদাভারী এবং মহানন্দা বেসিনে এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে তিনটি স্থানে কূপ খনন করেছে। মহানন্দা বেসিনে সাগরের তলদেশে ২০৫ মিটার নিচে ২৫ মিটার পুরু একটি স্তরে প্রায় ১৫ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রেটের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এর আগে দেশের বিভিন্ন জরিপ থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গ্যাস হাইড্রেটের ভলিউম এবং এই গ্যাস হাইড্রেটটিতে থাকা মিথেনের ভলিউম অনুমান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই সিসমিক রিমোট সেন্সিং স্টাডিটি কেবলমাত্র গ্যাস হাইড্রেটের সম্ভাব্য উপস্থিতি এবং বিতরণের একটি ইঙ্গিত দিতে পারে। সিসমিক লাইনের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে শুধুমাত্র বাংলাদেশের ০.১১ থেকে ০.৬৩ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট সম্ভাব্য প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রেট জমার অনুমান পাওয়া গেছে, যা ১৭-১০৩ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদের সমতুল্য। দেশের মহীসোপানের সব এলাকার পূর্ণাঙ্গ সিসমিক জরিপ সম্পন্ন করা হলে প্রকৃত মজুদ নিরূপণ করা সম্ভব হবে।

এই সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে বলা যায় যে, বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য এলাকায় প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রেটের উপস্থিতি থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ বিপুল পরিমাণ গ্যাস হাইড্রেটের উপস্থিতি ও মজুদের সমূহ সম্ভাবনা আগামী শতকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের সামগ্রিক চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

সমীক্ষায় আরও বলা হয়, ১ সেন্টিমিটার ৩ স্ফটিকে আনুমানিক ১৬৪ মি ৩ মিথেন গ্যাস মজুদ থাকে। মিথেন গ্যাস অন্য জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব। তবে গ্যাস-হাইড্রেট উত্তোলনের প্রযুক্তি সহজলভ্য না হওয়ায় অনেক উন্নত দেশ এখনো গ্যাস হাইড্রেট উত্তোলন শুরু করতে পারেনি। আমরা আশা করছি, অচিরেই এই প্রযুক্তি সহজলভ্য হবে এবং আমরা বিভিন্ন উন্নত দেশের কাছ থেকে প্রযুক্তি নিয়ে গ্যাস হাইড্রেট উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারব।


আরও খবর



সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | ৫৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী বছরের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়া হবে। সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল বিস্তারিত তুলে ধরতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে আয়োজন করা হবে।

তিনি বলেন, আগামী বছরের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা যাতে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়া হয় সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফল প্রকাশের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গণভবন থেকে এ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর
গণ-অনশনে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২




অধিনায়ক না থাকলেও কোহলীই আমাদের দলের নেতা : বুমরা

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিরাট কোহলী টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার তাঁরা অবাক হয়েছিলেন। কিন্তু দলের প্রত্যেকে কোহলীর এই সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করেন। এক দিনের সিরিজের আগে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয়ে সোমবার বললেন যশপ্রীত বুমরা।

বুমরা বলেছেন, দেখুন, বিরাট কেন টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়েছে সেটা বলার জন্য তো এখানে আসিনি। এটা ওর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমরা শ্রদ্ধা করি। ওর শরীর এবং মনের ব্যাপারে ও-ই সব থেকে ভাল জানে। তবে বিরাটের অধীনে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। টেস্টে অভিষেক হয়েছিল ওর অধীনেই। দলের মধ্যে আলাদা শক্তি নিয়ে আসে ও। বরাবরই আমাদের দলের নেতা থাকবে এবং আশা করি ভবিষ্যতেও এ ভাবেই অবদান রেখে যাবে।

কখন কোহলী অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানান সেই প্রসঙ্গে বুমরা বলেছেন, কেপ টাউনে হারের পর টিম মিটিংয়েই কোহলী আমাদের জানিয়ে দেয় যে, ও টেস্ট অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে। ওর নেতৃত্বকে আমরা সম্মান করি। দলের নেতা হিসাবে যা অর্জন করেছে তার জন্য ওকে আমরা অভিনন্দন জানিয়েছি। বুমরা আরও বলেন, অধিনায়ক না হলেও বিরাট আমাদের দলের নেতা থাকবে। ওর মতো শক্তি ভারতীয় দলে প্রায় কারওর নেই। ভারতীয় ক্রিকেটে একটা বদল নিয়ে এসেছে ও। প্রত্যেকে এখন অনেক বেশি ফিট। আমাদের দলে ও-ই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। খেলার প্রতি ওর জ্ঞান বরাবর দলের কাজে লাগবে।

তবে বুমরা এটাও স্পষ্ট জানিয়েছেন, নেতৃত্বের এই বদল সম্ভবত দলের পারফরম্যান্সে কোনও প্রভাব ফেলবে না। বুমরার কথায়, সবার কথা বলতে পারব না। তবে আমার কাছে এই ঘটনা কোনও প্রভাব ফেলবে না। আমরা প্রত্যেকে একে অপরকে কোনও না কোনও উপায়ে সাহায্য করার জন্য তৈরি। আমরা জানি যে প্রক্রিয়া মেনে এগোচ্ছি তাতে পরিবর্তন আসবেই। তাই আমার মনে হয় না বিরাট চলে যাওয়ায় কেউ কোনও সমস্যায় পড়বে।

তিনি নিজে কখনও দলের অধিনায়ক হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করেন? বুমরা জানালেন, দলকে নেতৃত্ব দিতে কোনও সমস্যা নেই তাঁর। বলেছেন, দলকে যে ভাবে পারি সাহায্য করতে চাই। যদি কোনওদিন নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসে তা হলে অবশ্যই সেটা নিয়ে ভাবব। কিন্তু নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কখনও ধাওয়া করব না। আমি নিজের কাজটা করতেই বেশি ভালোবাসি। তার জন্য আমাকে অধিনায়ক করতেই হবে এমন কোনও ব্যাপার নেই। দলের জয়ে অবদান রাখার থেকে বড় আমার কাছে কিছু নেই।

নিউজ ট্যাগ: বিরাট কোহলী

আরও খবর



ঘন কুয়াশার কারণে মাঝনদীতে আটকা পড়েছে ৪ ফেরি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঘন কুয়াশার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে যাত্রী নিয়ে মাঝনদীতে আটকা পড়েছে চারটি ফেরি। এ ছাড়া ঘাটে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক শিহাবউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, দুর্ঘটনা এড়াতে মঙ্গলবার রাত দেড়টা থেকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাতে হঠাৎ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এ সময় ফেরির মার্কিং বাতির আলো অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। এজন্য দুর্ঘটনা এড়াতে এই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলে পুনরায় আবারও ফেরি চলাচল শুরু হবে।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জিল্লুর রহমান জানান, পদ্মায় দুর্ঘটনা এড়াতে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এ সময় মাঝনদীতে যাত্রী নিয়ে ৪টি ফেরি আটকা পড়ে। অন্য ফেরিগুলো পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে নোঙর করা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফেরি বন্ধ থাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ বাজার পর্যন্ত মহাসড়কের ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পাড়ের অপেক্ষায় রয়েছে শত শত গাড়ি। এর মধ্যে রয়েছে চেয়ারকোচ পরিবহন, ট্রাক, প্রাইভেট কার, পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন। প্রচন্ড শীত ও কুয়াশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।

এদিকে দুর্ঘটনা এড়াতে রাত সাড়ে ৩টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয় শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে।

নরসিংহপুর ফেরিঘাটের ঘাট ব্যবস্থাপক আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যায়, তাই ঝুঁকি এড়াতে শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

এই রুটে সাতটি ফেরি চলাচল করে। এই মুহূর্তে কোনো ফেরি নদীতে নোঙর করা অবস্থায় নেই। নরসিংহপুর ঘাটে চারটি ফেরি এবং হরিণাঘাটের ফেরি যানবাহন নিয়ে অবস্থান করছে। কুয়াশা কেটে গেলে ফেরিগুলো নদী পার হবে।

তবে এ মুহূর্তে নরসিংহপুর ফেরিঘাটে দেড় শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে।


আরও খবর



ড্রেন ও খোলা স্থানে বর্জ্য ফেললে ২ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ড্রেন ও খোলা স্থানে বর্জ্য ফেলা বন্ধে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২১করেছে সরকার। এতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যত্রতত্র বর্জ্য ফেললে ২ বছরের কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানাসহ উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ড্রেন ও খোলা স্থানে বর্জ্য ফেলা বন্ধে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ অনুবিভাগ) কেয়া খান বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজটি মূলত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনের। তবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিধিমালা করা হয়েছে। এই বিধিমালা বাস্তবায়ন করা গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উন্নতি হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের সব দেশেই প্লাস্টিকসহ অপচনশীল বর্জ্য রয়েছে। আমাদের সমস্যা হলো আমরা সেটা ম্যানেজ করতে পারি না। সেই বিষয় সামনে রেখেই বিধিমালা করেছি। বিধিমালার গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে- এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপন্সিবিলিটি (ইআরপি)। যাদের পণ্য থেকে বর্জ্যের সৃষ্টি হচ্ছে তাদের দায়-দায়িত্বে মধ্যে আনা হয়েছে। বর্জ্য রিসাইক্লিং ও ডিসপোজালের ক্ষেত্রে তাদের দায়-দায়িত্ব ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। ইপিআরের মাধ্যমে এটা করা হবে। বিধিমালায় বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ড্রেন ও রাস্তায় বর্জ্য ফেললে দুই বছরের কারাদণ্ডের বিষয়ে কেয়া খান বলেন, মানুষকে শৃঙ্খলায় আনতে এটি করা হয়েছে, সচেতন করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে।

 


আরও খবর