আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

লন্ডনে বাংলাদেশি স্কুলশিক্ষকে হত্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনে এক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি স্কুলশিক্ষকে হত্যা করা হয়েছে। সাবিনা নেসা (২৮) নামে শিক্ষক শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বত্তদের হাতে নিহত হন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সাবিনা দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের লুইশামে থাকতেন। প্রায় এক বছর ধরে তিনি ক্যাটফোর্ডের রুশে গ্রিন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকতা করছিলেন।

খবরে আরও বলা হয়, বাড়ি থেকে পাঁচ মিনিট দূরত্বের একটি বারে বন্ধুর সঙ্গে হেঁটে দেখা করতে যাওয়ার সময় সাবিনাকে হত্যা করা হয়। শনিবার সকালে একটি পার্ক থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

লন্ডন পুলিশ জানিয়েছে, সাবিনা  রাত সাড়ে ৮টার দিকে লন্ডনের অ্যাস্টেল রোডের বাসা থেকে হেঁটে দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের কিডব্রুক ভিলেজের একটি বারে যাওয়ার সময় আক্রমণের শিকার হন।

পুলিশ এ ঘটনায় তদন্তে নেমেছে এবং হত্যার অভিযোগে ৪০ বছর বয়সী একজনকে আটকের পর আবার  ছেড়ে দিয়েছে।  তবে পরবর্তীতে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

লন্ডন পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জো গ্যারিটি বলেন, তদন্তের কাজে বেশ অগ্রগতি হত্যাকারীকে খুঁজে বের করার জন্য আমাদের সকল ক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছি।


আরও খবর
২০০ নারী পাচার, ভারতে আটক যশোরের মনির

বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১




ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় যুক্ত হলো জাতিসংঘ

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল, আগস্টের শুরুতে চুক্তি চূড়ান্ত হলে সেপ্টেম্বর থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করবে জাতিসংঘ। তবে কিছুটা বিলম্ব হলেও অবশেষে ভাসানচরে যুক্ত হচ্ছে জাতিসংঘ

বাংলাদেশ সরকার এবং জাতিসংঘের মধ্যে ভাসানচর সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো কাজ করছে। সেগুলোর পক্ষে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে এ চুক্তির মাধ্যমে ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক কার্যক্রমের সুরক্ষা ও নীতিমালার একটি সার্বজনীন কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হলো।

শনিবার (৯ অক্টোবর) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এ নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশের পক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহসীন এবং জাতিসংঘের পক্ষে ইউএনএইচসিআরের কান্ট্রি ডিরেক্টর চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউএনএইচসিআর জানায়, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সরকারের ও জনগণের উদারতা ও সহায়তা আবারও প্রতিফলিত হয়। পাশাপাশি এ দেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সহায়তায় বাংলাদেশের নেতৃত্বের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা চালু রাখার প্রত্যয়ও আরেকবার ফুটে ওঠে।

সংস্থাটি বলছে, ভাসানচর বিষয়ক এ ঐকমত্যের মাধ্যমে দ্বীপটিতে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সেবা ও কার্যক্রমে সরকার ও জাতিসংঘের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা সম্ভব হবে। এগুলোর মধ্যে আছে সুরক্ষা, শিক্ষা, দক্ষতা, প্রশিক্ষণ, জীবিকা ও স্বাস্থ্যসেবা; যার মাধ্যমে শরণার্থীরা দ্বীপে মানসম্মত জীবনযাপন করতে পারবে এবং ভবিষ্যতে মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে।

ইউএনএইচসিআর বলছে, এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগে জাতিসংঘ কক্সবাজারে এবং ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রয়োজন ও মতামত জানার জন্য তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে দ্বীপটি পরিদর্শন করেছে। শরণার্থীদের সঙ্গে এবং সরকার ও বাংলাদেশি এনজিওগুলোর সঙ্গে এরকম আলোচনা নিয়মিত ভিত্তিতে চালু থাকবে; এটি ভাসানচরের মানবিক ও সুরক্ষা কার্যক্রমের জন্য সহায়ক হবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য চলমান মানবিক কার্যক্রমের এ বছরের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানে এখন পর্যন্ত অর্ধেকেরও কম অর্থায়ন হয়েছে। চলমান সহায়তা বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জাতিসংঘ আহ্বান করছে। বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আকাঙ্ক্ষা নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া। জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকার সেই অগ্রাধিকার নিয়েই কাজ করছে। এটি যতদিন সম্ভব না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত এ সহায়তা চলমান থাকবে।

চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষের দিকে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় জাতিসংঘের সঙ্গে একটি খসড়া চুক্তি করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল, আগস্টের শুরুতে চুক্তি চূড়ান্ত হলে সেপ্টেম্বর থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করবে জাতিসংঘ। তবে কিছুটা বিলম্ব হলেও অবশেষে ভাসানচরে যুক্ত হচ্ছে জাতিসংঘ।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো থেকে শরণার্থীদের ভাসানচরে স্থানান্তর নিয়ে জাতিসংঘের আপত্তি ছিল। তবে গত ১৭ মার্চ তিন দিনের সফরে ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের দেখতে যান জাতিসংঘের ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। ভাসানচর ঘুরে আসা জাতিসংঘের কর্মকর্তারা প্রায় মাসখানেক পর ভাসানচর নিয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানান। অর্থাৎ, ভাসানচরে মানবিক সহায়তায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সায় দেয় সংস্থাটি।

চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের প্রথম দেখতে যায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) একটি প্রতিনিধি দল। সর্বশেষ চলতি মাসের শুরুর দিকে ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের দেখতে যান ঢাকায় নিযুক্ত ১০ বিদেশি রাষ্ট্রদূত। সফর শেষে দাতা গোষ্ঠীদের এসব কূটনীতিকরাও ভাসানচর নিয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানান।

কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে অধিকতর নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয় করে ভাসানচর প্রস্তুত করে বাংলাদেশ সরকার। বছর দুয়েক আগেও ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করা সম্ভব ছিল না আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষেধাজ্ঞার কারণে।

তবে গতবছরের ডিসেম্বর থেকে জাতিসংঘের অনিচ্ছা সত্ত্বেও এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করে সরকার। এ পর্যন্ত ছয় দফায় ১৮ হাজার ৫২১ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: রোহিঙ্গা

আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল না হওয়ায় অসন্তোষ হাইকোর্টের

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জমি নিয়ে বিরোধের এক রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট বলেছেন, ২০০৪ সালে আইন হয়েছে। আছে আদালতের রায় ও নির্দেশ। তা সত্ত্বেও ১৭ বছরেও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন হলো না, যা আদালতের জন্য বিরক্তিকর।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে নিয়োজিত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ করে গতকাল রোববার হাইকোর্ট এসব কথা বলেন। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিটের ওপর শুনানি হয়।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমারের উদ্দেশে আদালত আরও বলেন, ১৭ বছরেও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারেননি। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলেন। কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, জানান। ব্যবস্থা না নেওয়া হয়ে থাকলে প্রয়োজনে সচিবকে ডেকে আনা হবে।

এ সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার বলেন, ২০১৩ সালে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারক নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

তখন আদালত বলেন, গ্রামারের কথা এই আদালতে বলবেন না।

ডেমরার ডগার মৌজায় অবস্থিত সাড়ে চার কাটা জমি নিয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের দুটি রায় ও সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে মো. আশরারুল আজিম ওই রিট করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নসীব কায়সার।

পরে আইনজীবী নসীব কায়সার  বলেন, ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ২০০৪ সালে সংশোধন করা হয়। সংশোধনীতে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা রয়েছে। সংশোধনীর পর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হলেও আপিল ট্রাইব্যুনাল এখনো গঠন করা হয়নি।

আইনজীবীরা বলছেন, ২০০৪ সালের সংশোধিত রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ২ ধারায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ও ল্যান্ড সার্ভে আপিলের ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা বলা হয়েছে। আইন অনুযায়ী দেশে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।ট্রাইব্যুনালগুলোর নেতৃত্বে আছেন যুগ্ম জেলা জজ পর্যায়ের বিচারক। ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল না থাকায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি ও আদেশে সংক্ষুব্ধ বিচারপ্রার্থী উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন।

২০১৯ সালের ২৫ জুলাই হাইকোর্ট এক রায়ে অনুলিপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে আদালতকে অবহিত করতে ভূমিসচিবকে নির্দেশ দেন।

রায়ে বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, তথা দীর্ঘ ১৫ বছরে ভূমি মন্ত্রণালয় আপিল ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে না পারায় লাখ লাখ মানুষ চরম ও সীমাহীন দুর্ভোগে নিমজ্জিত হয়েছে। সাধারণ জনগণ যাদের কারণে দীর্ঘ ১৫ বছর এই ভোগান্তি ভোগ করল, তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। দাঁড়াতে হবে জনগণের কাঠগড়ায়।

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট

আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | ২০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে পূজামণ্ডপে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে বিভিন্ন সংগঠন।  শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টার পর তারা শাহবাগ মোড়ের রাস্তায় বসে বিভিন্ন স্লোগান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদ শুরু করেন।

এদিকে প্রতিবাদ সমাবেশের কারণে রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে।

শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, শুক্রবার দুপুর ১২টার পর থেকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন শাহবাগ মোড়ে এসে প্রতিবাদ করতে থাকে। কিন্তু বিকেল ৪টার পর তারা রাস্তা অবরোধ করে বসে পড়েন। তাদের সরিয়ে দিয়ে রাস্তা ফাঁকা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন।

এদিকে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সড়কের উভয় পাশে যানবাহন সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। কাঁটাবন, ফার্মগেট, বিজয়নগর, কাকরাইল, মালিবাগ, বেইলি রোডসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট দেখা গেছে। যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।


আরও খবর
ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৭৩

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




প্যানডোরা পেপার্স: বিদেশে গোপন বিনিয়োগ ছিল শচীনের

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হঠাৎ করেই প্যানডোরা পেপার্সে উঠে আসা অনেক জনের নাম নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতা, রাজনীতিবিদ, ধনকুবেরের পাশাপাশি সেলিব্রেটিদেরও গোপন সম্পদ ও লেনদেনের বিপুল পরিমাণ নথি ফাঁস হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বিবিসির ওই প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বর্তমান ও সাবেক নেতা, ব্যবসায়ী নেতা, পপ তারকা ও বিনোদন জগতের তারকাদের পাশাপাশি প্যানডোরা পেপার্সে নাম রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারেরও। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশে গোপন বিনিয়োগ ছিল শচীনের।

সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ব্যাটারের নাম থাকায় বিস্মিত শচীনের আইনজীবী। তিনি জানিয়েছেন, শচীনের বিদেশে বিনিয়োগ রয়েছে। তবে সকল বিনিয়োগ বৈধ এবং এসব বিষয়ে কর কতৃপক্ষের কাছে সব তথ্য রয়েছে।

এই অনুসন্ধানে আইসিআইজে’র প্রায় সাড়ে ছয় শতাধিক সাংবাদিক অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যম প্রায় এক কোটি ২০ লাখ নথি ও ফাইলপত্র হাতে পেয়েছে। সেইসব নথিতে ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, পানামা, বেলিজে, সাইপ্রাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের ১৪টি আর্থিক সেবা কোম্পানির তথ্য রয়েছে।



আরও খবর
অজিদের কষ্টার্জিত জয়

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




‘নিবন্ধন করেও যারা টিকা পাননি, ক্যাম্পেইনে তাদের অগ্রাধিকার’

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে আবারও টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। টিকা পেতে নিবন্ধন করেও দীর্ঘদিন পরও যারা টিকা পাননি, ক্যাম্পেইনে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশের করোনা পরিস্থিতি ও টিকা কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, যারা অনেকদিন আগে নিবন্ধন করেছেন কিন্তু এখনও টিকা পাননি, তাদের অবশ্যই আমরা অগ্রাধিকার দেব। এটা ঠিক, প্রথমদিকে নিবন্ধন অনেক হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে একটি জট তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো দিন ২০ থেকে ২৫ লাখ লোকের নিবন্ধনও হয়েছিল। এখন আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা আছে, এখন আর জট থাকবে না।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশে টিকা উৎপাদনের বিষয়টি চলমান আছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টা ফার্মা এ নিয়ে চীনের সঙ্গে কাজ করছে। যতটুকু জানি, তাদের কাজকর্ম চলমান রয়েছে। তারা যেভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আশা করি সেভাবেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন। আমাদের টিকার কোনো কোনো ঘাটতি হবে না। ডিসেম্বরের মধ্যে কেনার মাধ্যমে এবং কোভ্যাক্স থেকে যথেষ্ট পরিমাণ টিকা পাব আমরা।



আরও খবর