আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

মাগুরায় বাস খাদে পড়ে দুইজন নিহত, আহত ৫০

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রবিবার দুপুরে যশোর থেকে মাগুরাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস রামকান্তপুর ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়

মাগুরায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাগুরা-যশোর সড়কের রামকান্তপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

মাগুরার শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হোসেন আল মাহমুদ দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, রবিবার দুপুরে যশোর থেকে মাগুরাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস রামকান্তপুর ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহতদের সদর হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন শালিখা থানার ওসি হোসেন আল মাহমুদ।

নিউজ ট্যাগ: মাগুরা

আরও খবর



মিয়ানমার থেকে ভারতে পালাচ্ছেন মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের সীমান্ত লাগোয়া মিয়ানমারের শহরের অধিকাংশ জনগণই পালিয়ে যাচ্ছেন। দেশটির সেনাবাহিনী ও সামরিক শাসনের বিরোধী মিলিশিয়াদের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যেই বেশ কয়েকটি ভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরেই সেখানকার অধিবাসীরা বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে শুরু করেন। এছাড়া ৩০ সেনা নিহত হওয়ার দাবি করেছেন জান্তাবিরোধী মিলিশিয়ারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সংবাদমাধ্যমের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। চিন রাজ্যের থান্টল্যাঙ্গে স্বাভাবিকভাবে ১০ হাজারের মতো মানুষ বসবাস করছিলেন। কিন্তু তাদের অধিকাংশই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ভারতসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় চলে গেছেন।

ভারতের মিজোরামের সুশীল সমাজের একটি গ্রুপ বলছে, গেল দুসপ্তাহে দুটি জেলায় মিয়ানমার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার লোক পালিয়ে এসেছেন। সামরিক ধরপাকড় থেকে বাঁচতে তারা এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।

গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সুচির সরকারকে উৎখাত করে গেল পহেলা ফেব্রুয়ারি সামরিক শাসন জারি করা হলে দেশটিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নাগরিকেরা জান্তাবিরোধী ধর্মঘট ও বিক্ষোভের ডাক দিয়ে আসছেন।

থান্টল্যাঙ্গে গত সপ্তাহের লড়াইয়ের সময় অন্তত ২০টি বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়েপড়া ছবিতে দেখা গেছে, আগুন কীভাবে লোকজনের বাড়ি গ্রাস করে নিচ্ছে।

মিয়ানমার নাউ পোর্টালের খবর বলছে, একটি বাড়িতে আগুন নেভাতে চেষ্টাকালে এক খ্রিস্টান যাজককে গুলি করে হত্যা করেছে সেনারা। মিয়ানমারের দ্য গ্লোবার নিউ লাইট বলছে, যাজকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত চলছে। সেনারা অন্তত শতাধিক সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় ঘটেছে।

স্থানীয় কমিউনিটি নেতা সালাই থ্যাং বলেন, এখন পর্যন্ত চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি দখল করে নেওয়া হলে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

দ্য চিন প্রতিরক্ষা বাহিনী নামের একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী বলছে, তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত ৩০ সেনা নিহত হয়েছেন।

তবে হতাহতের এসব দাবি স্বাধীনভাবে তদন্ত করে দেখতে পারেনি রয়টার্স। এ নিয়ে সামরিক বাহিনীর মুখপাত্রের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। নিহত যাজকের এক স্বজন বলেন, একটি এতিমখানায় ২০টি শিশুসহ থান্টল্যাঙ্গে মাত্র কয়েকটি বাড়িঘর অবশিষ্ট আছে। বাপটিস্ট মিনিস্টারকে হত্যা ও বাড়িতে বোমা হামলা চালানো হয়েছে।


আরও খবর



১০ টাকার জন্য রিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দশ টাকা রিকশা ভাড়া বেশি চাওয়ায় বাকবিতন্ডার জেরে এক রিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা করেছে রিকশার যাত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে।

নিহত রিকশাচালক মো.আবুল হোসেন (৩৫) চৌমুহনী পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের গনিপুর গ্রামের চান মিয়ার ছেলে। সে পেশায়  একজন  বেটারী চালিত অটো রিকশা চালক।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের গনিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর পৌনে ২টার দিকে রিকশা চালক আবুল হোসেন চৌমুহনী রেল স্টেশন থেকে   এক  ব্যক্তিকে নিয়ে গনিপুর গ্রামে  ভাড়া নিয়ে যায়। একপর্যায়ে ওই যাত্রীর সাথে ভাড়া নিয়ে তার বাকবিতন্ডা বেধে যায়। পরে ওই যাত্রী দশ টাকা রিকশা ভাড়া বেশি চাওয়ার জেরে তাহার বাড়ি থেকে দা এনে রিকসা চলকের  গলায় কোপ দেয়। এতে তার গলার শ্বাসনালি কিছু অংশ কেটে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়   লোকজন  গুরুত্বর আহত অবস্থায় রিকশাচালককে  ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে সে মারা যায়।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান শিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতাওে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ঠিকানা জানাতে পারেনি।


আরও খবর
মায়ের ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




‘এশিয়াস গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড ২০২০-২১’ অ্যাওয়ার্ড পেল বসুন্ধরা টিস্যু

প্রকাশিত:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এশিয়াস গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড ২০২০-২১ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের পণ্য বসুন্ধরা টিস্যু। 

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) অনলাইন প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত ১৪তম এশিয়া-আফ্রিকা বিজনেস অ্যান্ড সোশ্যাল ফোরাম: অ্যাওয়ার্ড অ্যান্ড বিজনেস ই-সামিট শীর্ষক সম্মেলনে এ অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়। প্রতিবছর ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ পুরস্কার দেয় এশিয়াওয়ান ম্যাগাজিন ও ইউআরএস মিডিয়া। 

বসুন্ধরা গ্রুপ একটি সমৃদ্ধ ও উন্নয়নশীল দেশ গড়ার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন আয়োজকরা। 

বাংলার ঘরে ঘরে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বসুন্ধরা টিস্যু একটি নাম, একটি সাফল্য গাথা। বসুন্ধরা টিস্যু বাংলাদেশের মানুষকে দিয়েছে সুস্থভাবে জীবনযাপনের পদ্ধতি। যে টিস্যু একসময় ছিল উচ্চবিত্তের ঘরের শোভা, সেটি এখন ছড়িয়ে পড়েছে বাংলার প্রতিটি ঘরে শুধু বসুন্ধরা টিস্যুর কল্যাণে। বসুন্ধরা টিস্যু বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে পরিচ্ছন্ন জীবনের প্রতিশ্ৰুতি আর অর্জন করেছে অগণিত ভোক্তার আস্থা ও ভালোবাসা। এর আগে বসুন্ধরা টিস্যু অর্জন করেছে সুপারব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড। এছাড়া পরপর তিনবার ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ সালে বসুন্ধরা টিস্যু অর্জন করেছে বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড।

এবার এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক ও সামাজিক নেতাদের পারস্পরিক কল্যাণ ও সহযোগিতার জন্য একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে কাজ শুরু করেছে এশিয়াওয়ান মিডিয়া গ্রুপ। তারই অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হলো এশিয়া আফ্রিকা বিজনেস অ্যান্ড সোশ্যাল ফোরামের ১৪তম আসর।

আয়োজনে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সমাজকর্মী, উদ্যোক্তা, চলচ্চিত্র অভিনেতা-অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র পরিচালক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, অর্থনৈতিক উপদেষ্টাসহ সিঙ্গাপুর, দুবাই, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, চীন/হংকং, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠন, নেতৃবৃন্দ, ব্র্যান্ড, সিএসআর, মার্কেটিং ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, এশিয়াওয়ান একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এবং এটি এশিয়ার মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার ১২টিরও বেশি দেশে প্রচলিত একমাত্র ব্যবসাভিত্তিক ম্যাগাজিন। এশিয়াওয়ান মিডিয়া প্রতিবছরই গবেষণাভিত্তিক একটি তালিকা তৈরি করে থাকে এবং সে অনুযায়ী অগ্রগামীদের সম্মান জানায়।



আরও খবর
সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সবজির

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




আত্মঘাতী বিস্ফোরণে বিদেশি নাগরিকসহ কাবুলে নিহত ১৩

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৫৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পশ্চিমা সৈন্য-নাগরিক ও আফগান সহযোগীদের সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপক তোড়জোড়ের মধ্যে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে শিশুসহ অন্তত ১৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন আরও অনেকে। হতাহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার অন্তত দুই আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী বিস্ফোরণ ঘটালে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের বিষয়টি এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে জানানো হয়েছে।

দেশটির ক্ষমতাসীন নতুন শাসকগোষ্ঠী তালেবানের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে সন্দেহভাজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীর বিস্ফোরণে শিশুসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

বিবিসি জানিয়েছে, বিমানবন্দরের অ্যাবে গেটের প্রবেশদ্বারে বিস্ফোরণ ঘটেছে। সন্ত্রাসী হামলার হুমকির কারণে সতর্কতা হিসেবে বন্ধ করে দেওয়া তিনটি গেটের একটি অ্যাবে গেট। দেশ ছাড়তে মরিয়া হাজারো আফগান সেখানে অবস্থান করছেন।

ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি জোনাথন বিয়ালে বলেছেন, কাবুল বিমানবন্দরে প্রথম বিস্ফোরণের পরপর দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের পাশাপাশি সেখানে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গোলাগুলিও হয়েছে। জোড়া এই বিস্ফোরণ বিমানবন্দরের অ্যাবে গেটের কাছের প্রবেশদ্বারে ঘটেছে; যেখানে হাজার হাজার আফগান গত ১২ দিন ধরে অবস্থান করছেন।


আরও খবর



শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা আরও আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গণভবনে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার খসড়া উপস্থাপনা অবলোকন করে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি যে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, বিজ্ঞানপ্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে, আমাদের এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। এ জন্য শিক্ষাকার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা একান্তভাবে অপরিহার্য।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের নীতিমালার ভিত্তিতে আমরা কাজ করবো। কিন্তু আমাদের সব সময় সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে এবং বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আর এ বিজ্ঞানপ্রযুক্তি জ্ঞানের ক্ষেত্রে বিশ্ব এগিয়ে যায় আমরা পিছিয়ে থাকতে পারি না।

বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরেকটা বিষয় আমি লক্ষ্য করেছিলাম আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েদের বিজ্ঞানের প্রতি অনিহা। বিজ্ঞান শিক্ষা তারা নিতেই চাই তো না। বিজ্ঞান বিভাগের লোকই পাওয়া যেতো না। এ রকম একটা সময় কিন্তু ছিল। আমরা বিজ্ঞান শিক্ষায় গুরুত্ব দিই। আমরা ১২টা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারের চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেহেতু আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলছি, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।

দীর্ঘদিন পর রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ রোববার থেকে আমরা স্কুল-কলেজ খুলে দিয়েছি, ধীরে ধীরে সবগুলো খুলে যাবে। যার ফলে আবার নতুনভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি বলেন, আমাদের অত্যন্ত দুর্ভাগ্য আমরা প্রায় দেড় বছরের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারিনি। যদিও অনলাইনে বা টেলিভিশনের মাধ্যমে বা ঘরে বসে- ঘরেই আমরা স্কুল এরই ধরনের বহুমুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছি, কাজ করেছি। কিন্তু স্কুলে যাওয়ার আনন্দ, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার আনন্দ থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়েছে।

করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, করোনাকালীন সময়ে যখন সব কিছু স্থবির তখন আপনারা যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষার ক্ষেত্রে এখনকার যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কীভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় করা যায়। আবার সেই সঙ্গে সঙ্গে জীবন-জীবিকার পথটাও যেন খোলে। সেই বিষয়টার দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে আপনারা এ কার্যক্রমগুলো করেছেন।

শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন এলাকায় নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এ পর্যন্ত যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছি। যেসব এলাকায় স্কুল ছিল না। সেসব এলাকায় আমরা স্কুল তৈরি করে দিচ্ছি।

তিনি বলেন, আমাদের নদী-নালা, খাল বিলের দেশ। ছোট ছোট শিশুদের যোগাযোগ ও যাতায়াতের ব্যবস্থা বিবেচনা করেই কিন্তু আমরা বিভিন্ন এলাকায় স্কুল তৈরির করার ব্যবস্থা নিয়েছি।


আরও খবর