আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

মাগুরায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | ৯১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি:

বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দুর করি এই প্রতিপাদ্যে সারাদেশে শুরু হয়েছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২১। এই মৎস্য সপ্তাহ চলবে ২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তারাই ধারাবাহিকতায় মাগুরার মহম্মদপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই মতনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু আব্দুল্লাহেল কাফি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তফা আল-রাজীব। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদৌসী আক্তার।


আরও খবর



ওমরা পালনে সিনোফার্মের টিকা নিয়ে জটিলতার অবসান

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ওমরা পালনে আগ্রহী ব্যক্তিদের করোনার প্রতিরোধে সিনোফার্মের টিকা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। বুধবার দুপুরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

ওমরা পালনে আগ্রহী ব্যক্তিদের বুস্টার ডোজের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ সিনোফার্ম অ্যাকসেপ্ট করছে। যখন সিনোফার্ম অনুমোদন দেয়নি তখন ছিল বুস্টার ডোজের কথা। কিন্তু যে মুহূর্তে সিনোফার্ম অনুমোদন দিয়েছে তখনতো বুস্টার ডোজের প্রশ্ন আসবে না।

বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ভার্সন-২) এর আওতায় অনলাইন রিজার্ভেশন সিস্টেম ও হোটেল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ওমরা বিষয়ে টিকা নিয়ে জটিলতার সর্বশেষ আপডেট জানতে চাইলে মাহবুব আলী বলেন, এ বিষয়ে হজ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আমাদের একটি ওয়েবিনার ছিল। সেখানে আমি অংশ নিয়েছিলাম। ওই ওয়েবিনারে প্রশ্নটা এসেছিল, সৌদি কর্তৃপক্ষ সিনোফার্মকে অনুমোদন দেয়নি।  আমাদের দেশের অনেক লোক সিনোফার্মের টিকা নিয়েছেন। পরবর্তীকালে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা হজ মিশনে যারা আছেন তাদের যোগাযোগের মাধ্যমে সৌদি কর্তৃপক্ষ সিনোফার্মকে অ্যাকসেপ্ট করেছে।



আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নুসরাতের পেছনে যুদ্ধাপরাধী-সুশীল সিন্ডিকেট

প্রকাশিত:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুনিয়ার মৃত্যুর মামলাকে জিইয়ে রাখতে উৎসাহী যুদ্ধাপরাধী এবং সুশীল সিন্ডিকেট এই মামলাটি যেন চলমান থাকে, জনমনে যেন এই মামলা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, সেজন্য তৎপর এই যুদ্ধাপরাধী সিন্ডিকেট। এরা নুসরাতকে যেকোনো মূল্যে এই মামলা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিচ্ছে এবং প্ররোচিত করছে।

নুসরাত যেন এই মামলা থেকে সরে না আসে সেজন্য যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে নুসরাতকে।

মুনিয়া ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী এবং সুশীল সমাজ দুটি কৌশল গ্রহণ করেছে।

প্রথমত, আইনি সহায়তা, মুনিয়ার মৃত্যুর বিষয়টিকে আইনি সহায়তা দিতে যুদ্ধাপরাধীদের অর্থায়নে একটি আইনজীবী প্যানেল করা হয়েছে। প্রকাশ্যে যে কজন আইনজীবী আছেন এরা সবাই জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধী ঘরনার। নেপথ্যে থেকে এদের সহায়তা দিচ্ছে সুশীল সমাজ নিয়ন্ত্রিত কয়েকজন আইনজীবী।

দ্বিতীয়ত, মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাগামহীন প্রচারণা এবং মিথ্যাচার করছে। যুদ্ধাপরাধীদের অর্থায়নে পরিচালিত কিছু তথাকথিত ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুকে এই ইস্যুতে অবিরাম মিথ্যাচার করা হচ্ছে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি অথবা বসুন্ধরা শিল্প পরিবারকে ঘায়েল করার জন্য বা তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্যই হয়তো এতো আয়োজন। কিন্তু একটু অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, বসুন্ধরা গ্রুপ না মূল টার্গেট হলো সরকার।

বসুন্ধরা ইস্যুকে সামনে রেখে সরকারকে অস্থির করে তোলাই যুদ্ধাপরাধী এবং সুশীলদের মূল লক্ষ্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব নোংরা কথাবার্তা বলা হচ্ছে সেগুলোতে আক্রমণ করা হচ্ছে, পুলিশ বাহিনীকে, আইন ও বিচার মন্ত্রীকে এবং সরকারকে। পাশাপাশি এই ঘটনাকে রং মিশিয়ে প্রচারের মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এই ঘটনায় আতঙ্ক অনুভব করছেন। কোনো কিছু না করেই, একজনকে না চিনে, না জেনেও যদি বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের মতো একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে আসামি করা যায়।

এ ধরনের খ্যাতিমান ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি যাচাই-বাছাই ছাড়াই মামলা আমলে নেওয়া হয়, তাহলে কোনো ব্যবসায়ীই নিরাপদ নয়। দেশের পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত ও বিব্রত করা, আইন ও বিচারমন্ত্রী, যনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে মুনিয়া ইস্যুতে একের পর এক নাটক সাজানো হচ্ছে।

সোশাল মিডিয়াতে যুদ্ধাপরাধীদের টাকায় খোলা হয়েছে অনেকগুলো গুজবের ফ্যাক্টরি। এসবের মূল লক্ষ্য একটাই, সরকারকে বিব্রত করা। মুনিয়া ইস্যু আসলে সরকারের বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধী ও সুশীলদের সৃষ্ট নতুন নাটক।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের অসম্পূর্ণ বিচার সম্পন্ন করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | ১৯২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার সম্পূর্ণ বিচার হয় নি। আংশিক বিচার হয়েছে। সে দিন যারা ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল এবং ষড়যন্ত্র যারা জেনেছিল তাদের কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড প্রতিরোধের জন্য কোন পদক্ষেপ নেন নি, আমাদের দেশের দন্ডবিধি অনুসারে তারাও অপরাধী। সে দিন বঙ্গবন্ধুকে নিরাপত্তা দেওয়া যাদের দায়িত্ব ছিল, যারা রাজনৈতিক দায়িত্বে ছিলেন তাদের গাফিলতির কারণে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ঘটেছিল। গাফিলতির দায়ে তাদেরও বিচার হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু হয় নি। যারা খন্দকার মোশতাকের আনুগত্য প্রকাশ করে নিজে লাভবান হয়েছিলেন, তারাও অপরাধী। কমিশন গঠন করে অথবা ফৌজধারী কার্যবিধি অনুসারে নতুন চার্জশীট দিয়েও অসম্পূর্ণ বিচার সম্পন্ন করা সম্ভব। বঙ্গবন্ধুর খুনি বা ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার করতে আইনে কোথাও কোন বাধা নেই। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের অসম্পূর্ণ বিচার সম্পন্ন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা না আসলে কোনদিন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হতো না। শেখ হাসিনা দৃঢ়তা ধারণ করে যা করবেন এটা অনেকে করবেন না। তাই নতুন করে সূচনা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে, ষড়যন্ত্রের সাথে, দায়িত্বে গাফিলতির সাথে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচার করতে হবে। যারা বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত, যারা ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত, যারা ষড়যন্ত্র জানার পরও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেয় নি এবং বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা যারা গাফিলতির কারণে বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে নি আমি আজ তাদের বিচার চাই। বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যক্তি নন, বঙ্গবন্ধু একটা বিশ্বাস, একটা প্রেরণা, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীয় জীবনের সবকিছুতে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত থাকা একটি সত্তা। বঙ্গবন্ধু একটি দীপ্ত প্রত্যয়।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, বঙ্গবন্ধু যেখানে সূচনা করেছেন, সেটাই সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্লু-ইকোনমির অপার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে বঙ্গবন্ধু প্রথম সমুদ্র আইন করেছিলেন। এ ধারাবাহিকতায় আমরা তাঁর সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশর প্রায় সমপরিমাণ জায়গায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি। বঙ্গবন্ধু মাছ আহরণের জন্য প্রথম ট্রলার নিয়ে এসেছেন তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে। বঙ্গবন্ধু যা শুরু করেছিলেন সেটা সুপ্রতিষ্ঠিত ও সম্প্রসারিত করেছেন করেছেন তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্বাসঘাতকরা কখনো বিলীন হয় না। একেকসময় একেকভাবে আবির্ভূত হয়। ১৭৫৭ সালের মীর জাফর, ১৯৭৫ সালের খন্দকার মোশতাক, ১৯৭৯ সালের বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষার বিলে স্বাক্ষরকারী জিয়াউর রহমানরা একেক সময় একেক রূপে আবির্ভুত হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার সময় যারা বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তারা কী ভূমিকা পালন করেছেন, যারা রাজনৈতিক দায়িত্বে ছিলেন তাদের কী ভূমিকা ছিল, কেনো তারা সবাই স্পর্শের বাইরে থাকলেন, চলে যেতে হলো জাতির পিতাকে, সে অধ্যায় আজ বিবেচনার সময় হয়েছে। তাদের সকলকে ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এর ব্যাখ্যা দিতে হবে। না হলে অনন্তকাল অপরাধীদের জায়গায় আমাদের স্থান থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশেনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল, বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক শেফাউল করিম আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।



আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




মাদক খাইয়ে আমার পর্ন ভিডিও ধারণ করা হয়: পরী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | ১৬৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পর্নকাণ্ডে বলিউডের অবস্থা টালমাটাল। অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই এক এক করে বেরিয়ে আসছে এই সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীদের নাম। বিস্ফোরক সব অভিযোগ আসছে প্রকাশ্যে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন প্রাক্তন মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া পরী পাসওয়ান।

তিনি অভিযোগ করেছেন, বলিউডে কাজ করতে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন তিনি। পরী বলেন, এক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অফিসে ডাকা হয়েছিল আমাকে। সেখানে কোমল পানিয়র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এরপর আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি। সেই অজ্ঞান অবস্থাতেই আমার পর্ন ভিডিও ধারন করা হয়। এবং সেটা ছড়িয়ে দেওয়া হয় অন্তর্জালে।

পরী জানান, এই বিষয়ে মুম্বাইয়ের একটি থানায় অভিযোগও দায়ের করেছিলেন। কিন্তু তাতে কোনো ফল হয়নি।

ভারতের ধনবাদের বাসিন্দা পরী পাসওয়ান। ছোট বেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল মডেলিং করার। গ্ল্যামার দুনিয়ায় ক্যারিয়ার গড়তে মুম্বাই পাড়ি জমিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া খেতাব পেয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে পর্ন ভিডিও বানানোর অভিযোগে গত ১৯ জুলাই গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর থেকে কয়েক দফায় তার জামিন আবেদন করা হলেও তা মেলেনি। এখনো পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পরী পাসওয়ান

আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, কাবুল ছেড়েছেন বারাদার

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে তালেবান নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। দেশটির নতুন সরকার গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বের পর তর্ক-বিতর্কে জড়িয়েছেন তারা। এর জের ধরে কাবুল ছেড়ে চলে গেছেন তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার।

তালেবানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বরাত দিয়ে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। তালেবানের ওই নেতারা জানিয়েছেন, দেশটির নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠন নিয়ে কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার এবং নতুন সরকারে স্থান পাওয়া এক মন্ত্রীর মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়।

তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আব্দুল গনি বারাদারকে সম্প্রতি প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়ার পর থেকেই আফগানিস্তানে নতুন সরকার গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে বলে খবর বের হয়েছে। তবে তালেবান আনুষ্ঠানিকভাবে এসব খবর প্রত্যাখ্যান করেছে।

গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখলের মাধ্যমে আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতা দখলে নেয় তালেবান। এরপরই আফগানিস্তানকে ইসলামিক আমিরাত হিসেবে ঘোষণা করে করে গোষ্ঠীটি।

গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষণা করে তালেবান। দেশটির নতুন এই সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ। কোনো নারীর স্থান না হওয়া নতুন এই সরকারে এমন সব জ্যেষ্ঠ ও কট্টরপন্থি তালেবান নেতাদেরকে স্থান দেওয়া হয়েছে, যারা গত দুই দশক ধরে দেশটিতে মার্কিন বাহিনীর ওপর জঘন্য সব হামলা পরিচালনার জন্য অভিযুক্ত।

আফগানিস্তানের নতুন সরকারের প্রধান হলেও মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ জাতিসংঘের কালো তালিকায় রয়েছেন। ১৯৯৬-২০০১ সালে তালেবানের প্রথম দফার সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অবশ্য বিশ্বের কোনো দেশই এখন পর্যন্ত তালেবানের এই সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি।

তালেবানের একটি সূত্র বিবিসি পশতুকে জানিয়েছে, আফগানিস্তানে গঠন করা নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিয়ে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে বাক-বিতণ্ডায় লিপ্ত হন মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার এবং নতুন সরকারের শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী খলিল-উর রহমান হাক্কানি। এসময় তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

খলিল-উর রহমান হাক্কানি দেশটির প্রভাবশালী হাক্কানি নেটওয়ার্কের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। উভয় নেতার বাক-বিতণ্ডার সময় আশপাশে থাকা তাদের অনুসারীরাও ঝগড়ায় লিপ্ত হন বলেও ওই সূত্রটি জানিয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, কাতারে অবস্থান করছেন তালেবানের এমন একজন শীর্ষ নেতাও এই ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের শেষের দিকে কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে এই ঘটনা ঘটেছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার সদ্য গঠনকৃত সরকার নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন এবং এ কারণেই মূলত বাক-বিতণ্ডার ওই ঘটনা ঘটেছে। বলা হচ্ছে- আফগানিস্তানে তালেবানের বিজয়ের পেছনে কাদের অবদান বেশি; এটি নিয়েও তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

গত সপ্তাহ থেকে বারাদারকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এরপরই নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে বারাদার নিহত হয়েছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে তা অস্বীকার করেছে তালেবান।

তালেবানের কয়েকটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, বাক-বিতণ্ডার পর মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার কাবুল ছেড়ে কান্দাহারে চলে গেছেন।

 

নিউজ ট্যাগ: তালেবান নেতা

আরও খবর