আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

‘মায়ের চেয়ে বড় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পৃথিবীতে তৈরি হয়নি’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৬১৫জন দেখেছেন
মশিউর রাহাত (পিরোজপুর)

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, প্রতিটি জায়গায় দেখবেন নারীর নেতৃত্ব কতটা সফল নেতৃত্ব। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলছে নারী নেতৃত্বে। সেই এগিয়ে যাওয়াকে ধরে রাখতে হলে আপনার মেধার বিকাশ ঘটাতে হবে।

মন্ত্রী আজ মঙ্গলবার পিরোজপুরে জাতীয় মহিলা সংস্থা আয়োজিত কৃতি ছাত্রীদের সনদ বিতরণ ও মহিলা সমাবেশে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, এ দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পিকার, শিক্ষামন্ত্রী, সংসদ উপনেতা, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শ্রমমন্ত্রীসহ একধিক সচিব,  ডিসি, এসপিসহ অনেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজ নারী। সেনাবহিনীর উচ্চপদে, পুলিশের উচ্চপদে আজ নারীরা কাজ করছে। আর এই সফল নারী নেতৃত্বের কারণেই দেশ আজ সল্পোন্নত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে পেরেছে।

এ সময় মন্ত্রী মায়েদের উদ্যেশ্যে বলেন, মায়ের শিক্ষার চেয়ে বড় শিক্ষা কোন প্রতিষ্ঠান পৃথিবীতে তৈরি হয়নি। একজন মাই পারে সন্তানকে আদর্শ শিক্ষা দিয়ে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। মা যদি বাড়িতে আদর্শ শিক্ষা না দিতে পারে তাহলে সন্তান বিপথে চলে যাবে। সে ক্ষেত্রে মাকেও শিক্ষিত মা হতে হবে। আদর্শিক শিক্ষার কোন বিকল্প নাই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মেয়ে সন্তান কোন বোঝা নয়। তার লেখা পড়ার খরচ সরকার বহন করছে। শুধু খেয়াল রাখতে হবে আপনার মেয়ে যেন কারও প্রলোভনে না পরে। আর এ সবই লক্ষ রাখতে পারে মা।

পরে পাঁচজন কৃতি প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদ ও ক্রেস্ট বিতরণ করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান রাশিদা আকরামের সভাপতিত্বে এবং সংস্থার সদস্য শিরিনা আফরোজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বশির আহমেদ, পিরোজপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চৌধুরী প্রমুখ।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ৭ কিলোমিটার তীব্র যানজট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ২৭১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফোরিঘাটের দৌলতদিয়া প্রান্তে প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের তৈরি হয়েছে। এ কারণে ভোগান্তিতে পড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীরা।বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়। ঘাটের ড্রেজিং কাজ চালু থাকায় এমন যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকাল থেকেই ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার প্রায় ৭ কিলোমিটার অংশ জুড়ে যাত্রীবাহী বাস, কাচা পণবাহী ট্রাক এবং কাভার্ডভ্যানসহ ব্যক্তিগত গাড়ীর জট রয়েছে। এই কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

খুলনা থেকে আগত সোহাগ পরিবহনের ড্রাইভার কালাম মিয়া বলেন, বুধবার (৬ অক্টোবর) রাতে ঘাট এলাকায় আসলেও ফেরিতে উঠতি পারি নাই। জ্যামে আটকে আছি। আর এখানে হোটেল, বাথরুম না থাকায় আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে।

যশোর থেকে কাচা পণ্য নিয়ে আসা ট্রাক-চালক মোসলেম উদ্দিন বলেন, বুধবার (৬ অক্টোবর) রাত ১টার সময় ফেরিঘাটে আসলেও এখনো ফেরিতে উঠতে পারি নাই। এই গরমে কাচা পণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। খুব ভয়ে আছি জ্যাম নিয়ে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডাব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন (বাণিজ্য) জানান, ঘাটের ড্রেজিং কাজ চলার কারণে যানবাহন পারাপারে একটু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সেটি নিরসনের জন্য কাজ করা হচ্ছে। এখন ২০টি ফেরির চলাচল করছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস ও কাঁচা-পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত সময়ে এই যানজট কেটে যাবে।


আরও খবর



আজ জাতীয় কন্যাশিশু দিবস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কন্যা শব্দের অনেকগুলো বিকল্প শব্দ আছে, যেমন- দুহিতা, আত্মজা, তনয়া, সুতা, নন্দিনী, মেয়ে, দুলারী ইত্যাদি। মেয়ে শিশুরা কখনোই যে অবহেলার বিষয় নয়, এই ডিজিটাল যুগে তা অনেকভাবেই প্রমাণিত। আজ জাতীয় কন্যাশিশু দিবস।

দেখা যায়, কন্যা সম্পর্কিত তিনটি দিবস চালু রয়েছে।  যার একটি কন্যা দিবস (ডটার্স ডে)। এটি পালিত হয় সেপ্টেম্বরের শেষ রোববার, আরেকটি জাতীয় কন্যাশিশু দিবস (গার্ল চাইল্ড ডে) ও অবশিষ্টটি আন্তর্জাতিক কন্যাসন্তান দিবস।  জাতীয় কন্যাশিশু দিবসের জন্য নির্ধারিত দিন হচ্ছে ৩০ সেপ্টেম্বর।

দিবসটি আজ (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে র্যালি, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচিসহ নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে।  এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য আমরা কন্যা শিশু, প্রযুক্তিতে হবো সমৃদ্ধ, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো।  বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেনের পক্ষ থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ৪ অক্টোবর পালিত হবে বিশ্ব শিশু দিবস। দিনটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ি, শিশুর জন্য বিনিয়োগ করি

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহে ২০১২ সাল থেকে প্রতিবছরের ১১ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। এদিকে প্রতিবছরের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শিশু সপ্তাহ পালন করা হয়। এই শিশু সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস হিসাবে।

হজরত আলী (রা.) বলেছেন, যে ঘরের (পরিবারের) প্রথম সন্তান কন্যা হয়, সে ঘর হয় বরকতময়। তাই কন্যাশিশু নিয়ে কোনো অবহেলা নয়।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




আজ থেকে নতুন রুটিনে প্রাথমিকের ক্লাস

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৬৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সংশোধিত রুটিন অনুযায়ী প্রাথমিকের শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা শুরু হচ্ছে আজ (২ অক্টোবর) থেকে। সংশোধিত রুটিন অনুসারে, নতুন রুটিনে কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিদিন প্রথম শিফটে ক্লাস শুরু হবে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে। তিনটি বিষয়ে ৪৫ মিনিট করে পাঠদান চলবে। শেষ হবে ১২টা ৫ মিনিটে।

তবে শিক্ষার্থীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ২৫ মিনিটের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে হবে। দ্বিতীয় শিফটে ক্লাস শুরু হবে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে যা শেষ হবে বেলা ৩টা ৪৫ মিনিটে। তবে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ঢুকবে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে।

নতুন রুটিন অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণির ক্লাস রোববার ও বৃহস্পতিবার এবং চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস শনিবার ও বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মঙ্গলবার প্রথম শ্রেণি এবং সোমবার দ্বিতীয় শ্রেণির ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। আর পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস প্রতিদিনই অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে পাট ও কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, ধান ও সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম ও আলু উৎপাদনে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় এবং বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ। কৃষি মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হবে বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো- আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ- ভালো উৎপাদনে ভালো পুষ্টি, আর ভালো পরিবেশেই উন্নত জীবন’। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, জাতির পিতার পথ ধরেই গ্রামীণ ও কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধিশালী সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কৃষি অন্তপ্রাণ। সদ্যস্বাধীন দেশ পুনর্গঠনে জাতির পিতা কৃষি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি কৃষির উন্নয়নে কৃষকদের মাঝে খাস জমি বিতরণ, ভর্তুকি মূল্যে সার, কীটনাশক, উন্নত বীজ, সেচ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করেন। জাতির পিতা গ্রামীণ ও কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে যে উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধিশালী সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারের যুগোপযোগী নীতি ও পদক্ষেপে দেশ দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। ফল, সবজির উৎপাদন অনেক গুণ বেড়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে উৎপাদিত মাছ এবং মাংস উৎপাদনে দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশের কৃষিপণ্যে রফতানি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এসব উদ্যোগ দেশের কৃষি উৎপাদনকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।

তিনি বিশ্ব খাদ্য দিবসের সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, সরকার মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে পাট ও কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, ধান ও সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম ও আলু উৎপাদনে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় এবং বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে আমাদের মোট খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়ে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন হয়েছে।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার গত সাড়ে ১২ বছরে কৃষি উন্নয়নে কৃষিবান্ধব ও বাস্তবমুখী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আমরা কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে রূপকল্প-২০৪১ এর আলোকে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮, নিরাপদ খাদ্য আইন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট, ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ সহ উল্লেখযোগ্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষির উন্নয়নে আমরা কৃষকদের জন্য সার, ডিজেল, বিদ্যুৎ ও কৃষিযান্ত্রিকীকরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং কৃষি প্রণোদনা/কৃষি পুনর্বাসন, কৃষিঋণ, কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ, ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ই-কৃষির প্রবর্তন, জলবায়ু ও ঝুঁকি সহনশীল ফসলের জাত/প্রযুক্তি উদ্ভাবন ইত্যাদির ব্যবস্থা করেছি। কৃষি শিক্ষা-গবেষণা খাতে আরও বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছি। যার ধারাবাহিকতায় খোরপোশের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক দেশ হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হব।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’ উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার ঢাকার ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) মিলনায়তনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক খাদ্য দিবসের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম ও গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সংস্থা প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয় সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ফলে করোনাকালেও দেশে খাদ্য উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রয়েছে ও তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ বোরো উৎপাদন হয়েছে ২ কোটি টনেরও বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। গত বছরের তুলনায় এ বছর সব ফসলের উৎপাদনই বেশি হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে জানান হয়, দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরতে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দিবসের প্রথম ভাগে সকালে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রতিপাদ্যের ওপর একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এ সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ স্মরণীয় করে রাখার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তার অংশ হিসেবে এ সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) প্রকাশিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ অবমুক্ত করবেন। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ দিয়ে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি উন্মোচন করবেন।

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে আন্তর্জাতিক সেমিনারের পর বিকালে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে একটি কারিগরি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। সেখানে দেশে বিদেশের কৃষি ও খাদ্য বিষয়ে প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করবেন।


আরও খবর
২৩ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১

২১ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে সার্বিয়াকে প্রস্তাব

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নেওয়ার জন্য সার্বিয়াকে প্রস্তাব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুসিকের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন খাতে দক্ষ-আধা দক্ষ কর্মী নেওয়ার এই অনুরোধ করেন তিনি।

আজ বুধবার (১৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট করোনা মহামারির চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে ড. মোমেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাবেক যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেপ ব্রোজ টিটোর মধ্যে ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ বর্তমানে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে জানতে পেরে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট উচ্ছ্বসিত হন।

সার্বিয়ার চলমান এবং উচ্চাভিলাষী উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বিশাল মানবসম্পদের প্রয়োজন বলে পর্যবেক্ষণ করে ড. মোমেন বাংলাদেশ থেকে আইটি পেশাজীবী, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার প্রভৃতি খাতে দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মী নেওয়ার প্রস্তাব দেন। সার্বিয়ান প্রেসিডেন্ট তার প্রস্তাবকে উষ্ণভাবে স্বাগত জানান। বাংলাদেশ থেকে শ্রম ও জনশক্তি নেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া তৈরির ওপর জোর দেন তিনি।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরে ড. মোমেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমার জান্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সার্বিয়ার মতো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সমর্থন চান। সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুসিক এ বিষয়ে বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেন।

বৈঠকে ড. মোমেন সার্বিয়ান প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান, যা তিনি গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীকেও সার্বিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেলগ্রেডে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন-ন্যামের ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। অনুষ্ঠানের ফাঁকে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১