আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

মেয়ের বিয়ের বাজার নিয়ে ফিরলেন ঠিকই, তবে লাশ হয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৬২৫জন দেখেছেন
আব্দুল্লাহ আল মামুন

Image

ভোলার লালমোহনে মেয়ের বিয়ের বাজার করতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে ফিরলেন বাবা। শুক্রবার (০৬ মে) বিকালে উপজেলার ইসলামপুর বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভোলার লালমোহনে ইজিবাইকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী আবদুল রশিদ মাল(৪৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়।

নিহত আবদুল রশিদ লালমোহন উপজেলা বদরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সরদার বাড়ির মৃতঃ আবদুল ওহাদ আলী মালের ছোট ছেলে। আবদুল রশিদ চট্টগ্রামে সিএনজি চালক। সেই ঈদের ছুটিতে মেজো মেয়ের বিয়ের উদ্দেশ্য বাড়িতে আসেন।

আবদুল রশিদ মালের বড় ভাই শাজাহান মাল জানান, তার ছোট ভাই জুম্মা নামাজ শেষে মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য দুই কিনতে বাড়ি থেকে নাজিরপুর বাজার উদ্দেশ্য মোটরসাইকেল নিয়ে রওয়ানা দেন ইসলামপুর বাজারে উত্তর পাশে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ইজি বাইকের সাথে সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই তার ভাই মারা যান। মেয়ের বিয়ের বাজার করতে গিয়ে এভাবে লাশ হয়ে ফিরবেন তার বাবা এটা বুঝতে পারিনি’ বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) এনায়েত হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর
হুমকির মুখে ভোলার শতকোটি টাকার শহর রক্ষা বাঁধ

বৃহস্পতিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২




গম লুটপাট করছে রুশ সেনারা: ইউক্রেন

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনের খেরসনসহ অধিকৃত বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রুশ সেনারা গম লুট করে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন থেকে বলা হয়েছে, এ সম্পর্কিত কোনো তথ্য রুশ সরকারের কাছে নেই।

বিবৃতিতে ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, খেরসন ও তার আশপাশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে গম লুটপাট করার অভিযোগ এসেছে। আমরা এই অপরাধমূলক তৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা চাই, অবিলম্বে এসব অপতৎপরতা বন্ধ হোক, অধিকৃত বন্দরসমূহ ফের চালু করা হোক এবং বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ থেকে সব মাইন অপসারণ করা হোক।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, মহামারির কারণে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চলমান সংকটকে আরও তীব্র করতেই রুশ সেনাদের এই নির্দেশ দিয়েছে মস্কো। বিবৃতিতে এ সম্পর্কে বলা হয়, একদিকে রুশ সেনারা খেরসন অঞ্চলে গম লুটপাট করছে, অন্যদিকে ইউক্রেনের বিভিন্ন বন্দরে খাদ্যশস্যবাহী জাহাজগুলো আটকে রেখেছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথে মাইন পেতে রেখেছে। বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তাকে বিপন্ন করতেই এ পন্থা বেছে নিয়েছে তারা।

এদিকে, পৃথক এক বিবৃতিতে শুক্রবার ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলর দপ্তর থেকে বলা হয়, গত ২৬ এপ্রিল ইউক্রেনের দক্ষিনাঞ্চলীয় শহর জাপোরিজ্জয়ায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ইউক্রেনীয় কৃষকদের কাছ থেকে ৬১ টন গম লুট করে নিয়ে গেছে রুশ সেনারা। এই ঘটনার জেরে ইতোমধ্যে ইউক্রেনের সরকারের পক্ষ থেকে একটি ফৌজদারি মামলাও করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে প্রসিকিউটর জেনারেলের দপ্তর।

ইউক্রেনের সরকারের এই অভিযোগ যাচাই করতে ম্যাসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের মাধ্যমে ক্রেমলিনে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। জবাবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র ও প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ বলেন, আমরা এ ব্যাপারে কিছু জানি না। এসব তথ্য কোত্থেকে তারা (ইউক্রেন) পেয়েছে তাও বলতে পারছি না।

আন্তর্জাতিক খাদ্যশস্য কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে গম রপ্তানিতে শীর্ষে থাকা দেশের তালিকায় ৪র্থ স্থানে আছে ইউক্রেন। প্রতিবছর ৪৪ দশমি ৭ মিলিয়ন গম বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ করে দেশটি। তবে চলতি বছর দেশটিতে রুশ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে রপ্তানির পরিমাণ।

নিউজ ট্যাগ: ইউক্রেন

আরও খবর



সম্রাটের জামিন বাতিল

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন বাতিল করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সাতদিনের মধ্যে তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মে)  হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজহারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার সম্রাটের জামিন বাতিল চেয়ে দুদকের করা আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদেশের জন্য বুধবার (১৮ মে) দিন ধার্য্য করেন আদালত।

এর আগে বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রিভিশন চেয়ে সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়।

গত ১১ মে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান সম্রাটের অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচারের দুই মামলায় জামিন দেন। তিনটি শর্তে তাকে জামিন দেওয়া হয়। ওই দিন কারাগারে জামিনের কাগজ পৌঁছালে বিকালেই তাকে মুক্ত করে দেওয়া হয়। আগে থেকেই সম্রাট ঢাকা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের আওতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি ছিলেন। জামিনের পরও তিনি সেখানে ভর্তি আছেন।

ক্যাসিনোকাণ্ডে ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর সম্রাটকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে তাকে নিয়ে কাকরাইলে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এসময় কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীর চামড়া উদ্ধার করা হয়। তখন থেকে প্রায় আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক এই নেতা।

সম্রাটের জামিনের তিন শর্তের মধ্যে রয়েছে- আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না, পাসপোর্ট জমা দিতে হবে এবং স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার প্রতিবেদন আগামী ধার্য তারিখে জমা দিতে হবে।

এর আগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

এদিকে গত ১১ এপ্রিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেসিন ইফতেখার। এ ছাড়া গত ১০ এপ্রিল অস্ত্র মামলায় ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফায়সাল আতিক বিন কাদের ও অর্থপাচার মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।


আরও খবর



‘সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তে ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে’

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৮৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী। সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।  নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



সরকারি কর্মচারীদের ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল প্রদান না করা পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের অন্তবর্তীকালীন ৬০ শতাংশ বেতন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি।

শনিবার (২১ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির মহাসচিব মো. ছালজার রহমান। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেল প্রদানের পর বিগত সাত বছরে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ব্যয়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সীমিত আয়ের সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় নতুন জাতীয় বেতন স্কেল প্রদান অত্যাবশ্যক।

তবে নতুন বেতন স্কেল প্রদান না করা পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদেরকে অন্তবর্তীকালীন ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে চিকিৎসা ভাতা ৪ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে বৈষম্য নিরসনকল্পে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ন্যায় সচিবালয় বহির্ভূত অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর-প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী, স্টেনোগ্রাফার, কম্পিউটার অপারেটর, স্টোর কিপারসহ সমমানের-সমমর্যাদার কর্মচারীদের পদ- পদবি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বপদে দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা ও বেতনস্কেল প্রদান, ডিপ্লোমা নার্সদের ন্যায় সমশিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ডিপ্লোমা হেলথ টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট ও সমশিক্ষাগত যোগ্যতাধারীদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদাসহ বেতনস্কেলের দাবি জানান তারা।

এসব দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২৪ মে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান, ২৬ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক বিভাগ ও জেলাগুলোতে দাবির সমর্থনে কর্মচারী সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১১ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও জানান বক্তরা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি মো. লুৎফর রহমান, কার্যকরী সভাপতি নূরুন্নবী, রায়হান চৌধুরী প্রমুখ।


আরও খবর



ইউনাইটেড এয়ারলাইনস: ১৩৮ কোটি ডলারের লোকসানে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারীর মন্দা অবস্থা কাটিয়ে পুনরুদ্ধার হচ্ছে উড়োজাহাজ পরিবহন খাত। ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে ভ্রমণের চাহিদা। যদিও এখনো লোকসান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি এয়ারলাইনসগুলো। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকেও (জানুয়ারি-মার্চ) ১৩৮ কোটি ডলার লোকসান গুনেছে ইউনাইটেড এয়ারলাইনস। তবে চলমান দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফায় ফেরার আশা করছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। খবর এপি।

শিকাগোভিত্তিক এয়ারলাইনসটি ৩১ মার্চ শেষ হওয়া প্রান্তিকে ৭৬৭ কোটি ডলার আয় করেছে। মহামারীর আগের ২০১৯ সালের তুলনায় এ আয় ২১ শতাংশ কম। প্রাক-মহামারীর তুলনায় এয়ারলাইনসটি এখনো কম ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তবে এরই মধ্যে সংস্থাটি পুনরায় সব লাউঞ্জ চালু করেছে। পাশাপাশি সংস্থাটি মহামারীর শুরুতে বন্ধ করে দেয়া ১৯টি আন্তর্জাতিক রুট এবং ছয়টি শহরে আবারো ফ্লাইট পরিষেবা শুরু করেছে।

এ সময়ে সংস্থাটির যাত্রীদের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে ভ্রমণ করা মাইলের সংখ্যা এক বছর আগের তুলনায় ২৭ শতাংশ কমেছে। তবে সংস্থাটি তার মোট আসনের প্রায় ৭৩ শতাংশ পূর্ণ করে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পেরেছে। মহামারীর আগের ৮১ শতাংশ পর্যন্ত পূর্ণ না হলেও গত বছরের প্রথম প্রান্তিকের চেয়ে অনেক ভালো। সে সময় সিটের তুলনায় মাত্র অর্ধেক যাত্রী নিয়ে উড়েছে ইউনাইটেডের উড়োজাহাজগুলো।

বছরের প্রথম তিন মাসে এয়ারলাইনস খাত কভিডের ওমিক্রন সংক্রমণের কারণে প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছে। প্রান্তিকের প্রথম দিকে কভিড সংক্রমণের গতি ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ফলে ভ্রমণের চাহিদা কমে যায়। এদিকে গত সপ্তাহে একজন ফেডারেল বিচারক ভ্রমণের সময় মাস্ক ব্যবহারে সরকারের আদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যদিও পরবর্তী সময়ে বিচার বিভাগ আদেশটি বাতিল চেয়ে একটি আপিল দায়ের করেছে। সবমিলিয়ে ভ্রমণ খাত অনেকটা স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে।

জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ইউনাইটেডের লোকসানের পরিমাণ ছিল শেয়ারপ্রতি ৪ ডলার ২৪ সেন্ট। গত বছরের এ সময়ে শেয়ারপ্রতি ৪ ডলার ২৯ সেন্ট লোকসানের তুলনায় কিছুটা কম। তবে বর্তমানে এয়ারলাইনসটি আশাবাদী হয়ে উঠেছে। বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক এবং ২০২২ সালের পুরো বছরে মুনাফায় ফেরার প্রত্যাশা করছে সংস্থাটি।


আরও খবর