আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে সড়কে ঝরল ২ বন্ধুর প্রাণ

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে থ্রি-হুইলারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন আরেক বন্ধু সুমন। তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩ মে) দিনগত রাত ১২টার দিকে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের কাঠেরঘর এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন বরিশাল নগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের শাহপরান সড়কের বাসিন্দা শাহজাহান মৃধার ছেলে নীরব (২৫) এবং একই এলাকার নাছির হাওলাদারের ছেলে লিমন (২০)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নীরব তার মোটরসাইকেলে দুই বন্ধু লিমন ও সুমনকে নিয়ে বরিশালের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে কাঠেরঘর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) তাদের মোটরসাইকেলটিকে (বাইক) ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নীরব নিহত হন। এসময় আহত হন লিমন ও সুমন। এ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিমনও মারা যান।

নলছিটি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু এর আগেই নিহত‌ দু’জনকে এবং আহত যুবককে উদ্ধার করে বরিশালে নেওয়া হয়।

নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান বুধবার সকালে জানান, মঙ্গলবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ পৌঁছার আগেই নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে বরিশালে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



নাটোরে ট্রাক উল্টে শ্রমিক নিখোঁজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নাটোর সদরের নাটোর রাজশাহী মহাসড়কের তোকিয়া নামক স্থানে ধান বোঝাই ট্রাক উল্টে আল আমিন নামে এক ধান কাটার শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে। শনিবার (৭ মে) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ আল আমিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের আহসান আলীর ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে নাটোরের সিংড়া উপজেলার জৌগ্রাম এলাকায় ধান কেটে বাড়ি ফিরছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শ্রমিকরা। পথে নাটোর সদরের নাটোর রাজশাহী মহাসড়কের তোকিয়া নামক স্থানে পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায়।

এতে ট্রাকের ওপরে থাকা ২৫ জন শ্রমিকের মধ্যে সবাই বের হয়ে আসতে পারলেও আলামিন বের হতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে আলামিন ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে আছে। ফায়ার সার্ভিস এর উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। নিখোঁজ আল আমিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের আহসান আলীর ছেলে।

 


আরও খবর



১১ দেশে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছে: ডব্লিউএইচও

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছেবিশ্বের ১১ দেশে প্রায় ৮০ জন মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এবং আরও আক্রান্তের তথ্য পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংস্থাটি সতর্ক করেছে। খবর বিবিসির।

ডব্লিউএইচও কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে জানিয়েছেআরও ৫০টি সম্ভাব্য সংক্রমণের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এর আগে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে প্রথমে ইতালি, সুইডেন, স্পেন, পর্তুগাল, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়াতেও শনাক্ত হয়েছে এ রোগ।

বিবিসি জানিয়েছে, মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাঙ্কিপক্স সচরাচর বেশি দেখা যায়।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবার তথ্য অনুসারে, মাঙ্কিপক্স একটি বিরল ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা সাধারণত তেমন মারাত্মক নয়, এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আক্রান্ত ব্যক্তি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ রোগ থেকে সেরে ওঠে।

ব্রিটিশ স্বাস্থ্য দপ্তর আরও জানিয়েছে, মাঙ্কিপক্স ভাইরাসটি সহজে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। এবং মানুষের মধ্যে এ রোগের ব্যাপক সংক্রমণের ঝুঁকি খুব কম বলেই জানা গেছে।

মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধের জন্য নির্দিষ্ট কোনো টিকা নেই। তবে, বিবিসি বলছেগুটিবসন্তের টিকা নেওয়া থাকলে, তা মাঙ্কিপক্স থেকে ৮০ শতাংশ সুরক্ষা দেয়, কেননা দুটি ভাইরাস অনেকটা একই ধরনের।

সাধারণত যেভাবে ছড়ায়

বিজ্ঞানীদের মতে, মাঙ্কিপক্স গুটিবসন্ত (স্মলপক্স) ভাইরাসের পরিবারভুক্ত ও ছোঁয়াচে। আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে মাঙ্কিপক্স ভাইরাস এক জনের শরীর থেকে অন্য জনের দেহে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেনবিরল এ ভাইরাস প্রাণীদেহ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়েছে।

সাধারণত মাঙ্কিপক্স ভাইরাস সাধারণ ফ্লু বা ঠান্ডাজনিত অসুখের মতো অসুস্থতা ও লিম্ফ নোডের (শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাপনার একটি অঙ্গ) ফোলা দিয়ে শুরু হয়ে ফুসকুড়ি ও ফোসকার মতো ক্রমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

মাঙ্কিপক্স ভাইরাসটি প্রধানত মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইন ফরেস্ট অঞ্চলে শনাক্তের তথ্য এত দিন ছিল। কিন্তু, এখন ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণের খবর সামনে আসছে।

কতটা বিপজ্জনক মাঙ্কিপক্স, উপসর্গ কী কী?

মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের প্রধান উপসর্গগুলো হলোজ্বর, মাথাব্যথা, পিঠে ও ঘাড়ে ব্যথা, খিঁচুনি, অবসাদ এবং সারা গায়ে ছোপ ছোপ দাগ।

বেশির ভাগ সংক্রমণ দুই থেকে চার সপ্তাহ স্থায়ী হয়। সাধারণত, এ ভাইরাসের সংক্রমণে জ্বর, ফুসকুড়ি ও লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

বিজ্ঞানীদের দাবিজীবিত বা মৃত বন্য প্রাণীর মাংস খেলে এ রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।

শরীরের তরল, ঘা, খোলা ক্ষত স্থানের সংস্পর্শে এলে বা দীর্ঘস্থায়ী যোগাযোগের পরে শ্বাস-প্রশ্বাস থেকে নির্গত সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কণার মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়াতে পারে। রোগের সময়কাল সাধারণত ছয় থেকে ১৩ দিন। তবে, মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের লক্ষণগুলো সংক্রমণের পাঁচ থেকে ২১ দিনের মধ্যেও দেখা দিতে পারে। মাঙ্কিপক্সের লক্ষণগুলো হালকা বা গুরুতর হতে পারে এবং সাধারণত ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই চলে যায়। মাঙ্কিপক্সের ফলে ত্বকে সৃষ্টি হওয়া ক্ষতে খুব চুলকানি বা যন্ত্রণা হতে পারে।

যৌনসম্পর্ক থেকেও ছড়ানোর শঙ্কা!

বিজ্ঞানীরা এত দিন বলেছিলেন, ভাইরাসটি সহজে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে না। এ ছাড়া এর আগে মনে করা হতো শিশুদের মধ্যেই বেশি পরিমাণে ছড়ায় এ মাঙ্কিপক্স। কিন্তু, এখন দেখা যাচ্ছে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও ছড়াচ্ছে অসুখটি।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র-সিডিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছেযৌনসম্পর্কের সঙ্গে এ রোগের সংক্রমণ ছড়ানোর যোগসূত্র থাকতে পারে। সিডিসি বলছেসমকামী ও উভকামী পুরুষ ও নারীর মধ্যে এ রোগের হার বেশি। মার্কিন স্বাস্থ্য দপ্তর খতিয়ে দেখছে কীভাবে বাড়ছে এ অসুখ।

এখন পর্যন্ত কারও মাঙ্কপক্সে মৃত্যু হয়নি। যাদের স্মলপক্সের টিকা নেওয়া আছে, তাদের ক্ষেত্রে এ রোগ মারাত্মক আকার নেবে না বলে ধারণা অনেকের।


আরও খবর



পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পঞ্চগড়ে পৃথক স্থানে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৯ মে) বিকেলে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের কাউরগছ গ্রামে ও পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের দলুয়াপাড়া গ্রামে ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো- তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের কাউরগছ গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে নাহিদ (৭) ও পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের দলুয়াপাড়া গ্রামের রুবেল ইসলামের ছেলে ইব্রাহিম (২) । 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাউরগছ গ্রামে বাড়ির বাইরে খেলা করছিল নাহিদ। একপর্যায়ে সে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

অপরদিকে শিশু ইব্রাহিম নিজ বাড়ি আঙিনায় খেলা করছিল। খেলতে খেলতে একপর্যায়ে সে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। এদিকে তার বাড়ির লোকজন তাকে দেখতে না পেয়ে অনেক খুঁজাখুঁজির পর বাড়ির পাশে পুকুরে তাকে ভাসতে দেখে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা ও তেঁতুলিয়ার ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুসলিম উদ্দিন পুকুরের পানিতে পড়ে ওই দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  


আরও খবর



হাসপাতালে পুকুর ভরা পদ্ম

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নওগাঁর সাপাহার উপজেলা হাসপাতালে 'পুকুর ভরা পদ্ম'। ফুলে আর পাতায় ভরে গেছে সমস্ত পুকুর। পুকুরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে পদ্মের আভা। যে পুকুরের দিকে একসময় কেউ ফিরেও তাকাত না, সেই পুকুরে ভাসমান পদ্মগুলোর সৌন্দর্য্য দেখতে আসছে দূরদূরান্তের দর্শনার্থীরা।

সরেজমিনে জানা যায়, এলাকাবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল। বর্তমানে শিশুবান্ধব হাসপাতাল নামে পরিচিতি লাভ করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ রুহুল আমিন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল এখন রাজশাহী বিভাগ সেরা। ২০১৮ সাল থেকে তিন দফা গাছ লাগিয়ে তিন বছরের চেষ্টায় নয়াভিরাম পদ্ম ফুলে পুকুর ভরে গেছে। হাসপাতালে রোগীরা স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা অনেকেই এ পুকুরের পাড়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন পদ্মের সৌন্দর্য্য। মুগ্ধ হন তারা।

হাসপাতালে ঘুরতে আসা স্থানীয় দর্শনার্থী মনিরুজ্জামান বলেন, 'এ হাসপাতালে প্রবেশ করলেই রোগ অর্ধেক সেরে যায়। হাসপাতালের পরিবেশ দেখে সত্যিই খুব মুগ্ধ হই। প্রতিদিন সন্ধ্যায় পুকুর ঘাটে বসে থাকি। বন্ধুবান্ধব ত্যাগ করে এখন পুকুর পাড়টাই আমার চরম বন্ধু। এরকম পরিবেশ দেশের প্রতিটি হাসপাতালে থাকা দরকার।'

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, পদ্ম ফুল সৌন্দর্য্যের প্রতীক। গোবরে পদ্ম ফুল, পদ্ম পাতায় জল- বাংলা সাহিত্যে বাগধারা হিসেবে বহুল প্রচলিত। আলতাদিঘী রাশি রাশি পদ্ম মুগ্ধ করেছিল। ব্যাপারটা তখনই মাথায় আসে। সেই থেকে হাসপাতাল ক্যাম্পাসের পুকুরটাতে পদ্মরাশির স্বপ্ন দেখা শুরু। তারিখটা স্পষ্ট মনে আছে, ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর। সেই থেকে তিন দফা গাছ লাগিয়ে তিন বছরের চেষ্টায় স্বপ্ন সত্যি হলো। একটা সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছি। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে বাইরের সব দৃশ্য সর্বস্তরের মানুষের নজর কেড়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'হাসপাতালের চিত্র কিছুদিন আগেও এমন ছিল না। হাসপাতাল পুকুরটি পতিত পড়ে ছিল। ওই পুকুরে সারা বছর ময়লা-আবর্জনা ভরে থাকত। এখন হাসপাতলের পুকুরটি যেন হেসে উঠেছে। ব্যতিক্রম এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তিনি।'

নওগাঁ সিভিল সার্জন আবু হেনা মো. রায়হানু উজ্জামান সরকার  বলেন, 'সরকারের উন্নয়নের অংশ হিসেবে পুকুরটির সৌন্দর্য্য বাড়াতেই এখানে পদ্মের কন্দ লাগিয়েছেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পুকুরটিতে সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছেন।  হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে বাইরের সব দৃশ্য সর্বস্তরের মানুষের নজর কেড়েছে। এ হাসপাতাল দেখে অনেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।’

এ উদ্যোগের পেছনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ রুহুল আমীনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিউজ ট্যাগ: নওগাঁ

আরও খবর
সম্ভাবনার সেন্টমার্টিন

বুধবার ১১ মে ২০২২




২৩ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু নেই

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৬২৫ জনে। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ। এ ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৭ জন অপরিবর্তিত থাকল।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৩৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৮৮৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৪ হাজার ৯৩১টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর