আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩১৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার জন্য মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি। শুক্রবার (০৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।


এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। শুধু ভাতের সাথে মাছ খাওয়া নয়, মাছ থেকে কী কী পণ্য তৈরি করা যায় সেটা নিয়ে গবেষণা করতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাতীয় জলজ সম্পদ থেকে বিভিন্ন বেকারি পণ্য তৈরি হচ্ছে। মাছ থেকে চিপস, ফিস বল বা অন্যান্য খাবার তৈরি করা যেতে পারে। মাছের বহুবিধ ব্যবহারে মানুষকে আকৃষ্ট করতে হবে। অনেকে স্বাভাবিকভাবে মাছ খায়না কিন্তু রেস্তোরায় মাছ দিয়ে তৈরি খাবার খেতে চায়। পুষ্টি চাহিদা পূরণে এক প্রক্রিয়ায় মাছ না খেলে মানুষকে অন্য প্রক্রিয়ায় খাওয়াতে হবে। আমরা চাই মাছের বহুমুখী পণ্যের বিকাশ হোক।


দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা মৎস্য খাদ্য উপকরণ দেশে তৈরির শিল্প স্থাপনে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার জন্য এ সময় আহ্বান জানান মন্ত্রী। কর অব্যাহতি সুযোগসহ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে ধরনের সহযোগিতা লাগবে তা দেওয়া হবে বলেও এসময় আশ্বস্ত করেন তিনি। আমাদের মৎস্যসম্পদ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কোন অংশে কম নয় উল্লেখ করে দেশের সমুদ্র অঞ্চল, বদ্ধ জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয়সহ মৎস্য চাষ উপযোগী সব ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য সৃজনশীল কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।


এ সময় মন্ত্রী বলেন, মৎস্য খাতের যে কোন সমস্যা সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে যা কিছু করণীয় সেটা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান তাঁর সরকার আমলে মৎস্য খাত বিকশিত হোক। সেজন্য তিনি এ খাতে সকল সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। মৎস্যজীবী নয় এমন মানুষের কার্ড বাতিল করে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের কার্ড দেয়া এবং তাদের কাছে যথাযথভাবে সরকারি সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে পূর্বের চেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করে আমরা কাজ করছি।


এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, বিদেশে মৎস্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থে রপ্তানির সাথে সংশ্লিষ্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। যাতে কোন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জাল সনদ অথবা রাসায়নিক মিশ্রিত মৎস্য রপ্তানি না করে। মৎস্য খাতে কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে ভালো কাজ করা ব্যক্তিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ খাতে ভালো কাজ করা ব্যক্তিদের আমরা সহযোগিতা করতে চাই।


এ সময় তিনি বলেন, মৎস্য খাত সংশ্লিষ্টদের উদ্বুদ্ধ করা, উচ্ছ্বসিত করা ও কাজে সম্পৃক্ত করা, এ খাতের প্রতি জনগণকে আগ্রহী করে তোলা এবং এ খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের মাধ্যমে খাতটিকে গতিশীল করার জন্য প্রতি বছর মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হয়। পাশাপাশি এ খাতে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করাও মৎস্য সপ্তাহের অন্যতম লক্ষ্য। করোনায় সৃষ্ট বেকারত্ব দূর করতে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ একটা ক্ষেত্র হতে পারে। এ কারণে এ বছর মৎস্য সপ্তাহে বিষয়টিকে প্রতিপাদ্য হিসেবে রাখা হয়েছে।


মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উদযাপনের সাথে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের বাস্তবায়িত কার্যক্রম তুলে ধরেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য) আজিজুল হক। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান তালুকদার, যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এর সদস্য সচিব মোঃ আহসানুজ্জমান, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমানউল্লাহ, বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ২০৪১ সালের মধ্যে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ করার প্রত্যয়ের কথা জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। 


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মাঠ পর্যায়ের মৎস্য কর্মকর্তাগণ ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।



আরও খবর



‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেলে ১২-১৮ বছর বয়সীদের টিকা’

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেলেই ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের করোনার টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের টিকা দিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে আবেদন করা হয়েছে। তাদের অনুমোদন পেলেই ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের করোনার টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, চলতি মাসেই দেশে আড়াই কোটি ডোজ টিকা আসবে। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের টিকা দিতে আমরা ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বস্থ্য সংস্থার কাছে আবেদন করেছি। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চাপ কিছুটা কম। করোনা ইউনিটগুলোতে বেড খালি আছে। তাই নন-কোভিড রোগীদের জন্য কিছু বেড ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, শনিবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার শিশুদের ফাইজার ও মডার্নার টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। স্কুল শিক্ষার্থীরা কোন টিকা পাবেন কী না-এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স ১৮ বছরের ওপরে হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী যেকোনো ধরনের টিকা দেওয়া যাবে। ১৮ বছরের নিচে যেসব শিক্ষার্থী আছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা ও অন্যান্য দেশে যেভাবে দেওয়া হচ্ছে সেভাবেই তাদেরকে টিকা প্রদান করা হবে। তবে এর পরদিন ১৮ বছরের কম বয়সীদের আপাতত টিকা দেওয়া হবে না বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর।

দেশে এ পর্যন্ত ২ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ১৫৬ ডোজ করোনা করোনা (কোভিড-১৯) টিকা প্রয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার ৪০৮ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৮৭ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪৮ জন মানুষ। এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ১ কোটি ১০ লাখ ৬২ হাজার ৭০২ আর নারী ৮২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৬ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৫৩ লাখ ১১ হাজার ৩০০ আর নারী ৩৪ লাখ ২২ হাজার ৪৪৮ জন।

এর মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিড শিল্ড প্রয়োগ হয়েছে ১ কোটি ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৩৬ ডোজ। ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা প্রয়োগ হয়েছে ১ লাখ ৩৭২ ডোজ। চীনের সিনোফার্মের টিকা প্রয়োগ হয়েছে ১ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ৪২২ ডোজ। আর মডার্নার টিকা প্রয়োগ হয়েছে ৩৫ লাখ ১৮৯ হাজার ৬৪৪ নারী ৪৩ লাখ ৯৪ হাজার ১৫১ জন। এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৩ লাখ ৩৮ হাজার ৭২১ জন প্রথম ডোজ এবং ৫৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬১৫ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী ৩৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬৬ জন পুরুষ এবং নারী ২৪ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৫ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ৩৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৩৩ এবং নারী ২০ লাখ ১১ হাজার ৯৮২ জন।



আরও খবর
করোনায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১




৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছর প্রধান প্রজনন মৌসুমে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকবে। এ সময় দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুদ ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে। ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে সব ধরনের মৎস্য আহরণও এ সময় নিষিদ্ধ থাকবে। ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে এ সময় মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরশেনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান মোঃ মতিউর রহমান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, মৎস্য বিজ্ঞানী ও গবেষকবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিএ, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি, র‌্যাব, নৌ পুলিশ, বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, ওয়ার্ল্ড ফিশ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মৎস্যজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, মৎস্য খাতকে কোনভাবেই ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনার নির্দেশনা, নজরদারি ও পৃষ্ঠপোষকতায় ভাতে-মাছে বাঙালির বাংলাদেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। মৎস্যসম্পদ রক্ষার মাধ্যমে খাদ্যের চাহিদা পূরণ হচ্ছে, বেকারত্ব দূর হচ্ছে, উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে এবং দেশের রফতানি আয় বাড়ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, মৎস্যজীবীদের স্বার্থেই মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং অভিযান পরিচালনা করা হয়। জাতীয় স্বার্থ যারা ধ্বংস করতে চাইবে, তাদের বিষয়ে কোন ধরণের বিবেচনা বা অনুকম্পা দেখানোর সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে কঠিন থেকে কঠিনতর পদক্ষেপ নিতে আমরা কুন্ঠা বোধ করবো না। দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় যত কঠিন হওয়া লাগে, তত কঠিন হতে হবে। কাউকে এ বিষয়ে ছাড় দেওয়ার অবকাশ নেই

ইলিশ আহরণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা গত বছরের তুলনায় অধিক সফল করার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিজ দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে সঠিক কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের এ সময় আহ্বান জানান তিনি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সব ধরনের দায়-দায়িত্ব নেবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



ভারতের সঙ্গে ১০টি স্থলবন্দর খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের সঙ্গে ১০টি স্থলবন্দর খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত স্থলবন্দরগুলো কার্যক্রম শুরু করবে। পর্যটক ছাড়া অন্য সবাই এ বন্দরগুলো দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য কোনও ধরনের নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) প্রয়োজন হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে সামস এ বিষয়ে বলেন, দুই দেশের করোনা মহামারি পরিস্থিতি উন্নতির কারণে আমরা স্থলবন্দরগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগে পাঁচটি বন্দর খোলা ছিল। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে আরো পাঁচটি বন্দর খুলে দেওয়া হবে। তবে স্থলবন্দরগুলো অনেকদিন বন্ধ থাকায় পুনরায় কার্যক্রম শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের কয়েকদিন সময় দরকার।

গত ২৫ এপ্রিল থেকে স্থলবন্দর দিয়ে আগমন-নির্গমন বিষয়াদি পর্যবেক্ষণের জন্য পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি স্থলবন্দর-সংলগ্ন জেলাগুলোর স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাশফি বিনতে সামসও। তিনি বলেন, আমরা গত পাঁচ মাসে ১০টি বৈঠক করেছি। স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি, যাতে ভারত থেকে করোনা বাংলাদেশে দ্রুত ছড়াতে না পারে। এর সুফলও আমরা পেয়েছি। কারণ ভারতে যখন প্রকোপ কমেছে, তখন বাংলাদেশে সংক্রমণ কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু ওই সময় আমরা ভারত থেকে প্রয়োজনীয় আমদানি করতে পেরেছি, যা অন্য সময় সহজ হতো না।

 


আরও খবর



দুর্গাপূজায় ভারতে যাচ্ছে দুই হাজার টন ইলিশ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৫২ প্রতিষ্ঠানকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ মেট্রিক টন করে মোট ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখার এক চিঠিতে এই অনুমতি দেওয়া হয়। আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রককে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছ রপ্তানি বিষয়ে প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে ৫২ প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে মোট ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন মাছ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ইলিশ রপ্তানির শর্তে বলা হয়েছে, রপ্তানি নীতি ২০১৮-২০২১ এর বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে; শুল্ক কর্তৃপক্ষ দ্বারা রপ্তানি করা পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে; প্রতিটি কনসাইনমেন্ট শেষে রপ্তানি সংক্রান্ত কাগজপত্র রপ্তানি-২ অধিশাখায় দাখিল করতে হবে; অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ পাঠানো যাবে না।

এতে আরও বলা হয়েছে, এ অনুমতির মেয়াদ আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে; এ অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয়, অনুমোদিত রপ্তানিকারক ব্যতীত সাব-কন্ট্রাক্টে রপ্তানি করা যাবে না।


আরও খবর
সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সবজির

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




হিন্দি গানের মডেল হলেন দীঘি

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | ৬৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তরুণ প্রজন্মের চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। শিশুশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর নায়িকা হিসেবেও অভিষেক হয়েছে তার। এবার হিন্দি গানের ভিডিওতে মডেল হলেন তিনি। ভারতের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান টি সিরিজের ব্যানারে প্রকাশিত হবে গানটি।

গানটির শিরোনাম হোটো পে নাম তেরা। এতে কন্ঠ দিয়েছেন ন্যানসি ও প্রেম। সুদীপ কুমার দীপের লেখা গানটির ভিডিও নির্মিত হয়েছে মানিকগঞ্জের ফিল্ম ভ্যালিতে। ভিডিও নির্মাণ করেছেন ইভান মনোয়ার। এতে দীঘির সঙ্গে মডেল হয়েছেন ফারহান খান রিও।

দিঘী বলেন, আমার জন্য এটা নতুন অভিজ্ঞতা। ন্যানসি আপু আমার প্রিয় একজন শিল্পী। তার প্রথম হিন্দি গানে মডেল হয়ে ভালো লাগছে। দর্শক উপভোগ করবেন, প্রত্যাশা করছি।

গেলো শুক্রবার (২৭ আগস্ট) থেকে মিউজিক ভিডিওটির দৃশ্যধারণ শুরু হয়েছে। শুটিং ও সম্পাদনা শেষে চলতি বছরই গানটি প্রকাশ পাবে বলে জানা গেছে। হিন্দির পাশাপাশি বাংলা ভাষায়ও গানটি মুক্তি পাবে দেশের একটি ইউটিউব চ্যানেলে।

ছোট্ট দীঘি জয় করেছিল লাখো মানুষের ভালোবাসা। শিশুশিল্পী হিসেবে পেয়েছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তাই যখন নায়িকা হয়ে বড় পর্দায় এসেছেন তখন দর্শকের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। কিন্তু দর্শকদের একদমই নারাজ করেছেন দীঘি। চলতি বছর দীঘির অভিনীত তুমি আছো তুমি নেইটুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাইনামে দুটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। তবে সিনেমাগুলো সেভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি। সবশেষ মুম্বাই থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিকের শুটিং শেষ করে দেশে ফিরেছেন দীঘি। ভারত থেকে আসার পর তার ওজন কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় জিমে যাওয়া শুরু করেছেন তিনি।


আরও খবর
আক্রমণাত্মক মন্তব্যের শিকার নুসরাত

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১