আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

মুনিয়া ইস্যু নিয়ে যুদ্ধাপরাধী-বিএনপির রাজনীতি

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গুলশানে একজন কলেজছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে রাজনীতি শুরু হয়েছে। গত এপ্রিলে মারা যান মুনিয়া। গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে তার মৃত্যুর পর প্রথমে দায়ের করা হয় এটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা। আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় কোনো প্ররোচনার অভিযোগ না পাওয়ার পর পুলিশ প্রায় তিন মাস তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ওই মামলার বাদী মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তানিয়া নারাজি দরখাস্ত দেন। কিন্তু আদালত ওই নারাজি দরখাস্ত নাকচ করে দেয়। এর কয়দিন পরেই নুসরাত তানিয়া নতুন করে একটি হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে ৮ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্ত এখন করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পিবিআই মামলার তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এই মামলাটিকে আপাত একটি ন্যায় বিচারের প্রার্থনার কথা বলা হলেও এর ভেতরে রয়েছে একটি গভীর রাজনীতি এবং ষড়যন্ত্র। সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলার জন্য এবং দেশে আইনের শাসন নেই, ন্যায় বিচার হয় না ইত্যাদি অনেকগুলো ইস্যুকে প্রমাণের জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মুনিয়ার মৃত্যুর ইস্যুকে।

প্রথমত, প্রথম থেকেই যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপি জামাত গোষ্ঠী প্রকাশ্য এবং নীরবে কাজ করছে। মুনিয়ার মৃত্যুর পরপরই প্রথমে যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী যারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সরকার, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে বসে সাইবার সন্ত্রাস করছে তারা ইস্যুটিকে লুফে নেয়। তারা একের পর এক অপপ্রচার, মিথ্যাচার, চরিত্রহনন এবং কুৎসিত, নোংরা আক্রমণ শুরু করে এই ইস্যুকে নিয়ে।

দ্বিতীয়ত, এর মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারকে সমালোচনায় বিদ্ধ করা। দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার নেই এটি প্রমাণ করা। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, মুনিয়া ইস্যু নিয়ে যে সাইবার সন্ত্রাস চলছে সেই সন্ত্রাসের মূল টার্গেট আসলে সরকার। সরকার ন্যায় বিচার করছে না, এটি প্রমাণের জন্য মুনিয়া ইস্যুকে বেছে নিয়েছে যুদ্ধাপরাধী সাইবার সন্ত্রাসীরা।

তৃতীয়ত, এসবের পেছনে আবার বিএনপি এবং জামাতপন্থীদের একটি মদদ রয়েছে বাংলাদেশে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যায় যে মুনিয়ার মৃত্যুর পর তার বোনকে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য যারা তৎপর হয়েছেন তাদের সকলেরই রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। এরা বিএনপি-জামাত ঘরানার আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ৮ নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মুনিয়া ইস্যুতে যে মামলাটি হয়েছে সেখানে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষাবলম্বন করা  আইনজীবীসহ বেশ কয়েকজন রয়েছেন যারা যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপির মদদপুষ্ট। অর্থাৎ আইনি এমন একটি বাতাবরণ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে সরকার বিচার করে না বিষয়টি নিশ্চিত করা।

চতুর্থত, এই মামলার মধ্য দিয়ে সুশীল সমাজের একটি মেরুকরণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল হিসেবে। এই  মামলার মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আইনের ঊর্ধ্বে। অথচ মুনিয়ার মৃত্যুর পর পুলিশ নির্মোহভাবে তদন্ত করেছে এবং তিন মাস তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এই তদন্তকালে তারা একদিকে যেমন মুনিয়ার বাসায় কারা গিয়েছিল, সেই সিসিটিভি ফুটেজ নিয়েছে। মুনিয়ার ডায়েরি এবং অন্যান্য তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছে। সবকিছু করার পরই এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এখন এটি নিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে দেশের পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত এবং বিব্রত করার লক্ষ্যে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর সম্বন্ধে বিএনপি-জামায়াত গত চার-পাঁচ বছর ধরে যে সমালোচনাগুলো করছে, সেই সমালোচনাকেই মুনিয়ার মৃত্যুর মাধ্যমে সরল সমীকরণে ফেলার চেষ্টা করছে।

সবচেয়ে বড় কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে অগ্রগতি, উন্নয়ন হচ্ছে সেখানে বেসরকারি খাত যে বড় ধরণের ভূমিকা রাখছে সেটিকে বাধাগ্রস্থ করাও এই মামলার উদ্দেশ্য। এইরকম মামলার ফলে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান, শিল্প গ্রুপগুলো সংকুচিত হবে, কুণ্ঠিত হবে এবং তাদের যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং শিল্পের প্রসারে যে ভূমিকা তা সংকুচিত হবে। অর্থাৎ মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপির অপরাজনীতির একটি সুস্পষ্ট তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ন্যায় বিচার নয় বরং সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সামনে যে আন্দোলন হবে সেই আন্দোলনের জন্য একটি ইস্যু তৈরি করা।


আরও খবর



কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে গাজীপুরের সড়কে শ্রমিকরা

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া ও বাসন সড়ক এলাকায় দুটি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন শ্রমিকেরা। এতে ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (৯ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত কাজ শেষ করে শ্রমিকেরা বাসায় চলে যান।

রবিবার (১০ অক্টোবর) সকালে কারখানায় কাজে যোগ দিতে এসে তারা প্রধান ফটকে লিগ্যাল নোটিশ দেখতে পান। নোটিশে আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত কারখানা বন্ধের কথা জানানো হয়। এতে কারখানার সহস্রাধিক শ্রমিক উত্তেজিত ও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

ইন্টারলিংক অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানার শ্রমিক ফাতেমা আক্তার, জসীম উদ্দিন, রোকেয়া বেগম ও রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা জানান, রাতে তারা কাজ শেষে নিজ নিজ বাসায় চলে যান। রবিবার সকালে কারখানায় কাজে যোগ দিতে এসে দেখেন বন্ধের নোটিশ ঝুলছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে কিছু না জানিয়েই বন্ধ ঘোষণার নোটিশ টানিয়ে দেয়। গত সেপ্টেম্বর মাসের বেতন আজ পরিশোধ করার কথা ছিল বলে জানান তারা।

একই মালিকের ভোগড়া এলাকার অপর একটি কারখানার শ্রমিকেরাও তাদের কারখানার প্রধান ফটকে বন্ধের ঘোষণার নোটিশ দেখতে পেয়ে বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন।

এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য না পাওয়া গেলেও তাদের লে-অফ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনা মহামারির কারণে কারখানা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কারখানাটি চালানোর সামর্থ্য কর্তৃপক্ষের নেই। তাই আইন অনুযায়ী আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত কারখানার সব সেকশনে কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেন বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ এবং শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। 


আরও খবর



ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৮৯

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৮৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৮৯ জন হাপসাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৩১৯ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ১৮৯ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫৫ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন। এ ছাড়া এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩৮ জন।

এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে ৬৬৯ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ১৬৯ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২২ হাজার ৩১৯ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২১ হাজার ৩৯৫ জন রোগী।


আরও খবর



২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত‌্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | ২০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৮০৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৩২ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৯ জন।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫৬৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৬৪৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ১০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট এক কোটি এক লাখ ৮৮ হাজার ৬২৩টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম ব‌্যক্তির মৃত্যু হয়।


আরও খবর



আসছে করোনার ট্যাবলেট, মৃত্যু অর্ধেকে আসবে দাবি গবেষকদের

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ১০২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় টিকা আবিষ্কারের পর খুব শিগগির বাজারে আসছে এর ওষুধ। এর ব্যবহার শুরু গলে করোনায় মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসছে বলে দাবি করছেন গবেষকরা। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।

এই ওষুধের প্রস্তুতকারক মার্ক বলেন, করোনা রোগীদের জরুরী ভিত্তিতে সেবা দেওয়ার জন্য আমরা খাদ্য ও ওষুধ অধিদফতরের কাছে আবেদন করবো। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই তারা জরুরী ব্যবহারের জন্য এই ওষুধের অনুমোদন দেবে। যদি এমন হয়, তাহলে আমাদের এই ওষুধ বিশ্বের বুকে প্রথম করোনার ওষুধ হবে।

এপি জানায়, গবেষণায় ৭৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবির ওপর ওষুধটি প্রয়োগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮ শতাংশ করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ১৪ শতাংশ সামান্য অসুস্থতা অনুভব করেছে। তবে কারো মৃত্যু হয়নি।

জানা যায়, মেরেক এবং রিজব্যাক বায়োথেরাপিউটিকস নামক মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এই ওষুধটি নিয়ে গবেষণা করছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে মোলনুপিরাভির।

গবেষণায় যুক্ত থাকা গবেষকরা দাবি করছেন, পরীক্ষার স্তর পেরোলে এবং ছাড়পত্র মিললেই বাজারে চলে আসবে এই ওষুধ। শরীরে কোভিড ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই ধরনের ওষুধ খাওয়া শুরু করে দেওয়া যেতে পারে। এতে উপসর্গ বড় আকার নিতে পারে না। উত্তর ক্যারোলাইনা চ্যাপেল হিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজিস্ট টিমোথি সিয়াহান বলেন, ‘‘শুধু নিজেকে সুস্থ করে তোলাই নয়, অন্যের শরীরে সংক্রমণ ছ়ড়িয়ে পড়া রুখতেও কার্যকরী হয়ে উঠতে পারে এই ওষুধ।’’


আরও খবর



করোনায় একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ২৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (১৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ২০ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাতে রোগী শনাক্তের হার এক দশমিক ৮০ শতাংশ। গতকাল দৈনিক শনাক্তের হার দুই দশমিক ২০ শতাংশ বলে জানিয়েছিল অধিদফতর।

এর আগে গত শনিবার চলতি বছরে প্রথম দিনের মতো দৈনিক শনাক্তের হার নেমে আসে দুই শতাংশের নিচে। তারপর থেকে টানা তিনদিন দৈনিক রোগী শনাক্তের হার দুই শতাংশের নিচে থাকলেও গতকাল জানানো হয়, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় সেটা দুই শতাংশের ওপরে উঠে যায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার কমার সঙ্গে সঙ্গে কমেছে শনাক্ত রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যাও।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩৬৮ জন, যা গতকাল ছিল ৪৬৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ছয়জন, গতকাল সাতজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্যঅধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ৩৬৮ জনকে নিয়ে দেশে এখনপর্যন্ত সরকারি হিসেবে করোনাতে মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৪ জন। আরমারা যাওয়া ছয়জনকে নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৭ হাজার ৭৯১ জন মারা গেলেন বলেজানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিফতর।

করোনাতে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪৮১ জন, তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৯ হাজার ৯৯৮টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২০ হাজার ৩৯৩টি।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি এক লাখ ৫৫ হাজার ৪৩৫টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৮৮৫টি  আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৭ লাখ ৩২ হাজার ৫৫০টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।


আরও খবর