আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও ৭ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিড ডেডিকেটেড ইউনিটে গেলো ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ৩ জন করোনা ও ৪ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের ফোকাল পার্সন ডা. মহিউদ্দিন খান মুন জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী ৭ জনের মধ্যে ৩ জন করোনা পজিটিভ ছিলেন। আর বাকি ৪ জন ভর্তি ছিলেন উপসর্গ নিয়ে। মৃতদের মধ্যে ময়মনসিংহের ৩, টাঙ্গাইলের ২, নেত্রকোনা ও শেরপুরের ১ জন করে ছিলেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আইসিইউতে ১০ জনসহ করোনা ইউনিটে ১০০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। নতুন করে ২৪ জন শনাক্ত হয়েছে।


আরও খবর



বিশ্বে এক দিনে সাড়ে ৮ হাজারের বেশি প্রাণহানি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে পৌঁছেছে ৪৭ লাখ ৪২ হাজার ৫৫৫ জনে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৫৯০ জনে। করোনা থেকে সেরে ওঠা মানুষের সংখ্যা ২০ কোটি ৮০ লাখ ৫২ হাজার ৩৮ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এই তথ্য জানা গেছে

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ জন আর মারা গেছেন ৭ লাখ ২ হাজার ৯৭৮ জন।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯১ জনে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৩৯৯ জনের।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী ২ কোটি ১৩ লাখ ৮ হাজার ১৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ১৮ জনের।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আরও খবর



মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
হাওর অঞ্চলকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন তা বর্তমান সরকার করবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ স্বাভাবিক রেখে হাওর অঞ্চল কিভাবে উন্নত করা যায়

হাওর অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন  হাওরে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন,হাওর অঞ্চলকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন তা বর্তমান সরকার করবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ স্বাভাবিক রেখে হাওর অঞ্চল কিভাবে উন্নত করা যায় এ লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়, কীভাবে মৎস্যসম্পদকে জাতীয় অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করা যায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। হাওর অঞ্চলের মাছ কীভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিবহন করা যায়, মৎস্যজাত পণ্য কিভাবে সৃষ্টি করা যায়, এ বিষয়গুলো গভীরভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।"

শীঘ্রই কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের হাওর মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও এ সময় জানান মন্ত্রী।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, "প্লাস্টিক বা অন্যান্য বর্জ্যের কারণে মৎস্যসম্পদ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মাছের ডিম নষ্ট হয়, প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। হাওড়ের মধ্যে প্লাস্টিক জাতীয় বা অন্যান্য বর্জ্য কেউ যাতে না ফেলে সে জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে সোচ্চার হতে হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলে আমরা সবাই এর ক্ষতির মুখোমুখি হবো। তাই হাওরের পরিবেশ রক্ষায় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলমের সভাপতিত্বে পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ ও মিঠামইন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আছিয়া আলম। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও সুবোল বোস মনি, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, কিশোরগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার পাল, মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রভাংশু সোম মহান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিন মিঠামইন হাওরে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে পাবদা, গুলশা, টেংরা, চিতল, ফলি, দেশি পুঁটি, ঢেলা, হিরালু, দেশি শোল, মহাশোল, সুবর্ণ রুই ও কাতলা মাছের প্রায় ১২ হাজার পোনা অবমুক্ত করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর



ঘুষ দাবি করায় স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে গণধোলাই

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পণ্যে ভেজাল আছে অভিযোগ তুলে হাটের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও তার এক সহযোগীকে উত্তেজিত জনতা গণধোলাই দিয়ে আটকে রাখার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদেরকে জনতার কবল উদ্ধার করে।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলে আশিক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ধামাইচ গ্রামীণ হাটে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এস.এম. শহিদুল ইসলাম রন্টু ও হাসপাতালের নৈশ প্রহরী গোরাচাঁদ ধামাইচ হাটে গিয়ে ভেজাল পণ্যের অভিযোগ তুলে ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। ব্যবসায়ীরা ঘুষ দিতে অস্বীকার করলে তাদেরকে জেল জরিমানার ভয় দেখিয়ে খারাপ ব্যবহার করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদেরকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। এ ঘটনায় তার জামা ছেড়া অবস্থায় একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এস.এম. শহিদুল ইসলাম রন্টু ও নৈশ প্রহরী গোরাচাঁদকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

ধামাইচ বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী রাশিদুল ইসলাম বলেন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এস.এম. শহিদুল ইসলাম রন্টু প্রায়ই হাট বাজারে গিয়ে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে থাকেন। গতকাল বিকেলে ধামাইচ হাটে এসে অনেক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নেন। আমার দোকানে এসেও তিনি টাকা দাবি করেন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এস.এম. শহিদুল ইসলাম রন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে কোনও কথা বলতে রাজি হননি।

তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলে আশিক বলেন, খরব পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে ধামাইচ হাট থেকে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এস.এম. শহিদুল ইসলাম রন্টু ও নৈশ প্রহরী গোরাচাঁদকে উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ৮টার সময় মুচলেকা দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তাদেরকে তার জিম্মায় নিয়ে যান।


আরও খবর
সিরাজগঞ্জে তীব্র নদী ভাঙন অব্যাহত

রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১




কুমিল্লা-৭ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত

প্রকাশিত:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুমিল্লা-৭ আসনের উপনির্বাচনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। দেশের প্রখ্যাত নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।

গত ৩০ জুলাই রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসন থেকে পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ। এরপর ওই আসন শূন্য হয়।

প্রাণ গোপাল দত্ত বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। সেসময় নিয়মিত প্রচার ও প্রচারণাও করেছিলেন তিনি।কিন্তু শেষ পর্যন্ত অধ্যাপক আলী আশরাফ নৌকার টিকিট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বও ছিলেন তিনি।

অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত উপাচার্য হিসেবে বিএসএমএমইউতে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন ও অটিজম নিয়ে কাজ করার মধ্য দিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থা অর্জন করেছেন।

ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, এলাকার প্রায় প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে। চিকিৎসক হিসেবে তিনি সবসময় মানুষের পাশে থেকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। মানুষের সঙ্গে আমার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছ।



আরও খবর



স্লোগান লিখে ওয়ালটন এসি, ওভেন ও ব্লেন্ডার পেলেন তিনজন

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ক্রেতারা ঘরে বসে ফোন করলেই কাছাকাছি প্লাজা অথবা ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম থেকে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওয়ালটন পণ্য পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। রয়েছে ফ্রি ইন্সটলেশন

ওয়ালটন এয়ার কন্ডিশনার নিয়ে স্লোগান বা ট্যাগলাইন লিখে ফ্রি এসি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও ব্লেন্ডার পেয়েছেন তিনজন। ওয়ালটনের ক্রিয়েটিভিটি চ্যালেঞ্জ সিজন-১ শীর্ষক ক্যাম্পেইনে ওই পুরস্কার পেলেন তারা। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন ঢাকার মিরপুরের অজুফা আক্তার, চট্টগ্রামের সালমান রহমান এবং নোয়াখালীর জিকো রড্রিক্স।

জানা গেছে, ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ড সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এতে ২ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। ওই রাউন্ডে সেরা ৩টি ট্যাগলাইন বা স্লোগান বাছাই করা হয়েছে। সেরা ট্যাগলাইনার হিসেবে অজুফা ওয়ালটন এসির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছিলেন, ওয়ালটন স্মার্ট এসি, খরচ কম ঠাণ্ডা বেশি। সালমান লেখেন, গরম যখন চরমে, ওয়ালটন এসি নিয়ে থাকুন আরামে। অন্যদিকে জিকোর ট্যাগলাইন হলো, অস্থির গরমে স্বস্তির ছোঁয়া।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১) পুরস্কারপ্রাপ্তদের কাছে উপহার হস্তান্তর করা হয়। ওয়ালটন থেকে পাওয়া এসিটি অজুফা আক্তারের বাসায় বিনামূল্যে ইনস্টল করে দেয়া হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় বিচারকমন্ডলীর মধ্যে ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হুমায়ূন কবীর, ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তানভীর রহমান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম ও আমিন খান।

ওয়ালটন এসির ব্র্যান্ড ম্যানেজার খলিলুর রহমান জানান, ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ট্যাগলাইন কিংবা স্লোগানগুলো গুগল ফর্মের মাধ্যমে, ওয়ালটন এসির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ-এ কমেন্ট এবং মেসেজের মাধ্যমে জমা দিয়েছেন। এরপর ওয়ালটন স্মার্ট এসির ক্রিয়েটিভিটি চ্যালেঞ্জের ফটো ব্যানারটি নিজের ফেসবুকের টাইমলাইনে শেয়ার করেছেন। একই ট্যাগলাইন বা স্লোগানের জন্য একাধিক অংশগ্রহণকারীর ক্ষেত্রে প্রথম জমা প্রদানকারীই প্রাধান্য পেয়েছেন। ওয়ালটন এসি নিয়ে ট্যাগলাইন বা স্লোগান বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষাতেই জমা দিয়েছেন তারা। প্রতিষ্ঠানের বা পণ্যের তথ্যের ব্যাপারে সচেতনতা তৈরির জন্যই এমন ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছে। ক্যাম্পেইনটি চলে ৩১ মে ২০২১ পর্যন্ত।

হুমায়ূন কবীর বলেন, করোনাকালে লকডাউনের সময় অধিকাংশ মানুষই বাসায় সময় কাটাচ্ছিলেন। সেসময়ে ওয়ালটন এসি বিভাগ তাদেরকে সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত রেখে কর্মদক্ষতা ও মেধা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেয়। যার প্রেক্ষিতে ওই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। খুব দ্রুত ক্যাম্পেইনটি সবার নজর কাড়ে। ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় শিগগিরই ক্রিয়েটিভিটি চ্যালেঞ্জ সিজন-২ শুরু করতে যাচ্ছে ওয়ালটন।

স্লোগান লিখে পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে অজুফা আক্তার বলেন, লকডাউনে গরমের মধ্যেই হোম অফিস করছিলাম। একদিন সোস্যাল মিডিয়া ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে ওয়ালটনের ট্যাগলাইন লেখা সংক্রান্ত বিষয়টি চোখের সামনে আসে। তখনই লিখে ফেললাম ট্যাগলাইনটা। আমি ভুলে গিয়েছিলাম ওয়ালটনের এমন একটি ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছি। হঠাৎ ওয়ালটনের পক্ষ থেকে জানানো হলো আমি প্রথম হয়েছি এবং পুরস্কার হিসেবে একটি এসি পেয়েছি। ওয়ালটনের টেকনিক্যাল টিম এসে আমার বাসায় এসিটি ইনস্টল করে দিয়েছে। আমি সত্যিই সারপ্রাইজড। এই গরমে আমাকে আর কষ্ট করতে হবে না। ওয়ালটনকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

জিকো রড্রিক্স বলেন, জীবনে এই প্রথম কোনো পুরস্কার পেলাম। ফেসবুকে চোখ বোলাতে গিয়ে ওয়ালটনের ট্যাগলাইন লেখা সংক্রান্ত বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনের পণ্য পছন্দ করি। দেশীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই ব্র্যান্ডের প্রতি আলাদা ভালোলাগা কাজ করে। ফ্রিজ, টিভিসহ বাসায় বহু পণ্যই ওয়ালটন থেকে কেনা। সেগুলো খুব ভালো সার্ভিস দিচ্ছে।

কর্মকর্তারা জানান, এসি ক্রেতাদের নানান সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। এসি এক্সচেঞ্জ অফার এর আওতায় যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসি জমা দিয়ে গ্রাহক তার পছন্দকৃত নতুন ওয়ালটন এসির মূল্য থেকে ২৫ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন। ক্রেতারা ঘরে বসে ফোন করলেই কাছাকাছি প্লাজা অথবা ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম থেকে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওয়ালটন পণ্য পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। রয়েছে ফ্রি ইন্সটলেশন।

করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে গৃহকে সুরক্ষিত রাখতে ডুয়েল ডিফেন্ডার, আয়োনাইজার, ইউভি (আল্ট্রা ভায়োলেট) কেয়ার প্রযুক্তি সম্বলিত এসি বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের ইনভার্না এসির ইকো-মুডে প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুৎ খরচ পড়ছে মাত্র ২ টাকা ৮৮ পয়সা। যা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট সার্টিফাইড। রয়েছে মুঠোফোনে নিয়ন্ত্রণযোগ্য স্মার্ট এসি। এছাড়া সম্প্রতি ওশেনাস সিরিজের ভয়েস কন্ট্রোল এসি বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। রিমোটের পাশাপাশি কথা বলেই ওই এসি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও কনফারেন্স হলের মতো মাঝারি স্থাপনার জন্য ৪ ও ৫ টনের ক্যাসেট এবং সিলিং টাইপ এসি উৎপাদন ও বাজারজাত করছে ওয়ালটন। আবাসিক ভবন, ফ্ল্যাট বাড়িসহ ছোট-বড় সব ধরনের স্থাপনার জন্য ওয়ালটনের আছে ভেরিয়্যাবল রেফ্রিজারেন্ট ফ্লো বা ভিআরএফ এবং চিলার। আর গৃহে ব্যবহারের জন্য রয়েছে অসংখ্য মডেলের ১, ১.৫ ও ২ টনের স্পিট টাইপ এসি। এসব এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্টের পাশাপাশি কম্প্রেসরে ১০ বছরের গ্যারান্টি দেয়া হচ্ছে।

দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তম সেবা দিতে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে ওয়ালটনের রয়েছে ৭৬টি সার্ভিস সেন্টার। ওয়ালটনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী এবং টেকনিশিয়ান ও সার্ভিস এক্সপার্টগণ প্রতি ১০০ দিন পর পর এসির ক্রেতাদের ফ্রি সার্ভিস দিচ্ছেন।


আরও খবর