আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

নাজিরপুরে শিক্ষকের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পিরোজপুরের নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে এক স্কুল শিক্ষকের জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক আব্দুল সালাম বলেন, মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের অতুলনগর গ্রামের আমার ভোগ দখলীয় বাড়ির সামনে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সাড়ে ৬ একর জমি। সেই জমি দখল করতে মাটিভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. বেলায়েত হোসেন বুলুর নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর হোসেন, আলমগীর হোসেন ও জামায়াত তরফদার বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) ড্রেজার মেশিন দিয়ে ওই জমিতে বালু ভরাট করেন। এতে আমি বাঁধা দিলে আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে হত্যার হুমকি দেয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওই জমিতে বালু ভরাট করে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। দখলদারদের পক্ষে সেখানে কিছু নারী শ্রমিকদের কাজ করতে দেখা গেছে। অভিযুক্তদের না পাওয়া গেলেও অভিযুক্ত জামায়াত তরফদারের স্ত্রী ছুটি বেগম ওই জমি তাদের বলে দাবি করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আওয়ামী লীগ নেতা বেলায়েত হোসেন বুলুর মোবাইলে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুজ্জামান জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয়পক্ষকে থানায় আসতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



ইউনিয়ন ব্যাংকের ভল্ট থেকে ১৯ কোটি টাকা উধাও

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বেসরকারি খাতের ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত ইউনিয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় সংলগ্ন গুলশান শাখার ভল্ট থেকে ১৯ কোটি টাকা উধাও হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পরিদর্শক দল গত সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির শাখায় গিয়ে এমন তথ্য উদ্ঘাটন করেছে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এখন ব্যাংকটির সব শাখার ভল্ট পরিদর্শন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতো বড় অনিয়মের তথ্য উদঘাটনের পরও শাখার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের বা ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ওইদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পরিদর্শক দল ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখা পরিদর্শনে যায়। সকাল ১০টার আগেই তারা শাখায় গিয়ে উপস্থিত হন। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী শুরুতেই পরিদর্শক দল ভল্ট পরিদর্শন করে। কাগজে-কলমে শাখার ভল্টে ৩১ কোটি টাকা দেখানো হলেও সেখানে ১২ কোটি টাকা পায় পরিদর্শক দল। তাৎক্ষণিক বাকি টাকার বিষয়ে ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কোনো জবাব দিতে পারেননি। উল্টো বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন তৎপরতা শুরু করে শাখা কর্তৃপক্ষ। একপর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পক্ষও এ ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়।

প্রতিদিন লেনদেনের শেষ ও শুরুতে ভল্টের টাকা মিলিয়ে রাখার দায়িত্ব শাখার ব্যবস্থাপক, সেকেন্ড অফিসার এবং ক্যাশ ইনচার্জের। ভল্টে টাকার হিসাবে কোনো গরমিল হলে তা মিলিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এসব কর্মকর্তার। অনেক সময় হিসাবের ভুলে সামান্য টাকার গরমিল হতে পারে। তবে বড় অঙ্কের টাকার গরমিল হলে তা ফৌজদারি অপরাধ। এক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। উল্টো মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত পর্যন্ত পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার তৎপরতা চলে। শুধু তাই নয়, পরিদর্শনে গিয়ে যারা এই তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন, তাদের চাপে রাখা হয়। তবে অদৃশ্য কারণে এক্ষেত্রে কাউকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়নি। এমনকি থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরিও করেনি ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ব্যাংকের কারও বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে হোয়াসটঅ্যাপে লিখিত প্রশ্ন করা হলেও তিনি উত্তর দেননি।

বিষয়টি জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন ব্যাংকের ভল্টের টাকায় গরমিল হতে পারে। বিষয়টি আমি এখনও জানি না। তবে কেনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে এমন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে অবশ্যই রুলস অ্যান্ড রেগুলেটরি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিভিন্ন সংকটে থাকা ব্যাংকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানতের উপর ভর করে চলছে। গত বছর শেষে ব্যাংকটির মোট আমানত ছিল ১৭ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানতই চার হাজার ১২৭ কোটি টাকা।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত মে পর্যন্ত ইউনিয়ন ব্যাংকে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের আমানত ছিল ২১৭ কোটি টাকা, পদ্মা অয়েলের ১৫০ কোটি, যমুনা অয়েলের ১৫০ কোটি, চট্টগ্রাম ওয়াসার ৯২ কোটি, সিলেট গ্যাস ফিল্ডসের ৯৮ কোটি টাকা, পেট্রোবাংলার ৩২ কোটি, তিতাস গ্যাসের ১৫ কোটি টাকা। এছাড়া সড়ক ও জনপথ অধিদফতর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, ইসলামী ফাউন্ডেশন, বিসিআইসি, বাখরাবাদ গ্যাস, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাংকে টাকা রেখেছে।

২০১৩ সালে যে ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক দেশে অনুমোদন পায় সেগুলোর মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড অন্যতম। প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মালিকানায় ছিল ব্যাংকটি। এখন ব্যাংকটি পরিচালনা করছে দক্ষিণাঞ্চলের একটি শিল্পগোষ্ঠী। সম্প্রতি পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে ইউনিয়ন ব্যাংক। ব্যাংকটি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৪২৮ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এজন্য ১০ টাকা করে কোম্পানিটি ৪২ কোটি ২৮ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করবে। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলন করা অর্থ দিয়ে ব্যাংকটি এসএমই ও প্রজেক্ট অর্থায়ন, সরকারি সিকিউরিটিজ ক্রয়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

এর আগে চলতি বছরের ১৭ জুন ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে পৌনে ৪ কোটি টাকার সরিয়ে নেন এক কর্মকর্তা। ওই ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ শাখাটির দুই কর্মকর্তাকে পুলিশ হেফাজতে দেয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এছাড়া কয়েক মাস আগে ডাচ-বাংলা ব্যাংক থেকে ব্যাংকটির একজন আইটি অফিসারও এক হাজার ৩৬৩টি লেনদেনের মাধ্যমে ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। ঘটনাটি ব্যাংকের অডিটে ধরা পড়ে।



আরও খবর
সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সবজির

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সাহেদের সঙ্গে আসামি হচ্ছেন স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

প্রকাশিত:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ

সরকারি অর্থ আত্মসাতের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদও আসামি হচ্ছেন।

এই দুজনের পাশাপাশি মোট ছয়জনকে আসামি করে সোমবার এ মামলার চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শিগগির এ অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।

চার্জশিটের অপর আসামিরা হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) মো. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা মো. দিদারুল ইসলাম।

লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে তিন কোটি ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছর ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। সেখানে আবুল কালাম আজাদ ছাড়া বাকি পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

পরে ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকেই তদন্তের দায়িত্ব দেয় দুদক। দীর্ঘ এক বছর পর এ মামলার তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র অনুমোদন চেয়ে কমিশনে প্রতিবেদন দেন তদন্ত কর্মকর্তা। সোমবার তা অনুমোদন করল কমিশন।


আরও খবর



ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অভিযোগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এসআই হাফিজুর রহমান বলেন, ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ নিয়ে একজন ভুক্তভোগী থানায় আসেন

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অভিযোগ করেছেন আরিফ বাকের নামে এক ভুক্তভোগী।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার পর ভুক্তভোগী থানায় উপস্থিত হয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেন।

অভিযোগকারী আরিফ বাকের গণমাধ্যমকে বলেন, থানায় একটি অভিযোগ জমা দিয়েছি। তবে থানা এখনও তা অফিসিয়ালি নেয়নি। থানা থেকে বলা হয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিষয়ে জানানো হবে।

এ বিষয়ে গুলশান থানার এসআই হাফিজুর রহমান বলেন, ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ নিয়ে একজন ভুক্তভোগী থানায় আসেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির অফিস ধানমণ্ডি থানা এলাকায় হওয়ায় ভুক্তভোগী নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি মামলাটি কোথায় করবেন। যেহেতু অফিসটি ধানমন্ডিতে নিয়ম অনুযায়ী সেখানেই মামলাটি হওয়ার কথা। তবে ভুক্তভোগীর বাসা গুলশানে হওয়ায় তিনি এখানে পরামর্শ করতে এসেছিলেন। অভিযোগের একটি কপি আমরা রেখে দিয়েছি এবং তাকে বলেছি, আগামীকাল সকালে থানায় আসতে।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন তিন লাখ ১০ হাজার টাকা, একজন নয় লাখ টাকা ও আরেকজন সাত লাখ ৯৮ হাজার টাকার পণ্য অর্ডার করেও নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ই-কমার্স সাইট ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণা মামলা দায়ের করেছেন এক গ্রাহক। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গতকাল বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মো. আরিফ বাকের এই মামলাটি দায়ের করেছেন।

মামলায় ইভ্যালি এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় ইভ্যালির আরও বেশকজন কর্মকর্তাকে অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে আরিফ বাকের উল্লেখ করেছেন, ইভ্যালির অনলাইন প্লাটফর্মে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকার পণ্য অর্ডার করেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পাননি তিনি। নিরুপায় হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ মে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে অভিযোগকারী আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা চলতি বছরের মে ও জুন মাসে কিছু পণ্য অর্ডার করেন। পণ্যের অর্ডার বাবদ সব মূল্য বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে সম্পূর্ন পরিশোধ করেন তারা।

পণ্যগুলো ৭ থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারি ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠান সমপরিমাণ টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ওই সময়সীমার মধ্যে পণ্যগুলো ডেলিভারি না পাওয়ায় বহুবার ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিকে ফোন করা হয়। সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করে অর্ডার করা পণ্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আরিফরা।

একপর্যায়ে ইভ্যালি পণ্য প্রদান ও টাকা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার পর ৯ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির ধানমন্ডির অফিসে যান আরিফ ও তার বন্ধুরা।

মামলার এজাহারে আরিফ বলেন, ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। একপর্যায়ে অফিসের অভ্যন্তরে থাকা ইভ্যালির রাসেল উত্তেজিত হয়ে তার রুম থেকে বেরিয়ে এসে আমাকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন এবং আমাদের পণ্য অথবা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। আমাদের ভয়ভীতি ও হুমকিসহ চরম দুর্ব্যবহার করেন। এতে আমরা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছি। পণ্যগুলো বুঝে না পাওয়ায় আমি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




এমপি হাসিবুর রহমান স্বপন আর নেই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের এমপি, সাবেক শিল্প-উপমন্ত্রী ও শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ হাসিবুর রহমান স্বপন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। জনবান্ধব এই নেতার মৃত্যুতে পুরো সিরাজগঞ্জসহ শাহজাদপুর উপজেলা জুড়ে শোক বিরাজ করছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে তুরস্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আজাদ রহমান শাহজাহান। মৃত্যুকালে তিনি তিন কন্যা, স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

অধ্যক্ষ আজাদ রহমান জানান, এমপি হাসিবুর রহমান স্বপনকে রাষ্ট্রীয়ভাবেই তুরস্কে পাঠানো হয়েছিল চিকিৎসার জন্য। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেছেন। তার মৃত্যুর খবরটি আপাতত আমরা মাইকে প্রচারের ব্যবস্থা করছি। জানাযা ও দাফন কোথায় হবে পরিবারের সাথে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানানো হবে। 

হাসিবুর রহমান স্বপন গত বছর হঠাৎ কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে তুরস্কের একটি হাসপাতালে গিয়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করান। গত দু সপ্তাহ আগে হঠাৎ করে করোনায় আক্রান্ত হন তিনি। এরপর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে তাকে গত সোমবার আবারও তুরস্কের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

হাসিবুর রহমান স্বপনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন:

এমপি হাসিবুর রহমান স্বপন প্রথমে ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। পরোপকারী ও সাধারণ মানুষের বিপদের বন্ধু বলে পরিচিত স্বপন এরপর নির্বাচিত হন পৌর মেয়র। পরে বিএনপির মনোনয়নে হন এমপি। ১৯৯৬ সালে এমপি হবার পর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে হন শিল্প উপমন্ত্রী। পরে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে আবার আওয়ামী লীগের মনোনয়নে হন উপজেলা চেয়ারম্যান।

এরপর দশম সংসদ নির্বাচনের পর থেকে টানা দুবার আওয়ামী লীগের নির্বাচিত এমপি হিসেবে কাজ করছেন। সামগ্রিক উন্নয়নে তিনি ভূমিকা রেখেছেন। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার দক্ষতায় শাহজাদপুর অনেকটা আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১