আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

নওগাঁয় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে রসালো ফল কাঁঠাল

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪৬৫জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁয় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে গ্রীষ্ম মৌসুমের বেশ জনপ্রিয় পুষ্টিগুণ সম্পন্ন রসালো জাতীয় ফল কাঁঠাল। যদিও পুরো পাকা পুক্ত কাঠাল হওয়ার সময় বাঁকী রয়েছে ২ মাস।

প্রবাদ আছে গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল- জ্যৈষ্ঠ মাসে এ কথাটি আর কথার কথা থাকে না। গাছে কাঁঠাল দেখলে এ কথা সবাই বলতেই পারে। বর্তমানে জেলার প্রতিটি উপজেলায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে রসালো ফল কাঁঠাল। আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাড়ির পাশে, রাস্তার ধারে, জঙ্গলের ভেতরে থাকা গাছে ধরেছে প্রচুর পরিমানে কাঁঠাল। গাছের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত শোভা পাচ্ছে সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ফল।

খাদ্য শষ্য ভান্ডার হিসেবে নওগাঁ জেলা বিখ্যাত হলেও এখানকার মানুষের অতি প্রিয় ফল ও তরকারি হিসেবে কাঁঠাল যুগ যুগ ধরে কদর পেয়ে আসছে। কাঁঠালের বিচি এখানকার মানুষের একটি ঐতিহ্যপূর্ণ তরকারি। বিশেষ করে কাঠালের বিচ দিয়ে শুটকি ভর্তা অত্যন্ত প্রিয় সকলের। বিভিন্ন ধরনের শাক ও কাঁঠালের বিচির সমন্বয়ে রান্না করা তরকারি এখানকার মানুষ তৃপ্তির সঙ্গে ভাত খেতে পারেন। তাছাড়া গবাদিপশুর জন্যও কাঁঠালের ছাল উন্নতমানের গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এক প্রকারের সবুজ রঙের সুমিষ্ট গ্রীষ্মকালীন ফল। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল হিসাবে সরকারীভাবে নির্ধারিত। বাংলাদেশের সর্বত্র কাঁঠাল গাছ পরিদৃষ্ট হয়। কাঁঠাল গাছের কাঠ আসবাবপত্র তৈরির জন্য সমাদৃত। কাঁঠাল পাতা বিভিন্ন প্রাণীর পছন্দের খাদ্য। তুলনামূলকভাবে বিশালাকার এই ফলের বহির্ভাগ পুরু এবং কান্টকাকীর্ণ, অন্যদিকে অন্তরভাগে একটি কান্ড ঘিরে থাকে অসংখ্য রসালো কোয়া। কাঁঠালের বৃহদাকার বীজ কোয়ার অভ্যন্তরভাগে অবস্থিত।

বহুগুণ সমৃদ্ধ এ কাঁঠাল এখানকার হাট-বাজারে এখনও উঠতে শুরু করেনি। তবে জ্যৈষ্ঠের শেষ ও আষাঢ় মাসের শুরু থেকে এখানকার হাট-বাজারে কাঁঠাল কেনাবেচা শুরু হবে এমনটি ধারণা কাঁঠাল ব্যবসায়ীদের।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, এ উপজেলায় তেমন একটা কাঁঠালের বাগান নেই তবে দিন দিন বাড়ছে। তিনি আরো বলেন গত বছরের তুলনায় এ বছর উপজেলায় কাঁঠাল ভালো হয়েছে। দিন দিন উপজেলার মানুষের মাঝে কাঁঠালের চারা রোপনের আগ্রহ বাড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: কাঁঠাল নওগাঁ

আরও খবর
সাপাহারে আমের কেজি ২ টাকা

শুক্রবার ২০ মে ২০22




বাউফলে বিষাক্ত পোকা খেয়ে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পটুয়াখালীর বাউফলে বিষাক্ত পোকা খেয়ে সলেমান (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ছোট ডালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

শিশু সলেমান, ডালিমা গ্রামের সোহেল ফরাজীর ছেলে। সোহেল ফরাজী ঢাকায় একটি বেসরকারি ফার্মের কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন।

স্বজনরা জানান, শনিবার রাতে সোহেল ফরাজীর মা সেলিনা বেগম ঘরের বারান্দায় তার দুই নাতি সলেমান ও ইমামকে নিয়ে খেলা করছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে একটি কালো পোকা বাচ্চাদের সামনে এসে পড়লে ইমাম হোসেন পোকাটি ধরে সলেমানের মুখে ঢুকিয়ে দেয়। ইমাম ও সলেমান চাচাতো ভাই। কিছুক্ষণ পরই সলেমান বমি শুরু করে। দ্রুত সলেমানকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আক্তারুজ্জামানের চেম্বারে নিয়ে যান স্বজনরা। ওষুধ নিয়ে বাড়িতে ফিরে দেখেন সলেমান নিস্তেজ হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কামরুল হাসান বলেন, আলোর ফাঁদ অথবা ঘরে ব্যবহৃত লাইটের আলোতে কোনো বিষাক্ত পোকা আসার কথা নয়।তিনি বলেন, অন্য কোনো কারণে শিশুটির মৃত্যু হতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: শিশুর মৃত্যু

আরও খবর



স্বর্ণ গায়েব করে চাকরি হারালেন এসপি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৯৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১২০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধারের পর মাদক বানিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

গত বুধবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আলতাফ হোসেন ২০১৬ সালের ২৩ জুলাই থেকে পরের বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার ছিলেন। এখন ট্যুরিস্ট পুলিশের সিলেট অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

তার দায়িত্ব পালনের সময় ২০১৬ সালের ৬ অক্টোবর বিপ্লব চ্যাটার্জি নামের এক সোনা কারবারি আটক হন। তার কাছ থেকে ১২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়। পাটকেলঘাটা থানায় উদ্ধার করা সোনার জব্দ তালিকাও করা হয়েছিল।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কিন্তু ওই ঘটনায় থানায় স্বর্ণ চোরাচালানের মামলা রেকর্ড না হয়ে মাদক মামলা রেকর্ড হয়। স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনাটিকে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাজানোর বিষয়টি জানা সত্ত্বেও দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেননি আলতাফ হোসেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ২০১৯ সালে আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর তার ব্যাখ্যাও নেওয়া হয়। পরে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আতাউল কিবরিয়া এ বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করেন। সেখানে আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় আলতাফ হোসেনের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

আলতাফ হোসেনের জবাব পর্যালোচনা করে তাকে চাকরি থেকে অপসারণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আলতাফ হোসেনের চাকরিচ্যুতির ওই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর (খ) অনুযায়ী আনা অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই বিধিমালার ৪(৩) গ বিধি মোতাবেক গুরুতর দণ্ড হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হলো।


আরও খবর



দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ঊর্ধ্বমুখী

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিম্নমুখী ধারা কাটিয়ে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এই মুহূর্তে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা মজুত আছে, তা দিয়ে অন্তত ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

আমদানি ব্যয় হিসাবে গত ১০ মে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করায় রিজার্ভ কমে ৪১ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমেছিল, সেদিনের স্থিতি ছিল ৪১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে গত বছরের আগস্টে রিজার্ভ বেড়ে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। তবে আকুর পরিশোদের পর চলতি মাসের ৯ মে তা কমে ৪৪ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

তবে বিশাল অঙ্কের এ আমদানি ব্যয় মেটানোর পর মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যেই নিম্নমুখী বৈদেশিক মুদ্রার মজুত আবার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ আবার ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। রিজার্ভে নতুন করে ২ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার যুক্ত হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমর হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ করলে দেশের রিজার্ভ আরও কমে আসবে। যদিও সংস্থাটির হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ না করে বিদ্যমান নিয়মেই হিসাব চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন মতে, রিজার্ভ থেকে দায় পরিশোধের পর কিছু অর্থ যোগ হয়েছে। প্রায় ছয় কার্য দিবস পরে রিজার্ভে ২ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে। এ পরিমাণ মজুত দিয়ে আগামী ৬ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

চলতি মে মাসের প্রথম ১২ দিনে বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স এসেছে ৮৩৬ দশমিক ১৯ মিলিয়ন বা ৮৩ কোটি ৬১ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় (এক ডলার সমান ৮৭.৫০ পয়সা ধরে) ৭ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা। মে মাসের প্রথম ১২ দিনে দৈনিক গড়ে ৬৯ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দৈনিক গড় প্রবাহ বিবেচনায় প্রবাসী আয়ের এ ধারা আগের মাস এপ্রিলের চেয়ে ঊর্ধ্বমুখী।

এ সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসছে সৌদি আরব (১০৫ কোটি ১১ লাখ ডলার) থেকে, যা মোট রেমিট্যান্সের ২০ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এরপর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ, যুক্তরাজ্য ১১ দশমিক ৩৩ শতাংশ, আরব আমিরাত ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং কুয়েত থেকে ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ রেমিট্যান্স এসেছে।


আরও খবর



করোনায় আরও একটি মৃত্যুশূন্য দিন

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে টানা ১০ দিনের মত করোনা ভাইরাসে দেশে কারও মৃত্যু হয়নি। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল একজনের মৃত্যু হয়েছিল।রবিবার (১ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৪৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৯৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় এই সুস্থ হয়েছেন ২৯৩ জন। দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৭১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আর মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১২৭ জনের। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ৬৯৭ জন।

২০১৯ সালের শেষে চীনের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু হয় একই বছরের ১৮ মার্চ।


আরও খবর



শিমুলিয়া-বাংলাবাজার-মাঝিরকান্দি নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৈরী আবহাওয়ার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপথে সন্ধ্যা ৭টা থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে ঈদে ঘরমুখো হাজারো যাত্রী।

শিমুলিয়া ঘাটের বিআইডব্লিউটিএর  কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন জানান, অভ্যন্তরীণ নৌপথে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত বলবৎ থাকা ও কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কায় সক ধরনের লঞ্চ চলাচল সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।ঘাটে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনাক্রমে যাত্রীদের ফেরিতে পারাপারের জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

ঈদকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের ঢল নামে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। শনিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে পদ্মা পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে ঘাটে আসছেন হাজার হাজার যাত্রী। মোটরসাইকেল ও যাত্রী পারাপারে হিমশিম অবস্থায় ঘাট কর্তৃপক্ষ। ফেরির পাশাপাশি লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটেও যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়। এর মধ্যে বৈরী আবহাওয়ার কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে হাজারো যাত্রী। 


আরও খবর