আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

নোয়াখালীতে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৭৫জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে জেলা .লীগের কমিটি গঠন নিয়ে .লীগের ৩টি গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

আগামীকাল সোমবার ( সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টা থেকে  সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সদর উপজেলার মাইজদী শহর আশপাশ  (মাইজদী, দত্তেরহাট, সোনাপুর) এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান।

রবিবার ( সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান। তিনি আরও  জানান, ১৪৪ ধারা চলার সময় মাইজদী শহর আশপাশ  (মাইজদী, দত্তেরহাট, সোনাপুর) এলাকায় মধ্যে ব্যক্তি, সংগঠন, রাজনৈতিক দল, গণজমায়েত, সভা, সমাবেশ, মিছিল, র‌্যালি, শোভাযাত্রা, যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠান এবং রাজনৈতিক প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সব এলাকায় চারজনের বেশি মানুষ জমায়েত হতে পারবে না।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার বিকেল ৫টার দিকে আগামীকাল সোমবারের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে মাইজদী শহরের টাউন হল মোড়ে ৩টি গ্রুপের নেতাকর্মিরা অবস্থান নেয় এবং পাল্টাপাল্টি স্লোগন দেয়। সময় তুমুল উত্তোজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে মাইর মুখি অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উল্লেখ্য, গত কিছু দিন থেকে নোয়াখালী জেলা .লীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামীলীগ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মিদের মধ্যে প্রকাশ্যে বিভক্তি দেখা দেয়। এভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদ উল্যাহ খান সোহেল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীনের অনুসারীরা আলাদা ভাবে নিজেদের কর্মসূচি পালন করে আসছে। একপর্যায়ে বিবদমান তিনটি গ্রুপের অনুসারী নেতাকর্মিরা তাদের আগামীকাল সোমবারের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে সফল করতে রবিবার বিকেল থেকেই  জেলা শহরে অবস্থান নেয়। সময় তিন গ্রুপের অনুসারী নেতাকর্মি জেলা শহরে পথ সভা,মিছিল করলে ত্রিমুখি উত্তেজনা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এবং প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দিলে জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।


আরও খবর
মায়ের ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




১৮ বছরের নিচে সবাই শিশু, বিষয়টি ভাবনার সময় এসেছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে ১৮ বছরের নিচে সবাইকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়টি নিয়ে এখন চিন্তা-ভাবনার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মধুবাগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

কিশোর অপরাধ দমনে জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় সবার হোক একটাই পণ, কিশোর অপরাধ করব দমন শীর্ষক টিভিসি উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমি যখন এসএসসি পাস করেছি তখন আমার বয়স ছিল ১৫ বছর। বর্তমানে যারা নিয়মিত পড়াশোনা করেন ১৮ বছর বয়সে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান। আমাদের মনে হয় ১৮ বছরের এ সময়সীমা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সময় এসেছে। আন্তর্জাতিক একটি আইনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় এটি করা হয়েছে। কিন্তু এর ফলে কিশোর অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বেগ পেতে হচ্ছে। তাই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, এটি ধরে রাখার প্রথম শর্ত হচ্ছে নিরাপত্তা। কিন্তু আমাদের কিশোররা নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের শঙ্কার বিষয় ছিল কোভিডকালীন স্কুল কলেজ বন্ধ থাকবে, সবাই বসে থাকবে। তবে এ সময়ে কিশোরদের নিয়ে যে শঙ্কাটা ছিল ততখানি হয়নি, আমাদের দেশ অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশ-র‍্যাব, শিক্ষক ও সমাজ তাদের কার্যক্রম চালচ্ছে। তারপরেও অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি কেন? বিষয়টি নিয়ে খেয়াল না করলে আমাদের সন্তানদের হারিয়ে ফেলব, দেশ-জাতির সবাই নিগৃহীত হবে। সমাজের শাসন যদি সুপ্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যতই কড়াকড়ি করুক আমরা হারিয়ে যাব। তাই সময় থাকতে সন্তানকে উপযুক্ত শিক্ষা দিন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন। সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে খেয়াল করুন। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। তবে আপনি যদি আপনার সন্তানের প্রতি খেয়াল না রাখেন তাহলে এটি আমরা কখনোই পারব না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, একসময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তী সময়ে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়। এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেভাবে হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেফতার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদের গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, কিন্তু প্রফেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রফেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া। কিশোর অপরাধীদের গ্রেফতারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনাগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে সেগুলো পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদের তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদের অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতা কর্মসূচির মাধ্যমে সুপথে না আসে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, এক সময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়।

এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি, সেভাবে করা হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেপ্তার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদেরকে গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু প্রবেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রবেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া।

কিশোর অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠোর হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদেরকেই তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদেরকে অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ না, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতার মাধ্যমে সুপথে না আসে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।



আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাতিলের তালিকায় ২১০টি ভূতুড়ে পত্রিকা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১৯০ জন। এর আগে গত ২৯ মে এক হাজার ৪৩ জন শনাক্তের খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। সে হিসাবে সাড়ে তিন মাসের বেশি সময় পর করোনাতে সর্বনিম্ন রোগী শনাক্ত দেখলো দেশ।

এছাড়া একদিনে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু এবং শনাক্তের হারও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৫ জন, যা গতকাল ছিল ৩৮ জন। একই সময়ে রোগী শনাক্তের হার ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশ, যা কিনা গতকাল ছিল ছয় দশমিক ৪১ শতাংশ।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া এক হাজার ১৯০ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জন। একই সময়ে মারা যাওয়া ৩৫ জনকে নিয়ে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মারা গেলেন ২৭ হাজার ১৮২ জন।

আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৬৪৫ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৪ জন সুস্থ হলেন বলে জানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

একদিনে করোনায় রোগী শনাক্তের হার ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ২৩ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৬ শতাংশ।

একই সময়ে করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৯ হাজার ৮৯৬টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৯ হাজার ৬৬৮টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৩টি, এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৪৫টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৪ লাখ ৬২ হাজার ৫৮৮টি।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সোহেল রানা বরখাস্ত, বনানী থানায় নতুন পরিদর্শক

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
শফিকুল ইসলাম বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যেহেতু তিনি ভারতের সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক রয়েছেন, সেখানেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে

বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর স্থলে দায়িত্ব পেয়েছেন উত্তরা পূর্ব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর গাজী।

বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপকমিশনার (গুলশান) আসাদুজ্জামান। ডিএমপি সদর দপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানোর পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশনা আসে বলে জানান তিনি।

এ দিকে ই-কমার্স সাইট ই-অরেঞ্জের অন্যতম কর্ণধার সোহেল রানা। ই-কমার্সটির গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি তিনি। তাঁর স্থলে নতুন পরিদর্শককে (তদন্ত) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে আজ এ তথ্য জানা গেছে।

আজ ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক আদেশে ২১ জন পরিদর্শককে বিভিন্ন স্থানে বদলি ও পদায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে বনানী থানায় নতুন পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে উত্তরা পূর্ব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর গাজীকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যেহেতু তিনি ভারতের সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক রয়েছেন, সেখানেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাই তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নতুন কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে। সোহেল রানার বিষয়ে পুলিশ রিপোর্ট পেলেই আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আপাতত তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার এড়াতে দেশ থেকে পালিয়ে নেপাল যাওয়ার চেষ্টাকালে গত শুক্রবার ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে আটক হন পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা।

নিউজ ট্যাগ: ই-অরেঞ্জ

আরও খবর
ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের পুলিশের লাঠিপেটা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




২৭ সেপ্টেম্বরের পর খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু ও আবাসিক হল খুলতে পারবে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলা ও ক্লাসে পাঠদান শুরুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৈঠক থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বলেন, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করতে হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে তাদের আবাসিক হল খুলে দিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার একটি ডোজ নেওয়া হয়েছে এবং যাদের ক্যাম্পাসের মধ্যে সুযোগ আছে সেখানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তাদের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। সুরক্ষা অ্যাপে জন্ম নিবন্ধন নম্বর যুক্ত করে টিকার জন্য সেসব শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন করতে পারবেন।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ধাপে ধাপে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তখন জানানো হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় খোলা শুরু হবে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে। তবে এর আগে সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইউজিসিতে টিকা সংক্রান্ত তথ্য পাঠাতে হবে। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ টিকার আওতায় আসবে সেগুলো আগে খুলবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। দেড় বছর পর গত রোববার থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হয়। সোমবার খুলেছে মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ও নার্সিং সংক্রান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।


আরও খবর
১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০ ওভারে মাত্র ৯৪ রানের লক্ষ্য। যেকেউ এমন টার্গেটের কথা শুনলে ধরেই নিবেন জয় না পাওয়ার কোনো প্রশ্নই উঠে না। হ্যাঁ, বাংলাদেশও সেই টার্গেটে জয় তুলে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা। তবে যারা টিভি পর্দায় খেলা দেখেছেন, তারা জানেন এই রান তুলতে বাংলাদেশকে কতোটা পরীক্ষা দিতে হয়েছে। শেষ ওভার পর্যন্ত খেলতে হয়েছে মাহমুদউল্লাদের।

বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চতুর্থ ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতে ইতিহাস গড়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা। কিছুদিন আগে জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে আসলো বাংলাদেশ দল। ঘরের মাঠে ফিরেই ইতিহাস রচনা করে টাইগাররা। প্রথমারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয় অজিদের। আরও একটি ইতিহাস রচনা হলো আজ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ দল। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন নাসুম আহমেদ।

৯৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১১ বল খেলে মাত্র ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার লিটন কুমার দাস। ফিন অ্যালেনের বলে আউট হন তিনি। এরপর উইকেটে আসেন সাকিব আল হাসান। তিনিও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ৮ বলে ৮ রান করে এজাজ প্যাটেলের বলে সাজঘরে ফেরত যান এই অলরাউন্ডার। সাকিবের আউটের পর কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন মুশফিকের রহিমও।

তাদের আউটের পর দলকে জয়ের প্রান্তে নিতে লড়াই করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ওপেনার নাঈম শেখ। দলীয় ১৫তম ওভারে এক চার ও এক ছক্কায় ৩৫ বলে ২৯ রানের করে রানআউটের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তার আউটের পর আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক। ব্যাট হাতে মাহমুদউল্লাহ এক চার ও দুই ছক্কায় ৪৮ বলে ৪৩ রান করেন।

এরআগে, টস হেরে ফিল্ডিং করতে নেমে নাসুম আহমেদের স্পিন ঘূর্ণির পর মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিং তোপে বিপাকে পড়ে নিউজিল্যান্ড। চার ওভারে মাত্র ১০ রানে নিউজিল্যান্ডের প্রথম সারির চার ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান নাসুম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নিউজিল্যান্ডের ওপেনার রাচিন রবীন্দ্রকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দিয়ে প্রতিপক্ষ শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন নাসুম।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসে সাকিব আল হাসান দেন ১০ রান। দাপটের সঙ্গে ব্যাট করতে থাকা ফিন অ্যালানকে নাসুম তার ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ওভারেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য করেন। রিভার্স সুইপ খেলতে চেয়েছিলেন ফিন। কিন্তু এবার টাইমিং মেলাতে না পেরে মারমুখী কিউই ওপেনার ৮ বলে ১২ রান করে সাইফউদ্দিনের সহজ ক্যাচে পরিণত হন।

১৬ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলকে খেলায় ফেরান অধিনায়ক টম ল্যাথাম ও উইলি ইয়াং। ভয়ংকর হয়ে ওঠা এই জুটি ভাঙেন মেহেদি হাসান। ইনিংসের ১১তম ওভারে অধিনায়ককে থামিয়ে দেন মেহেদী। তার ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ে ২৬ বলে এক চারে ২১ রান করে মাঠ ছাড়েন ল্যাথাম। ১২তম ওভারে বোলিং এসে নতুন ব্যাটসম্যান হেনরি নিকোলাসকে বোল্ড করেন নাসুম আহমেদ।

এরপরই নিউজিল্যান্ড শিবিরে নতুন করে আঘাত হানেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। তার জোড়া শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন টম ব্লান্ডেল ও কলিন ম্যাককলিন। দলীয় ১৯তম ওভারে এজাজ পেটেলকে বোল্ড করে প্রথম উইকেটের স্বাদ পান সাইফউদ্দিন। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে থাকা উইল ইয়ংকে ৪৬ রানে আউট করার পরের বলেই ব্লেয়ার টিকনারকেও সাজঘরে ফেরান মুস্তাফিজ। ফলে ৩ বল হাতে থাকতেই সফরকারিদের ৯৩ রানে অলআউট করে টাইগাররা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

টস : নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ড : ৯৩/১০ (১৯.৩ ওভার)

ইয়ং ৪৬, ল্যাথাম ২১

নাসুম ৪-২-১০-৪, মুস্তাফিজ ৩.৩-০১২-৪, সাইফউদ্দিন ৩০-১৬-১, মেহেদী ৪-০-২১-১

বাংলাদেশ : ৯৬/৪ (১৯.১ ওভার)

রিয়াদ ৪৩*, নাঈম ২৯

এজাজ ৯/২, ম্যাককঞ্চি ৩৪/১


আরও খবর
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মেসিকে পেছনে ফেললেন সিআর সেভেন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১