আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

নভেম্বরে শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার কারণে আটকে থাকা ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে ১০-১২ নভেম্বরের মধ্যে। এই তিন দিনের যেকোনো একদিন থেকে পরীক্ষা শুরু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরীক্ষা শুরুর ১৫ দিন আগে রুটিন প্রকাশ করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট মাধ্যমে জানা গেছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার আয়োজন করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার জন্য প্রশ্নপত্র ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রশ্নপত্র জেলা পর্যায়ে পাঠানো হবে। আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বরের যেকোনো দিন থেকে এ পরীক্ষা শুরু করতে চায় শিক্ষা বোর্ডগুলো। যেহেতু ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে, সেহেতু উল্লেখিত সময়ের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা শুরু করলে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।

জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব না হওয়ায় গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বাছাইয়ের সুযোগ বাড়ানো হবে। আগে ১০টি প্রশ্নের মধ্যে ৭-৮টির উত্তর দিতে হলেও এবার সেখানে চারটির উত্তর দিতে বলা হবে। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রের বেঞ্চগুলোতে ইংরেজি বর্ণ জেড আকারে বসানো হবে পরীক্ষার্থীদের। কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সবাইকে মাস্ক পরে ঢুকতে হবে। প্রবেশের ফটকে রাখা হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীদের সামাজিক দূরত্ব রেখে চালাতে হবে যাবতীয় কার্যক্রম।

জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমীরুল ইসলাম বলেন, এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।‌ আগামী ১০, ১১ বা ১২ নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ সময়ে এসএসসি পরীক্ষা শুরু করতে পারলে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে। পরীক্ষা শেষে পরবর্তী একমাস পর ফল প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে চলতি সপ্তাহে পরীক্ষা শুরুর দিন চূড়ান্ত করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: এসএসসি পরীক্ষা

আরও খবর
১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামাতে তৎপর রাষ্ট্রবিরোধী চক্রটি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অনবদ্য ভূমিকা রাখছে বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। তিন দশকের বেশি সময়ের প্রচেষ্টায় নানা খাতে বিস্তৃত হয়েছে ব্যবসা। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই গ্রুপের ওপর নির্ভরশীল দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ। সরাসরি কর্মসংস্থান হয়েছে ৫০ হাজার মানুষের। যখন বিদেশে অর্থপাচারের মহোৎসব, তখনও দেশের টাকা দেশে রাখার প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শিল্পগ্রুপটি। অর্থনৈতিকভাবে দেশকে সমৃদ্ধ করতে যখন দুর্বার দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলছে, ঠিক তখনই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপকে ধ্বংসের পাঁয়তারা শুরু হয়। এই শিল্প গ্রুপকে আক্রমণ দেশের অগ্রযাত্রায় টুঁটিচেপে ধরার শামিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুসন্ধানী তথ্য বলছে, গত সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা শিল্প পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে প্রশ্নবিদ্ধ যে মামলা দায়ের হয়েছে, এর পেছনে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নিয়েছে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে নেতৃত্বদাতা চিহ্নিত চক্রের সদস্যরা। এই চক্রের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার একাধিক মামলাও রয়েছে। গত এক যুগ ধরে বিদেশে বসে রাষ্ট্র, সরকার, বঙ্গবন্ধু পরিবারসহ দেশের খ্যাতনামা ও প্রতিথযশা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে সংঘবদ্ধ চক্রটি।

জানা গেছে, গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর গুলশানে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামে এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনাকে পুঁজি করে ফের বসুন্ধরা গ্রুপ তথা রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্তে মেতে উঠেছে চক্রটি। দেশে-বিদেশে নানা প্রান্তে অবস্থানরত চক্রের সদস্যরা প্রত্যেকের জায়গা থেকে মরিয়া হয়ে উঠেছেন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে। আর, এই চক্রটিকে উসকে দিয়ে অর্থের জোগান দিচ্ছেন ভিন্ন দল থেকে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী সংসদ সদস্য ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ওরফে বিচ্ছু সামশু এবং তার ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন।

তথ্য মতে, এই চক্রটির ইন্ধনে বসুন্ধরা শিল্প পরিবারের চার সদস্যসহ আটজনকে আসামি করে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে কথিত ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন ওই তরুণীর বোন নুসরাত জাহান তানিয়া। মামলায় বসুন্ধরার চেয়ারম্যান, এমডিসহ কয়েকজন স্বনামধন্য ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, যাঁদের সঙ্গে ওই তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় দূরতম সম্পর্ক নেই।

এর আগে একই ঘটনাকে পুঁজি করে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের উদ্দেশ্যে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা করেছিলেন নুসরাত। পুলিশের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ১৮ আগস্ট আদালত ওই মামলা থেকে বসুন্ধরার এমডির নাম প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যাপক অবদান সর্বমহলে প্রশংসিত। ১৯৮৫ সাল থেকে বসুন্ধরা গ্রুপ শিল্পায়ন, আবাসনসহ নানা ধরনের ব্যবসায় জড়িত। বর্তমানে এই গ্রুপের ব্যবসা সম্প্রসারণ হয়েছে সিমেন্ট, বিটুমিনসহ বহু খাতে। বর্তমানে দেশজুড়ে নানা খাতে ৪৫টির বেশি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই গ্রুপের। সরাসরি কর্মসংস্থান হয়েছে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের। আর, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই শিল্প গ্রুপের ওপর নির্ভরশীল দেশের অন্তত এক কোটি মানুষ। আবাসন খাতের প্রবৃদ্ধিতে শুধু বসুন্ধরা গ্রুপের অবদান প্রায় ২১ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য শিল্প গ্রুপের চেয়ে সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নেও সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে এই শিল্প গ্রুপ। প্রান্তিক পর্যায়ে ২০ হাজার ৭৮০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনাসুদে ঋণ প্রদান করেছে।

তিন দশকের বেশি সময় ধরে তিল তিল করে বিস্তৃতি পাওয়া এই শিল্প গ্রুপের কর্ণধার আহমেদ আকবর সোবহান দেশের একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। ব্যবসায়িক দুরদর্শীতার মধ্য দিয়ে তিনি দেশের উন্নয়নে অংশীদার হওয়ার পাশাপাশি হতাশাগ্রস্ত লাখ লাখ বেকার তরুণ-যুবকের ঘুরে দাঁড়ানোর প্লাটফর্ম গড়ে তোলেন। তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে এই শিল্প গ্রুপকে আধুনিক, যুযোপযোগী এবং দেশকে আরো সমৃদ্ধশালী করে তোলার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সায়েম সোবহান আনভীর। তাঁদের মতো সম্মানিত ও অনুকরণীয় ব্যক্তিদের ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টায় বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার অন্যতম কুশীলব কে এই সারোয়ার : নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তাঁদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় বাদিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। এই সারোয়ারের বিরুদ্ধে রয়েছে নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের একাধিক মামলা। নুসরাতের মামলায় অন্যতম কুশীলব হিসেবে সক্রিয় বিতর্কিত এই ব্যক্তি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ব্যারিস্টার সারোয়ারের বাড়ি পিরোজপুরের ইন্দুরকানী। তার বাবা আব্দুল হাকিম হাওলাদার ছিলেন মুসলিম লীগের সদস্য এবং চিহ্নিত রাজাকার। উত্তরাধিকার সূত্রে পরিবারের সকল সদস্যই বিএনপির রাজনীতি করে আসছেন। একসময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ছিলেন। ২০০৪ সালের দিকে সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকাকালে পরিচয় হয় তারেক রহমানের সঙ্গে। এরপর তারা একসঙ্গে বসে করেন ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার নীলনকশা। ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ বিভিন্ন জঙ্গিবাদী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে ২০০৭-০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয় তাকে।

অনুসন্ধানী তথ্য বলছে, সারোয়ার তার স্ত্রী শেখ সোনিয়াকে নিয়ে অসংখ্যবার পাকিস্তান ভ্রমণে যান। ইসলামাবাদে অবস্থিত পাঁচতারকা হোটেল সেরেনায় বসে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সাথে একাধিকবার বৈঠকও করেন তারা। এর অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তোলা। এমনকি আইএসআইয়ের সঙ্গে যোগসাজশ করে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার ছকও আঁকেন বেশ কয়েকবার।

বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ২০১৩ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলনে জ্বালাওপোড়া, নাশকতা ও রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকান্ডের নেতৃত্বেও ছিলেন সারোয়ার। এ সংক্রান্ত মামলায় পাঁচ মাস জেলও খাটেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর থেকে বিএনপির টিকিটে নির্বাচনের জন্য সারোয়ারকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছিলেন তারেক রহমান। এখনও দেশের বাইরে বসে গ্রেনেড হামলা মামলার সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দেশবিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, বিভিন্ন দেশে অবস্থান করে প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচার চালিয়ে যাওয়া সংঘবদ্ধ চক্রের অন্যতম হোতা এই সারোয়ার। অনলাইনে আইপি টিভি এবং ফেসবুকে নামে বেনামে পেইজ খুলে চালিয়ে যাচ্ছেন ভয়াবহ অপপ্রচার। দেশের সাধারণ মানুষের আবেগ ও সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন সার্বক্ষণিক। মুনিয়া ইস্যুকে পুঁজি করে শুরু থেকেই সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে তীর্যক মন্তব্য করে আসছিল চক্রটি। বসুন্ধরা গ্রুপের কর্ণধারসহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের ফাঁসানোর অপচেষ্টা চক্রটির রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের সর্বশেষ সংযোজন।

অর্থের জোগানদাতা বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেট : অন্যদিকে, বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকারি করোনা ভ্যাকসিন চুরি, ইয়াবা ব্যবসার গোমর ফাঁস, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা, ব্যাংকার মোর্শেদ হত্যাসহ একাধিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছিল বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন বিভিন্ন গণমাধ্যম। এর জের ধরে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং এমডির বিরুদ্ধে এর আগেও মামলা করেছেন হুইপ সামশুল। মুনিয়া ইস্যুতে নুসরাতকে দাবার গুটি বানিয়ে ফের অপতৎপরতা শুরু করেছেন।

অনুসন্ধান বলছে, মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় হুইপপুত্র শারুন চৌধুরীর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল। শারুনের বিরুদ্ধে মুনিয়াকে হত্যার অভিযোগও উঠেছিল। বিচ্ছু সামশু এবং তার ছেলের বিপক্ষে কেউ অবস্থান নিলেই নেমে আসে ভয়ংকর নির্যাতন। প্রতিশোধ নিতে শারুন চৌধুরী এতটাই ভয়ংকর হয়ে ওঠেন যে, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজের বান্ধবী মুনিয়াকে হত্যা করে করেন। আর, নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে মুনিয়ার বোন নুসরাতকে কোটি টাকা দিয়ে বশ করে সাজানো মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ছয় নম্বর আসামি শারুন চৌধুরীর সাবেক স্ত্রী সাইফা রহমান মিম। তথ্য মতে, মুনিয়ার সঙ্গে শারুনের পরকীয়া প্রেমের জের ধরে স্বামীর সংসার ছেড়ে এসেছিলেন মিম। শারুনের নানা অপকর্মের স্বাক্ষী থাকায় এবং শারুনের বিরুদ্ধে মামলা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে নুসরাতের মামলায় এই মিমকেও ফাঁসানোর অপচেষ্টা হয়েছে। এমনকি প্রথম মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাকে সত্য তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করায় নতুন মামলায় আসামি করা হয়েছে নিরপরাধ বাড়ি মালিক দম্পতিকেও। এ ছাড়া এ মামলায় আসামি করা হয়েছে গত মাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাকেও। যিনি গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে শারুন চৌধুরী সম্পর্কে স্পর্শকাতর বহু তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন।


আরও খবর
সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সবজির

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ জিতল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জিতেছে বাংলাদেশ। ৪ রানের ব্যবধানে সফরকারীদের হারিয়েছে টাইগাররা।  শুরুতে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারীরা।

তবে ম্যাচের শেষদিকে বেশ রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে। শেষ ওভারে নিউজিল্যান্ডের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০ রান। বোলিংয়ে ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। মিরপুরের মন্থর উইকেটে মুস্তাফিজ বেশ কার্যকর। তবুও আজ ছন্দ হারালেন কাটার মাস্টার। করলে নো বল। ওই বলও আবার হলো সীমানা ছাড়া। শেষ ২ বলে সফরকারীদের দরকার ৮ রান। কিন্তু শেষ অবধি মুস্তাফিজ এই দুই বলে ৪ রানের বেশি করতে দেননি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও পাঁচ ম্যাচের সিরিজ বাংলাদেশের। সিরিজ এখনো শেষ হয়নি, মাত্র দুটি ম্যাচ হয়েছে। যেখানে প্রথমটিতে ৭ উইকেটে হারানোর পর আজ (শুক্রবার) দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ রানের জয় টাইগারদের।


আরও খবর
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মেসিকে পেছনে ফেললেন সিআর সেভেন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বাতিলের তালিকায় ২১০টি ভূতুড়ে পত্রিকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ২১০টি সংবাদপত্র বাতিলের তালিকায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এই পত্রিকাগুলা মাঝে মাঝে ছাপে। কোথা থেকে ছাপে কেউ জানে না। এগুলো থাকার দরকার নেই।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বরেন্দ্র অঞ্চলের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব বলেন।

সাধারণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপুসহ অনেকে।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর দেশে প্রায় ৪০০টি পত্রিকা অনিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছিলেন, এগুলো ভূতুড়ে পত্রিকা।


আরও খবর



বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৭০জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো, সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের শীলমুদ গ্রামের শহীদ মাওলানা বাড়ির আবুল বাশারের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৫) উজির আলীল ছেলে ইউসুফ (৪৮) নূর হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৮) মো.শহীদ উল্যার ছেলে  মো. জুয়েল (১৬)। নিহত সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা যায়।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের শীলমুদ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বজরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরন অর রশীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরও  জানান, আব্দুর রহিম সন্ধ্যার দিকে ধানি জমিতে নামে। এ সময় ধানি জমিতে থাকা পল্লী বিদ্যুতের ষ্ট্রিলের পিলারে সাথে আব্দুর রহিম বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুত্বর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে একে একে আরও ৩জন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুত্বর আহত হয়। শেষে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে।

চেয়ারম্যান মিরন জানান, মরদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে এনে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

নিউজ ট্যাগ: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট

আরও খবর
মায়ের ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা আরও আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গণভবনে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার খসড়া উপস্থাপনা অবলোকন করে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি যে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, বিজ্ঞানপ্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে, আমাদের এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। এ জন্য শিক্ষাকার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা একান্তভাবে অপরিহার্য।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের নীতিমালার ভিত্তিতে আমরা কাজ করবো। কিন্তু আমাদের সব সময় সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে এবং বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আর এ বিজ্ঞানপ্রযুক্তি জ্ঞানের ক্ষেত্রে বিশ্ব এগিয়ে যায় আমরা পিছিয়ে থাকতে পারি না।

বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরেকটা বিষয় আমি লক্ষ্য করেছিলাম আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েদের বিজ্ঞানের প্রতি অনিহা। বিজ্ঞান শিক্ষা তারা নিতেই চাই তো না। বিজ্ঞান বিভাগের লোকই পাওয়া যেতো না। এ রকম একটা সময় কিন্তু ছিল। আমরা বিজ্ঞান শিক্ষায় গুরুত্ব দিই। আমরা ১২টা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারের চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেহেতু আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলছি, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।

দীর্ঘদিন পর রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ রোববার থেকে আমরা স্কুল-কলেজ খুলে দিয়েছি, ধীরে ধীরে সবগুলো খুলে যাবে। যার ফলে আবার নতুনভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি বলেন, আমাদের অত্যন্ত দুর্ভাগ্য আমরা প্রায় দেড় বছরের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারিনি। যদিও অনলাইনে বা টেলিভিশনের মাধ্যমে বা ঘরে বসে- ঘরেই আমরা স্কুল এরই ধরনের বহুমুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছি, কাজ করেছি। কিন্তু স্কুলে যাওয়ার আনন্দ, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার আনন্দ থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়েছে।

করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, করোনাকালীন সময়ে যখন সব কিছু স্থবির তখন আপনারা যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষার ক্ষেত্রে এখনকার যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কীভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় করা যায়। আবার সেই সঙ্গে সঙ্গে জীবন-জীবিকার পথটাও যেন খোলে। সেই বিষয়টার দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে আপনারা এ কার্যক্রমগুলো করেছেন।

শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন এলাকায় নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এ পর্যন্ত যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছি। যেসব এলাকায় স্কুল ছিল না। সেসব এলাকায় আমরা স্কুল তৈরি করে দিচ্ছি।

তিনি বলেন, আমাদের নদী-নালা, খাল বিলের দেশ। ছোট ছোট শিশুদের যোগাযোগ ও যাতায়াতের ব্যবস্থা বিবেচনা করেই কিন্তু আমরা বিভিন্ন এলাকায় স্কুল তৈরির করার ব্যবস্থা নিয়েছি।


আরও খবর