আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ওমরাহ কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ আগস্ট ২০২১ | ৯৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণের কারণে বন্ধ থাকা সৌদি আরবের ওমরাহ পালনের প্রক্রিয়া ফের শুরু হয়েছে। সৌদি সরকারের অনুমতিক্রমে হিজরি ১৪৪৩‌ সালের বাংলাদেশ থেকে ওমরাহ কার্যক্রম শুরু করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ওমরাহ পালনের ক্ষেত্রে সৌদি সরকার আরোপিত শর্তাবলী ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে (www.hajj.gov.bd) প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার (১১ আগস্ট) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল ওমরাহ ভিসা। সম্প্রতি ওমরাহ পালনের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে সৌদি আরব। তবে মুসল্লিদের জন্য কিছু শর্ত দেওয়া হয়।

সেগুলো হলো- ওমরাহ করতে ইচ্ছুক মুসল্লিরা কেবল ৯টি দেশ ছাড়া বিশ্বের সব দেশ থেকে সরাসরি ফ্লাইটে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন। ওই ৯টি দেশ হলো- ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মিসর, তুরস্ক, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও লেবানন।

এই দেশগুলো থেকে কোনো মুসল্লি সৌদি আরবে প্রবেশ করতে চাইলে ওই ৯টি দেশ ছাড়া তৃতীয় আরেকটি দেশে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ করতে হবে।

এছাড়া ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা নিতে হবে। সেই টিকা হতে হবে ফাইজার, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা অথবা জনসন অ্যান্ড জনসনের। এসব টিকার দুটি ডোজ গ্রহণ করা ছাড়া সৌদি আরবে প্রবেশ করা যাবে না।

ওমরাহ পালনের জন্য ১৮ বছর বা বেশি বয়সীদেরই অনুমোদন দেওয়া হবে। এছাড়া দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় থেকে স্বীকৃত ওমরাহ এজেন্সির মাধ্যমেই কেবল সৌদি আরবে যেতে পারবেন মুসল্লিরা।


আরও খবর
স্বামী প্রভুপাদের জন্মবার্ষিকী আজ

বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজ শুভ জন্মাষ্টমী

সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১




রাজশাহী মেডিকেলে আরও ৭ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় ২ জন, উপসর্গে ৩ জন এবং করোনা নেগেটিভ হয়েও মারা গেছেন ২ জন। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণে হাসপাতালে রাজশাহী এবং কুষ্টিয়ার ১ জন করে মোট ২ জন মারা গেছেন। আর করোনা সংক্রমণের উপসর্গে নিয়ে রাজশাহী, নাটোর এবং কুষ্টিয়ার ১ জন করে মোট ৩ জন মারা গেছেন। এছাড়া করোনা নেগেটিভ হয়েও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় মারা গেছেন রাজশাহী ও নওগাঁর ১ জন করে মোট ২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬ জন মারা গেছেন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা-কেন্দ্রে (আইসিইউ)। এছাড়া ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১ জন মারা গেছেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৮৬ শয্যার রামেক করোনা আইসোলেশন ইউনিটে রোগী ভর্তি ছিলেন ১৪৫ জন। একদিন আগেও এই সংখ্যা ছিল ১৪৫।

বর্তমানে রাজশাহীর ৬৯ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৪ জন, নাটোরের ১৮ জন, নওগাঁর ৬ জন, পাবনার ১৫ জন, কুষ্টিয়ার ৭ জন, চুয়াডাঙ্গার ১ জন, জয়পুরহাটের ১ জন, সিরাজগঞ্জের ২ জন, মেহেরপুরের ১ জন এবং ঝিনাইদহের ১ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতালে করোনা নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৭৩ জন। করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৪৫ জন। করোনা ধরা পড়েনি ভর্তি ২৭ জনের। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৩ জন। এই একদিনে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৭ জন।

এর আগে বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল ল্যাবে ১৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৮ জনের নমুনায়।

একই দিনে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে আরও ১৮৮ জনের। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৪ জনের। পরীক্ষার অনুপাতে রাজশাহীর ১৫.১৮ শতাংশ, নাটোরের ১৫.৭৮ শতাংশ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০০ শতাংশ নমুনায় করোনা ধরা পড়েছে।



আরও খবর



পিবিআইয়ের তদন্তে বাদীরাই আসামি হয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বনজ কুমার মজুমদার পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের মহাপরিচালক। একজন দক্ষ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে এবং সৎ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে। পিবিআইকে পুলিশের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন নিজ নেতৃত্ব এবং কর্মদক্ষতার গুনে। কিন্তু পিবিআই যে মামলাগুলো তদন্ত করেছে তার একটি বড় অংশই দেখা যাচ্ছে তদন্তে উল্টো ফল হয়। সততার সঙ্গে নিষ্ঠার সঙ্গে তদন্ত হয় জন্য অনেকেই বাদী এই তদন্তে বিভাগ আসামিতে পরিণত হয়। পিবিআই সাম্প্রতিক সময়ে যতগুলো তদন্ত করেছে তার অনেকগুলোতেই এরকম ঘটনা ঘটেছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে। পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু চট্টগ্রামে আততায়ীর হাতে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তার হত্যাকাণ্ডের পর তার স্বামী বাবুল আক্তার বাদী হয়ে মামলা করেন। এই মামলার তদন্তের এক পর্যায়ে বাবুল আক্তারকে পুলিশ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। বাবুল আক্তার সাধারণ জীবনযাপন শুরু করেন। কিন্তু একপর্যায়ে এই মামলার তদন্ত দেওয়া হয়েছিল পিবিআইকে। পিবিআই এই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পায় এবং এক পর্যায়ে মামলার বাদী হয়ে যান আসামি, এরপর নতুন করে মামলা দায়ের করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে আরেকটি মামলা নিয়ে পিবিআই আলোচনায় এসেছে। তাহলো মুনিয়ার মৃত্যুর মামলা। গত ১৯ এপ্রিল গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে মারা যান মুনিয়া। মুনিয়ার মৃত্যুর পর তা বোন নুসরাত তানিয়া একটি আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা দায়ের করেছিলেন গুলশান থানায়। গুলশান থানা এই মামলার নানারকম তদন্ত শেষে এবং পোস্টমর্টেম রিপোর্টের ভিত্তিতে আত্মহত্যার কোন প্ররোচনা ঘটেনি মর্মে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন আদালতে। নুসরাত এই পুলিশ রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজি দরখাস্ত দেন এবং তার নারাজি দরখাস্তটি যখন আদালত খারিজ করে দেন তখন গত ৬ সেপ্টেম্বর তিনি আরেকটি মামলা দায়ের করেন ৮ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। সেখানে তিনি নুসরাতকে হত্যা এবং ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

উল্লেখ্য যে, একই অভিযোগে মুনিয়ার ভাই সবুজ একটি মামলা করেছিলেন সিএমএম আদালতে। যে মামলাটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা তদন্তের স্বার্থে স্থগিত রাখা হয়েছিল। কিন্তু একই বিষয়ে একটি হত্যা মামলা থাকার পরও আবার নতুন করে কেন হত্যা মামলা নেয়া হলো সেটি একটি আইনগত বিতর্কের বিষয়। কিন্তু এই মামলা তদন্ত করতে যেয়ে পিবিআই অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাচ্ছে। বিশেষ করে মুনিয়ার মৃত্যুর অন্যতম আলামত বলে মনে করা হচ্ছে গুলশানের ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ফুটেজ। কারণ একটি হত্যাকাণ্ড যদি ঘটে তাহলে অবশ্যই সেই হত্যাকাণ্ডের জন্য কিছু ব্যক্তিকে সশরীরে সেখানে যেতে হবে। বিভিন্ন সূত্র বলছে যে, মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘর থেকে বের হন নাই। কাজেই যদি এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সত্যি হয়ে থাকে তাহলে এই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কাউকে না কাউকে গুলশানে তার ফ্ল্যাটে যেতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় যে, যারা মুনিয়ার ফ্ল্যাটে বা ওই বিল্ডিং এ গিয়েছিল তাদের মধ্যে অন্তত তিনজন নুসরাতের পরিচিত এবং নুসরাতের সাথে ঘনিষ্ঠ। এই তিনজনকেই পরবর্তীতে গুলশান থানায় নুসরাতের সঙ্গে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করতে দেখা গেছে। এই তিনজনকেই আবার নুসরাতের সঙ্গে সিএমএম আদালতে দেখা গেছে। একটি সূত্র বলছে যে, পিবিআই এই তিনটি সিসি ফুটেজ দেখে এই তিনজন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করবে। এরা যদি নুসরাতের লোক হয় তাহলে নুসরাতের পরিণতিও বাবুলের মত হবে। কারণ পিবিআইয়ের তদন্তে বাদী যদি অভিযুক্ত হন তাহলে তাকে আসামি করতে পিছপা হয়না এই এলিট তদন্তকারী সংস্থাটি।

নিউজ ট্যাগ: পিবিআই

আরও খবর



যৌতুকের টাকার জন্য শ্যালিকাকে অপহরণ করলো দুলাভাই

প্রকাশিত:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | ২৯৫জন দেখেছেন
Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় দাবীকৃত যৌতুক এর টাকা পরিশোধ না করায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতনী ও ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া শালিকাকে অপহরণ করেছে দুলাভাই সুমন (২৩)। স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ।

উপজেলার মধ্য গড্ডিমারী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান এর ছেলে সফিয়ার রহমানের স্ত্রী অভিযোগকারী লাইজু বেগম বলেন, পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার আবুল হোসেন এর ছেলে সুমন (২৩) এর সাথে ১ বছর আগে আমার বড় মেয়ের বিয়ে হয়। ২ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েছি কিন্তু সুমন আরোও টাকা দাবি করে একসপ্তাহ আগে মেয়েকে আমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং আমার মেয়েকে হুমকি দিয়ে বলে, দাবিকৃত টাকা না দিলে আমি এমন ক্ষতি করব সমাজে মুখ দেখাতে পারবি না। গরীব শশুর জামাইয়ের দাবীকৃত যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় গত শনিবার সকালে ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া শালিকাকে অপহরণ করেছে দুলাভাই সুমন। তাই আমরা মেয়ের সন্ধান চেয়ে ঐদিন রাতে হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এখন পর্যন্ত মেয়ের সন্ধান না পেয়ে বাবা মা দিশেহারা। এ বিষয়ে জানতে সুমনের মুঠো ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

হাতীবান্ধা থানা অফিসার ইনচার্জ এরশাদুল আলম অভিযোগ পেয়েছেন সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উক্ত ছাত্রীকে উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশের বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে ঘায়েল করতে ব্যর্থ হয়ে এবার নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ওরফে বিচ্ছু সামশু এবং তার ছেলে নাজমুল করিম শারুন চৌধুরী। তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপে এবার আটজনকে আসামি করে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার মামলাটি করেন মোসারাত জাহান মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া।

তবে সূত্র জানায়, এ মামলার পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন সামশু-শারুন সিন্ডিকেট। বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের অপকর্মের বিপক্ষে যারাই সোচ্চার হয়, তাদের দমনে সামনে আনা হয় মুনিয়া ইস্যু। আর, ঘুরেফিরে মুনিয়ার বোন নুসরাতই তাদের মূল অস্ত্র বা দাবার গুটি। গতকালের এ মামলায় এমন কিছু ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, যাঁরা দেশের বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। তাঁদের মতো সম্মানিত ব্যক্তিদের আসামি করার মধ্য দিয়ে মূলত দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় কুঠারাঘাত করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় এমন কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে, যাঁদের সঙ্গে ওই ঘটনার দূরতম সম্পর্ক নেই। এ মামলার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তারা।

তথ্য মতে, গত ১৮ আগস্ট পটিয়ার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা করে সামশু-শারুন সিন্ডিকেট। গতকাল ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলাটিও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত হিংসা, আক্রোশ ও ব্লাকমেইলিংয়ের উদ্দেশ্যে মামলাটি করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, গতকাল দায়েরকৃত মামলায় নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তারা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।

জানা গেছে, বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকারি করোনা ভ্যাকসিন চুরি, ইয়াবা ব্যবসার গোমর ফাঁস, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা, ব্যাংকার মোর্শেদ হত্যাসহ একাধিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছিল বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন বিভিন্ন গণমাধ্যম। আর, সে কারণে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ঘটনার দিনই গুলশান থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরার এমডিকে আসামি করে মামলা করেছিলেন মুনিয়ার বোন নুসরাত। ওই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করেন গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান। তদন্তের ধাপে ধাপে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে ঘটনার চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ করেন। শেষপর্যন্ত মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় কোন সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলা থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির নাম প্রত্যাহার করে ১৯ জুলাই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ২২ জুলাই ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। শুনানী শেষে গত ১৮ আগস্ট আদালত এই মামলা থেকে বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি প্রদান করেন। পাশাপাশি পুলিশের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত নুসরাতের নারাজি আবেদনও খারিজ করেন আদালত।

তবে অনুসন্ধান বলছে, মুনিয়ার মৃত্যুর রহস্য শারুন চৌধুরীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এমনকি শারুনের বিরুদ্ধে মুনিয়াকে হত্যার অভিযোগও উঠেছিল। বিচ্ছু সামশু এবং তার ছেলের বিপক্ষে কেউ অবস্থান নিলেই নেমে আসে ভয়ংকর নির্যাতন। প্রতিশোধ নিতে শারুন চৌধুরী এতটাই ভয়ংকর হয়ে ওঠেন যে, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজের বান্ধবী মুনিয়াকে হত্যা করেন। আর, নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে মুনিয়ার বোন নুসরাতকে কোটি টাকা দিয়ে বশ করে সাজানো মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

এদিকে, মুনিয়াকে হত্যার অভিযোগে আদালতে শারুনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলার আবেদন করেছিলেন মুনিয়ার বড় ভাই আশিকুর রহমান সবুজ। কিন্তু নুসরাতের আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা চলমান থাকায় আদালত তখন সবুজের আবেদনটি স্থগিত রাখেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেখানে সবুজের মামলার আবেদনটি স্থগিত রাখা হয়েছে, সেখানে নুসরাতের আরেকটি মামলা নিয়ে মাতামাতির বিষয়টি রহস্যজনক। অথচ চাইলে এখন সবুজের মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করা যেত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন এ মামলায় স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ছাড়াও নিরপরাধ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন শারুন চৌধুরীর সাবেক স্ত্রী সাইফা রহমান মিম। মুনিয়ার সঙ্গে শারুনের পরকীয়ার জের ধরে তিনি স্বামীর সংসার ছেড়ে এসেছিলেন। শারুনের নানা অপকর্মের স্বাক্ষী এই মিমকেও তাই নতুন মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। এমনকি প্রথম মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাকে সত্য তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করায় নতুন মামলায় আসামি করা হয়েছে নিরপরাধ বাড়িওয়ালা দম্পতিকেও।

অন্যদিকে, নুসরাতের নতুন মামলায় আসামি করা হয়েছে গত মাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাকেও। তাকে এ মামলায় আসামি করার কারণ হিসেবে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে পিয়াসা শারুন চৌধুরী সম্পর্কে স্পর্শকাতর অনেক তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন। যার কিছু অডিও রেকর্ড ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে পড়ে যান শারুন। সেই ক্ষোভ থেকে নুসরাতের এই সাজানো মামলায় পিয়াসাকেও আসামি করিয়েছেন শারুন চৌধুরী।

পুলিশকে সত্য বলায় দুই বাড়িমালিকও চক্ষুশূল : আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা তদন্তের একপর্যায়ে মুনিয়ার বাড়িওয়ালার জবানবন্দি নিয়েছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। সে সময় ওই বাড়ির মালিক শারমিন ও তাঁর স্বামী ইব্রাহীম আহাম্মদ রিপন গুলশান থানা পুলিশকে জানিয়েছিলেন, মুনিয়ার বাসা ভাড়ার সঙ্গে আনভীরের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না। নুসরাত এবং তার স্বামী মিজানুর রহমান নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিয়ে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তাকে সত্য তথ্য দেওয়ায় বাড়িমালিকরাও শারুন সিন্ডিকেটের চক্ষুশূলে পরিণত হন। ষড়যন্ত্রমূলক এ মামলায় তাঁদের দুজনকেও আসামি করা হয়েছে।

মুনিয়ার ভাইয়ের মামলা অন্ধকারে : এদিকে, মুনিয়ার মৃত্যুর ছয়দিনের মাথায় গত ২ মে শারুনকে আসামী করে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলার আবেদন (নম্বর ১০২১/২০২১) করেন নিহতের ভাই আশিকুর রহমান সবুজ। মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভুঁইয়া আবেদনটি গ্রহণ করলেও মুনিয়ার বোনের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার তদন্ত চলায় নতুন আবেদনের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছিলেন।

ওই আবেদনে সবুজ দাবি করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে শারুনের ব্যবসায়িক দ্বন্দ ছিল। এ কারণে শারুন মুনিয়ার মাধ্যমে আনভীরের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত তথ্য জানার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে অসম্মতি জানালে মুনিয়ার ওপর ক্ষিপ্ত হন শারুন। এর প্রতিশোধ নিতে শারুনই সহযোগীদের নিয়ে মুনিয়াকে হত্যা করেন।

সবুজের দাবি, তাঁর বোন মুনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছেন শারুন চৌধুরী ও তার সহযোগীরা। ঘটনার দিন শারুন তাঁর বোন মুনিয়ার ফ্ল্যাটের ডুপ্লিকেট চাবি নিয়ে ঢুকে অজ্ঞাতনামাদের সাহায্য নিয়ে হত্যা করেন। পরে তাঁর বোনের লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে কৌশলে বাসা থেকে বের হন। সবুজের দাবি, তার বোন নুসরাত জাহান আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করার আগে তার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। নুসরাত প্রকৃত ঘটনা জানেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

গোমর ফাঁস করায় পিয়াসাও আসামি : গত ১ আগস্ট অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, মাদকসহ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা নামে কথিত এক মডেলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এসময় মরিয়ম আক্তার মৌ নামে তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের রিমান্ডে নিলে যেন কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসার মতো ঘটনা ঘটে। পিয়াসার জবানবন্দিতে উঠে আসে বিভিন্ন রাঘববোয়ালের অনেক কুকীর্তির কথা। সেসব রাঘববোয়ালদের মধ্যে অন্যতম শারুন চৌধুরী। রিমান্ডে পিয়াসা খুলে দেন নারী কেলেঙ্কারীসহ শারুন-সামশুলের অন্ধকার জীবনের নানা অধ্যায়। পিয়াসার সেই জবানবন্দি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।

সূত্র জানায়, এ ঘটনায় পিয়াসার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শারুন। তাই পিয়াসাকে ঘায়েল করতে নুসরাতের নতুন মামলায় কৌশলে তাকেও আসামি করা হয়।

সাবেক স্ত্রীকেও ফাঁসাতে চান শারুন : অনেক সুখের স্বপ্ন নিয়ে শারুন চৌধুরীর সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সাইফা রহমান মিম। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন না যেতেই সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় তার। মাদকসেবী ও অর্থলোভী স্বামীর হাতে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে। নির্যাতনের পেছনে ছিল মুনিয়ার সঙ্গে তার স্বামী শারুনের পরকীয়া। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে শারুনের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন সাইফা রহমান মীম। এরপরও মুখ বুজে সংসার টিকিয়ে রাখতে চেয়ছিলেন মিম। একপর্যায়ে শারুন যখন তাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করেন তখন আর চুপ থাকেননি মিম। শারুন ও শ্বশুর সামশুল হক চৌধুরী ওরফে বিচ্ছু সামশুসহ পরিবারের নির্যাতন সইতে না পেরে শেষপর্যন্ত শারুনকে তালাক দেন তিনি। শুধু তাই নয়, ভয়ংকর শারুন চৌধুরী সাইফা মীমের একমাত্র শিশু কন্যাকেও জোর করে আটকে রাখেন। এই ঘটনায় মিম আদালতে ৩০৬, ৩০৭, ৩২৭, ৩৪০ ও ৩৭৭ ধারায় একটি মামলার আবেদন করেন। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে সেই আবেদন গ্রহণ করেননি আদালত।

এ বিষয়ে মীম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, শারুনের শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের কারণে আমি কয়েক দফা সুইসাইড করার চেষ্টা করি। মোসারাত জাহান মুনিয়াসহ বহু নারীর সঙ্গে শারুনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। মুনিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কথা বললে সে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এমনকি আমি ও আমার মা-বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। তার সঙ্গে সবসময় পিস্তল থাকে, ওই পিস্তল উঁচিয়ে ভয় দেখায়।

মীম আরও বলেন, শেষপর্যন্ত তাদের নির্যাতনের কাছে হার মানতে হয়। মুনিয়ার পরকীয়ার কারণেই আমাকে ঘরছাড়া হতে হয়েছিল। এমনকি আমার শিশুকন্যাকেও আবার বুক থেকে কেড়ে নিয়েছে। একটিবার দেখতেও দেয় না। এখন প্রতিশোধ নিতে সেই শারুনের বান্ধবী মুনিয়ার বড় বোন বাদী হয়ে আমার বিরুদ্ধেও মামলা করেছে। কিন্তু আমি যে মামলা শারুনের বিরুদ্ধে করতে চেয়েছিলাম সেটা শারুন সিন্ডিকেটের অদৃশ্য হাতের ইশারায় মামলাটি আমলে নেয়া হয়নি।



আরও খবর



জনবল নেবে পাবনা পরিবার-পরিকল্পনা কার্যালয়

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | ৮৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শূন্যপদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পাবনা জেলা পরিবার-পরিকল্পনা কার্যালয়।  রাজস্ব খাতের চার পদে ৯৮ জনবল নেবে প্রতিষ্ঠানটি।  তবে এসব পদে শুধু পাবনা জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা আবেদন করতে পারবেন।  আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম : পরিবার-পরিকল্পনা সহকারী (গ্রেড-১৫)

পদ সংখ্যা: ৩ জন

আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় পাস।

বেতন: ৯৭০০/- থেকে ২৩৪৯০/-

পদের নাম : পরিবার-পরিকল্পনা পরিদর্শক (গ্রেড-১৬)

পদ সংখ্যা: ৮ জন (পুরুষ)

আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় পাস।

বেতন: ৯৩০০/- থেকে ২২৪৯০/-

পদের নাম: পরিবারকল্যাণ সহকারী (গ্রেড ১৭)

পদ সংখ্যা: ৮৬ জন (নারী)

আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় পাস।

বেতন: ৯০০০/- থেকে ২১৮০০/-

পদের নাম: আয়া (গ্রেড ২০)

পদ সংখ্যা: ১ জন (নারী)

আবেদনের যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি বা সমমান পাস।

বেতন: ৮২৫০/- থেকে ২০০১০/-

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে; প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://dgfppab.teletalk.com.bd -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা ২০২১ সালের ৫ অক্টোবর বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।


আরও খবর
সারা দেশে নিয়োগ দেবে ইবনে সিনা

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুলিশে কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১