আজঃ সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

‘অতীত ভুলে’ তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে চায় আরব আমিরাত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান (এমবিজেড) বর্তমানে তুরস্ক সফর করছেন। তার এ সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মেরামত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা করবে বলে জানা গেছে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এ তথ্য জানায়। খবরে বলা হয়, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

২০১২ সালের পর থেকে এই প্রথম সরকারি সফরে তুরস্ক এলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ। যাকে আমিরাতের ডি ফ্যাক্টো নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্র নীতির নির্ধারক মনে করা হয়।

আঞ্চলিক পর্যায়ে দেশ দুটি নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের সংঘাতে বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার পর এটিই প্রথম আমিরাতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তার আঙ্কারা সফর।

এর আগে যুবরাজের ভাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আগস্টে তুরস্কে সফর করেন। সেটি ছিল সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে প্রথম কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও তাদের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

তুরস্কের কর্মকর্তারা এমবিজেডের সফরকে নতুন যুগের শুরু হিসেবে অভিহিত করেছেন। লিবিয়ায় আঙ্কারার স্বার্থ ক্ষুণ্ন করা এবং ২০১৬ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে অর্থায়নের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দায়ী করে তুরস্ক। এর পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরে। এ ছাড়া সিরিয়া ও কাতার নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে মতপার্থক্য বিদ্যমান।

সম্প্রতি তুরস্কের প্রতিরক্ষা খাত যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা নজর কেড়েছে আমিরাতের। বিশেষ করে দেশীয় প্রযুক্তিতে তুরস্ক ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুদ্ধাজাহাজ ও মনুষ্যবিহীন সামরিক যান তৈরি করেছে। দেশটির তৈরি করা বিভিন্ন অস্ত্র ইতোমধ্যে সাফল্য দেখিয়েছে। এসব কারণে আরব আমিরাত চাইছে তুরস্কের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে আনতে। এমন পরিস্থিতিতে এমবিজেডের এ সফরকে ঘিরে আবারও সম্পর্কোন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে আঙ্কারা ও আবুধাবি।


আরও খবর



নারীর ক্ষমতায়নে আরও সাহসী পদক্ষেপ প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান ভুক্তভোগী হিসেবে নারীরা এই ঝুঁকি মোকাবিলায় বর্ধিত অংশীদারিত্বের দাবিদার এবং তাদের ক্ষমতায়নের জন্য বিশেষ করে স্থিতিস্থাপকতা উন্নয়নে আরও সাহসী পদক্ষেপ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে নারীদের দুর্বলতাগুলো মোকাবিলায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তাদের জন্য জায়গা তৈরি করাটা জরুরি।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) গ্লাসগোতে উইমেনস ক্লাইমেট লিডারশিপ ইভেন্ট কপ-২৬ : উইমেন অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সহনশীল কমিউনিটি গড়ে তুলতে বৈশ্বিক সংহতির জন্য এই কপ-২৬ সম্মেলনে সাহসী ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে নারী নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। যেখানে নারী ও পুরুষ উভয়েই সমানভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বেশ কিছু সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। তাদের বেশির ভাগই মহিলা এবং মেয়ে।

তিনি বলেন, মানব সমাজে বিদ্যমান কাঠামোগত বৈষম্য, অন্তর্নিহিত সামাজিক রীতিনীতি নারীদের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রভাব সৃষ্টি করছে।

সাধারণত বিশ্বে নারীরা সম্পদের সমান অধিকার পায় না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, অনেক সমাজে তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই এবং তারা প্রায়ই স্বল্প বেতনের বা অবৈতনিক চাকরি ও কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত থাকে। এ সব কারণে নারীদের ওপর পুরুষদের তুলনায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বেশি পড়ে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়ায় নারীদের চরম বিপন্নতা স্বীকার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার টেকসই উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ।

পরে প্যানেল প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যাডাপটেশন প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন (এনএপিএ) অভিযোজন সমাধানের অংশ হিসেবে ব্যাপকভাবে নারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত নীতি, কৌশল ও পদক্ষেপে লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার ন্যাশনাল ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করেছে।

তিনি সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে বলেন, আমাদের সরকার জেন্ডার রেসপন্সিভ বাজেটিং (জিআরবি) চালু করেছে, এতে সব নীতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় মূলধারায় নারী উন্নয়নে প্রায় ৩০ শতাংশ বরাদ্দ রেখেছে।

বৈজ্ঞানিক সত্য হচ্ছে পুরুষের চেয়ে নারী সহনশীল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কঠিন পরিস্থিতিতে নারীরাই প্রথমে তাদের পরিবার পরিজনের যত্ন নিতে ঘুরে দাঁড়ায়।

তিনি বলেন, তার সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়ে নীতি নির্ধারণ থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।

জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুতি প্রোগ্রামে ৭৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছে, এদের ৫০ শতাংশ নারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দুর্যোগ প্রস্তুতি কর্মসূচি দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা কমাতে সাফল্য অর্জন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সম্পদ বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি উদ্যোগে নারীদের চালকের ভূমিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে জেন্ডার সংবেদনশীল অভিযোজন এবং প্রশমন ব্যবস্থার জন্য অর্থায়ন হবে মূল বিষয়।

শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে নারীদের চাহিদা ও অগ্রাধিকার দিতে অর্থের সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাপী নারীদের কণ্ঠস্বর সোচ্চার করার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আমরা মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি। এ পরিকল্পনা নারীদের জলবায়ু ঝুঁকি থেকে সহনশীলতা এবং সহনশীলতা থেকে জলবায়ু সমৃদ্ধির মূল ধারায় পৌঁছে দেবে।


আরও খবর



বন্দুকধারীদের হামলায় নাইজারে নিহত ৬৯

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নাইজারের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বন্দুকধারীদের হামলায় ৬৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় এক মেয়র ও এক মিলিশিয়া নেতা রয়েছেন।

হতাহতের ঘটনায় দুই দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। শুক্রবার (৫ নভেম্বর) এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

জানা গেছে, প্রতিবেশী দেশ মালির সীমান্ত ঘেঁষা পশ্চিমাঞ্চলীয় তিলাবেরি অঞ্চলে বানিবাঙ্গোউ শহরের মেয়রের নেতৃত্বে ভ্রমণরত এক প্রতিনিধি দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান ওই ৬৯ জন।

এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায় এখনও কোন গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। এদিকে হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে এ ঘটনার পেছনে নাইজারের জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের হাত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, কয়েক দশক ধরে আফ্রিকার নাইজার, মালি, বুরকিনা ফাসো এবং নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো প্রায় সময় হামলা, লুটপাট, অপহরণ করে আসছে।  মালি ও বুরকিনা ফাসোর সীমান্ত-সংলগ্ন এলাকাগুলোতে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

চলমান বছরে সহিংসতায় সেখানে নিহত হয়েছে পাঁচশয়ের অধিক মানুষ। মার্চেও ওই অঞ্চলের তিনটি গ্রামে সমন্বিত অভিযানে নিহত হয়েছেন  ১৩৭ জন।

 


আরও খবর



২ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২ নভেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩০৬তম (অধিবর্ষে ৩০৭তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৫৯ দিন বাকি রয়েছে। জেনে নিন ইতিহাসের আজকের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি, জাতীয় দিবস সমূহ এবং এই দিনে কোন কোন বিশিষ্টজন জন্মগ্রহণ ও মৃত্যু বরণ করেছেন।

ঘটনাবলি

    ১৭৭২ - মর্নিং পোস্ট পত্রিকার প্রথম প্রকাশ।

    ১৮৮০ - জেমস গার্ফিল্ড যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

    ১৮৭৬ - কেশবচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ইন্ডিয়ান রিফর্মার অ্যাসোসিয়েশন’ বা ভারত সংস্কার সভা’ স্থাপিত হয়।

    ১৮৮৯ - উত্তর ডাকোটা ও দক্ষিণ ডাকোটা যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৩৯ ও ৪০তম রাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়।

    ১৯১৪ - রাশিয়া ওসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

    ১৯১৬ - ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য আবাসভূমি বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ব্রিটেনের সম্মতির কথা ঘোষণা করেন।

    ১৯২০ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের প্রথম নিয়মিত বেতার সম্প্রচার শুরু হয়।

    ১৯৩০ - হাইলে সোলাসি ইথিওপিয়ার সম্রাট হন।

    ১৯৪৯ - ইন্দোনেশিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। এর আগে দেশটি সাড়ে তিনশ বছর ধরে হল্যান্ডের উপনিবেশ ছিল।

    ১৯৫৭ - সোভিয়েট ইউনিয়ন স্পুটনিক -২ নামে ২য় বারের মত কৃএিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রেরণ করে।

    ১৯৬৩ - সৌদি আরবের রাজা সাউদকে সরিয়ে তার সৎভাই ফয়সাল রাজা হন।

 

জন্ম

    ০৬৮২ - উমর ইবনে আবদুল আজিজ, আরবের খলিফা।

    ০৯৭১ - মাহমুদ গজনভি, গজনভি সাম্রাজ্যের শাসক।

    ১৭৯৫ - জেমস কে. পোক, আমেরিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১১ তম প্রেসিডেন্ট।

    ১৮১৫ - জর্জ বুল, ইংরেজ গণিতবিদ ও দার্শনিক।

    ১৮৩৩ - মহেন্দ্রলাল সরকার, ভারতীয় চিকিৎসক ও অধ্যাপক।

    ১৮৬৫ - ওয়ারেন জি. হার্ডিং, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯তম রাষ্ট্রপতি।

    ১৮৭৭ - ভিক্টর ট্রাম্পার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

    ১৮৮৬ - বাংলাভাষার প্রথম প্রাণপুরুষ আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ।

    ১৮৯৮ - জাকির হুসাইন, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

    ১৯০৯ - অরুণ মিত্র, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি ও ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের খ্যাতনামা অধ্যাপক ও অনুবাদক।

    ১৯১১ - অডয়সেয়ান ইয়টিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

    ১৯২৯ - অমর গোপাল বসু, বাঙালি ভারতীয়-আমেরিকান ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, বিশ্বখ্যাত অডিও ইকু্ইপমেন্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোস কর্পোরেশন এর প্রতিষ্ঠাতা।

    ১৯২৯ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কানাডীয়-মার্কিন পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড এডওয়ার্ড টেইলর।

    ১৯৩৫ - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও গল্পকার।

    ১৯৫৯ - স্কটিশ অভিনেতা, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার পিটার মুলান।

    ১৯৬৫ - শাহরুখ খান, ভারতীয় অভিনেতা।

    ১৯৭২ - সামান্থা এমাক অ্যাণ্ড, ইংরেজ অভিনেত্রী, গায়ক ও পরিচালক।

    ১৯৭৭ - অস্ট্রেলীয়ার কিংবদন্তী ক্রিকেটার ভিক্টর ট্রম্পার।

    ১৯৮২ - ফরাসি ফুটবলার চার্লস ইটান্ডজে।

 

মৃত্যু

    ১৮১৮ - স্যামুয়েল রোমিলি, বিখ্যাত ব্রিটিশ আইন সংস্কারক।

    ১৮৪৬ - যিশাইয়র টেগ্নের, তিনি ছিলেন সুইডিশ কবি ও বিশপ।

    ১৯৫০ - জর্জ বার্নার্ড শ', নোবেলজয়ী আইরিশ নাট্যকার।

    ১৯৬৩ - এনজিও ডিনহ ডিয়েম, তিনি ছিলেন ভিয়েতনামী রাজনীতিবিদ, ১ম রাষ্ট্রপতি।

    ১৯৬৬ - পিটার জোসেফ উইলিয়াম ডিবাই, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ।

    ১৯৭৪ - বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও লেখক বরকতউল্লাহ।

    ১৯৭৫ - পিয়ের পাওলো পাসোলিনি, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

    ১৯৯৬ - ইভা ক্যাসিডি, তিনি ছিলেন আমেরিকান গায়ক ও গিটারিস্ট।

    ২০০৭ - দক্ষিণ আফ্রিকার অভিনেতা হেনরি কেলে।

    ২০১২ - সুইডিশ অভিনেতা, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার হান্স লিন্ডগ্রেন।

    ২০১৩ - ক্লিফোর্ড নাস, তিনি ছিলেন আমেরিকান লেখক ও অধ্যাপক।

 

ছুটি ও অন্যান্য

    বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস।

    জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং মরণোত্তর দিবস। (২ থেকে ৪ নভেম্বর)


আরও খবর
১৬ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১

১০ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১




করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃত্যু-শনাক্ত কমেছে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | ৫৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ৫৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন তিন লাখ ২৭ হাজার ১১৩ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন দুই লাখ ৫৮ হাজার ১৯০ জন।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ছয় হাজার ৯৩ জনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয় তিন লাখ ৮৭ হাজার ১১১ জন।

সোমবার (১ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ১৪ হাজার ৯৪০ জনে। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়ালো ২৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬০ হাজার ৪৬৭ জনে। এছাড়া করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২২ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৪১৭ জন।

করোনায় এখন পর্যন্তসবচেয়ে বেশি মৃত্যু ও আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন চার কোটি ৬৮ লাখ ২৩ হাজার ৯৩৮ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন সাত লাখ ৬৬ হাজার ২৯৯ জন। এছাড়া সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন কোটি ৬৭ লাখ ১৫ হাজার ৩১৩ জন।

তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এ পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন তিন কোটি ৪২ লাখ ৮৫ হাজার ৬১২ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন চার লাখ ৫৮ হাজার ৪৭০ জন।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার ৮৫৫ জনে। এর মধ্যে মারা গেছেন ছয় লাখ সাত হাজার ৮৬০ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন দুই কোটি নয় লাখ ৯৬ হাজার ৭৭২ জন।

তালিকায় এরপরের স্থান গুলোতে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, তুরস্ক, ফ্রান্স, ইরান, আর্জেন্টিনা,স্পেন, কলম্বিয়া ও ইতালি।

তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৩০ নম্বরে। দেশে এখন পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৯ হাজার ৫৩৯ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ হাজার ৮৬৮ জন। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর সেরে উঠেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৪২৩ জন।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



‘ওমিক্রন’ সংক্রমণ রোধে যা বলল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ১৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান ধরন ওমিক্রন সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৫ দফা পদক্ষেপ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের কথা বলেছে। রোববার (২৮ নভেম্বর) অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অন্যান্য দেশে করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন-এর সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব দেশকে এ সম্পর্কে সতর্ক করেছে।

এ পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী ১৫টি পদক্ষেপ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে অধিদপ্তর।

১. দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, লেসোথো ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সময় সময় ঘোষিত অন্যান্য আক্রান্ত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের বন্দরসমূহে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং জোরদার করতে হবে।

২. সব ধরনের (সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য) জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

৩. প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়ার ব্যবস্থা ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম করতে হবে।

৫. সব জনসমাবেশ, পর্যটন স্থান, বিনোদনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সিনেমা হল বা থিয়েটার হল ও সামাজিক অনুষ্ঠানে (বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কমসংখ্যক লোক অংশগ্রহণ করতে পারবে।

৬. মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

৭. গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

৮. আক্রান্ত দেশসমূহ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে।

৯. সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

১০. সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সেবা গ্রহীতা, সেবা প্রদানকারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

১১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

১২. করোনা উপসর্গ বা লক্ষণযুক্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত করোনা রোগীর আইসোলেশন ও করোনা পজিটিভ রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

১৩. কোডিড-১৯ এর লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা এবং তার নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সহায়তা করা যেতে পারে।

১৪. অফিসে প্রবেশ এবং অবস্থানকালে বাধ্যতামূলকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

১৫. কোডিড-১৯ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করার নিমিত্তে কমিউনিটি পর্যায়ে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সচেতনতা তৈরির জন্য মাইকিং ও প্রচারণা চালানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডার মাইক ব্যবহার করা যেতে পারে এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।


আরও খবর
করোনায় ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১