আজঃ মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

পাট থেকে প্যাড: ইনোভেশন পিচ প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আইসিডিডিআর'বি তাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে জানিয়েছে, পুরস্কার অংক হিসেবে ফারহানা সুলতানাকে ৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়েছে এএসটিএমএইচ

পাটের সেলুলোজভিত্তিক স্যানিটারি প্যাড তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ৪র্থ ইনোভেশন পিচ প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড পুরষ্কার জিতেছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর'বি) সহকারী বিজ্ঞানী ফারহানা সুলতানা।

আমেরিকান সোসাইটি ফর ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন (এএসটিএমএইচ) এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিলমহামারি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য সম্মত বিশ্ব সম্প্রদায়।

আইসিডিডিআর'বি তাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে জানিয়েছে, পুরস্কার অংক হিসেবে ফারহানা সুলতানাকে ৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়েছে এএসটিএমএইচ। একইসঙ্গে তিনি ২০২২ সালে অনুষ্ঠিতব্য ৫ম ইনোভেশন পিচ প্রতিযোগিতায় বিচারক হবেন।

ড. মোবারক আহমেদ খানের (বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা) সঙ্গে সমন্বয় করে ফারহানা সুলতানা ম্যানুয়ালি পাটের সেলুলোজভিত্তিক ডিসপোজেবল প্যাড তৈরি করে এর পরীক্ষা চালিয়েছেন।

পাটের সেলুলোজ একটি নতুন উপাদান এবং বর্তমানে দেশে এমন প্যাড তৈরির কোনো মেশিন নেই যা এর উৎপাদনে সাহায্য করবে।

আইসিডিডিআর'বি জানিয়েছে, পুরস্কারের অর্থ দিয়ে সুলতানা আরও অধিক সংখ্যক প্যাড উৎপাদনের জন্য পরীক্ষা চালাবেন, একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করবেন, নিজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করবেন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন উপায় খুঁজবেন।


আরও খবর
করোনায় ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




খালেদাকে বিদেশে পাঠানোর আইনি সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপিসহ ২০ দলের পাঁচ নেতা খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানোর আবেদন করলেও আইনে এ ধরনের কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

রোববার (২১ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক ৫টি দলের প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপির ২০ দলের জোটের পাঁচ সদস্য এখানে এসেছিলেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে। তাদের আবেদন ছিল, খালেদা জিয়া অসুস্থ, তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন, তিনি একদম জীবনের শেষ প্রান্তে এসেছেন। কাজেই তাকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যায় কিনা। প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের একটি আবেদন এখানে নিয়ে এসেছেন।

তিনি বলেন, আমি বলেছি, এর আগেও খালেদা জিয়ার ছোট ভাই একটি আবেদন করেছিলেন। সেটিও আমি আইন মন্ত্রণালয়ে মতামতের জন্য পাঠিয়েছিলাম। আইনমন্ত্রী যথাযথভাবে সংসদে প্রশ্ন উত্তরের সময় বিস্তারিত বলেছেন। আমি এটা বলার পরও তারা বলছেন, এটা মানবিক কারণে দেয়া যায় কিনা সে জন্য চিঠি দিয়েছেন। এটা আমি যথাযথভাবে আবার যেখানে প্রয়োজন পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দেবো।

বিদেশ থেকে চিকিৎসক আনা যাবে বলে আইনমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন সে বিষয়টি তাদের জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি চাইলে বিদেশ থেকে ডাক্তার বা কনসাল্টেন্ট আনতে পারে। আমাদের হাসপাতালগুলো ওয়েল ইক্যুইপ্ট। বিদেশ থেকে যে কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এখানে আসতে পারেন। বিদেশি ডাক্তার আসলে সেই চিকিৎসা ওখানে করা যায় সেই চিকিৎসা এখানেও করতে পারেন।

কোকো, একুশে আগস্ট সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে আরেকটা মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপনের কথা ওনারা বলেছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা উদাহরণ কিংবা আইন কোনো কিছুই নয়। আইন অনুযায়ী কোনো সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে করতে পারেন, এটা ওনারা বলে গেছেন। কিন্তু আইনের ভাষায় বলতে গেলে এটার কোনো স্কোপ নেই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেমন করে ছুটে গিয়েছিলেন কোকোর ইন্তেকালের পর। আমি তাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছি যে, প্রধানমন্ত্রী কিন্তু অনেকগুলো উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। কোকো যখন ইন্তেকাল করলেন, তখন  প্রধানমন্ত্রী দৌঁড়ে ছুটে গিয়েছিলেন তাকে সমবেদনা জানাতে। সেইদিন কিন্তু খালেদা জিয়ার বাসভবনের গেটটিও খোলা হয়নি। এ সবই ওনারা জানেন। তারপরও তারা বলেছেন যে, একটা উদাহরণ সৃষ্টি করার জন্য। যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানাই। অতীতে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে। ওনার সঙ্গে যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলোকে ভুলে গিয়ে যেন কাজটা করা হয়।

চিঠি কি আজই পাঠানো হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা প্রক্রিয়াধিন থাকবে। প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৩ নভেম্বর শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে।

সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য যেতে দিকে সম্প্রতি সরকারের কাছে আবারও আবেদন জানিয়েছেন ভাই শামীম ইস্কান্দার।


আরও খবর



শপথ নিলেন নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য শেরীফা কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | ৭২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আজ জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান

একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত শেরীফা কাদের সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আজ জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, আহসান আদেলুর রহমান এমপি ও নাজমা আক্তার এমপি উপস্থিত ছিলেন।

শপথ গ্রহণ শেষে শেরীফা কাদের এমপি রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এসময় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: শেরীফা কাদের

আরও খবর



প্রকাশিত হলো কপ-২৬ চুক্তির খসড়া

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থা বুধবার কপ২৬ চুক্তির প্রথম খসড়া প্রকাশ করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে বিভিন্ন দেশগুলোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত খসড়া কপ২৬ শীর্ষ সম্মেলনের শেষে প্রকাশ করা হবে।

আগামী শুক্রবার গ্লাসগোতে কপ২৬ সম্মেলন শেষ হবে। তার আগে প্রায় ২০০ দেশের আলোচকরা খসড়া থেকে চূড়ান্ত চুক্তিতে যাওয়ার বিষয়ে কাজ করবেন।

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে শুরু হওয়া কপ২৬ সম্মেলনকে প্যারিস চুক্তি-পরবর্তী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু সম্মেলন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কপ২৬ চলবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত।

বায়ুমণ্ডলের অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পৃথিবীর জন্য নতুন বিপত্তি ডেকে আনছে। এতে করে বিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু ঝুঁকিতে পড়বে। যা এখনই বেড়ে ৪৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পদের যে ক্ষতি করছে ২০৩০ সালে তার থেকে দ্বিগুণ করবে।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছিল। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশের জন্য ৪১৩ মিলিয়ন নতুন অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি মিলেছে। ১০০ বিলিয়নের জায়গায় অর্ধবিলিয়নও প্রতিশ্রুতি মেলেনি উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে।


আরও খবর



কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে ১২৭৫ কোটি টাকা দেবে এডিবি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ১৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এজন্য ১৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি সই হয়েছে। সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও এডিবির পক্ষে সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমং গিনটিং চুক্তিতে সই করেন।

দেশের তরুণ, বিদেশফেরত কর্মী এবং করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ উদ্যোক্তা বিশেষ করে কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের (সিএমএসই) জন্য ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ ব্যাংক এ ঋণ দেশের ৩০ হাজার সিএমএসই উদ্যোক্তাদের মাঝে বিতরণ করবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি সহজতর করা এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীকে মহামারির প্রভাব থেকে পুনরুদ্ধার করতে এ অর্থায়ন করা হচ্ছে।

এছাড়া গ্রামাঞ্চলে মানুষের আয় কমে গেছে এবং কৃষি ছাড়া অন্যান্য কর্মসংস্থানের সুযোগও কমে গেছে। পাশাপাশি গ্রামীণ উদ্যোক্তারাও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন করোনার প্রভাবে। এসব জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করা হবে।

এডিবির এ অর্থে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ হাজার কুটির, মাইক্রো এবং ছোট আকারের উদ্যোগকে সহায়তা করা হবে। যুব, প্রত্যাবর্তনকারী অভিবাসী শ্রমিক এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠী দ্বারা পরিচালিত কুটির, মাইক্রো এবং ছোট আকারের উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশকে এ অর্থায়ন করা হবে। ঋণের এ অর্থে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।

ইআরডি সচিব বলেন, এডিবির ঋণ কোভিড-১৯ মহামারির সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থ-সামাজিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেবে।

এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর গিনটিং বলেন, এডিবির এ প্রয়াস নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। একটি ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে সিএমএসমইকে অর্থায়ন করা হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করা হবে। এক কথায় করোনা সংকটে পড়া মানুষকে সহায়তা করতেই ঋণ দিচ্ছে এডিবি।

প্রকল্পটির আওতায় ২০২৫ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৪৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তার জন্য নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নারীদের জন্য ২০ শতাংশ ঋণ নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় ৯০ হাজার মানুষকে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: এডিবি

আরও খবর
আগামীকাল জাতীয় আয়কর দিবস

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




আজ টিকা পাবে পাঁচ হাজার স্কুল শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ থেকে রাজধানীর স্কুলগুলোতে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। সোমবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল হাই স্কুলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

রবিবার (৩১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর (এমএনসিঅ্যান্ডএইচ) ডা. মো. শামসুল হক এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, স্কুলশিক্ষার্থীদের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা দেওয়া হবে। টিকা দেওয়ার জন্য প্রতিটি স্কুলে থাকবে ২৫টি বুথ। প্রাথমিক পর্যায়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে রাজধানীর আটটি স্কুলকে ক্লাস্টার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আট স্কুলের প্রতিটিতে গড়ে দৈনিক দুই হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার টিকা দেওয়া হবে।

স্কুলগুলো হলো- হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সাউথপয়েন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, চিটাগং গ্রামার স্কুল, আইডিয়াল স্কুল, মিরপুর কমার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ধানমন্ডি কাকলি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাউথ ব্রিজ স্কুল ও মিরপুর স্কলাসটিকা স্কুল। এই আটটি কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছাড়াও আশপাশের স্কুলের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হবে।

তিনি জানান, ফাইজার-বায়োএনটেকের এই টিকাটি খুবই টেম্পারেচার সেনসিটিভ টিকা। যে কেন্দ্রে দেওয়া হয় সেটা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হতে হয়। তাছাড়া টিকাটি তৈরি করতে যে ডায়োলেট লাগে সেটা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাখতে হয়। এ কারণে আটটি স্কুলকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, রাজধানীর বাইরের ২২টি জেলায়ও টিকাদান কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে। রাজধানীসহ সারাদেশে টিকাদান শুরু হলে গড়ে প্রতিদিন ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে।

স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দিতে এরইমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর-মাউশি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সে তথ্য আইসিটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে টিকার তথ্য ভাণ্ডারে যোগ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন নিবন্ধন করতে পারছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রতিটি জেলায় টিকা দেওয়ার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। যেখানে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা নেই, সেখানে শীততাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হবে।

দৈনিক কত সংখ্যক শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন যেটা হাতে নিয়েছি, তাতে প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার টিকা দেওয়া যাবে। টিকা যতদিন মজুত থাকবে, এ কার্যক্রম চালু থাকবে। আমাদের কাছে যথেষ্ট টিকা মজুত আছে।


আরও খবর