আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

প্রকাশ্যে চলছে বেনাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৮৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ্যে চলছে বেনাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

নিউজ ট্যাগ: বেনাপোল

আরও খবর



ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক আটক

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ই-কমার্স ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানাকে ভারত-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার বিএসএফের সদস্যরা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত থেকে তাকে আটক করেন।

শনিবার স্থানীয় অনলাইন পোর্টাল উত্তরবঙ্গসংবাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ পুলিশ সোহেল রানার আটকের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি।

বিএসএফ সূত্রের বরাতে খবরে বলা হয়, সীমান্ত টপকে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে শুক্রবার কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বিএসএফ। তার কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বিদেশি পাসপোর্ট, একাধিক মোবাইল ও এটিএম কার্ড। শনিবার তাকে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আটক ব্যক্তি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের বাসিন্দা শেখ সোহেল রানা। তিনি ঢাকায় বাংলাদেশ মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মকরত। সে দেশে তার নামে অপরাধমূলক একাধিক কাজের অভিযোগ রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছেন বিএসএফের কর্মকর্তারা।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সম্ভবত গা ঢাকা দেওয়ার লক্ষ্যে ভারতে প্রবেশ করেছেন সোহেল রানা। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন বিএসএফ কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া শাখার এক কর্মকর্তা বলেন,বিষয়টি আমরা শুনেছি। বিস্তারিত এখনও জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখছি।  


আরও খবর



জেএসসি-জেডিসি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসছে!

প্রকাশিত:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সময় স্বল্পতার কারণে এ বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী।

করোনা মহামারির কারণে সঠিক সময়ে এ বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে আগামী নভেম্বরের শুরুতে এসএসসি এবং ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। শুধুমাত্র গ্রুপ ভিত্তিক তিনটি বিষয়ে এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবশ্যিক বিষয়ের উপর কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

এসএসসি ও এইচএসসির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসলেও শঙ্কা দেখা দিয়েছে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা নিয়ে। যদিও বছরের শেষ দিকে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু চলতি বছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ সময়ে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এক্ষেত্রে তারা শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। এ বিষয়ে অক্টোবরের যে কোনো দিন ঘোষণা দেবেন শিক্ষামন্ত্রী।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসি সমমান পরীক্ষা শুরু করতে একটি খসড়া রুটিন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদন দিলে পরীক্ষা শুরুর ১৫ দিন আগে সে রুটিন প্রকাশ করা হবে। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু করতেও খসড়া রুটিন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নভেম্বর মাসে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হবে না।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এসএম আমিরুল ইসলাম বলেন, এসএসসি পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। প্রশ্নপত্র ট্রেজারিতে পাঠানো হয়েছে। এখন শুরু করার অপেক্ষায়।

জেএসসি ও জেডিসির বিষয়ে বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, এটি পাবলিক পরীক্ষা নয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠির আদেশে এ পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। আমরা এখনো এ পরীক্ষার কিছুই জানি না। জেএসসির প্রস্তুতি বোর্ড নিজ থেকে নিতে পারে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হবে সেটি তারা বাস্তবায়ন করবেন। এ বিষয়ে অক্টোবরের মধ্যে ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর
১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




১৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | ১৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জালিয়াতির মাধ্যমে জিআর প্রকল্পের প্রায় ছয় হাজার মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলরসহ মোট ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা সবাই গাইবান্ধার গোবিন্ধগঞ্জ উপজেলার জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারী।

গত ২৬ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আসামিরা জাল কাগজপত্র তৈরি করে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ধর্মীয় সভার অনুকূলে জিআর এর বরাদ্দ করা ৫ হাজার ৮২৩ মেট্রিক টন সরকারি চাল উত্তোলন করে কালোবাজারে বিক্রি করে। ওই সময় এই পরিমাণ চালের সরকারি আর্থিক মূল্য ২২ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯০ টাকা। দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আসামিরা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১ নং কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী, ২নং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (রফিক), ৩নং শাখাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. তাহাজুল ইসলাম, ৪নং রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ সরকার, ৫নং সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাকিল আলম, ৬নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আ. র. ম. শরিফুল ইসলাম জজ, ৭নং তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান আতিক, , ৮নং নাকাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদের প্রধান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আকতারা বেগম, ১০ নম্বর রাখালবরুজ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহাদাত হোসেন, ১১নং ফুলবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান মোল্লা, ১২ নং গুমানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শরীফ মোস্তফা জগলুল রশিদ রিপন, ১৩নং কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম রতন, ১৪নং কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন, ১৫ নং শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মণ্ডল, ১৬ নং মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ প্রধান ও ১৭ নং শালমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেন শামীম ও গোবিন্ধগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর মোছা: গোলাপী বেগম।


আরও খবর



অর্ধ-উলঙ্গ করে দুই সাংবাদিককে বেধড়ক মারধর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তালেবানের মারধরে আহত সাংবাদিকদের মর্মপীড়াদায়ক কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আফগানিস্তানের কট্টর ইসলামপন্থী এই গোষ্ঠীর শাসনকালীন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার রক্ষা, বাক-স্বাধীনতা এবং অতীতের মতো এবারের শাসন হবে না বলে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তালেবান, সেসব এই গোষ্ঠী আদৌ রক্ষা করতে পারবে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।

তালেবানের নতুন সরকার গঠনের পর নিজেদের অধিকারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন দেশটির অনেক নারী। এই বিক্ষোভের সংবাদ প্রকাশ করায় আফগানিস্তানের অন্তত দুজন সাংবাদিককে বেধড়ক মারপিটের পর হাসপাতালে পাঠিয়েছে তালেবানের সদস্যরা। তালেবানের মারধরে আহত দুই সাংবাদিকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার অনেকে সমালোচনা করছেন।

ছবি দুটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এতিলাত্রোজ ও যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের প্রতিবেদক মারকাস ইয়াম। মারকাস ইয়ামের টুইট করা ছবিতে দেখা যায়, স্থানীয় দুই সাংবাদিকের অন্তর্বাস ছাড়া সব পোশাক খুলে ফেলা হয়েছে। তাদের পিঠ এবং পায়ে অসংখ্য মারপিটের দাগ। তালেবানের বেধড়ক মারপিটে রক্তাক্ত ও কালো হয়ে গেছে তাদের শরীর।

এতিলাত্রোজের টুইট করা ছবিতেও ওই দুই ব্যক্তিকে দেখা যায়। আফগান এই দৈনিক বলেছে, তালেবানের মারধরের শিকার দুই সাংবাদিক তাদের প্রতিষ্ঠানেই কর্মরত। একজনের নাম তাকি দারিয়াবি এবং অন্যজন নেমাতুল্লাহ নাকদি। তাদের দুজনের শরীরের জখম প্রায় একই।

বুধবার দেশটির রাজধানী কাবুলের পশ্চিমাঞ্চলের কারট-ই-চার এলাকায় নারীদের বিক্ষোভের সংবাদ কভার করছিলেন এতিলাত্রোজের ভিডিও সম্পাদক তাকি দারিয়াবি এবং প্রতিবেদক নেমাতুল্লাহ। সংবাদ কভার করার সময়ই নারীদের বিক্ষোভের স্থান থেকে তাদের তুলে নিয়ে যায় তালেবান। অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে তাদের বদ্ধ কক্ষে আটকিয়ে বেধড়ক মারপিট ও নির্যাতন করে তালেবানের সদস্যরা।

লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসকে নাকদি বলেন, আমরা চিৎকার করে বলেছিলাম যে, আমরা সাংবাদিক। কিন্তু তারা কোনও পরোয়া করেনি। আমি ভেবেছিলাম তারা আমাদের মেরে ফেলতে যাচ্ছে। তারা আমাদের নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করেছিল।

তালেবানের সদস্যরা লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের প্রতিবেদকদেরও নারীদের বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহে বাধা দিয়েছে। পরে তাদের ওই এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন এই সংবাদমাধ্যম।

অ্যাঞ্জেলস টাইমস বলেছে, ইউরোনিউজের স্থানীয় প্রধানসহ ফ্রান্সের একটি টেলিভিশন চ্যানেলের তিন সাংবাদিককেও অপহরণ করে তালেবান। তবে তাদের অক্ষত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ইউরোনিউজের আফগান প্রধান বলেছেন, তালেবানের সদস্যরা তাকে বারবার চড় মেরেছেন।

এছাড়া আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজের ক্যামেরাপারসন ওয়াহিদ আহমাদি এবং আরিয়ানা নিউজের প্রতিবেদক সামি জাহেশ, ক্যামেরাম্যান সামিমকেও বিক্ষোভস্থল থেকে আটক করে তালেবানের সদস্যরা।

আফগানিস্তানের কট্টর এই গোষ্ঠী সাংবাদিকদের ওপর আরও চড়াও হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দ্য কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে)।


আরও খবর
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত কমেছে

শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১




দুই দিন 'কোমায়' থেকে না ফেরার দেশে ক্যাপ্টেন নওশাদ

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | ৮২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় কোমায় থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

সোমবার স্থানীয় সময় ১০টা ৪৫ মিনিটে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেন ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান।

গত শুক্রবার মাসকাট-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট বিজি ০২২ মোট ১২৪ যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার পথে পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে। এরপর নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়।

শনিবার রাতেই নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তিনি কোমায় চলে যান।

রবিবার দুপুরে নওশাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিমানের বেশ কয়েকটি অসমর্থিত সূত্র তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নওশাদের মৃত্যুর ঘোষণা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেয়নি।

ক্যাপ্টেন নওশাদ ক্লিনিক্যালি ডেড হলেও স্বজনরা লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না। আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তারা। এরপর সোমবার তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দিয়ে নওশাদকে মৃত ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর