আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

রাজধানীর রায়েরবাজারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর রায়েরবাজারে মেকাপ খান রোডে ছুরিকাঘাতে আহত হোসেন (১৯) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার ভোর ৪টার দিকে ধানমণ্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁর মৃত্যু হয়। মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লিটন মাতবর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসআই লিটন মাতবর বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ছুরিকাঘাতের এ ঘটনা ঘটে। চার-পাঁচ জনের একটি দল হোসেনের ডান পাঁজরে আঘাত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

লিটন মাতবর আরও বলেন, ঘটনাটি পূর্বশত্রুতার জের ধরে ঘটতে পারে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত হোসেনের বোন মোমেনার বরাত দিয়ে লিটন মাতবর বলেন, হোসেন রায়েরবাজার এলাকাতে থাকতেন। গদিঘর এলাকায় একটি জুয়েলারি কারখানায় কাজ করতেন তিনি। শুক্রবার সকালে বাসা থেকে বের হয়ে কারখানায় যাচ্ছিলেন। পথে মেকাপ খান রোডে চার জন যুবক তাঁর ডান পাঁজরে ছুরিকাঘাত করে তাঁর মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ হাতিয়ে পালিয়ে যায়। শোনা যাচ্ছে, দুর্বৃত্তেরা হোসেনের পরিচিত। পরে আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে ঢামেকে নিয়ে তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকেরা তাঁর আইসিইউ সাপোর্ট লাগবে বলে জানালে স্বজনেরা ধানমণ্ডি-২৭ নম্বরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান।


আরও খবর



ফিল্ম স্টুডিও বানাতে চেয়েছিলেন নিকোলাস কেজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লাস ভেগাসে একটি ফিল্ম স্টুডিও তৈরি করতে চেয়েছিলেন নিকোলাস কেজ। জিমি কিমেল লাইভ শোতে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। এজন্য তিনি ৮ কোটি ডলারও জমা করেছিলেন। কিন্তু সম্ভব হয়নি। কেননা, ইলোন মাস্কের প্রজেক্ট মাঝখানে চলে আসে। লাস ভেগাসের পক্ষ থেকেই স্টুডিও নির্মাণের জন্য রাখা টাকা টেসলা করপোরেশনে দেয়া হয়েছিল।

ভেগাসের সঙ্গে নিকোলাসের সম্পর্ক বহুদিনের। তার অনেক সিনেমা ভেগাসের পটভূমিতে তৈরি। এর মধ্যে লিভিং ভেগাস ও হানিমুন ইন ভেগাস অন্যতম। এর মধ্যে লিভিং ভেগাস সিনেমার জন্য তিনি অস্কার পেয়েছিলেন। ভেগাসের প্রতি তাই তার ভালোবাসা রয়েছে। কেজ বলেন, ভেগাস আমার জন্য বেশ ভালো ছিল। এটা একদিকে যেমন মফস্বলের মতো, তেমনি অন্যদিকে বেশ বড় একটা শহর। একটি স্বতন্ত্র ঠিকানা। আপনি ক্লাবে যেতে পারেন, আবার এখানকার মানুষদের সঙ্গেও মিশে যেতে পারেন।

করসংক্রান্ত সুবিধার কারণে কেজ ভেগাসে এসেছিলেন। কিন্তু থাকতে থাকতে তিনি শহরটিকে ভালোবেসে ফেলেন। সেই আবেগ থেকেই তিনি একটি ফিল্ম স্টুডিও করার চিন্তা করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে কেজ বলেন, আমি একটা মুভি স্টুডিও করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তখন ইলোন মাস্ক নতুন প্রজেক্ট নিয়ে এল। আমি ৮ কোটি ডলার দিয়েছিলাম, যেটা তখন টেসলা করপোরেশনকে দেয়া হয়। কেজের কণ্ঠে এক ধরনের হতাশার সুর শোনা যায় যখন তিনি বলেন, আমি স্টুডিওটা প্রায় করে ফেলেছিলাম!

নিকোলাস কেজ এ সময় তার নতুন সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত। দ্য আনবিয়ারেবল ওয়েইট অব ম্যাসিভ ট্যালেন্ট নামের এ সিনেমায় কেজের জীবনকে ভিত্তি করে একটি কাল্পনিক চরিত্র তৈরি করা হয়েছে। সিনেমাটিতে কিছুটা কমেডি আছে, খানিকটা হালকা চালের। ভ্যারাইটির সিনেমা ক্রিটিক ওয়েন গিলবারম্যানের মতে, এটা এক ধরনের বাণিজ্যিক কমেডি ধারার সিনেমা হলেও শেষ পর্যন্ত বিশেষ হয়ে ওঠে।


আরও খবর



চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুমিল্লায় যুবককে চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার মামলার ৭ বছর পর ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার কুমিল্লার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক রোজিনা খান এ আদেশ দেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জেলার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামের ময়নাল হোসেন ও তার স্ত্রী মোসা. নাছিমা আক্তার।

মামলার আইনজীবী রফিকুল জানান, ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল এলাকায় মোসলে উদ্দীন সরকারের ছেলে মো. শামছুল আলম মনিরকে (৩৫) চুরি করার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় মোসলেহ উদ্দীন সরকার বাদী হয়ে সাত জনের নামে ও ১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মুরাদনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আদালত দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে এক লক্ষ টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি মো. আবু হাসান, মো. আব্দুর রশিদ, শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশ ডালিম, মো. রুহুল আমিন, মো. আব্দুল কুদ্দুস, মো. শরিফ, নজরুল, মো. রবিউল, মো. এনামুল হক, মো. রাসেল, মো. ইকবাল, মো. বাহাদুর, মাহমুদ প্রকাশ মাসুদকে খালাস প্রদান করা হয়।


আরও খবর



পি কে হালদারের শেয়ার ফ্রিজ করার বিষয়ে আদালতের নির্দেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ জালিয়াত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের কোম্পানির সব ধরনের শেয়ার ফ্রিজ করার জন্য সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিডিবিএল) নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউারিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার আসামি পি কে হালদারের শেয়ার ফ্রিজ করার বিষয়ে আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, পি কে হালদারের অস্থাবর সম্পদ কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার নির্দেশ দেওয়া হলো। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার আসামি পি কে হালদারের শেয়ার ফ্রিজ করার বিষয়ে আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে কমিশন এ নির্দেশ দিয়েছে।

বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মহানগর দায়রা জজ ও মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এবং দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ করা মামলায় আদালত গত ১৩ এপ্রিল পি কে হালদারের অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার আদেশ দেন। সে অনুযায়ী পি কে হালদারের অস্থাবর সম্পদ কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার জন্য সিডিবিএলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা সরানো হয়। এ ছাড়া এফএএস ফাইন্যান্স, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স এবং পিপলস লিজিং থেকে একই কায়দায় আরও প্রায় ৭৫০০ কোটি টাকা ঋণের নামে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে পিকে হালদার ও তার সিন্ডিকেট।

সব মিলিয়ে ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে এফএএস ফাইন্যান্স থেকে প্রায় ২২০০ কোটি টাকা, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স থেকে ২৫০০ কোটি টাকা, পিপলস লিজিং থেকে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেখিয়ে আত্মসাৎ ও পাচার করা হয়েছে।


আরও খবর



নওগাঁয় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে রসালো ফল কাঁঠাল

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁয় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে গ্রীষ্ম মৌসুমের বেশ জনপ্রিয় পুষ্টিগুণ সম্পন্ন রসালো জাতীয় ফল কাঁঠাল। যদিও পুরো পাকা পুক্ত কাঠাল হওয়ার সময় বাঁকী রয়েছে ২ মাস।

প্রবাদ আছে গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল- জ্যৈষ্ঠ মাসে এ কথাটি আর কথার কথা থাকে না। গাছে কাঁঠাল দেখলে এ কথা সবাই বলতেই পারে। বর্তমানে জেলার প্রতিটি উপজেলায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে রসালো ফল কাঁঠাল। আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাড়ির পাশে, রাস্তার ধারে, জঙ্গলের ভেতরে থাকা গাছে ধরেছে প্রচুর পরিমানে কাঁঠাল। গাছের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত শোভা পাচ্ছে সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ফল।

খাদ্য শষ্য ভান্ডার হিসেবে নওগাঁ জেলা বিখ্যাত হলেও এখানকার মানুষের অতি প্রিয় ফল ও তরকারি হিসেবে কাঁঠাল যুগ যুগ ধরে কদর পেয়ে আসছে। কাঁঠালের বিচি এখানকার মানুষের একটি ঐতিহ্যপূর্ণ তরকারি। বিশেষ করে কাঠালের বিচ দিয়ে শুটকি ভর্তা অত্যন্ত প্রিয় সকলের। বিভিন্ন ধরনের শাক ও কাঁঠালের বিচির সমন্বয়ে রান্না করা তরকারি এখানকার মানুষ তৃপ্তির সঙ্গে ভাত খেতে পারেন। তাছাড়া গবাদিপশুর জন্যও কাঁঠালের ছাল উন্নতমানের গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এক প্রকারের সবুজ রঙের সুমিষ্ট গ্রীষ্মকালীন ফল। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল হিসাবে সরকারীভাবে নির্ধারিত। বাংলাদেশের সর্বত্র কাঁঠাল গাছ পরিদৃষ্ট হয়। কাঁঠাল গাছের কাঠ আসবাবপত্র তৈরির জন্য সমাদৃত। কাঁঠাল পাতা বিভিন্ন প্রাণীর পছন্দের খাদ্য। তুলনামূলকভাবে বিশালাকার এই ফলের বহির্ভাগ পুরু এবং কান্টকাকীর্ণ, অন্যদিকে অন্তরভাগে একটি কান্ড ঘিরে থাকে অসংখ্য রসালো কোয়া। কাঁঠালের বৃহদাকার বীজ কোয়ার অভ্যন্তরভাগে অবস্থিত।

বহুগুণ সমৃদ্ধ এ কাঁঠাল এখানকার হাট-বাজারে এখনও উঠতে শুরু করেনি। তবে জ্যৈষ্ঠের শেষ ও আষাঢ় মাসের শুরু থেকে এখানকার হাট-বাজারে কাঁঠাল কেনাবেচা শুরু হবে এমনটি ধারণা কাঁঠাল ব্যবসায়ীদের।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, এ উপজেলায় তেমন একটা কাঁঠালের বাগান নেই তবে দিন দিন বাড়ছে। তিনি আরো বলেন গত বছরের তুলনায় এ বছর উপজেলায় কাঁঠাল ভালো হয়েছে। দিন দিন উপজেলার মানুষের মাঝে কাঁঠালের চারা রোপনের আগ্রহ বাড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: কাঁঠাল নওগাঁ

আরও খবর
সাপাহারে আমের কেজি ২ টাকা

শুক্রবার ২০ মে ২০22




পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, লাইলাতুল কদর এক মহিমান্বিত রজনী। সিয়াম সাধনার মাসের এই রাতে মানবজাতির পথ নির্দেশক পবিত্র আল-কোরআন পৃথিবীতে নাযিল হয়। পবিত্র কোরআনের শিক্ষা আমাদের পার্থিব সুখ-শান্তির পাশাপাশি আখিরাতের মুক্তির পথ দেখায়।

শেখ হাসিনা বলেন, মহান আল্লাহতায়ালা লাইলাতুল কদরের রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও এ রাতের ইবাদত উত্তম। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র এই রাতে ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। অর্জন করতে পারি তাঁর অসীম রহমত, নাজাত, বরকত ও মাগফিরাত।

সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, আসুন, আমরা এই মহিমান্বিত রজনীতে মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে বিশেষভাবে ইবাদত ও দোয়া প্রার্থনা করি যেন আল্লাহ বাংলাদেশের জনগণসহ বিশ্ববাসীকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্তি দেন।

পবিত্র এই রজনী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।


আরও খবর