আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

রাস্তার উপর গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১০১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে রাতে ঘুরতে বেরিয়ে রাস্তার উপর গণধর্ষণের শিকার হয়েছে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী।

এ ঘটনায় নির্যাতিতা ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগে এক কিশোরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে একটি মামলা করেন। এ ঘটনায় আটক ৯ জনকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের আদালতে পাঠানো হয়।

এর আগে বুধবার দিনভর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জের ভুলতা ফাঁড়ির পুলিশ অভিযুক্তদের মধ্যে ৯ জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- স্থানীয় সুলতানসাদী এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে জাহিদ (২০),একই এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে তাইজুল (১৯), লস্করদী পূর্বপাড়া এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে সিয়াম (১৯), সিংরাটি এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে রিফাত (২০),একই এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে রবিন (২৩), রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল এলাকার মৃত রহিম মোল্লার ছেলে বিল্লাল (১৯),একই এলাকার আবুল কালামের মেয়ে জায়েদা আক্তার সাদিয়া (১৪), আড়াইহাজার উপজেলার বান্টি উত্তরপাড়া এলাকার ওয়াজ আলীর ছেলে নিরব (১৯), আলীসাদী কান্দাপাড়া এলাকার মৃত আবু সিদ্দিকের ছেলে খাইরুল (২২)। আর এখনো পলাতক রয়েছে মামলার ২নং আসামি রাঘবদী এলাকার জহুর আলীর ছেলে সাব্বির (২০)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৩০ আগস্ট বিকালে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বান্ধবীর সঙ্গে রূপগঞ্জের গাউছিয়া তাঁতবাজার এলাকায় ফুসকা খেতে যায়। একপর্যায়ে বান্ধবী সাদিয়া মোবাইল ফোনে বিল্লালের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বিকাল ৫টার দিকে বিল্লাল তাঁতবাজার এলাকায় এসে দেখা করে।

পরে তারা তিনজন ঘুরতে সিএনজিযোগে আড়াইহাজারের সুলতানসাদী এলাকায় জাহিদের ভাড়াবাসায় আসে। এখানে তাইজুল, রিফাত, খাইরুল ও নিবর এসে উপস্থিত হয়। কিছু সময় এই বাসায় আড্ডা দেওয়ার পর তারা রাত সাড়ে ৭টার দিকে রিকশাযোগে ঘুরতে বের হয়।

জানা গেছে, রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় সিংরাটি ব্রিজের অদূরে রাস্তায় পৌঁছে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে রাস্তার ওপর জাহিদ, সাব্বির ও তাইজুল ধর্ষণ করে। ঘুরতে বের হওয়া অন্যরা পাশে দাঁড়িয়ে পাহারা দেয়। একপর্যায়ে তারাও তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে বিল্লাল নির্যাতিতাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাতে সে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে।


আরও খবর



জিহাদ করতে প্রস্তুত ছিলেন নাবিলা

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | ৮৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আনসার আল ইসলামের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে এক কলেজছাত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।  রবিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিটিটিসির প্রধান ও উপমহাপরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ওই কলেজছাত্রীর নাম জোবায়দা সিদ্দিকা নাবিলা (১৯)। তিনি আনসার আল ইসলামের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তিনি আনসার আল ইসলামের প্রথম নারী জঙ্গি। নাবিলা ছিলেন রেডিক্যালাইজেশনের শেষ ধাপে সহিংস অবস্থায়।

এক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসির প্রধান বলেন, এই জঙ্গি সংগঠনটিতে এর আগে কোনো নারী সদস্য ছিল বলে জানা যায়নি। এই প্রথম এই সংগঠনের কোনো নারী সদস্য গ্রেফতার হলেন।

২৬ আগস্ট বাড্ডা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।তিনি এই মুহূর্তে সিটিটিসির রিমান্ডে আছেন।  ভোলার লালমোহন উপজেলার বাসিন্দা জোবায়দার বাবা একজন শিক্ষক।

পরিবারকে উদ্ধৃত করে পুলিশ বলছে, কলেজছাত্রীর মাবাবা তাঁর মধ্যে পরিবর্তন ঘটার বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন।  সে কারণে তাকে বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। জোবায়দা পাত্রের সঙ্গে দেখা করে শহীদ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ও বিয়ে ভেঙে দেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জোবায়দা জানান, তিনি ২০২০ সালের প্রথম দিকে নিজের নামপরিচয় গোপন করে ছদ্মনামে একটি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলেন।একসময় তিনি ফেসবুকে আনসার আল ইসলামের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ তিতুমীর মিডিয়ার খোঁজ পান। তখন তিনি এই পেজে যুক্ত হয়ে আনসার আল ইসলামের বিভিন্ন উগ্রবাদী ভিডিও, অডিও ও লেখা পড়তে শুরু করেন।

পরিপ্রেক্ষিতে তার তিতুমীর মিডিয়ার পেজের অ্যাডমিনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়।পরে তিতুমীর মিডিয়ার পেজের ওই অ্যাডমিন আনসার আল ইসলামের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের লিংক তাকে দেন।

ওই লিংক থেকে জোবায়দা আনসার আল ইসলামের সেসব অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ঢুকতে শুরু করেন। মূলত এই সময় থেকে তিনি উগ্রবাদী মতাদর্শ নিজে কঠোরভাবে অনুশীলন করতে থাকেন।  এই মতাদর্শকে সবার মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে বেছে নেন।

জোবায়দা ফেসবুক, টেলিগ্রাম ও চার্পওয়্যারনামের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তিনি ছদ্মনামে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলেন।

প্রাথমিক তদন্তে তার দুটি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, একটি চার্পওয়া ও চারটি টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টের তথ্য পাওয়া যায়। ফেসবুকে ফেক অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যাপকভাবে আনসার আল ইসলামের উগ্রবাদী সহিংস মতাদর্শ প্রচার, বিভিন্ন উগ্রবাদী প্রচারণাকারী আইডির সঙ্গে যোগাযোগ ও বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে আলাচনা করতেন।

জোবায়দা আনসার আল ইসলামের যোগাযোগের প্রিয় মাধ্যম টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতেন। তার চারটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এগুলো দিয়ে তিনি ১৫টির বেশি চ্যানেল পরিচালনা করতেন।

আনসার আল ইসলামের বিভিন্ন উগ্রবাদী সহিংস ভিডিও, অডিও, ছবি ও ফাইল এসব চ্যানেল‌ থেকে প্রচার করা হতো।  তার অনুসারীর সংখ্যা অনুমানিক ২৫ হাজার।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




ঢাকায় জাপানের উপহারের ৬ লাখ ডোজ টিকা

প্রকাশিত:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | ৭৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ডা. শামসুল হক জানান, পঞ্চম চালা‌নে জাপান সরকারের ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯২০ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে। ৭টা ২৫ মি‌নি‌টে টিকা বহনকারী

জাপানের দেয়া উপহারের ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯২০ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে। এটি জাপান থেকে দেয়া উপহারের পঞ্চম চালান। শনিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় টিকা বহনকারী ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি ফ্লাইট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক জানান, পঞ্চম চালা‌নে জাপান সরকারের ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯২০ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে। ৭টা ২৫ মি‌নি‌টে টিকা বহনকারী ফ্লাইট‌টি ঢাকায় এসে পৌঁছায়।

এর আগে শুক্রবার (২৭ আগস্ট) টোকিও বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের আওতায় বাংলাদেশকে দেওয়া জাপানের উপহারের পঞ্চম চালান টোকিও থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এদিন স্থানীয় সময় অনুযায়ী রাতে নিপ্পন এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট ছয় লাখ ৩৪ হাজার ৯২০ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়ে নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়ে।

গত ২৪ জুলাই জাপান থেকে উপহারের অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুই লাখ ৪৫ হাজার ২০০ ডোজ টিকার প্রথম চালান দেশে পৌঁছায়। এরপর ৩১ জুলাই দ্বিতীয় চালানে সাত লাখ ৮১ হাজার ৩২০ ডোজ টিকা দেশে আসে। গত ২ আগস্ট আসে উপহারের আরও ছয় লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ ডোজ টিকা। ২১ আগস্ট চতুর্থ চালানে সাত লাখ ৮১ হাজার ৪৪০ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ঢাকায় আসে।

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি কোভ্যাক্সের আওতায় ১৫টি দেশের জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক কোটি ১০ লাখ ডোজ টিকা উপহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে তালিকায় বাংলাদেশের নামও ছিল। সেখান থেকেই ৩০ লাখের বেশি ডোজ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বয়স ধরে রাখুন গোলাপের পাপড়িতে

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় গোলাপ ফুলের পাপড়ি ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক ও সহজলভ্য এই উপাদান ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। খুব সহজে বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন গোলাপের পাপড়ি দিয়ে তৈরি নানারকম ফেসপ্যাক।

পানির মধ্যে কিছু গোলাপ পাপড়ি দিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে নিন। ফুটে গেলে পানি ছেঁকে নিয়ে ঠাণ্ডা করুন। একটি শিশির মধ্যে গোলাপের এই পানি ঢেলে রেখে ফ্রিজে রেখে দিন। টোনার হিসেবে এটি ব্যবহার করতে পারেন। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ক্লান্ত ত্বককে তরতাজা করতে দারুণ কাজ করে ঘরে তৈরি এই গোলাপ জল।

পরিমাণমতো দুধের মধ্যে গোলাপের পাপড়ি ফুটিয়ে নিন। দুধটি ঠাণ্ডা করে তুলার সাহায্যে মুখ পরিষ্কার করুন। ত্বক তাজা রাখতে ঘরে তৈরি এই ক্লিনজার মিল্ক দারুণ কাজ করবে।

পরিমাণমতো বেসন নিন। তার মধ্যে অল্প দুধ মিশিয়ে নিন। ঘরে তৈরি গোলাপজল মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিতে পারেন। রোদে পোড়া ত্বক উজ্জ্বল করতে দারুণ কাজ করে এই ফেসপ্যাক।

নিমপাতা বাটার সঙ্গে কিছু গোলাপ ফুলের পাপড়ি বেঁটে নিন। ব্রণ দূর করতে এই ফেসপ্যাক দারুণ কাজ করে।

অল্প পরিমাণ নারকেল তেলের সঙ্গে কয়েকটা গোলাপের পাপড়ি মিশিয়ে গরম করে নিন। ঠাণ্ডা হলে হাতে, পায়ে মেখে নিন। শুষ্ক ত্বকের পক্ষে এটি খুবই উপকারী।


আরও খবর
আজ আপনার জন্মদিন হলে

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজ প্রথম প্রেম দিবস

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় বাংলাদেশের ৪ কোটির বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের শিশু সহায়তা তহবিল-ইউনিসেফ প্রকাশিত নতুন এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে করোনা মহামারির পুরোটা সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শিক্ষার স্তর পর্যন্ত চার কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফ প্রকাশিত বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ১৪ কোটি শিশুর ক্ষেত্রে স্কুলের প্রথম দিন, যা কিনা বিশ্বব্যাপী খুদে শিক্ষার্থী এবং তাদের মা-বাবার জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত, কোভিড-১৯ এর কারণে বিলম্বিত হচ্ছে। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৮০ লাখ এমন স্থানে বসবাস করে, যেখানে মহামারির পুরো সময়ে স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। এ কারণে সশরীরে শিক্ষাগ্রহণের প্রথম দিনটির জন্য তারা এক বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছে এবং এই অপেক্ষা বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪০ লাখ প্রথম বারের শিক্ষার্থীও রয়েছে।

বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে, যা কোভিড-১৯ এর কারণে স্কুল বন্ধের ক্ষেত্রে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম।

২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী স্কুলগুলো গড়ে ৭৯ শিক্ষা-দিবস পুরোপুরি বন্ধ ছিল। তবে, মহামারি শুরুর পর ১৬ কোটি ৮০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য স্কুলগুলো প্রায় পুরো বছর বন্ধ ছিল। এমনকি এখনও অনেক শিশুকে দ্বিতীয় বছরের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্কুল বন্ধ থাকার কারণে অনেক শিশুর, বিশেষ করে বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে থাকা ছোট শিক্ষার্থীদের, শেখার ক্ষতি, মানসিক চাপ, টিকা না পাওয়া এবং ঝরে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি, শিশুশ্রম ও শিশুবিয়ের মতো পরিণাম ভোগ করতে হবে।

বাংলাদেশে মহামারির পুরোটা সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শিক্ষার স্তর পর্যন্ত ৪ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যত বেশি সময় ধরে শিশুরা স্কুলের বাইরে থাকবে, সহিংসতা, শিশুশ্রম ও শিশুবিয়ের ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়ায় ততই তাদের স্কুলে ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যাবে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি টোমো হোযুমি বলেন, স্কুল ও সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষাগ্রহণ কার্যক্রম বন্ধ থাকা শিশুদের কেবল পড়াশোনার ক্ষেত্রে নয়, একইসঙ্গে তাদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও মনস্তাত্ত্বিক সুস্থতার ওপর অত্যন্ত গুরুতর প্রভাব ফেলে। প্রান্তিক শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, যা তাদের অধিকতর দারিদ্র্য ও অসমতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও দেবে। নিরাপদে স্কুল পুনরায় খুলে দেওয়া এবং সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পড়াশোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিনিয়োগ করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আজকের এই সিদ্ধান্ত এই শিশুদের পুরো জীবনকে প্রভাবিত করবে।

ইউনিসেফ যত শিগগির সম্ভব সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষাগ্রহণের জন্য স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দিতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তার জন্য বিস্তৃত পরিসরে পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানায়। বিশ্বব্যাংক ও ইউনেস্কোর সঙ্গে মিলে ইউনিসেফ স্কুলগুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের প্রতি মনোনিবেশ করতে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানায় ।

১. সব শিশু ও তরুণদের স্কুলে ফিরিয়ে আনার জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসূচি প্রণয়ন করা, যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মনোসামাজিক সুস্থতা এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণের জন্য তারা তাদের প্রত্যেকের প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

২. শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করতে কার্যকর প্রতিকারমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করা।

৩. শিক্ষার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং শিক্ষাদান প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য শিক্ষকদের সহায়তা দেওয়া।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক বলেন, স্কুলের প্রথম দিনটি আশা ও সম্ভাবনার দিনএকটি শুভ সূচনার দিন। তবে, সব শিশু এই শুভ সূচনার সুযোগ পায় না। এমনকি কিছু শিশু শুরুই করতে পারছে না। আমাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা গ্রহণের জন্য স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দিতে হবে এবং এই মহামারি এরই মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রমে যে ক্ষতি করেছে, তা পুষিয়ে নিতে আমাদের অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না করলে কিছু শিশু হয়তো কখনোই এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে না।

আগামী কয়েক সপ্তাহে, ইউনিসেফ তার অংশীদার এবং বৃহত্তর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে, যাতে এই শিক্ষা সংকট কোনোভাবেই শিক্ষা বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত না হয়। অনলাইন ও অফলাইন প্রচারাভিযানে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে একটি সর্বসম্মত উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করবে, যাতে যত শিগগির সম্ভব সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা গ্রহণের জন্য স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া যায়। বিশ্বের সবচেয়ে অসহায় শিশুদের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে রয়েছে।


আরও খবর
১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




তৃতীয় বিয়ে থেকে মুক্তি চান শ্রাবন্তী

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রায় এক বছর ধরে স্বামী রোশন সিংয়ের সঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকছেন না টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। 

ফের সংসার জুড়তে আদালতের দারস্থ হয়েছিলেন শ্রাবন্তীর তৃতীয় স্বামী রোশন সিং। এবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শ্রাবন্তী নিজেও। তবে সংসার জুড়তে নয়, ভেঙে বিচ্ছিন্ন করে দিতে।

কাগজ-কলমে তিন নম্বর বিয়ের পাট চুকিয়ে ফেলতে চান অভিনেত্রী।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবর, কলকাতার আলিপুর আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন শ্রাবন্তী। মামলার শুনানি হবে ১০ ডিসেম্বর। ডিভোর্সের মামলা করার পাশাপাশি রোশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও এনেছেন শ্রাবন্তী। গত জুন মাসে বৈবাহিক অধিকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ধারায় শিয়ালদহ ফাস্ট ট্র্যাক ফাস্ট কোর্টে মামলা করেছিলেন রোশন। 

তারই জবাবে এবার পাল্টা মামলা করলেন শ্রাবন্তী। গত এক বছর ধরেই শ্রাবন্তীর সঙ্গে আবারও সংসার করতে মরিয়া রোশন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার নানা ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট সেই বার্তাই দেয়। 

যদিও রোশনের সেসব পোস্ট ও তর্জনগর্জনে বরাবরই নীরব থেকেছেন শ্রাবন্তী।  কিন্তু কয়েকদিন আগে রোশনের করা দুটি পোস্টের পর ইনস্টাগ্রামে শ্রাবন্তী যে বার্তা দেন, তাতে মনে হয়েছিল মন গলেছে নায়িকার।

শ্রাবন্তীর অভাববোধটা বুঝিয়ে দিতে কয়েক দিন আগে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে যুগলদের ভিড়ে একা দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবকের ছবি পোস্ট করে রোশন লেখেন মাই কন্ডিশন। রোশন বোঝাতে চাইছেন, শ্রাবন্তীকে ছাড়া তিনি বড় একা! এর পর গত বুধবার প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রী সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে নিজের ছবি শেয়ার করেন রোশন।

প্রয়াত এ তারকার ছবিটি দিয়ে রোশন বোঝাতে চান, সুশান্তের মতো তিনিও নিঃসঙ্গ। সুশান্তের মতো হতাশা, অবসাদে ডুবে যাচ্ছেন তিনি। নিজেকে শেষ করেও দিতে পারেন সুশান্তের মতো!

রোশনের ওই দুটি পোস্টের পরই শ্রাবন্তী আবেগী পোস্ট দেন।  লেখেন বুঝেছি, তুমি নীরবতার মানে বুঝতে শুরু করেছ। এর থেকে শিক্ষাও নিচ্ছ। নীরবতারও নিজস্ব অর্থ ও আলাদা মাত্রা রয়েছে।

ভক্ত-অনুরাগীদের ধারণা ছিল, এবার হয়তো মন গলেছে শ্রাবন্তীর।  সুখবর পেতে যাচ্ছেন রোশন। কিন্তু উল্টোটাই ঘটল।  বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করে বসলেন টালিউডের এই কনট্রোভার্সি কুইন।

প্রসঙ্গত, মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিচালক রাজীব বিশ্বাসকে বিয়ে করেছিলেন শ্রাবন্তী।  এর পর ২০১৬ সালে মডেল কৃষাণ ব্রজকে বিয়ে করেন তিনি। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বিচ্ছেদের আবেদন নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিনেত্রী। ২০১৯ সালের গোড়ার দিয়েই চূড়ান্ত হয় কৃষাণ-শ্রাবন্তীর ডিভোর্স। কয়েক মাসের মাথাতেই রোশনের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী।


আরও খবর
আক্রমণাত্মক মন্তব্যের শিকার নুসরাত

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১