আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

রূপপুরে বেলারুশ নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ এপ্রিল ২০২২ | ১৫৫০জন দেখেছেন

Image

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত ইভানু মাকসিম (৫১) নামের এক বেলারুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার উপজেলার সাহাপুরের নতুনহাট মোড়ে নির্মাণাধীন বিদেশিদের আবাসন প্রকল্প গ্রিনসিটি ভবনের একটি কক্ষ থেকে ওই বেলারুশ নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মাকসিম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের রুইনওয়ার্ল্ড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, গ্রিনসিটি আবাসিকের ১ নম্বর ভবনের ১৫ তলার ১৫২ নম্বর কক্ষে ওই বেলারুশ নাগরিক বসবাস করতেন। গতকাল শুক্রবার সকালে ডিউটি করার কথা থাকলেও কাজে যোগ দেননি তিনি। সকাল ৭টার দিকে তার ফ্ল্যাটের পাশের এক রুমমেট তাঁকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ খবর গ্রিনসিটি প্রকল্পসহ-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানার পুলিশ গ্রিনসিটির ভবন থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

রূপপুর প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস বলেন, হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মাকসিমের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি অজ্ঞান হয়ে বিছানার ওপর পড়েছিলেন। পরে চিকিৎসক এসে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করতে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সম্পন্ন হলে দূতাবাসে যোগাযোগ করে তাঁর মরদেহ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর



জুম ভূমিতে অগ্নিসংযোগ

বান্দরবানে ভয়াবহ খাদ্য সংকটে তিন পাড়ার মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বান্দরবানে জমি ইজারা নেয়া হয়েছে এমন দাবিতে ৪০০ একর পাহাড়ি ভূমি পুড়িয়ে দিয়েছে লামা রাবার কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠান। যেখানে জুম চাষ করে জীবন ধারণ করত তিনটি পাড়ার শতাধিক মানুষ। জুমের জমির সঙ্গে আগুনে পুড়েছে স্থানীয় অধিবাসীদের ফলদ বাগান, বনজ গাছ, বাঁশবাগান। শুকিয়ে গেছে লাংকমপাড়ার ঝিরির পানি। ফলে ভয়াবহ খাদ্য ও পানীয় সংকটে পড়েছে স্থানীয়রা। অন্যদিকে রাবার কোম্পানির হুমকির কারণে পাড়া থেকে বেরিয়ে কাজের সন্ধানে যেতে পারছে না পুরুষরা। এ অবস্থায় কোনোমতে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে ডলুছড়ি মৌজার লাংকমপাড়া, রেংয়ানপাড়া ও জয়চন্দ্র ত্রিপুরা পাড়ার মানুষ। কোনো ত্রাণসহায়তা পায়নি বলেও জানিয়েছে তারা।

বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের ডলুছড়ি মৌজার জমিতে মূলত ম্রো ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা জুম চাষ করে। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে ডলুছড়ি মৌজার প্রায় ৪০০ একর জমি ইজারা নেয়া হয়েছে বলে দাবি জানায় লামা রাবার কোম্পানি। সে সময় কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক (পিডি) পরিচয় দেয়া কামাল উদ্দিন ও তার লোকজন স্থানীয়দের নানা ভয়ভীতি দেখায় ও মিথ্যা মামলা দেয়। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে ১৫-২০ জন লোক লামা রাবার কোম্পানির পরিচয়ে প্রায় ৪০০ একর ভূমি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। আগুন ধরাতে কোরোসিন, রাবার ও চপ্পল ব্যবহার করা হয়। আগুনে তিন পাড়াবাসীর কবরস্থানসহ জুম ভূমিতে চাষ করা ফলের বাগান, বিভিন্ন গাছ, বাঁশবাগান পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এছাড়া বুনো মুরগি, সাপ, কাঁকড়া, নানা প্রজাতির পাখির ছানা, মুরগি ও পাখির ডিম, ছোট-বড় নানা প্রজাতির অগণিত বন্যপ্রাণীরও মৃত্যু হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সেদিন দুপুরেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। জুম ভূমিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে। লাংকমপাড়ার কারবারি লাংকম ম্রো বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এ মামলা করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, তিনটি পাড়াঘেঁষে বিশাল এলাকাজুড়ে পাহাড়ি ভূমি ছাইয়ে ঢাকা। প্রাণপ্রকৃতির কোনো চিহ্ন সেখানে নেই। ইজারার দাবিতে এসব পাহাড় পুড়িয়ে দেয়া হলেও লিজের শর্তানুযায়ী জমির সীমানা চিহ্ন হিসেবে পাহাড়ি ভূমির কোথাও চার ফুট উঁচু মাটির ঢিবি ও ঢিবির ওপর ছয় ফুট উঁচু কংক্রিটের খুঁটি দেখা যায়নি। আবার ইজারা নেয়া জমি আগুনে পুড়িয়ে দেয়া যাবে এমন কোনো শর্তও চুক্তিতে নেই।

রেংয়ানপাড়ার কারবারি (পাড়াপ্রধান) রেংয়ান ম্রো বলেন, লামা রাবার কোম্পানি জুম ভূমি পুড়িয়ে দেয়ার পর থেকে ১১টি পরিবার দিনে একবেলা খেয়ে কোনোভাবে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে পরিবারগুলো বিপাকে পড়েছে। পাড়ার সবাই সম্মিলিতভাবে খুঁজে যে জংলি আলু পাচ্ছে, তা-ই ভাগ করে খাওয়া হচ্ছে। কোনো রকমে শাকপাতা সেদ্ধ করে খেয়ে দিন কাটছে। এ কষ্টকে সীমাহীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন কষ্টে আগে কখনো পড়তে হয়নি।

পাড়াগুলো ঘুরে দেখার সময় বেশির ভাগ বাড়ি থেকে শিশুদের কান্নার শব্দ ভেসে আসতে শোনা যায়। কারণ জানতে চাইলে লাংকমপাড়ার রেংচ্যং ম্রো জানালেন, শিশুরা ক্ষুধায় কাতর। কোনো কোনো বাড়িতে শিশু অসুস্থ হলেও অর্থাভাবে চিকিৎসা করানো যাচ্ছে না। ইংচং ম্রো বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পর লামা রাবার কোম্পানির লোকজন নানা হুমকি দিচ্ছে। এমনকি হত্যার হুমকিও দেয়া হচ্ছে। পাড়া থেকে ক্যজু বাজার সড়কের জনশূন্য এলাকায় লামা রাবার কোম্পানির লোকজন দলবদ্ধ হয়ে পাহারা দিচ্ছে। এজন্য প্রাণভয়ে কেউ পাড়ার বাইরে বের হয়ে কাজ করতে যাওয়ার সাহস করছেন।

পাড়াগুলোর কারবারি ও অধিবাসীদের অভিযোগ, লামা রাবার কোম্পানির লোকজন লাঠি, দাসহ নানা ধরনের দেশী অস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায়। এজন্য পাড়াবাসী পাড়ার বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছে না। লামা রাবার কোম্পানির নানা হুমকির ভয়ে গত দুই বছরের নানা সময়ে রেংয়ানপাড়ার লাঙান ম্রো, প্রচ্যং ম্রো, রেংয়ুং ম্রো, রেংনত ম্রো, সিংচং ম্রো, লাংকমপাড়ার পারিং ম্রো, মেনরুম ম্রো ও জয়চন্দ্র পাড়ার যোগেশ ত্রিপুরা, দুনিজন ত্রিপুরা, যোগেন ত্রিপুরা, পিতর ত্রিপুরা পরিবার নিয়ে পাড়া ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

ডলুছড়ি মৌজার হেডম্যান যোহন ত্রিপুরা বলেন, অনেক বছর ধরে তিন পাড়াবাসী জুমচাষসহ নানা আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। ১৯৮৮-৮৯ সালে রাবার বাগান সৃজনের জন্য ডলুছড়ি মৌজায় ২৫ একর করে ৬২ জনের নামে মোট ১ হাজার ২০০ একর জমি ইজারা দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। কিন্তু লামা রাবার কোম্পানির নামে সরকারি তৌজিতে কোনো নথিপত্র নেই।

তবে আগুনে পোড়ানোসহ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লামা রাবার কোম্পানির পিডি কামাল উদ্দিন। ইজারার দাবির পক্ষে তিনি বলেন, এত বড় জায়গায় চার ফুট উঁচু মাটির ঢিবি ও ঢিবির ওপর ছয় ফুট উঁচু কংক্রিটের খুঁটি দেয়া অনেক টাকার ব্যাপার। সে কারণেই দেয়া হয়নি।

তিন পাড়ার খাদ্য সংকট বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিংয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তীবরীজি। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। অনুমোদন হয়ে এলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া ওই জমি লামা রাবার কোম্পানির নামে ইজারা দেয়া আছে কিনা তা খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: বান্দরবান

আরও খবর



লক্ষ বছর আগের শিশুর দাঁত খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সম্প্রতি লাওসের একটি গুহায় এক লক্ষ ৩০ হাজার বছরের পুরনো একটি মানুষের দাঁত খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা। প্রাথমিক ভাবে এটি একটি শিশুর দাঁত বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া এই শিশুর দাঁত মানুষের বিবর্তন সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের আরও বেশি তথ্য জানতে সাহায্য করবে।

গবেষকদের দাবি, এই দাঁতটি মানুষের পূর্বপুরুষ ডেনিসোভান প্রজাতির। ডেনিসোভান প্রজাতি মানবজাতির বিলুপ্ত একটি শাখা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উষ্ণ ক্রান্তীয় অঞ্চলে এই প্রজাতির বসবাস ছিল বলে মনে করা হয়।

মানবজাতির বিলুপ্ত আর একটি শাখা নিয়ানডারথালদের সঙ্গে ডেনিসোভান শাখার সম্পর্ক ছিল বলে ধারণা করা হয়। যদিও ডেনিসোভান শাখা সম্পর্কে খুবই কম তথ্য রয়েছে বিজ্ঞানীদের হাতে।

২০১০ সালে সাইবেরিয়ার গুহায় কাজ করার সময় ডেনিসোভান শাখার খোঁজ পান গবেষকরা। এর আগে এই শাখার বিষয়ে বিজ্ঞানীদের কোনও ধারণা ছিল না। গুহার মধ্যে এক মহিলার আঙুলের হাড় খুঁজে বের করার সময় তাঁরা প্রথম এই শাখার খোঁজ পান।সাইবেরিয়ার ডেনিসোভা গুহায় প্রথম সন্ধান পাওয়া যায় বলে মানুষের পূর্বপুরুষের এই প্রজাতির নাম দেওয়া হয়েছে ডেনিসোভান।

শুধুমাত্র একটি আঙুলের হাড় এবং একটি ছোট দাঁতের জিনের গঠন নিয়ে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা পুরো প্রজাতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেয়েছেন।

পরে ২০১৯ সালে তিব্বত মালভূমিতে একটি চোয়ালের হাড় খুঁজে পাওয়া যায়। এই চোয়ালের হাড়ও ডেনিসোভান শাখার বলে গবেষকরা জানান। গবেষকরা এ-ও ধারণা করেন, এই প্রজাতির কিছু মানুষ চিনেও বসবাস করতেন।

ডেনিসোভানরা অদৃশ্য হওয়ার আগে সামান্য চিহ্ন রেখে গিয়েছিল। তবে ডিএনএ-র কোনও খোঁজ বিজ্ঞানীদের কাছে ছিল না।

অস্ট্রেলিয়ান এবং পাপুয়া নিউ গিনির আদিবাসীদের মধ্যে মানুষের পূর্বপুরুষের ডিএনএ-র পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মানুষের আধুনিক পূর্বপুরুষের সঙ্গে ডেনিসোভানদের যোগ ছিল বলেও বিজ্ঞানী ক্লেমেন্ট জানোলি জানিয়েছেন। ফ্রেঞ্চ ন্যাশনাল সেন্টার ফর সায়েন্টিফিক রিসার্চ-এর গবেষক ক্লেমেন্ট জানান, সাইবেরিয়া বা তিব্বতের পর্বত থেকে দূরে এশিয়া মহাদেশের এই অংশে ডেনিসোভানদের উপস্থিতির কোনও প্রমাণ নেই।

তবে এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয় যখন বিজ্ঞানীদের একটি দল উত্তর-পূর্ব লাওসের কোবরা গুহায় অনুসন্ধান শুরু করেন। ২০১৮ সালে টাম পা লিং গুহার পাশের একটি গুহায় এই দাঁতটি খুঁজে পাওয়া যায়।

দাঁতের বাইরের অংশের প্রোটিন পরীক্ষা করার পর গবেষকরা জানিয়েছেন, এই দাঁত সম্ভবত সাড়ে তিন থেকে সাড়ে আট বছর বয়সি এক নাবালিকার। তাপ এবং আর্দ্রতার কারণে দাঁতটির ডিএনএ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।

দাঁতের আকৃতি বিশ্লেষণ করার পর বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই দাঁত সম্ভবত ডেনিসোভান মানবের। এক লক্ষ ৩০ হাজার বছর থেকে এক লক্ষ ৬৪ হাজার আগে ডেনিসোভান মানবের অস্তিত্ব ছিল বলেও ধারণা বিজ্ঞানীদের।

নিউজ ট্যাগ: শিশুর দাঁত

আরও খবর



হবিগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রোকনপুর বাজারে বাসচাপায় সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মে ) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, অটোরিকশার চালক রোকনপুর গ্রামের শাহ জহুর আলীর ছেলে শাহ আরশ আলী (৩০) ও যাত্রী ওই গ্রামের মৃত গোলাপ আলীর স্ত্রী নুরেয়া বেগম (৩৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে অটোরিকশায় করে বাহুবল যাচ্ছিলেন নুরেয়া বেগম। পথিমধ্যে রোকনপুর বাজারে পৌঁছানো মাত্রই সিলেট থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী এম আর পরিবহনের বাস পেছন থেকে অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে ২ জন নিহত হন। এ সময় স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে মহাসড়কের উভয়পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা ও গোপলার বাজার তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানচলাচল স্বাভাবিক করেন।

এ বিষয়ে গোপলার বাজার তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক সামছুদ্দিন খান বলেন, আজ দুপুরে ঢাকাগামী একটি বাস অটোরিকশাকে পেছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে দুজন মারা যান। এ সময় স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিমল দেব দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 


আরও খবর



কবে শেষ হবে চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ?

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের সময় বেড়েছে আরও এক বছর। অর্থাৎ ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে তৃতীয় দফায় সময় বাড়লো। একই সঙ্গে প্রকল্পের ব্যয় ৩৬ শতাংশ অর্থাৎ এক হাজার ১৯৯ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। প্রস্তাব অনুযায়ী অর্থ পাওয়া গেলে প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়াবে চার হাজার ৪৫০ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। এরপরও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে কিনা তা নিশ্চিত করতে পারছেন না প্রকল্প পরিচালক। সিডিএর এই প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স-র‍্যাঙ্কিন। ইতোমধ্যে সাড়ে ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ের ৬০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ চলমান।

প্রকল্প ও ব্যয়: সিডিএ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম নগরীর যানজট নিরসনের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১১ জুলাই একনেক সভায় চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। প্রথমে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় তিন হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। তিন বছরের মধ্যে অর্থাৎ ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ শতভাগ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। দ্বিতীয় দফায় ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তৃতীয় দফায় ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। এই দফায় সময় বেড়েছে এক বছর। অর্থাৎ ২০২৩ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা। একই সময়ে প্রকল্প ব্যয় এক হাজার ১৯৯ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

কেন বাড়ছে ব্যয়?: সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রকল্পের কাজ শুরুর পর নকশায় ত্রুটি ধরা পড়ে। এ নিয়ে আপত্তি জানায় চট্টগ্রাম বন্দর ও সিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। নকশায় ত্রুটি, সেবা সংস্থাগুলোর সঙ্গে পরামর্শ না করে তড়িঘড়ি করে প্রকল্প অনুমোদনের কারণে বেড়েছে ব্যয়। পরে নকশা নিয়ে বন্দর ও সিএমপির আপত্তির কারণে বেশ কিছু সংশোধন আনা হয়। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সেতুর নকশা ও ভূমি জটিলতা, বিভিন্ন সংস্থার নারাজি কারণে প্রকল্পের কাজে ধীরগতি দেখা দেয়। একই সঙ্গে ব্যয় বেড়েছে। এখন চাহিদামতো অর্থ যথাসময়ে পাওয়া না গেলে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না তাদের।

এক্সপ্রেসওয়ের নয় এলাকায় ২৪ র‍্যাম্প: প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ের নয় এলাকায় গাড়ি ওঠানামার জন্য ২৪টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে টাইগারপাস এলাকায় চারটি, আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে চারটি, বারিক বিল্ডিং মোড়ে দুটি, বন্দরসংলগ্ন নিমতলী মোড়ে দুটি, কাস্টম হাউস মোড়ে দুটি, রফতানি প্রক্রিয়াকরণ কর্তৃপক্ষ (সিইপিজেড) এলাকায় চারটি, কর্ণফুলী ইপিজেড এলাকায় (কেইপিজেড) দুটি, কাঠগড় এলাকায় দুটি ও পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় থাকবে দুটি। প্রতিটি র‌্যাম্প নির্মাণ হবে দুই লেনের। র‌্যাম্পগুলো একমুখী গাড়ি চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হবে।

একাধিক মেগা প্রকল্পের সংযোগস্থল পতেঙ্গা: বঙ্গবন্ধু টানেল, আউটার রিংরোড, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, এয়ারপোর্ট রোডসহ একাধিক মেগা প্রকল্পের সংযোগস্থল চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা। অথচ এখানে নেই ইউলুপ, ইউটার্ন কিংবা সার্ভিস রোড। এ অবস্থায় এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে যানজট বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে ট্রাফিক বিভাগ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‌সিএমপির সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্পটি করা হয়নি। যানজট নিরসনের জন্য নেওয়া প্রকল্পটিতে গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থানে ইউলুপ, ইউটার্ন কিংবা সার্ভিস রোড না থাকায় সুষ্ঠুভাবে যানবাহন ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হবে। ফলে সড়কে যানজট কমবে কিনা সন্দেহ আছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অপরাধ দমনে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোসহ অনেকগুলো পরামর্শ সিডিএকে দেওয়া হয়েছে। তারা সেগুলো মেনে নিয়ে কাজ করলে অবশ্যই প্রকল্পের সুফল পাওয়া যাবে।

চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টানেল: এদিকে, আগামী ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টানেল। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালুর আগে টানেল চালু হলে বন্দর-পতেঙ্গাসহ নগরজুড়ে যানজট বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যানজট এড়াতে আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আট কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন করে পতেঙ্গা থেকে নিমতলী পর্যন্ত যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিডিএ।

চট্টগ্রাম নগর পরিকল্পনাবিদ সুভাষ বড়ুয়া বলেন, উড়ালসেতু করে কখনও যানজট নিরসন করা যাবে না। শুধুমাত্র কম জানা লোকই এমন কথা বলে। যানজট নিরসন করতে সমন্বিত কর্ম-পরিকল্পনার প্রয়োজন। চট্টগ্রামের সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। যানজট নিরসনের জন্য ছোট গাড়ি চলাচল ও আমদানি কন্ট্রোল করতে হবে।

প্রকল্প পরিচালকের ভাষ্য: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রকল্পের কাজ ৬০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বন্দর, সিএমপিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার আপত্তির কারণে কাজের গতি কমেছে। যেসব সমস্যা আগে দেখা যায়নি কিন্তু কাজ শুরুর পর দেখা যাচ্ছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ যেসব বিষয়ে আপত্তি তুলেছিল সেগুলো বৈঠকে সমাধান হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে সিএমপি, তারা কিছু নকশা সংস্কারের কথা বলেছে। আমরা সেগুলো সংশোধন করেছি। নতুন নকশা অনুযায়ী কাজ হবে।

মাহফুজুর রহমান বলেন, সড়কের মাঝখানে থাকা বিদ্যুতের পোলগুলো সরাতে দেরি করছে পিডিপি। সড়কের নিচে থাকা ওয়াসার পাইপ লাইন কাজ করার সময় ফেটে যাচ্ছে। এগুলো সরানোর জন্য ওয়াসাকে অর্থ দেওয়া হয়েছে। এরপরও তারা সেগুলো সরাতে দেরি করছে। এখনও টাইগারপাস থেকে দেওয়ানহাট মোড় পর্যন্ত রেললাইনের ওপর কাজ করার অনুমতি দেয়নি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। টাইগারপাস থেকে দেওয়ানহাট মোড় পর্যন্ত ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে কোনও পিলার বসানো যাবে না বলেছেন রেলের কর্মকর্তারা। তাই বিকল্পভাবে রেললাইনের ওপর কাজ করতে হবে। সবমিলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারবো কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

জানা গেছে, বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে গিয়ে জমি অধিগ্রহণসহ নতুন কিছু সংযোজন করতে এক হাজার ২৯৯ কোটি ৭০ লাখ ১৬ হাজার টাকা প্রয়োজন। ওই টাকার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। বন্দর থেকে সাত একর জমি অধিগ্রহণসহ নানা কাজে ওই এলাকায় ব্যয় বেড়েছে ৪০০ কোটি টাকা। পিডিপিকে পোল সরানোসহ বিদ্যুতের কাজের জন্য আরও ২০০ কোটি টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। নতুন করে ১২টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করতে হচ্ছে। টাইগারপাস থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত ২০০ কিলোমিটার রেললাইনের ওপর পিলার বসানো ছাড়াই কাজ হবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ বলেছে, বন্দর এলাকায় যাতে যানবাহন চলাচলে শব্দ না হয়, সেজন্য শব্দ প্রতিরোধক বেষ্টনী নির্মাণ করতে হবে। সিএমপি চিঠি দিয়ে বলেছে, ১৬ কিলোমিটার প্রকল্পে যাতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়। লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে জি-১ এবং জি-২ সড়কে ডানমুখী চলাচলের লেন রাখা হয়নি। এতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বড় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হবে। এটি সমাধান করা জরুরি। সেই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু টানেল চালুর পর নগরীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ টানেলের সংযোগের বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নেই। এগুলো সংযোজন করতে হবে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজে বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের আপত্তির কারণে নকশায় পরিবর্তন আনতে হয়েছে। এজন্য জমি অধিগ্রহণ করতে হয়েছে। কাজ বেড়েছে, সময় বাড়ছে। এসব কারণে এক হাজার ১৯৯ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং দুই বছর সময় বাড়ানোর প্রস্তাব করেছি আমরা। এখনও মন্ত্রণালয় অর্থ দেয়নি। তবে সময় বাড়িয়েছে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত এক বছর। এই সময়ে কাজ শেষ হবে বলে মনে হয়না। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ না হলে যানজট বাড়বে। এ কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারিতে পতেঙ্গা থেকে নিমতলী পর্যন্ত আট কিলোমিটারের কাজ সম্পন্ন করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেবো। প্রকল্পের জন্য যেখানে নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করতে হবে, নকশায় পরিবর্তন ও সংযোজন করতে হবে সেসব স্থানে আপাতত কাজ বন্ধ থাকবে।


আরও খবর



বাংলাদেশ-ভারত ট্রেন চলাচল ফের শুরু ১ জুন

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। এ রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন তিনটি আগামী ১ জুন থেকে আবারও চলাচল করবে। মঙ্গলবার (১৭ মে) বার্তা সংস্থা টিএনএনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আগামী মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তার ওই সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস ও নিউ জলপাইগুড়ি-ঢাকা মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল আবার শুরু হবে।

মহামারির আগে ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস সপ্তাহে পাঁচদিন এবং খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস দুসপ্তাহ পরপর চলাচল করতো। কিন্তু করোনার প্রকোপে বন্ধ হয়ে যায় সেগুলো।

ট্রেন দুটি চালু করার সময় বাংলাদেশ ও ভারত একটি করে রেক দিয়েছিল। সবশেষ চালু হওয়া মিতালী এক্সপ্রেসের রেক দিয়েছে ভারত। ২০২১ সালের মার্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যৌথভাবে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি রুটের ট্রেনটি উদ্বোধন করেছিলেন।

বাংলাদেশিদের কাছে মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস বেশ জনপ্রিয়। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা করাতে যান লাখ লাখ মানুষ। শারীরিক জটিলতার কারণে অনেকের প্লেনে চড়ায় নিষেধাজ্ঞা থাকে, অনেকের আকাশপথে যাওয়ার সামর্থ্য থাকে না। আবার সড়কপথে যাওয়ার ধকলও নিতে পারেন না অনেকে। এ পরিস্থিতিতে তাদের একমাত্র ভরসা দুদেশের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনগুলো।

তাছাড়া আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগে যুগান্তরী পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। পদ্মা সেতু চালু হয়ে গেলে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে সময় লাগবে মাত্র তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা। তাছাড়া বনগাঁ লোকালকে পেট্রাপোল পর্যন্ত চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতীয় রেলের। সেক্ষেত্রে সীমান্ত পার হয়ে সরাসরি ট্রেনে উঠতে পারবেন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া মানুষেরা।


আরও খবর