আজঃ সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম
বসুন্ধরার এমডিকে হত্যাচেষ্টা

সাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ মা-বাবা এলাকাবাসী

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরকে হত্যা চেষ্টাকারী সাইফুল ইসলাম সাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলেন খোদ তার মা-বাবা এবং এলাকাবাসী। ধীরে ধীরে বখাটে ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় লাগাম টানতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ছেলেকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেছিলেন মা-বাবা। সাদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার হাছনদন্ডী এলাকায় সরেজমিন ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

গত রবিবার দুপুরে ওই এলাকায় গেলে তার বাবা সুজন দত্ত বলেন, বখাটে ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির হওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে ছেলেকে ২০১৭ সালে ত্যাজ্য ঘোষণা করি। পরে সে মুসলমান ধর্ম গ্রহণ করে। অবশ্য পরে আবার হিন্দু ধর্মে ফেরার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘরে জায়গা দেওয়া হয়নি। শুনেছি ঢাকায় গিয়ে অপরাধে জড়িয়েছে। এই বখাটে যদি কোনো অপরাধে জড়ায় তাহলে তার উপযুক্ত শাস্তি হওয়া দরকার বলেও মনে করেন সুজন দত্ত।

জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে সাদকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছিলেন তা মা-বাবা। জন্ম চন্দনাইশে হলেও তার বেড়ে ওঠা পটিয়ায়। দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় পরিচয় হয় পটিয়ার সাংসদ হুইপ সামশুল হক ও তার ছেলে নাজমুল করিম ওরফে শারুন চৌধুরীর সঙ্গে। সাদকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে হত্যা পরিকল্পনায় যুক্ত করেন তারা। তারই অংশ হিসেবে কৌশলে দিনমজুরের ছদ্মবেশ নিয়ে বসুন্ধরার এমডি হাউসে প্রবেশ করেন সাদ। এরপর একাধিকবার চালান হত্যাচেষ্টা।

গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সাউতুল কোরআন মাদরাসা ও এতিমখানা থেকে সাদকে আটক করে পুলিশ। বসুন্ধরার এমডিকে হত্যার পরিকল্পনায় যুক্ত সন্দেহে তাঁকে শুক্রবার ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়। গত রবিবার আদালত তাঁকে তিন দিনের রিমান্ডে দেন। তাঁকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ভাটারা থানা পুলিশ।

চন্দনাইশে সরেজমিনে গেলে কথা হয় সাদের মা-বাবা, বন্ধু ও এলাকাবাসীর সঙ্গে। সাদের সঙ্গে হুইপ শামসুল হক কিংবা শারুন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না জানতে চাইলে তার বাবা সুজন দত্ত বলেন, এই বিষয়ে আমি জানি না। সর্বশেষ যখন গ্রামে ফিরেছিল তখন তাকে ঘরে জায়গা না দেওয়ায় আমার সঙ্গে ঝগড়া করে। তবে তার ফেসবুকে কিছু ছবি দেখা গেছে, সেখানে প্রবীণ রাজনীতিবিদদের সঙ্গে তার ছবি দেখা গেছে।

তার মা রীনা বালা দে বলেন, ত্যাজ্য ঘোষণার পরও মাঝে মধ্যে গ্রামের বাড়িতে আসতো জয় (সাদের পূর্বের নাম)। সর্বশেষ পূজার সময় এসেছিল। হাতে দামি মোবাইল ফোন ও ঘড়ি দেখেছি। পোশাকও ছিল দামী। এসব দামি জিনিসপত্র কোথায় পেয়েছে তা জানতে প্রশ্ন করা হলেও জয় উত্তর দেয়নি। তিনি বলেন, জয়ের আচরণে মনে হয়েছে সে কোনো অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। ছেলেকে যারা ভুল পথে নিয়ে গেছে তাদের বিচার দাবি করেন রীনা।

সাদের প্রতিবেশী হাছনদন্ডী ব্রাইট স্টার সোসাইটির সভাপতি সুমন চন্দ্র দে বলেন, জয় মুসলমান ধর্ম গ্রহণের পর পুনরায় হিন্দু ধর্মে ফিরেছে। কিন্তু এখন শুনছি সে মুলমান হিসেবে মাদ্রাসায় পড়ছে। সর্বশেষ পূজার সময় গ্রামে এসেছিল। এই সময় ঘরে থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু তার বাবা ঘরে জায়গা দেননি। এই কারণে আমাদের কাছে নালিশ দিয়েছিল। আমরা এই বিষয়ে সুজন দত্তের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তারা ত্যাজ্য ঘোষণার কাগজ দেখানোর পর তাকে ঘর ছেড়ে চলে যেতে বলি। তার স্বভাব চরিত্র ভালো ছিল না। মারধর ও ঝগড়া বিবাদ করা তার স্বভাব।

একই বিষয়ে গ্রামের বাসিন্দা নূর নবী বলেন, শুরুতে শুনেছিলাম সে মুসলমান হয়েছে। পরে তার মা তাকে হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে বলে শুনেছি। সব পাঞ্জাবিসহ অন্য কাপড় খুলে ধুতি পরে এবং মাথার চুল ফেলে দিয়ে পুনরায় হিন্দু রীতি অনুযায়ী চালচলন শুরু করে। গত মাসে পূজাও করে গেছে।

সাদের বন্ধু জনি দে বলেন, কিছুদিন আগে আমিও ঢাকায় ছিলাম। পরে গ্রামে ফিরে এসেছি। ঢাকায় থাকতে তার সঙ্গে আমার যোগাযোগ হতো। এই সময় তার আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করি এবং সে যেন ভিন্ন জগতের বাসিন্দা হয়ে গেছে এমন ভাব ধরে আমার সঙ্গে। পরে রাগ করে আমি যোগাযোগ বন্ধ করে দিই।

প্রতিবেশী সুবল চন্দ্র দে বলেন, জয় দত্ত ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তাকে পুনরায় তার মা হিন্দু ধর্মে নিয়ে আসে। সে গ্রামে এসে প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়া ফ্যাসাদ করে। ছেলে হিসেবে ভালো না। এখন শুনছি যে নাকি হত্যাচেষ্টা মিশনে যুক্ত হয়েছিল।


আরও খবর



বিশ্বকে জলবায়ু অভিবাসীদের দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | ৬২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বকে জলবায়ু অভিবাসীদের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্কটিশ পার্লামেন্টে কল ফর ক্লাইমেট প্রসপারিটি শীর্ষক অনুষ্ঠানে দেয়া ভাষণে এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি, নদী ভাঙ্গন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক ঘটনায় প্রভাবিত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া জলবায়ু অভিবাসীদের  দায়িত্ব বিশ্বকে অবশ্যই ভাগ করে নিতে হবে। ক্ষতির বিষয়টি অবশ্যই সঠিকভাবে সসমাধান করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে ইতিমধ্যে জলবায়ু বাস্তুচ্যুত ৬০ লাখ মানুষ রয়েছে। এছাড়া, আরো অতিরিক্ত ১.১ মিলিয়ন মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বোঝা যোগ হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলা এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী স্কটিশ পার্লামেন্টে কমিটি কক্ষে এ বাংলাদেশ ভিশন ফর গ্লোবাল ক্লাইমেট প্রসপারিটি শিরোনামে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা এবং সিভিএফ দূত সায়মা ওয়াজেদ হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্কটিশ পার্লামেন্টে পৌঁছলে স্পিকার অ্যালিসন জনস্টোন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

তিনি উল্লেখ করেন যে, কার্যকর ও পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন হবে সমৃদ্ধি অর্জনের মূল চাবিকাঠি। তিনি এমসিপিপি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য কিছু প্রস্তাবনা পেশ করেন।

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) এবং ভালনারেবল২০ (ভি২০) সভাপতি শেখ হাসিনা একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেছেন, প্রধান কার্বন নির্গমনকারী দেশগুলেকে অবশ্যই ব্যাপক ভিত্তিক এনডিসি (জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান) পেশ এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। উচ্চাভিলাষী প্রভাব প্রশমন প্রয়াস ছাড়া, শুধুমাত্র অভিযোজন ব্যবস্থা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাবগুলোকে ধীর, বন্ধ এবং পাল্টানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

আরেকটি প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোকে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ওপর বিশেষ মনোযোগ দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার প্রদানের ব্যাপারে তাদের অঙ্গীকার অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এই পরিমাণ অর্থায়ন হবে বিদ্যমান ওডিএ (অফিশিয়াল উন্নয়ন সহায়তা) এর অতিরিক্ত এবং বিভিন্ন জলবায়ু অর্থায়নের মধ্যে সমন্বয় থাকা দরকার।

তিনি বলেন, অভিযোজন ও প্রভাব প্রশমনের ক্ষেত্রে জলবায়ু অর্থায়ন বিতরণে মধ্যে ৫০:৫০ অনুপাত থাকা উচিত।

সর্বশেষ প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সাশ্রয়ী মূল্যে সবুজ প্রযুক্তির প্রসারের পরামর্শ দেন, যাতে মুজিব জলবায়ু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্ব নেতারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাবের অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি মোকাবেলায় তাদের বৈশ্বিক সম্মিলিত প্রচেষ্টার সমন্বয়ে জলবায়ু কর্মসূচির বিষয়ে তাদের সংকল্প ও উচ্চাকাক্সক্ষা প্রকাশ করতে গ্লাসগোতে সমবেত হয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে কোনো দেশই মুক্ত নয়।

তিনি সম্প্রতি প্রকাশিত আইপিসিসি (জলবায়ু সংক্রান্ত আন্ত:সরকার প্যানেল) ৬ মূল্যায়ন প্রতিবেদনটিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব ও জলবায়ু দুর্যোগ থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বিশ্বের জন্য আরেকটি জাগরণের আহ্বান হিসাবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, আমরা মানবজাতির সবচেয়ে গুরুতর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য এটি একটি বড় হুমকি। যদিও আমরা বিশ্বব্যাপী কার্বন নির্গমনের ক্ষেত্রে ০.৪৭ শতাংশের কম অবদান রাখি।

তিনি বলেন, চরম তাপমাত্রা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা ও খরা, অধিকতর তীব্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঋতু পরিবর্তন, নদী ভাঙ্গন, সমুদ্রের অম্লকরণ বাংলাদেশ ও অন্যান্য জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বেড়ে গেলে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশের মোট অভ্যন্তরীন উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাবে নষ্ট হয়ে যায় এবং আগামী দশকে তা নয় শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

তিনি বলেন, যদিও আমরা জলবায়ু প্রভাবের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ, একই সময়ে আমরা আমাদের সহিষ্ণুতার জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত

তিনি এ প্রসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (বিসিসিটিএফ) প্রতিষ্ঠা করেছে। এই তহবিলের আওতায় বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৪৮০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ সহ ৮০০টি প্রকল্প হাতে নিয়েছে যা প্রধানত অভিযোজন, প্রভাব প্রশমন এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত গবেষণার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা একটি নিরাপদ, জলবায়ু সহিষ্ণু এবং সমৃদ্ধ ব-দ্বীপ অর্জনের জন্য অভিযোজিত ব-দ্বীপের ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি ব্যাপক ভিত্তিক ১০০ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ গ্রহণ করেছি। বর্তমানে, দেশ অগ্রসর হচ্ছে এবং একটি জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে (এনএপি) যা আমাদের অভিযোজন উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গত ২৬ আগস্ট একটি হালনাগাদ এনডিসি সংশোধন করে জমা দিয়েছে। এতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব প্রশমন লক্ষ্যমাত্রার পাশাপাশি নিঃশর্ত ও শর্তসাপেক্ষ অবদান বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের হালনাগাদ করা এবং বর্ধিত এনডিসি শুধুমাত্র জ্বালানি খাত থেকে কার্বন নির্গমন দেশের সমগ্র অর্থনীতিতে প্রসারিত করেছে।

কার্বন নিঃসরণ কমানোর ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কম কার্বন নির্গমনের পথে থেকে অর্থনীতি বিকাশের জন্য একটি প্রগতিশীল পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি স্কটিশ পার্লামেন্টে আরো বলেছেন, গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের পাশাপাশি সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা সম্প্রতি ১২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ সাপেক্ষ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দশটি প্রকল্প বাতিল করেছি।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে শক্তি উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশের পরিকল্পনার উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আনন্দের সাথে জানাচ্ছে যে, ৬.৫ মিলিয়ন পরিবারে গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য সৌর শক্তি রয়েছে, যা সারা বিশ্বের অফ-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সবচেয়ে বড় একটি অংশ।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের লক্ষ্য রয়েছে আমাদের ৪০ শতাংশ শক্তি নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপন্ন করার। আমরা আমাদের মাস ট্রানজিট সিস্টেমের জন্য বৈদ্যুতিক লোকোমোটিভও সংগ্রহ করছি। এতে আমাদের কার্বন নির্গমন আরও হ্রাস পাবে। বাংলাদেশ আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বৈদ্যুতিক গাড়ি চালু করবে। এই গাড়িগুলোর জন্য সারা দেশে চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনকালে সরকার সারা দেশে ৩ কোটি বৃক্ষরোপণ করছে।

তিনি আরো বলেন, উপরন্তু, বজ্রপাতে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে সরকার ৫.৪ মিলিয়ন তাল গাছ রোপণ করেছে, যা কার্বন হ্রাসে আরও অবদান রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ুর প্রতিকূল ঝুঁকির ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান ঝুঁকি সত্ত্বেও আমাদের ঝুঁকি কাটিয়ে ওঠার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আমরা আমাদের ঝুঁকি থেকে সহিষ্ণুতা এবং তা থেকে থেকে সমৃদ্ধির দিকে যাওয়ার লক্ষ্যে আমাদের গতিপথ নির্ধারণ করেছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ শীঘ্রই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ও জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থায়নের জন্য জাতির পিতার নামে নামকরণ করা একটি কৌশলগত বিনিয়োগ কাঠামো মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা চালু করবে।

তিনি আরো বলেন, এই জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনায় রয়েছে অফশোর পাওয়ার জেনারেটিং উইন্ড টারবাইন স্থাপন, শ্রমশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যমান জীবাশ্ম জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সংস্কার, স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজন কেন্দ্র তৈরি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে উদ্ভাবনী সমাধান বের করা। জলবায়ু সংক্রান্ত রোগের দিকে মনোযোগ দিয়ে মানসিক এবং সামগ্রিক সুস্থতার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ লক্ষ্যে তিনি বলেন, মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা প্রণয়নকালে আমাদের ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ কে আমলে নেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিযোজন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তার সরকার উপকূলীয় অঞ্চলের পাশাপাশি নদী ভাঙ্গন প্রবণ এলাকায় বাঁধ পুননির্মাণ ও শক্তিশালী করারও পরিকল্পনা করছে।

তিনি বলেন, আমরা এই বাঁধগুলোতে সোলার প্যানেল এবং বায়ু টারবাইন স্থাপন করার আশা করছি৷ নেট মিটারিং সিস্টেম এমনকি বসতবাড়িতে স্থাপন করা সোলার প্যানেল জাতীয় গ্রিডে অবদান রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এমসিপিপির মাধ্যমে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা সবুজ বিনিয়োগের জন্য বৈশ্বিক তহবিল থেকে অর্থায়ন পাবো এবং আমাদের তরুণদের শিক্ষার মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে বলে আশা করি।

তিনি আরো বলেন, দ্রুত একটি উন্নত দেশের মর্যাদা লাভের লক্ষ্যে পৌঁছাতে এটি আমাদেরকে সাহায্য করবে।


আরও খবর



ফাইজারের কোভিড পিল ৮৯ শতাংশ কার্যকর

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কোভিড চিকিৎসার জন্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফাইজারের তৈরি পিল বা বড়ি করোনায় আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অবস্থায় চলে যাওয়া বয়স্কদের মৃত্যু এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এড়াতে ৮৯ শতাংশ কার্যকরী বলে প্রমাণ মিলেছে। প্যাক্সলোভিড নামের ক্ষুদ্রাকৃতির পিলটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এমন কার্যকারিতা দেখিয়েছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

ফাইজার গতকাল শুক্রবার তাদের কোভিড পিলের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য জানিয়েছে। প্রতিদিন দুই বারে তিনটি করে পিল টানা পাঁচদিন খাওয়ানো হয়েছে ট্রায়ালে। ভালো ফলাফল আসায় ট্রায়াল শেষ না করেই, তা স্থগিত রেখেছে বলে জানিয়েছে ফাইজার।

যা তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো মার্কিন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোতে জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন ফাইজারের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালবার্ট বৌরলা। তিনি বলেছেন, পিলটি রোগীদের জীবন বাঁচাতে, কোভিড-১৯ সংক্রমণের তীব্রতা কমাতে এবং ১০ জনের মধ্যে নয় জনের হাসপাতালে ভর্তি ঠেকিয়ে দিতে সহায়তা করতে সক্ষম।

উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরই রোগীকে ফাইজারের প্যাক্সলোভিড খাওয়ানোর কথা বলা হয়েছে।

ভাইরাসের বৃদ্ধির জন্য যে এনজাইম দরকার পড়ে, তা আটকে দেয় ফাইজারের পিল। এ কারণে একে প্রোটিজ ইনহিবিটর বলা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অপর ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি মার্ক সার্প অ্যান্ড ডোমের (এমএসডি) একই ধরনের ট্যাবলেটের অনুমোদন দেওয়ার পরদিনই ফাইজার তাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য জানাল।

যুক্তরাজ্য ফাইজারের অনুমোদন না পাওয়া এই প্যাক্সলোভিডের আড়াই লাখ কোর্স এবং এমএসডির তৈরি মলনুপিরাভির ট্যাবলেটের চার লাখ ৮০ হাজার কোর্সের ক্রয়াদেশ দিয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও জানিয়েছেন, তাঁর দেশ এরই মধ্যে লাখ লাখ কোভিড ট্যাবলেট মজুদ করেছে।

উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এক হাজার ২১৯ জন কোভিড রোগীকে প্যাক্সলোভিড দেওয়া হয়। এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে। অন্যদিকে, একই অবস্থায় থাকা যেসব কোভিড রোগীদের ডামি পিল খাওয়ানো হয়েছিল, তাঁদের সাত শতাংশকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।

ট্রায়ালে কোভিড উপসর্গ দেখা দেওয়ার তিন দিনের মধ্যেই রোগীদের পিল খাওয়ানো শুরু করা হয়েছে।

ডামি পিল খাওয়ানো রোগীদের সাত জন করোনায় মারা গেছেন। কিন্তু, আসল পিল খাওয়ানো রোগীদের কেউ মারা যাননি।

এ ছাড়া উপসর্গ দেখা দেওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে প্যাক্সলোভিডের মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করা রোগীদের এক শতাংশকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে। তবে, তাঁদের মধ্যে কেউ মারা যাননি। আর ডামি পিল খাওয়ানোদের ৬ দশমিক ৭ শতাংশকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তবে, ফাইজার কম ঝুঁকিপূর্ণ কোভিড রোগীদের বেলায় তাদের ট্যাবলেটের কার্যকারিতা নিয়েও গবেষণা করছে।

যুক্তরাজ্যের লিডস ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. স্টিফেন গ্রিফিন বলেন, অ্যান্টিভাইরালের এসব সাফল্য সার্স-কোভ২-এর আক্রমণ প্রতিরোধে নতুন যুগের সূচনা করবে। গুরুতর অবস্থা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কোভিড রোগীদের জন্য এটি ব্যাপক উপকারী উপাদান হিসেবে বিবেচিত হবে।


আরও খবর
করোনায় ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




আফগানিস্তানে ফের জুমার নামাজ চলাকালে বোমা বিস্ফোরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের একটি মসজিদে ফের শুক্রবারের জুমার নামাজের সময় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।  এই বিস্ফোরণে অন্তত তিনজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহর প্রদেশের সিন গড় জেলার একটি মসজিদে এই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

তালেবানের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে ওই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, জুমার নামাজের সময় সিন গড় জেলার একটি মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।  সেখানে বেশ কয়েকজন হতাহতও হয়েছে।

এ পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু ও ১৫ জনের আহত হওয়ার বিষয়টি স্থানীয় একটি হাসপাতালের চিকিৎসক বার্তা সংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছে।

নানগারহরে ২০১৫ সালে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আফগান শাখা আত্মপ্রকাশ করেছে। চলতি বছরের আগস্টে তালেবান দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পর ওই প্রদেশে বেশ কয়েকটি রক্তক্ষয়ী হামলার পেছনে আইএসের হাত হয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে রাজধানী কাবুলের সামরিক হাসপাতালে আইএসের হামলায় ১৯ জন নিহত ও ৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হন।

এছাড়া তালেবান দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পর  দেশটির সংখ্যালঘু  শিয়া মসজিদে জুমার নামাজ চলাকাল দুই দফায় পৃথক হামলায় ১২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।



আরও খবর



সেই বিচারকের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেবেন আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আইনমন্ত্রী বলেন, এ কারণে আমি প্রধান বিচারপতির কাছে তাকে বিচারক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন নিয়ে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে জন্য একটা চিঠি লিখছি। রোববার এই চিঠি দেওয়া হবে

রাজধানীর বনানীতে রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলার বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের দায়িত্ব পালন নিয়ে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে জন্য প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

আনিসুল হক বলেন, একটি কথা অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমি ওই বিচারকের (বেগম মোছা. কামরুন্নাহার) রায়ের বিষয়বস্তু নিয়ে এখন কথা বলতে চাই না। কিন্তু উনার (বিচারক) অবজারভেশনে ৭২ ঘণ্টা পরে পুলিশ যেন কোনো ধর্ষণ মামলার এজাহার না নেয়, এই যে বক্তব্য উনি দিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি ও অসাংবিধানিক।

আইনমন্ত্রী বলেন, এ কারণে আমি প্রধান বিচারপতির কাছে তাকে বিচারক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন নিয়ে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে জন্য একটা চিঠি লিখছি। রোববার এই চিঠি দেওয়া হবে।

এর আগে গত ১১ নভেম্বর দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলার রায় ঘোষণার পর পর্যবেক্ষণে আদালত পুলিশের উদ্দেশে ৭২ ঘণ্টা পর যদি কেউ ধর্ষণের মামলা করতে যায়- তা না নেওয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহারের আদালত আলোচিত এ মামলার রায় দেন। আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদের খালাস দেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, মামলার দুই ভিকটিম আগে থেকেই সেক্সুয়াল রিলেশনে অভ্যস্ত। তারা স্বেচ্ছায় হোটেলে গেছেন। সেখানে গিয়ে সুইমিং করেছেন। ঘটনার ৩৮ দিন পর তারা বললেন, আমরা ধর্ষণের শিকার হয়েছি। অহেতুক তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন। এতে আদালতের ৯৪ কার্যদিবস নষ্ট হয়েছে। এরপর থেকে পুলিশকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। এ ছাড়া এরপর থেকে ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর যদি কেউ মামলা করতে যায়- তা না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।


আরও খবর



রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১২১

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১২১ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।  মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ছয়টা থেকে বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল আসাদ জানান, মাদক বিক্রি ও সেবনের অপরাধে তাদের আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৪ হাজার ৭২ পিস ইয়াবা, ৪৮৪ গ্রাম (১৪২ পুরিয়া) হেরোইন, ৫৯ কেজি ৭৮৫ গ্রাম গাঁজা, ১২টি নেশা জাতীয় ইনজেকশন ও ৭০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৯৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান এডিসি হাফিজ আল আসাদ। 


আরও খবর
মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৪৬

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১