আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

শাহপরী: ছোট দ্বীপে বড় উদ্বেগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে আলাদা করেছে নাফ নদী। এ নদীর মোহনায় অবস্থিত শাহপরীর দ্বীপ। ১৯৯২ সালে যখন দেশে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটে, তখন বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল টেকনাফের এ দ্বীপকে। সবশেষ ২০১৭ সালেও এটি হয়ে ওঠে রোহিঙ্গা প্রবেশের অন্যতম পথ। কেবল রোহিঙ্গাদের জন্যই নয়, বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া কিংবা থাইল্যান্ডে অভিবাসনপ্রত্যাশীদেরও পছন্দের রুট এটি। এ পথ ব্যবহার করেই নিয়মিত মানব পাচারের ঘটনা ঘটছে। শুধু তা-ই নয়, ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ বা আইসসহ বিদেশী বিভিন্ন ধরনের মাদক এ পথ দিয়েই প্রবেশ করে বাংলাদেশে। ফলে বঙ্গোপসাগরের উন্মুক্ত জলরাশির সীমানায় অবস্থিত শাহপরীর দ্বীপটি ক্রমেই দেশের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য বলছে, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত পার হয়ে অস্ত্র ও মাদক ঢুকছে সেন্টমার্টিন, শাহপরীর দ্বীপ করিডরে। পরবর্তী সময়ে এসব মাদক ও অস্ত্রের চালান চলে যাচ্ছে টেকনাফের জালিয়াপাড়া, হোয়াক্ষ্যংয়ের জিমনখালী, নয়াপাড়া, আমতলী এলাকায়। সেখানে কয়েক হাত ঘুরে মাদক ও অস্ত্রের চালান ছড়িয়ে দেয়া হয় পুরো দেশে। গত চার বছরে শুধু কোস্টগার্ডের অভিযানেই কক্সবাজারের সমুদ্র এলাকা থেকে ১ কোটি ৭২ লাখ ৭ হাজার ৪৮১ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। মিয়ানমার থেকে ইয়াবার পাশাপাশি এখন ভয়ংকর মাদক আইসের চালান দেশে ঢুকছে শাহপরীর দ্বীপ হয়ে। গত বছর সেখান থেকে এক কেজি আইস উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। গুরুত্বপূর্ণ একটি সীমানা পয়েন্ট এভাবে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কাজে ব্যবহার হওয়াকে দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। শাহপরীর দ্বীপে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি মাদক বা অস্ত্র চোরাচালান রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ২৭ এপ্রিল ভোররাতে শাহপরীর দ্বীপের দক্ষিণপাড়ায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ ইয়াবা ও পাঁচ কেজি গাঁজা আটক করে পুলিশ। শাহপরীর দ্বীপের পাশাপাশি লম্বাবিল, কানজরপাড়া, মিনাবাজার, হূীলা লেদা, জাদিমুড়া, মমিয়া, টেকনাফ সদর, সাবরাং ও সাগর পথ দিয়েও নিয়মিত ঢুকছে মাদক। ঈদকে কেন্দ্র করে গত এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেই প্রায় তিন লাখ ইয়াবা, আড়াই কেজির বেশি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, বিদেশী মদ ও বিয়ার জব্দ করার পাশাপাশি রোহিঙ্গাসহ ১৬ জনকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদকের পাশাপাশি দেশে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশেরও অন্যতম নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে শাহপরীর দ্বীপের এ করিডর।

তবে শাহপরীর দ্বীপ ও এর আশপাশের সমুদ্র এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও মানব পাচারকারীদের তত্পরতা ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার কথা জানিয়েছেন কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার লাবিব উসামা আহমাদুল্লাহ্। তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধের বিষয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়। এরপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়। ফলে এলাকার অপরাধপ্রবণতা আগের চেয়ে অনেক কমেছে।

গত ছয় মাসে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় বেশ কয়েকটি অভিযান চালিয়ে আড়াই লাখ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার বলেন, মাদক ও মানব পাচার রোধে শাহপরীর দ্বীপে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া ও ঘোলারপাড়া নামে দুটি চোরাই পয়েন্ট রয়েছে। এগুলো বহুল আলোচিত হলেও এখনো এর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট এ দুটি পয়েন্ট দিয়েই হাজার হাজার রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

দেশে প্রবেশের এ রুট ইয়াবা, মানব পাচারের ট্রানজিট ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের মূল পয়েন্ট হয়ে ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর সরকারের পক্ষ থেকে এসব প্রতিরোধে কার্যক্রম বাড়ানো হয়। দেখা যায়, অভিযানের কিছুদিন মাদক চোরাচালান ও মানব পাচার কমে আসে। নজরদারি কমে গেলে তা আবার বেড়ে যায়। বিশেষ করে শীতে সমুদ্র শান্ত হলে মানব পাচারের সংঘবদ্ধ চক্রগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। সম্প্রতি রোহিঙ্গা শিবিরভিত্তিক বেশকিছু ইয়াবা সিন্ডিকেটের খোঁজ পেয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিভিন্ন সংস্থার গত কয়েক বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্প এলাকায় ইয়াবা আটকের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়ে গেছে মাদক মামলা ও আসামির সংখ্যাও। সম্প্রতি মালয়েশিয়া পাচারকালে কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া ও শহরের নুনিয়াছড়া এলাকা থেকে দুটি চালান আটক করে র্যাব ও পুলিশ।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, নাফ নদী পাড়ি দিয়ে শাহপরীর দ্বীপ হয়ে দেশে প্রবেশের পর অবৈধ অস্ত্র, ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক মজুদের জন্য ব্যবহূত হচ্ছে উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত ৩৪ রোহিঙ্গা শিবির। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তালিকায়ও রয়েছে ১৩ জন রোহিঙ্গা নেতার নাম। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এসব শিবিরের নারী, বিশেষ করে যাদের স্বামী বেঁচে নেই তারা বেশি জড়াচ্ছে ইয়াবা ব্যবসায়।

তবে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর তত্পরতায় স্থানীয় লোকজন এখন ইয়াবা কারবারে খুব একটা জড়াতে চায় না। সীমান্ত ও রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা সিন্ডিকেট ও কারবারিদের পুলিশ নিয়মিত আটক করছে এবং তাদের মাঝে মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শাহপরীর দ্বীপে আমাদের একটি পুলিশ ক্যাম্প রয়েছে, সেখানে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বক্তব্য দিলেও স্থানীয়রা বলছেন, শীত মৌসুমকে সামনে রেখে রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক মানব পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এসব চক্র সাগরপথে থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রোহিঙ্গাদের প্রলুব্ধ করে। এরপর সাগরে ও জঙ্গলে নির্মম নির্যাতন করে মোটা অংকের টাকা আদায় করে। শাহপরীর দ্বীপ ব্যবহার করে এ ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য জানান, পাচারের জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে রোহিঙ্গাদের এ দ্বীপেই নিয়ে আসে মানব পাচারকারীরা। তারপর ছোট ছোট নৌকার মাধ্যমে তাদের বঙ্গোপসাগরের গভীরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাদের সমুদ্রের গভীরে নিয়ে বড় নৌকায় তুলে দেয়া হয় মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য।

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের দিকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশকে পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে সাগর পাড়ি দিয়ে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় পৌঁছার চেষ্টা করে। এরপর উন্নত জীবনের সন্ধানে বাংলাদেশীরাও এ বিপত্সংকুল পথে যাত্রা করতে থাকে। ২০১২ সালে প্রথম মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমানোর চেষ্টার অভিযোগে বঙ্গোপসাগরে ১৩২ জনকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ২০১৪ সালে এ সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ১৫৫০।


আরও খবর



প্রভাসের পারিশ্রমিকের তুলনায় পিছিয়ে শাহরুখ-সালমান!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউডের খান-কাপুরদের রাজত্বে কি এবার দক্ষিণী দখলদার ঢুকে পড়লেন? প্রতি ছবিতে বাহুবলী’র রোজগারের খবর ছড়াতেই এমনই বলাবলি শুরু হয়েছে। কত টাকা রোজগার করছেন বাহুবলী খ্যাত প্রভাস? বলিউডের অন্দরের খবরাখবর যারা রাখেন, তারা বলছেন যে প্রভাস নাকি ১৫০ কোটি রুপি ছাড়া কোনো ছবিতেই কাজ করতে রাজি নন। তিনিই এখন ভারতের সবচেয়ে বেশি রোজগেরে অভিনেতা! তেমনটাই তো বলছে বলিপাড়ার বাসিন্দারা।

দক্ষিণী ছবিতে তার রমরমা বাজার তো ছিলই। এবার শাহরুখ-আমির-সালমানদের তিল তিল করে গড়ে তোলা রাজত্ব কি খান খান করে তুলতে চান প্রভাস?

প্রভাসের তুলনায় ছবি প্রতি পারিশ্রমিকে বেশ পিছিয়ে শাহরুখ। তিনি নাকি ১০০ কোটিতে ছবি করতে রাজি হন। সালমান আবার একটু বেশি টাকা দাবি করেন বলে শোনা যায়। তা প্রায় ১২৫ কোটি। তবে অনেকের দাবি, শাহরুখ-সালমান নন, প্রভাসকে টক্কর দিতে পারেন একমাত্র অক্ষয় কুমার। খিলাড়ি নাকি ১৫০ কোটির কাছাকাছি না পেলে ছবিতে কাজ শুরু করতে রাজি হন না!

নিউজ ট্যাগ: প্রভাস

আরও খবর



৫ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাঁচ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। রেললাইনের ওপর থেকে ভেঙে পড়া গাছ অপসারণ করার পর বেলা পৌনে ১১টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আলমডাঙ্গার স্টেশন মাস্টার নাজমুল হুসাইন বলেন, শনিবার ভোরে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে আলমডাঙ্গা-হালসার মাঝামাঝি জায়গায় রেললাইনের ওপর বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। এতে সারা দেশের সঙ্গে খুলনার ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে গাছগুলো অপসারণ করা হলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে শনিবার ভোরে আলমডাঙ্গা উপজেলায় আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কালবৈশাখী ঝড় তাণ্ডব চালায়। এতে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে কয়েকশ বাড়িঘরের চালা উড়ে যায়। বিদ্যুতের খুঁটিসহ উঠতি ফসল, ধান, পান বরজের ব্যাপক ক্ষতি হয়। আলমডাঙ্গা-হালসার মাঝামাঝি স্থানে রেললাইনের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে। এতে ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা সড়কে গাছ ভেঙে পড়ায় সড়ক পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা সড়কের গাছ অপসারণ করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

নিউজ ট্যাগ: ট্রেন

আরও খবর



এবার ক্যালিফোর্নিয়ায় গির্জায় গুলি, একজন নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি গির্জায় ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৫ মে) বিকেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কয়েকজনকে গুলি করা হয়েছে। তবে কতজন হতাহত হয়েছেন তাৎক্ষণিক সঠিক হিসাব এখনো জানা যায়নি। এ ছাড়া অভিযুক্ত বন্দুকধারীকে আটক করা হয়েছে। তার পরিচয় জানা যায়নি।

ক্যালিফোর্নিয়ার লসঅ্যাঞ্জেলস শহরের অরেঞ্জ কাউন্টির শেরিফের দপ্তর টুইট বার্তায় জানায়, রোববার বিকেলে স্থানীয় জেনেভা প্রিসবেটেরিয়ান গির্জায় বন্দুকধারীর গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক।

উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের বাফেলো শহরে একটি সুপারমার্কেটে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে অন্তত ১০ জন নিহত হওয়ার একদিন পর এ ঘটনা ঘটল।


আরও খবর



ত্রুটি সারাতে সাড়ে তিন লাখ গাড়ি প্রত্যাহার ফোর্ডের

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তিনটি আলাদা প্রত্যাহারের মাধ্যমে মোট সাড়ে তিন লাখ ইউনিট গাড়ি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ফোর্ড। গাড়িগুলোর মালিকদের মেরামতের জন্য ডিলারের কাছে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে মার্কিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে প্রায় ৩৯ হাজার ইউনিট গাড়ি ইঞ্জিনে আগুনের ঝুঁকির কারণে বাড়ির বাইরে পার্ক করার নির্দেশনা দিয়েছিল ফোর্ড।

মার্কিন সরকারি নথিতে ফোর্ড জানিয়েছে, ২০২১ মডেল বছরের কিছু ফোর্ড এক্সপেডিশন ও লিঙ্কন নেভিগেটরস স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকলের (এসইউভি) ইঞ্জিনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটছে। যদিও এ আগুন লাগার কারণ উদ্ঘাটন করতে পারেনি সংস্থাটি। যদিও সংস্থাটি বলেছে, ইঞ্জিন বন্ধ থাকলেও আগুনের ঘটনা ঘটতে পারে। সংস্থাটির কাছে এ মডেলের ১৬টি গাড়িতে আগুন লাগার খবর রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টিই গাড়ি ভাড়া দেয়া প্রতিষ্ঠানের। এ ঘটনায় এক ব্যক্তি দগ্ধও হয়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি এসইউভিগুলো বাড়ির বাইরে ও আবাসিক ভবন থেকে দূরে পার্ক করার অনুরোধ জানিয়েছে। ১৬টি আগুনের মধ্যে ১২টিই ঘটেছে ইঞ্জিন বন্ধ থাকা অবস্থায়। যদিও এ থেকে কোনো ভবনে আগুন ছড়িয়ে যাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ফোর্ড মালিকদের এসইউভিগুলো চালানো বন্ধ করার নির্দেশ দেয়নি। তবে যারা বাড়ির বাইরে পার্ক করার নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারছেন না তাদের ডিলার কিংবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে এবং গাড়ির মালিক ও তাদের ঠিকানার একটি তালিকা তৈরি করে গ্রাহকদের অ্যাপ ও মেইলে অবহিত করা হবে। ফোর্ডের যাত্রীবাহী গাড়ি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জেফরি মারেন্টিক এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা এ সমস্যার মূল কারণ ও সমাধান বের করতে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছি। আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি যাতে গ্রাহকরা তাদের যানবাহন ব্যবহার উপভোগ করতে পারেন।

এর আগে গত ২৪ মার্চ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো তদন্ত শুরু করে ফোর্ড। সংস্থাটির তথ্য অনুসারে, আগুনের ঘটনাগুলো ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নির্মিত এসইউভিগুলোয় সীমাবদ্ধ বলে মনে হচ্ছে। এ সময়ের আগে কিংবা পরে তৈরি করা যানবাহনে কোনো আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়নি। এর বাইরে সংস্থাটি প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার ইউনিট হেভি-ডিউটি ট্রাকও প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। এ গাড়িগুলোয় চালকের এয়ারব্যাগগুলো দুর্ঘটনার সময় কাজ নাও করতে পারে। ২০১৬ এফ-২৫০, ৩৫০, ৪৫০ ও ৫৫০ মডেলের ট্রাকগুলো এ প্রত্যাহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আগামী ৫ জুলাই থেকে ট্রাক মালিকদের অবহিত করা শুরু হবে। এছাড়া ২০২১ সাল থেকে তৈরি করা ৪৬৪ ইউনিট বিদ্যুচ্চালিত মুসটাং মাখ-ই এসইউভি প্রত্যাহার করবে ফোর্ড। সফটওয়্যারগত ত্রুটি সারাতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

নিউজ ট্যাগ: ফোর্ড

আরও খবর



কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার দুই জাহাজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ মে 2০২2 | ৫৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী প্রধান জানিয়েছেন, ড্রোন হামলা চালিয়ে কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার দুটি টহল জাহাজ ধ্বংস করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী।

সেনাপ্রধান চিফ অব জেনারেল স্টাফ ভেলারি জুলুঝিনি এমন দাবি করে বলেন, রাশিয়ার দুটি র‌্যাপ্টোর ক্লাস জাহাজ আজ (সোমবার) ভোরে স্ন্যাক আইল্যান্ডের কাছে ধ্বংস করা হয়েছে। এই ড্রোন হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। তবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি গণমাধ্যমগুলো।

ইউক্রেনের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, কৃষ্ণ সাগরে টহলরত রাশিয়ার দুটি টহল জাহাজ লক্ষ্য করে আকাশ থেকে হামলা চালানো হচ্ছে। এই হামলায় ড্রোনের মাধ্যমে মিসাইল ছুড়তে দেখা যায়।এদিকে ইউক্রেনের হামলায় নিজেদের জাহাজ ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো কিছু জানায়নি রাশিয়া।

এর আগে ইউক্রেনের ছোড়া নেপচুন মিসাইলে রাশিয়ার বিশাল যুদ্ধ জাহাজ মস্কভা কৃষ্ণ সাগরের অতল গভীরে তলিয়ে গিয়েছিল। যদিও রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল জাহাজে আগুন লাগে। এরফলে সেখানে বিস্ফোরণ হয়ে জাহাজটি ক্ষতিগস্ত হয়ে ডুবে যায়।


আরও খবর