আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

সাতছড়িতে মর্টারশেল-গোলাবারুদ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হবিগঞ্জের সাতছড়ির দুটি গহিন অরণ্যে অভিযান চালিয়ে মর্টারশেল ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। তবে কি পরিমাণে উদ্ধার করা হয়েছে তা ব্রিফিংয়ে জানানো হবে।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তা এলে ব্রিফিং করা হবে বলে জানিয়েছেন অভিযানে থাকা সোয়াদ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, সোমবার ভোর থেকে কাউন্টার টেররিজমের একটি টিম সতর্কতার সঙ্গে সাতছড়ির গহিন অরণ্যে অভিযান চালায়। পরে একটি ব্যাংকার থেকে এসব গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় দফায় অভিযান চালিয়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান এবং প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‌্যাব।

এরপর একই বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে চতুর্থ দফার প্রথম পর্যায়ে উদ্যানের গহিন অরণ্যে মাটি খুঁড়ে ৩টি মেশিনগান, ৪টি ব্যারেল, ৮টি ম্যাগাজিন, ২৫০ গুলির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রেডিও উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।

পঞ্চম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়। ষষ্ঠ দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশ কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। গত ২ মার্চ বিজিবি অভিযান চালিয়ে ১৮ ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট গোলা উদ্ধার করে।

সর্বশেষ গত ১৩ আগস্ট হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানসংলগ্ন একটি ব্রিজের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৯টি একনলা বন্দুক, ৩টি পিস্তল ও ১৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বিজিবি।


আরও খবর
হবিগঞ্জে এসপিসহ ৫৪ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১




মরক্কো উপকূলে নৌকাডুবি, ৪৩ অভিবাসী নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ২০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
অভিবাসীবোঝাই ওই নৌকাটি মরক্কোর দক্ষিণাঞ্চলীয় তারফায়া উপকূলে ডুবে যাওয়ার পর সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন জীবিতরা

উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর উপকূলে অভিবাসীবোঝাই একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪৩ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে তিনজন শিশু। মরক্কোর দক্ষিণাঞ্চলীয় তারফায়া উপকূলে অভিবাসীবোঝাই ওই নৌকাটি ডুবে গেলে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।

অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা স্প্যানিশ মানবাধিকার সংস্থা ক্যামিনাডো ফ্রন্টিরাসর বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

স্প্যানিশ এই সংস্থাটি ওয়াকিং বর্ডারস নামেও পরিচিত। এছাড়া দুর্ঘটনাকবলিত নৌকা থেকে ১০ অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলেও সংস্থাটির মুখপাত্র সোমবার জানিয়েছেন।

এএফপি বলছে, স্থানীয় সময় রোববার ভোরে অভিবাসীবোঝাই ওই নৌকাটি মরক্কোর দক্ষিণাঞ্চলীয় তারফায়া উপকূলে ডুবে যাওয়ার পর সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন জীবিতরা। পরে দুই ঘণ্টা পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়।

ক্যামিনাডো ফ্রন্টিরাস জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত নৌকা ঠিক কোথায় অবস্থান করছে সেটি চিহ্নিত করতে এবং উদ্ধার কাজ চালাতে মরোক্কান কর্তৃপক্ষের কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যায়। প্রাণ হারানো ৪৩ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র দুই জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

অভিবাসীরা নৌকায় করে স্পেনের ক্যানারে দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। মরক্কোর দক্ষিণাঞ্চলীয় তারফায়া উপকূল থেকে দ্বীপপুঞ্জটি ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) দূরে অবস্থিত। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউরোপে প্রবেশের ট্রানজিট রুট হিসেবে উত্তর আফ্রিকার এই দেশটি অভিবাসীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

মানবাধিকার সংস্থা ক্যামিনাডো ফ্রন্টিরাসর তথ্য অনুযায়ী, অবৈধভাবে ইউরোপের দেশ স্পেনে প্রবেশের চেষ্টায় কেবল ২০২১ সালে ৪ হাজারেরও বেশি অভিবাসী প্রাণ হারিয়েছেন বা সাগরে হারিয়ে গেছেন। যা ২০২০ সালের তুলনায় দ্বিগুণ।

সাগরে মারা যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া এসব অভিবাসীর অধিকাংশেরই মরদেহ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।


আরও খবর
হাসপাতালে ভর্তি মাহাথির মোহাম্মদ

শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২




ধর্ষণের দায়ে রবিনহোর ৯ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জানুয়ারী ২০২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০১৭ সালেই রবিনহোকে দোষী সাব্যস্ত করেন ইতালির আদালত। তার এক বন্ধু রিকার্ডোকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়। রবিনহোর সাজা হয় ৯ বছরের। এরপর থেকেই বার বার সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন তিনি।

প্রতিবার তার আবেদন খারিজ হয়েছে। শেষবারের আবেদন খারিজ হওয়ার পর আর আপিল করার সুযোগ রইলো না। অর্থাৎ তাকে ৯ বছর জেলেই কাটাতে হবে।

তবে রবিনহোর জন্য একটা সুবিধাও রাখা হয়েছে। চাইলে তিনি ব্রাজিলের জেলেও সাজা খাটতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ব্রাজিলের প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবে তারা। যদিও ব্রাজিল সরকার এই প্রস্তাবে রাজি হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। 

আবার এই মামলার আরও চার আসামী মামলা চলাকালীন ইতালি ছেড়ে তাদের নিজ দেশ ব্রাজিলে চলে যান। তাদের বিরুদ্ধেও ফের মামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানা গেছে।

নিউজ ট্যাগ: রবিনহো

আরও খবর



হাবিপ্রবিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিজ্ঞান অলম্পিয়াড-২০২২ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জানুয়ারী ২০২২ | ৩০০জন দেখেছেন

Image

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)-এর আয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিজ্ঞান অলম্পিয়াড-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের  ড. এম. এ. ওয়াজেদ ভবনের সামনে বিজ্ঞান অলম্পিয়াড-২০২২ এর উদ্বোধন করেন হাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. কামরুজ্জামান ।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, বিজ্ঞান অনুষদের সম্মানিত ডীন প্রফেসর ড. মো. মামুনুর রশীদ, রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. বলরাম রায়, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সাইফুর রহমান। উক্ত বিজ্ঞান অলম্পিয়াড ২০২২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. নাজিম উদ্দিন।

এ সময় বক্তব্যের শুরুতে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. কামরুজ্জামান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন বিজ্ঞান ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর তোমরা। মূলত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ স্বাধীন করার পরেই দেশকে গড়ে তোলার লক্ষে বিজ্ঞান শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। তার মন্ত্রী সভায় প্রখ্যাত বিজ্ঞানীদের রেখেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে বিজ্ঞান শিক্ষার বিকল্প নেই। তারই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জ্ঞান বিজ্ঞানের আলোকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। পরিশেষে তিনি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আহবান জানান।


আরও খবর
দিনাজপুরে করোনায় আক্রান্ত ৪৮ জন

বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২




সৈয়দ আশরাফ ছিলেন অকুতোভয়: হানিফ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | ২৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত সজ্জন, সৃজনশীল মানুষ ছিলেন। তার আচরণ, কথাবার্তা ছিলো পরিশিলীত। দুঃসময়ে তিনি ছিলেন অকুতোভয়।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে কখনো কারো মনে আঘাত দিয়ে কথা বলা, কাউকে কোনো কটূক্তির নজির ছিলো না। একজন মানুষের মধ্যে যে সভ্য আচার-আচরণ, সেগুলো সৈয়দ আশরাফের কাছ থেকে অনুকরণীয় ছিলো। জাতির অনেক ক্রান্তিলগ্নে সৈয়দ আশরাফের ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের সময় ২০০৭ সালে তত্তাববধায়ক সরকারের সময় যখন দুই নেত্রীকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে যখন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিলো সেই সময়ে সৈয়দ আশরাফের ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের তাণ্ডবের সময় সৈয়দ আশরাফের কঠোর ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব হেফাজতের ভীত কাপিয়ে দিয়েছিলো। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সময়োপযোগী দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের মধ্যে রাজনীতিতে সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করেন। সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে অত্যন্দ জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি সারাজীবন অনুকরণীয় হয়ে থাকবেন।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের আহবান করেছেন। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা একক ক্ষমতাবলে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছিল। কারো সঙ্গে আলাপের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি। কিন্তু আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি বিধায় রাষ্ট্রপতি সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই রাজনৈতিক দলের মতামত ও পরামর্শ নিয়ে সার্চ কমিটির মাধ্যমে একটা ভালো নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য সংলাপ আহ্বান করেছেন। সেই সংলাপে যদি কেউ অংশ না নেয়, সেটি তাদের দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেবে। আমার বিশ্বাস সকলেই অংশ নেবে। এক্ষেত্রে দুই একটি দল যদি সংলাপে অংশ না নেয় তাও রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন কমিশন গঠন করতেই হবে সাংবিধানিক বাধ্য বাধকতার কারণে। এতে সংকট সৃষ্টি হবে না। হয়তো সকলের অংশগ্রহণ থাকলে যেটা সর্বজনীন হতো তা হয়তো কিছুটা ঘাটতি দেখা যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন গঠন হবে সাংবিধানিক বাধ্যতা অনুযায়ী।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরাও চাই বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রীই নন, সাধারণ মানুষ হিসেবেও অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরুক। তবে এটাও মনে রাখতে হবে আইন সবার জন্য সমান। কোনো ব্যক্তি বিশেষের জন্য আইন হয়নি বা বাংলাদেশে সেই বিধানও নেই। আইন পরিবর্তনেরও সুযোগ নেই। তার বিদেশে চিকিৎসার জন্য একটা পথ খোলা আছে; আইনের মাধ্যমে সেটা হচ্ছে তিনি যদি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। দণ্ড মওকুপ হলে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন।

এসময় আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও সৈয়দ আশরাফের বোন সৈয়দা জাকিয়া নূর, শাহজাদা মহিউদ্দিন, রাশেদুল মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: আওয়ামী লীগ

আরও খবর



একদিনে আরও ৭ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজন ভর্তি হয়েছেন। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে কেউ মারা যায়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে রোববার (৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীর অধিকাংশই ঢাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে চার জন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে এবং তিন জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে। তার মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ২৮ জন ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট ৭১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৮ জন। তবে নতুন বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে কেউ মারা যাননি।


আরও খবর