আজঃ সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

শীতকালে গুড় খেলে দূরে রাখা যায় বেশ কিছু রোগ

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শীতকালের গুড়ের স্বাদ আর গন্ধে মন বেশ ভাল হয়ে যায়। কিন্তু শরীরের উপর এর কী প্রভাব পড়ে? সে কথা জেনে রাখা জরুরি।

শীতকালে গুড় খেলে নানা ভাবে শরীরের যত্ন হয়। দূরে রাখা যায় বেশ কিছু রোগ।

১) খেজুরের গুড়ে থাকে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ। সঙ্গে প্রোটিন আর ভিটামিনও থাকে। ফলে এই গুড় নিয়ম করে খেলে শীতকালে কাজের শক্তি বাড়ে। হজমের সমস্যা দূর হয়। কমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও।

২) নিয়মিত গুড় খেলে কমতে পারে মা‌ইগ্রেনের সমস্যা।

৩) শীতের সময়ে অনেকেরই ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সমস্যা হয়। নিয়ম করে গুড় খাওয়া গেলে সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হবে।

 ৪) খেজুরের গুড়ে আছে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম। শীতে যখন শুষ্ক হয়ে যায় শরীর, তখন এই গুড় আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

 ৫) এ ছাড়াও গুড়ে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ আয়রন। তা শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তাল্পতা দূর করে।

নিউজ ট্যাগ: শীতকালে গুড়

আরও খবর



‌‘দাবি মানা না হলে পরিবহন ধর্মঘট চলবে’

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | ৮৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে আগামীকাল রবিবার বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ

দাবি মানা না হলে পরিবহন ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছেন ট্রাক শ্রমিক-মালিক ফেডারেশনের অতিরিক্ত মহাসচিব আব্দুল মোতালেব। শনিবার (৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলে তাদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন। দাবি মানা হলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে আগামীকাল রবিবার বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। ওই বৈঠকে ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণা না আসা পর্যন্ত পরিবহণ খাতের এ অচলাবস্থার নিরসন হবে না বলে জানিয়েছেন পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা। যদিও সরকারের তরফ থেকে শুক্রবার পরিবহণ ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। ওই আহ্বানে সাড়া না দিয়ে ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছেন পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (৩ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে ডিজেলের মূল্য লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) জরুরি সভা করেছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।

অতিরিক্ত দামে ডিজেল কিনে পরিবহন চালাতে পারবেন না বলে জানায় মালিকরা। সেক্ষেত্রে ভাড়া সমন্বয়ের দাবি ওঠে। ডিজেলের দাম কমানো, নতুবা ভাড়া সমন্বয়ের দাবি ওঠে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে। দাবি পূরণ না হলে পরিবহন চালানো সম্ভব নয় বলে জানান তারা। তাদের সঙ্গে একমত হন পরিবহন শ্রমিক নেতারা।

এদিকে, লঞ্চের ভাড়া দ্বিগুণ করার দাবি জানিয়েছে মালিক সমিতি। এজন্য তারা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। দাবি মানা না হলে আজ শনিবার (৬ নভেম্বর) কর্মসূচি ঘোষণা করবে লঞ্চ মালিক সমিতি।

নিউজ ট্যাগ: পরিবহন ধর্মঘট

আরও খবর



করোনাকে জৈবিক অস্ত্র হিসেবে তৈরি করা হয়নি : যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ অক্টোবর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, করোনার উৎস হয়তো কখনোই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে না। তবে তারা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, এটি জৈবিক অস্ত্র হিসেবে তৈরি করা হয়নি। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। তারপর থেকেই করোনা ছড়িয়ে পড়ার পেছনে চীনকেই দায়ী করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে প্রথম থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে বেইজিং।

করোনার মূল উৎস কোথায় সে বিষয়ে সর্বশেষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব দ্য ইউএস ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্স (ওডিএনআই) জানিয়েছে, প্রাণী থেকে মানুষের দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ অথবা এটি ল্যাব থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই দুই যুক্তিই ছিল অনেকটা অনুমান নির্ভর।

কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওই প্রতিবেদনের সমালোচনা করেছে চীন।

এর আগে গত আগস্টে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এবার ৯০ দিনের পর্যালোচনা শেষে সর্বশেষ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হলো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য উৎস নিয়ে এখনও গোয়েন্দা সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। চারটি সংস্থা তুলনামূলক কম আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এটি মূল্যায়ন করেছে যে, এর উৎস আক্রান্ত কোনো প্রাণী বা সম্পর্কিত ভাইরাস থেকে।

তবে অপর একটি সংস্থা মোটামুটি আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলছে যে, প্রথমবার মানবদেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ সম্ভবত একটি পরীক্ষাগার থেকে দুর্ঘটনার ফলাফল ছিল। সম্ভবত উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি এ ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উহান শহরে ২০১৯ সালের শেষের দিকে যখন করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলো তখন চীনা কর্মকর্তারা এ বিষয়ে অজ্ঞ ছিলেন। তবে সবকিছুর পরেও চীনের দিকে এই অভিযোগ আনা হয়েছে যে, প্রথম থেকেই তারা বিশ্বব্যাপী তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং কারো সঙ্গে তথ্য ভাগ করতে ইচ্ছুক ছিল না।

উহানে প্রথম যে কয়েকজনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে সেগুলোকে উহানের একটি সামুদ্রিক খাবারের বাজারের সঙ্গে যুক্ত করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ এবং বিজ্ঞানীদের এই তত্ত্বের দিকেই পরিচালনা করা হয়েছে যে, ভাইরাসটি প্রথম প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

কিন্তু চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বার বার এ বিষয়ে প্রমাণ চাওয়া হয়েছে যে, ভাইরাসটি উহাব পরীক্ষাগার থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং সম্ভবত একটি দুর্ঘটনা।

এরপর গত মে মাসে করোনাভাইরাসের উৎস জানতে তদন্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সে সময় চীনের ল্যাব থেকে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং সে বিষয়েও তদন্ত করতে বলা হয়।

এদিকে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের উৎস খুঁজে বের করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের উপর নির্ভর করার পদক্ষেপটি সম্পূর্ণ ভাবে একটি রাজনৈতিক প্রহসন।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আমরা করোনাভাইরাসের উৎস সন্ধানে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে আসছি এবং সক্রিয়ভাবে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবো। এই ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক করার প্রচেষ্টাকে আমরা দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করে আসছি।


আরও খবর
ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১




ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য তহবিল গঠনে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাব থেকে অধিক ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোকে রক্ষার জন্য আরও তহবিলের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, আমাদের অর্থনীতিকে পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে আগামী দশকে ছয় ট্রিলিয়ন থেকে ১০ ট্রিলিয়ন বিনিয়োগ করতে হবে। এখন পর্যন্ত সিভিএফের অধিকাংশ দেশ হচ্ছে স্বল্পোন্নত, নিম্ন বা অগ্রগণ্য মধ্যম-আয়ের উন্নয়নশীল দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন কৌশল উদ্ভাবনে সহায়তায় তাদের তহবিল ও বিশেষজ্ঞের সহযোগিতা প্রয়োজন। আর এটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইতিমধ্যে স্থবির হয়ে পড়েছে বলে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছেন।

শেখ হাসিনা ও গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপ্টেশনের সিইও প্যাট্রিক ভারকইজেনের যৌথভাবে লেখা একটি প্রবন্ধ ব্যাপকভাবে প্রচারিত ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমেরিকান সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন নিউজউইক প্রকাশ করেছে। জলবায়ুর পরিবর্তন থেকে বাঁচতে অধিক ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর জন্য আরও অর্থের যোগান দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষক তাদের এ যৌথ প্রবন্ধে উন্নয়শীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাব থেকে বাঁচাতে বার্ষিক তহবিলে উন্নত দেশগুলোর একশ বিলিয়ন ডলার প্রদানের জলবায়ু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।


তারা লিখেছেন, আমাদের জলবায়ু সঙ্কট হচ্ছে বৈশ্বিক। এখন পর্যন্ত বিশ্বের প্রতিটি দেশে সমভাবে এর প্রভাব পড়তে দেখা যায়নি। চারটি মহাদেশের ৪৮টি দেশের একটি গ্রুপ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) জন্য জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে একেবারে অস্তিত্বের হুমকি। আর এটি অতিশয়োক্তি না।

এ প্রবন্ধে তারা জলবায়ু সঙ্কট থেকে নিজেদের বাঁচাতে বিশ্বের বড় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, জলবায়ুর উন্নতি ঘটাতে সিভিএফ দেশগুলোর জন্য বিপুল অর্থের যোগান দেওয়া হলে জলবায়ুর ঝুঁকি থেকে বের হয়ে আসতে তারা পদক্ষেপ গ্রহণে সমর্থ হবে। আর তা বর্তমানে মহাবিপদের মুখে থাকা ৪৮টি দেশের জন্য ভালো হবে।

মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলার ব্যাপারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, আমাদের অস্তিত্ববাদের জলবায়ু হুমকি মোকাবিলায় আমাদেরকে একই ধরনের ভূমিকা অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে। আসন্ন বিপদের মুখোমুখি হলে কি করা সম্ভব তা কোভিড-১৯ মোকাবিলার ক্ষেত্রে দেখিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার।

জলবায়ু পরিবর্তনের দুর্দশার ব্যাপারে তারা বলেন, ভানুয়াতু, মালদ্বীপ ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের মতো ছোট দ্বীপ দেশগুলো সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ধীরে ধীরে পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।



আরও খবর



দেশে অ্যান্টিভাইরাল ‘মলনুপিরাভির’ অনুমোদন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার নতুন ওষুধ মলনুপিরাভির অ্যান্টিভাইরাল ট্যাবলেট জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ওষুধ প্রস্তুতকারী বিভিন্ন কোম্পানির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) সকালে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার রেগুলেটরি এজেন্সির (এমএইচআরএ) এই ওষুধটি দেয়। সর্দি-জ্বরের চিকিৎসার জন্য তৈরি করা মলনুপিরাভিরবড়ি করোনা আক্রান্ত রোগীর সেবায় পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে আশানুরূপ ফল পাওয়া গেছে। এই বড়ি সেবনে হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর ঝুঁকি অর্ধেক কমেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি গণমাধ্যমকে বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধী খাওয়ার ওষুধ মলনুপিরাভির দেশে উৎপাদন ও ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্কয়ার, বেক্সিমকো, রেনেটা, ইনসেপ্টা, এসকেএফ, জেনারেল, বিকনসহ ৮ থেকে ১০টি ওষুধ প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছে। তবে শুধু বেক্সিমকোকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যদিও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় আরও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটি দেশেই উৎপাদন করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে এটি এখন দেশে জরুরি ব্যবহার করা যাবে।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই কোম্পানি মার্ক শার্প অ্যান্ড ডোম (এমএসডি) ও রিজেবাক বায়োথেরাপিউটিক যৌথভাবে তৈরি করেছে লাগেভ্রিও (মলনুপিরাভির) নামে মুখে খাওয়ার এই ওষুধ। ওষুধটি সেবন করলে করোনায় আক্রান্তদের মৃত্যু কমবে। ওষুধটি পাঁচদিন আগে যুক্তরাজ্য সরকার অনুমোদন দিয়েছে।


আরও খবর
করোনায় ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার সাভারে দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাতেমা আক্তার দীনা (১৮) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সাভারের সিটি সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফাতেমা সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের চরতোলাতুলি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। তিনি শেরে-বাংলা কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি ডিপ্লোমার দ্বিতীয় বছরের শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দীনা সাভারের ভাকুর্তা থেকে কোনো এক বন্ধুর বাসার উদ্দেশে সাভারের রেডিও কলোনির দিকে যাচ্ছিলেন। সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি অটোরিকশা নিয়ে রেডিও কলোনি যাওয়ার পথে সিটি সেন্টারের সামনে গেলে ওড়না চাকার সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। এ সময় রিকশা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে সাভারের সুপার ক্লিনিকে নিলে তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। পরে এনাম মেডিকেলে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আরও খবর
মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৪৬

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১