আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

সহিংসতার মধ্যেও শ্রীলঙ্কায় যেতে চায় অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীলঙ্কায় চলমান সহিংসতায় নিবিড় পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। তবে এই সহিংসতার মধ্যেও শ্রীলঙ্কা সফরের ব্যাপারে পূর্ণ আশাবাদী তারা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বাস, পূর্ব নির্ধারিত সূচিতেই হবে তাদের শ্রীলঙ্কা সফর। সোমবার (৯ মে) রাতে বিক্ষোভকারীদের হামলার পর পদত্যাগ করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকশে। গত কয়েক মাস ধরেই অর্থনৈতিক মন্দার কারণে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে শ্রীলঙ্কায়। এরই মধ্যে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছে তারা।

রাজাপাকশের পদত্যাগের পর সরকারি সমর্থকরা বিক্ষোভকারীদের ওপর পাল্টা হামলা করেন। যার ফলে সারা দেশে কারফিউ জারি করে রাজধানী কলম্বোয় আর্মি মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, এই সহিংসতায় এরই মধ্যে চারজনের প্রাণহানি ঘটেছে। এমতাবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, অস্ট্রেলিয়া দল সফরের জন্য রাজি হবে তো? কেননা এর আগে নিরাপত্তার কারণে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরসহ বেশ কয়েকটি ভিন্ন সফর বাতিল ও স্থগিতের নজির রয়েছে তাদের।

তবে এবার ভিন্ন অবস্থানে অসিরা। শ্রীলঙ্কায় এখন সহিংসতা চললেও, সফরের ব্যাপারে আশাবাদী তারা। আগামী ৭ জুন থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় তিন টি-টোয়েন্টি, পাঁচ ওয়ানডে ও দুই টেস্ট খেলার কথা রয়েছে অসিদের। শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য এরই মধ্যে ভিন্ন সিরিজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এই সফরে কলম্বোয় ১৬ দিন থাকতে হবে অস্ট্রেলিয়া দলকে। আর মূলত কলম্বোতেই চলছে মূল সহিংসতা। তবু সফরের ব্যাপারে আশাবাদী বোর্ডের কর্মকর্তারা।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকেটডটকমডটএইউ তাদের প্রতিবেদনে জানাচ্ছে, গত মাসে অর্থনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই শ্রীলঙ্কা সফর করেছিলেন বোর্ডের নিরাপত্তা প্রধান স্টুয়ার্ট বেইলি। তার কাছে শ্রীলঙ্কাকে সফরের জন্য নিরাপদই মনে হয়েছে। তবে এখন নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ায় শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি সামনে এলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে তারা। তাই এ সফরের ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়া আশাবাদী হলেও, একপ্রকার অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

শ্রীলঙ্কা সফরে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), শন অ্যাবট, অ্যাশটন অ্যাগার, জশ হ্যাজলউড, জশ ইংলিস (উইকেটরক্ষক), মিচেল মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ঝাই রিচার্ডসন, কেইন রিচার্ডসন, স্টিভেন স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, মার্কাস স্টয়নিস, মিচেল সুয়েপসন, ডেভিড ওয়ার্নার ও ম্যাথু ওয়েড (উইকেটরক্ষক)।

শ্রীলঙ্কা সফরে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে স্কোয়াড: অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), অ্যাশটন অ্যাগার, অ্যালেক্স ক্যারে (উইকেটরক্ষক), প্যাট কামিন্স, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস (উইকেটরক্ষক), মার্নাস লাবুশেন, মিচেল মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, স্টিভেন স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, মার্কাস স্টয়নিস, মিচেল সুয়েপসন ও ডেভিড ওয়ার্নার।

শ্রীলঙ্কা সফরে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট স্কোয়াড: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), অ্যাশটন অ্যাগার, স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স ক্যারে, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস (উইকেটরক্ষক), উসমান খাজা, মার্নাস লাবুশেন, নাথান লিয়ন, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ (সহ-অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, মিচেল সুয়েপসন ও ডেভিড ওয়ার্নার।


আরও খবর



আটটি ম্যাচেই হেরে রেকর্ড গড়লো মুম্বাই

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) যেন রোহিত শর্মা ও তার দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাছে এক দুঃস্বপ্ন। এক এক করে মৌসুমের প্রথম আটটি ম্যাচেই হারের মুখ দেখতে হয়েছে ৫ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের।

লিগে এতদিন মুম্বাইয়ের সাফল্যে রেকর্ড যেমন ছিল সকলের কাছে ঈশ্বর্ণীয়, এবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স গড়ল একগুচ্ছ লজ্জার রেকর্ডও।

রবিবার লখনউ সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে ৩৬ রানে হেরেছে মুম্বাই। এ নিয়ে প্রথম আট ম্যাচের মধ্যে আটটিতেই হেরে আইপিএলের ইতিহাসে লজ্জার রেকর্ড গড়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। আজ পর্যন্ত আইপিএলে কোনো দল নিজেদের প্রথম আট ম্যাচে হারেনি।

এর আগে ২০১৪ সালে নিজেদের প্রথম পাঁচ ম্যাচে হেরেছিল মুম্বাই। এখনও পর্যন্ত সেটাই ছিল তাদের সব থেকে খারাপ শুরু। যদিও সেই বছর শেষ পর্যন্ত প্লে-অফে ওঠে রোহিতরা। এছাড়া ২০১৩ সালে দিল্লি ক্যাপিটালস (তৎকালীন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস) ও ২০১৮ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু নিজেদের প্রথম ছয় ম্যাচে হেরেছিল।


আরও খবর



এপ্রিলে সড়কে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি মোটরসাইকেলে

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত এপ্রিল মাসে সারাদেশে ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৭ জন নারী ও ৮১ জন শিশু। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬১২ জন। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ছিল ঈদযাত্রার সময়। এ মাসে সড়কে সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারিয়েছেন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী। ১৮৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২০৬ জন, যা এপ্রিলে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট মৃত্যুর ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

দুর্ঘটনায় এপ্রিলে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ১৮ জন। এর আগের মাস মার্চে প্রতিদিন গড় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৯ জন। এ হিসাবে মার্চের তুলনায় এপ্রিলে প্রাণহানি কমেছে ৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ। তবে এটা উন্নতির কোনো টেকসই সূচক নির্দেশ করে না। দুর্ঘটনায় ৪৩১ জন ১৮-৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন।

‘রোড সেফটি ফাউন্ডেশন’র এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এ সংস্থাটি দেশের সাতটি জাতীয় দৈনিক, পাঁচটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন করেছে। শনিবার (৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনের তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার পরই বেশি হতাহত হয়েছেন সাধারণ পথচারী। এপ্রিলে নিহতদের মধ্যে পথচারী ১১৬ জন, যা মোট নিহতের ২১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৮৭ জন, যা মোট নিহতের ১৬ শতাংশ। এসময়ে ছয়টি নৌ-দুর্ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ হয়েছেন ছয়জন। রেলপথে দুর্ঘটনা ঘটেছে ২১টি। এতে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।

এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় বাসের যাত্রী নিহত হয়েছেন ১৩ জন, যা একমাসে মোট নিহতের ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি আরোহী নিহত হয়েছেন ৬৩ জন, যা মোট নিহতের ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ। মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-পুলিশের গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে নিহত হয়েছেন ১৪ জন, যা মোট মৃত্যুর ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-মিশুক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ১০০ জন, যা মোট মৃত্যুর ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ।

নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-টমটমের ১৯ যাত্রী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এছাড়া বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যানের ১২ জন আরোহী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২ দশমিক ২০ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৮৭টি সংঘটিত হয়েছে জাতীয় মহাসড়কে, যা এপ্রিলের মোট দুর্ঘটনার ৪৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ। আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘটেছে ১২৩টি দুর্ঘটনা, যা মোট দুর্ঘটনার ২৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। গ্রামীণ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৬৫টি, যা মোট দুর্ঘটনার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, শহরের সড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৬টি, যা মোট দুর্ঘটনার ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর অন্যান্য স্থানে ছয়টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা আলোচিত মাসের মোট দুর্ঘটনার ১ দশমিক ৪০ শতাংশ।

এসব দুর্ঘটনা ৮৪টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৬৭টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১১৩টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৫২টি যানবাহনের পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া এবং ১১টি অন্যান্য কারণে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ৭৫৭টি। এরমধ্যে ট্রাক ১৪৪, বাস ৭৯, কাভার্ডভ্যান ২৬, পিকআপ ৫৮, ট্রলি ৯, লরি ১০, ট্রাক্টর ১৭, তেলবাহী ট্যাঙ্কার তিনটি, গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্যাঙ্কার একটি, ডিএনসিসির ময়লাবাহী ট্রাক একটি, ড্রাম ট্রাক সাতটি, মাইক্রোবাস ১৭, প্রাইভেটকার ১৪, অ্যাম্বুলেন্স তিনটি, পুলিশ জিপ একটি, মোটরসাইকেল ১৯৭, থ্রি-হুইলার ১১৬। এছাড়া স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৪৩ এবং বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান ১১ টি।

বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিলে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ মাসে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ৬৭ শতাংশ ঢাকা বিভাগে। এপ্রিলে সড়কে প্রাণহানির ২৮ দশমিক ৭২ শতাংশ ঢাকায়। মোট দুর্ঘটনার ১২ দশমিক ৪১ শতাংশ রাজশাহী বিভাগে। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৪ দশমিক ১২ শতাংশ, খুলনায় ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ, বরিশালে ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, সিলেটে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ, রংপুরে ৬ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী। এপ্রিলে সড়কে প্রাণ ঝরেছে ৬৩ জন শিক্ষার্থীর। এছাড়া রাজনৈতিক নেতা ১২ জন, ব্যবসায়ী ৩১ জন, শিক্ষক ১৩ জন, পুলিশ সদস্য চারজন, সেনাসদস্য একজন, র‌্যাব সদস্য একজন, বিজিবি সদস্য একজন, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য দুজন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য একজন, চিকিৎসক দুজন, সাংবাদিক তিনজন, আইনজীবী চারজন, প্রকৌশলী দুজন, সংগীত শিল্পী একজন, ব্যাংক কর্মকর্তা ৯ জন, এনজিও কর্মকর্তা ১১ জন, ওষুধ ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রয় প্রতিনিধি ১৯ জন, পোশাকশ্রমিক সাতজন, চালকল শ্রমিক দুজন, ইটভাটা শ্রমিক চারজন, ধানকাটা শ্রমিক ছয়জন, মাটিকাটা শ্রমিক চারজন।

যেসব কারণে দুর্ঘটনা: সংস্থাটি বলছে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতার কারণে সড়কে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণ ও যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি, গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



১২০ কোটি টাকার কেনাকাটায় হাজার কোটি গচ্চা!

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তেলভিত্তিক বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরকার ১৬ থেকে ২২ টাকা দরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনলেও সরকারি মালিকানাধীন সবচেয়ে সাশ্রয়ী কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সংস্কার কাজ ঝুলে আছে বছরের পর বছর। অথচ এ কেন্দ্র থেকে ৪০ পয়সার কম খরচে পাওয়া যায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ। কেন্দ্রটি সংস্কারে ১২০ কোটি টাকার মালামাল ক্রয়ে দরপত্র-পুনঃদরপত্রেই কেটে গেছে তিন বছরের বেশি। সংস্কারের অভাবে উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকের নিচে। উৎপাদন কমায় গত তিন বছরে সরকারের ক্ষতি হয়েছে অন্তত ১ হাজার ২২৯ কোটি টাকা। একইসঙ্গে দেশের সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি চিরতরে বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

সূত্র জানায়, কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটের জরুরি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় ২০১৮ সালে। ইউনিট দুটিতে জেনারেটরসহ মালামাল সরবরাহের জন্য ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত চারবার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) থেকে বার বার দরপত্র মূল্যায়ন করে অনুমোদনের জন্য ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হলেও অজ্ঞাত কারণে তা বাতিল হয়ে গেছে। বর্তমানে চতুর্থ দফা দরপত্রের মূল্যায়ন চলছে।

জানা গেছে, সরকারি মালিকানাধীন কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ৪০ পয়সার কম। অন্যদিকে তেলভিত্তিক অনেক বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১৬ থেকে ২২ টাকা দরে কিনছে পিডিবি, যা কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন খরচের চেয়ে প্রায় ৪০ গুণ বেশি। বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বসে থাকলেও দিতে হচ্ছে ক্যাপাসিটি বিল্ডিং চার্জ। বাড়তি খরচের এ বোঝা শেষ পর্যায়ে গিয়ে চাপছে ভোক্তার কাঁধে। বাড়ছে বিদ্যুৎ বিল। বাড়ছে সরকারের ভর্তুকি। তবুও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সংস্কার বার বার পিছিয়ে যাচ্ছে। সূত্র মতে, কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা ২৩০ মেগাওয়াট। বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে ৬০ মেগাওয়াটের কম। বর্ষাকালে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও গত বছরের আগস্টে ভরা বর্ষায় উৎপাদন ছিল ১২৫ মেগাওয়াটেরও কম। ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদন সক্ষমতা ৫০ মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ মেগাওয়াট। তাও অধিকাংশ সময় বন্ধ রাখতে হচ্ছে। সংস্কারের অভাবে ইউনিট দুটি থেকে নিয়মিত গড়ে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপাদিত হলেও গত তিন বছরে মোট ৭৮ কোটি ৮৪ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ কম পেয়েছে দেশ। ৪০ পয়সা করে এ কম উৎপাদিত হওয়া বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ৩১ কোটি ৫৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ১৬ টাকা দরে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটে কম উৎপাদিত হওয়া বিদ্যুতের মূল্য দাঁড়ায় ১ হাজার ২৬১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এতে সরকারকে বিদ্যুৎ ক্রয়ে বাড়তি গুনতে হয়েছে (উৎপাদন খরচ বাদে) ১ হাজার ২২৯ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

পিডিবি সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট জেনারেটরের মূল প্রস্তুতকারক জাপানের তোশিবা এনার্জি সিস্টেম অ্যান্ড সলিউশন করপোরেশন। এ কারণে ইউনিট দুটিতে জেনারেটরসহ মালপত্র সরবরাহ কাজের জন্য ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি ডিপিএম (সরাসরি ক্রয়) পদ্ধতিতে প্রথম দরপত্র আহ্বান করা হয়। কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠান আরও কম দামে কাজ করবে বলে ক্রয় কমিটিতে অভিযোগ দেয়। পরে তাদের কথায় ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ফের দরপত্র আহ্বান করা হয়। তবে অভিযোগ দেওয়া প্রতিষ্ঠানটি দরপত্রই দাখিল করেনি। সাতটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র ক্রয় করলেও যোগ্যতা না থাকায় ছয় প্রতিষ্ঠানই দরপত্র দাখিল করেনি। শুধু তোশিবা তাদের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে দরপত্র দাখিল করে। ক্রয় কমিটি অনুমোদন না দেওয়ায় ফের তৃতীয় দফা দরপত্র আহ্বান করা হয়। এবারও তোশিবা ছাড়া অন্য কেউ দরপত্র দাখিল করেনি। সর্বশেষ চতুর্থ দফা দরপত্র আহ্বান করলে তোশিবা মনোনীত তিনটি ও একটি চাইনিজ কোম্পানি দরপত্র দাখিল করেছে। বর্তমানে দরপত্রের মূল্যায়ন চলছে।

সবচেয়ে সাশ্রয়ী সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দীর্ঘদিনে সংস্কার না হওয়ার কারণ জানতে চাইলে পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, প্ল্যান্ট চালু আছে। এখন পানি কম। পানি থাকলে সব ইউনিট চালাই। সংস্কার না করে দীর্ঘমেয়াদে চালানো সম্ভব নয়। সংস্কারের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়াধীন আছে।

কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মো. এ টি এম আবদুজ্জাহেরকে ফোন করলে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ আছে। বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে চলছে। ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট এখনো ৩০-৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষম। মোট ৩০ থেকে ৪০ মেগাওয়াট কম উৎপাদন হচ্ছে। এর বেশি লোড দিলে বসে যেতে পারে। ইউনিট দুটি সংস্কারে চতুর্থ দরপত্র মূল্যায়ন পর্যায়ে আছে। আগের তিনবার একক প্রতিষ্ঠান দরপত্র দাখিল করায় অনুমোদন দেয়নি। এবার চারটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পিপিআর অনুযায়ী একক দরপত্র গ্রহণের নিয়ম রয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানের অমূলক চিঠির ভিত্তিতে সংস্কার কাজ তিন বছরের বেশি ঝুলিয়ে রাখায় শুধু হাজার কোটি টাকা গচ্চাই দিতে হয়নি, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সংস্কারের খরচও বাড়বে।


আরও খবর



আগামী মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক মজুদ কমার পূর্বাভাস

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক মজুদ কমার পূর্বাভাস মিলেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি দেশে উৎপাদন ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে খাদ্যশস্য সরবরাহে স্থবিরতা নেমে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ দেশই মজুদ থেকে খাদ্যশস্য ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছে।

সম্প্রতি খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক মজুদ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইন কাউন্সিল (আইজিসি)। এতে বলা হয়, আগামী মৌসুমে বিশ্বব্যাপী খাদ্যশস্যের মজুদ দাঁড়াবে মোট ৫৮ কোটি ১০ লাখ টনে, যা চলতি বছরের হালনাগাদকৃত মজুদের তুলনায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বা ২ কোটি ৭০ লাখ টন কম। চলতি বছরের শেষ নাগাদ খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক মজুদ দাঁড়াবে ৬০ কোটি ৮০ লাখ টন।

উল্লিখিত পূর্বাভাস সত্যি হলে তা হতে যাচ্ছে ২০১৫ সালের পর সবচেয়ে কম বৈশ্বিক মজুদ। ২০১৫ সালে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক মজুদের পরিমাণ ছিল ৫৫ কোটি ৩৭ লাখ টন।

আইজিসি জানায়, ২০২২-২৩ মৌসুমের জন্য এটি একটি প্রাথমিক পূর্বাভাস। বিশেষ করে কৃষ্ণ সাগরে চলমান সামরিক অভিযানের ফলে এমন সম্ভাব্য পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। বর্তমানে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মজুদ থাকার পরও খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক সরবরাহ (উৎপাদন ও প্রারম্ভিক মজুদ) কিছুটা সংকুচিত হয়ে আসতে পারে। আইজিসির হালনাগাদকৃত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২১-২২ মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক উৎপাদন দাঁড়াতে পারে ২২৮ কোটি ৭০ লাখ টনে। অন্যদিকে ২০২২-২৩ মৌসুমের প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক উৎপাদনের পরিমাণ ১ শতাংশ কমে দাঁড়াতে পারে ২২৭ কোটি ৫০ লাখ টনে। একই সময়ে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক ব্যবহার বাড়ার পরিমাণও অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেকটা কমবে বলে পূর্বাভাস দেয় আইজিসি।

পূর্বাভাস বলছে, চলতি মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক বাণিজ্য দাঁড়াবে ৪১ কোটি ৬০ লাখ টনে। আগামী ২০২২-২৩ মৌসুমে বাণিজ্যের পরিমাণ ৪০ কোটি ৭০ লাখ টনে নামতে পারে, যা চলতি মৌসুমের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ বা ১ কোটি ৭০ লাখ টন কম।

আইজিসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মৌসুমে ভুট্টার বৈশ্বিক উৎপাদন দাঁড়াবে ১১৯ কোটি ৭০ লাখ টন, যা চলতি মৌসুমে প্রাক্কলিত উৎপাদনের তুলনায় ১ শতাংশ বা ১ কোটি ৩০ লাখ টন কম। ২০২১-২২ মৌসুমে ভুট্টার বৈশ্বিক উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ১২১ কোটি ১০ লাখ টনে। ২০২২-২৩ মৌসুমে ভুট্টার বৈশ্বিক মজুদের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৬ কোটি ৫০ লাখ টন, যা চলতি মৌসুমে প্রাক্কলিত মজুদ ২৮ কোটি ৬০ লাখ টনের চেয়ে ৭ শতাংশ বা ২ কোটি ১০ লাখ টন কম। ২০২২-২৩ মৌসুমে গমের বৈশ্বিক উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৭৮ কোটি টনে। চলতি মৌসুমের জন্য শস্যটির প্রাক্কলিত উৎপাদনের পরিমাণ ৭৮ কোটি ১০ লাখ টন। ২০২২-২৩ মৌসুমে গমের বৈশ্বিক মজুদের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৭ কোটি ৭০ লাখ টনে, যা চলতি মৌসুমের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বা ৫০ লাখ টন কম। চলতি মৌসুমের জন্য গমের বৈশ্বিক মজুদের পরিমাণ প্রাক্কলন করা হয়েছে ২৮ কোটি ২০ লাখ টন।

এবারের পূর্বাভাসে বৈশ্বিক খাদ্যশস্যের শীর্ষস্থানীয় রফতানিকারকের ব্যাপারে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি আইজিসি। সংস্থাটি জানায়, চলমান বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য ও চাহিদা হ্রাসের ফলে পশুখাদ্য ও মানুষের হিসেবে খাদ্যশস্যের ব্যবহার প্রবৃদ্ধি কমে আসবে।

নিউজ ট্যাগ: আইজিসি

আরও খবর



সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিতের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুলশান আজাদ মসজিদে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় আবুল মাল আবদুল মুহিতের ছোট ভাই ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালসহ সরকারের বিভিন্ন এমপি, আমলা ও তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেন।

জানাজার আগে গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদে সাংবাদিকদের কাছে স্মৃতিচারণ করেন এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের মৃত্যুতে একজন মেধাবী অভিভাবককে হারিয়েছি। মুহিত ভাইয়ের মতো মেধাবী লোক আমাদের পরিবারে আর নেই। তিনি খুব মহৎ ছিলেন। আমরা একজন অভিভাবককে হারালাম। আমার ভাই হিসেবে, বন্ধু হিসেবে আমাদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক ছিল। তার মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। মুহিতকে সিলেটের রায় নগরে সাহেব বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। সেখানে আমার বাবা-মা, দাদা-দাদিসহ সবার কবর রয়েছে।

সংসদ ভবনের সামনে জানাজার আয়োজন না করার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই বছর ধরে করোনার কারণে সংসদ ভবনের সামনে কারও জানাজার আয়োজন করা যায়নি। গতকাল (শুক্রবার) আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু এ ধরনের কোনো আয়োজন দেখিনি। এখন গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে মুহিত ভাইয়ের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা শেষে সিলেটে নিয়ে দাফন করা হবে।

মুহিতের দ্বিতীয় জানাজা বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গুলশান আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজার পর তার মর‌দেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দুপুর ২টায় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে।এরপর দাফনের জন্য মরদেহ নেওয়া হবে সিলেটে। রোববার রায় নগরের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন জানান, নগরীর ধোপাদিঘীর পাড়স্থ সাবেক অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে জানাজা ও দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার দুপুর ১২টায় জরুরি বৈঠক ডেকেছে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ। ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্ম নেওয়া মুহিত তার মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ও বাবা আবু আহমদ আবদুল হাফিজের ১৪ সন্তানের মধ্যে ছিলেন তৃতীয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তার ছোট ভাই।


আরও খবর