আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২ | ৭১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে করোনার ঊর্ধ্বগতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীর শ্রেণি কার্যক্রম আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হলেও এ সময়ে অনলাইন বা ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মোট ১১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আজ শনিবার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) প্রফেসর মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ ১১ দফা নির্দেশনা জারি কর হয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ কভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে মেনে সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

১. আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

২. এ সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বাস্তবতার ভিত্তিতে অনলাইন/ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফরমে শিখন-শেখানো কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

৩. যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের কভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের সাথে সমন্বয় অব্যাহত রাখবে।

৪। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধকালীন শ্রেণিকক্ষ, গ্রন্থাগার, গবেষণাগারসহ প্রতিষ্ঠানের সকল বিদ্যুৎ, টেলিফোন, ইন্টারনেট, পানি এবং গ্যাস সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

৫. এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ ও সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান প্রতিষ্ঠানের জরুরি প্রয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনপূর্বক শিক্ষক ও কর্মচারীদের দায়িত্বে নিয়োজিত রাখতে পারবেন।

৭. যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রবাস/ছাত্রীনিবাসে বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছে তাদের সুবিধার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাত্রাবাস/ছাত্রীনিবাসসমূহ খোলা থাকবে। তবে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

৮. অধিদপ্তরের অধীন সব দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা, শিক্ষক ও কর্মচারীকে অবশ্যই টিকা সনদ নিতে হবে।

৯. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয় যথারীতি চালু থাকবে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

১০. জাতীয় স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

১১. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

আদেশে কভিড ১৯ সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত সব স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য বিধিনিষেধ যথাযথভাবে প্রতিপালনপূর্বক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপর্যুক্ত নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।


আরও খবর



গ্রামপুলিশকে পেটানোর দায়ে এসআই প্রত্যাহার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৭৬০জন দেখেছেন

Image

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই এর বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সোমবার বিকেলে ওই গ্রাম পুলিশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এঘটনায় ওই এস আইকে থানা থেকে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ আবু তাহের সোমবার সাপ্তাহিক হাজিরা দিতে থানায় আসে। এসময় এস আই হোসাইন মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন জাটিয়া ইউনিয়ন থেকে কে আসছে জানতে চায়। তখন গ্রাম পুলিশ আবু তাহের আমি আসছি স্যার একথা বলে তার কাছে যান। এসময় এস আই আরাফাত তাকে জামার কলার ধরে লাঠিপেটা করে তার মুঠোফোন নিয়ে যায়।

এসময় আবু তাহের তার মুঠো ফোন ফেরত চাইলে আরাফাত তাকে জিডি ও চাকরি খেয়ে ফেলার হুমকি দেয়। পরে বিষয়টি নিয়ে তাহের এঘটনার বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এঘটনায় সাথে সাথে এস আই আরাফাত কে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এদিকে মুঠোফোনে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে এসআই আরাফাত বিষয়টি অস্বীকার করে। তবে ঐ গ্রাম পুলিশকে রাগের মাথায় ধমক দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

এবিষয়ে জানতে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, এঘটনায় আরাফাতকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. হাফিজা জেসমিন বলেন, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: এসআই প্রত্যাহার

আরও খবর



শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রায় দুই সপ্তাহ পর জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার। অর্থনৈতিক ও সরকার বিরোধী বিক্ষোভ ঠেকাতে গত ৬ মে মধ্যরাত থেকে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। গতকাল শুক্রবার দিনগত মধ্যরাতে তার অবসান হলো। শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম হিরু নিউজের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।

অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দেশব্যাপী সরকার বিরোধী তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কা। পরে অস্থিরতার মধ্যে দেশটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে গত ৬ মে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি গোটাবায়া রাজাপাকসে। এই জরুরি পরিস্থিতিতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্বিচার গ্রেপ্তার ও আটক করার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

দেশটির রাষ্ট্রপতির সচিবালয় জানিয়েছে, সেই জরুরি অবস্থা গতকাল শুক্রবার দিনগত মধ্যরাত থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন বলছে, সরকারের পদত্যাগের দাবিতে চলছিল ওই বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীরা দেশের অর্থনৈতিক মন্দার জন্য সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসেকে দায়ী করেন।

জরুরি অবস্থার মধ্যেই পতন হয় রাজাপাকসে সরকারের। ১২ মে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন রনিল বিক্রমাসিংহে। এরপর গতকাল মধ্যরাত থেকে জরুরি অবস্থা উঠিয়ে নেওয়া হলো।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলঙ্কা

আরও খবর



জরুরি প্রয়োজনে শ্রীলঙ্কাকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত চীন

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে জর্জরিত দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কাকে জরুরি প্রয়োজনে সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে চীন। শুক্রবার দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে।

বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়া জানিয়েছে, লঙ্কান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনে চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির অধীনে শ্রীলঙ্কাকে স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন অর্জনে সহায়তা করতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে ইচ্ছুক চীন।

চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে মাহিন্দা রাজাপাকসের সরকার। সেকারণে রাজাপাকসে চীনের এই জোরালো সমর্থনের প্রশংসা করেছেন বলে জানা গেছে। অর্থ, বাণিজ্য ও পর্যটনের উন্নয়নে মুক্ত-বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও কথা হয়েছে দুদেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মাঝে।

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক গোলযোগের মধ্যে পড়ে অতি কষ্টে দিন পার করছেন দেশটির সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। দেশটির প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের পদত্যাগের দাবিতেও চলছে আন্দোলন।


আরও খবর



দুর্দশাগ্রস্ত শ্রীলঙ্কার জনগণের আস্থা অর্জন করতে চায় ভারত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কার জনগণের আস্থা অর্জন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ভারত। বিভিন্ন জরুরি পণ্যের অভাব মোচন করতে দেশটিকে অর্থ দিচ্ছে নয়া দিল্লি। এছাড়া শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি তেল, ওষুধ ও সার সরবরাহ করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এভাবে দেশটির জনগণের মন জয় করতে চাচ্ছে ভারত।  ভারত মহাসাগরে কৌশলগত অবস্থানের জন্য শ্রীলঙ্কার সাথে অনুকূল কূটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্কের জন্য গত ১৫ বছর ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ভারত ও চীন। যদিও দেশটির জনগণের মন জয়ের ক্ষেত্রে অনেক আগেই ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে চীন। তবে, শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশটিতে ভারতের পররাষ্ট্র নীতি নতুন জীবন পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

১৯৪৮ সালে ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর শ্রীলঙ্কা বর্তমানের মতো এমন চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়েনি। দেশটি খাদ্য ও জ্বালানির ঘাটতির কারণে জনমনে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। নিত্যপণ্যের অভাব ও দামবৃদ্ধির কারণে জনগণ রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছে। এমন সংকটের মধ্যেই মাহিন্দা রাজাপাকসে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এরপর ৯ মে রাতে রাজাপাকসের সমর্থক ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘাত বাধে। এরপর থেকে দেশটিতে একটি ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে।

এখন রনিল বিক্রমাসিংহে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সমস্যা আগের চেয়েও প্রকট হবে। এখন তিনি ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে আর্থিক সাহায্যের জন্য আবেদন করেছেন।

শ্রীলঙ্কায় ভারত কখনই চীনের মতো বড় ঋণদাতা ছিল না। কিন্তু এখন, ভারত দেশটির অন্যতম বড় সহায়তা প্রদানকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কলম্বো এখন ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক ঋণে আবদ্ধ। এই ঋণগুলোর পরিষেবার জন্য বর্তমানে তাদের ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করতে হবে। আগামী বছরও একই পরিমাণ টাকা তাদের পরিশোধ করতে হবে। দেশটি এখন জ্বালানির মতো প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জরুরি ঋণও চাইছে। দেশটির এমন সহায়তা দাবির প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাংক ছয় শ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে। অপরদিকে ভারত ১.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং জরুরি পণ্য আমদানির জন্য আরো ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিতে পারে।

বর্তমানে শ্রীলঙ্কাকে ভারত ৬৫ হাজার টন সার ও চার লাখ টন জ্বালানি পাঠিয়েছে। মে মাসের পরে আরও জ্বালানি পাঠানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ এছাড়া দেশটিতে চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। এসব সহায়তার বিনিময়ে ভারত একটি চুক্তি করেছে, যার মাধ্যমে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনকে ব্রিটিশ-নির্মিত শ্রীলঙ্কার ত্রিনকোমালি তেল ট্যাঙ্ক খামারে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। এছাড়া ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ত্রিনকোমালির কাছে এক শ মেগাওয়াট পাওয়ারের প্ল্যান্ট নির্মাণ করতে চায়।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলঙ্কা

আরও খবর



এক বছরে ৩১৮ দিনই লাইভ খেলা সম্প্রচারে ছিল টি স্পোর্টস

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের বড় আস্থা এখন দেশের প্রথম ও একমাত্র স্পোর্টস চ্যানেল টি স্পোর্টস। ২০২০ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিভাবে স্বপ্নযাত্রা শুরুর পর ২২ এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ঘণ্টা লাইভ ইভেন্ট সম্প্রচার করেছে বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কনিষ্ঠ সদস্য টি স্পোর্টস।

২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলি সিরিজে নেপালকে আতিথ্য দেয় বাংলাদেশ। করোনা ভীতি কাটিয়ে সেই প্রথম কোন আন্তর্জাতিক আসর মাঠে গড়ায় বাংলাদেশ, আর টি স্পোর্টসের পর্দায় তা সরাসরি দেখে দেশি-বিদেশি ক্রীড়াপ্রেমীরা। সেই শুরু, এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ক্রিকেট, ফুটবল থেকে শুরু করে প্রায় সব ক্রীড়া ইভেন্টই সরাসরি সম্প্রচার করছে টি স্পোর্টস।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহযাত্রী হয়ে এ দেশের ফুটবল উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে টি স্পোর্টস। আগামী ৫ বছর বাংলাদেশ ফুটবলের হোস্ট ব্রডকাস্টার টি স্পোর্টস। ফেডারেশন কাপ, স্বাধীনতা কাপ, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মতো ঘরোয়া আসরের পাশাপাশি বাংলাদেশ দলের সব আন্তর্জাতিক আসরই সরাসরি দেখা যাচ্ছে দেশের প্রথম ও একমাত্র স্পোর্টস চ্যানেলে।

ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ কোয়ালিফায়ার, এশিয়া কাপ কোয়ালিফায়ার, ফিফা ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলি, সাফ, এএফসির সব ইভেন্টেরই বাংলাদেশের সম্প্রচার স্বত্ব টি স্পোর্টসের কাছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, স্প্যানিশ লিগের মতো ইন্টারন্যাশনাল সার্কিটের সবচেয়ে দামি আসরের সম্প্রচার স্বত্ব কিনে রীতিমতো হৈ চৈ ফেলে দেয়, দেশের সবচেয়ে বড় শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন চ্যানেল। ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপের ইউরোপ ও এশিয়া অঞ্চলের বাছাই পর্বের ম্যাচগুলো দেখা গেছে টি স্পোর্টসে।

২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবির হোস্ট ব্রডকাস্টার টি স্পোর্টস। ২০২১ সালে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের স্বত্ব এককভাবে কিনে নেয় টি স্পোর্টস। পরবর্তীতে ২০২৩ পর্যন্ত জিটিভির সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের সব হোম সিরিজ সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত নেয় টি স্পোর্টস।

বাদ যায়নি বাংলাদেশের কোন অ্যাওয়ে সিরিজ। টাইগারদের শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে সফরের সবগুলো ম্যাচই দেখা গেছে এখানে। দুবাই ও ওমানে অনুষ্ঠিত আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি সরাসরি সম্প্রচার করেছে টি স্পোর্টস। আইসিসির পরবর্তী ইভেন্টগুলোও দেখা যাবে এখানে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা হোম বোর্ডের বাংলাদেশ অঞ্চলের ব্রডকাস্ট রাইটস টি স্পোর্টসের কাছে। ইংল্যান্ডের ইন্ডিয়া ট্যুর, ইন্ডিয়ার শ্রীলঙ্কা ট্যুর, সাউথ আফ্রিকার শ্রীলঙ্কা ট্যুর, নিউজিল্যান্ডের পাকিস্তান ট্যুর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান ট্যুর, ইন্ডিয়ার সাউথ আফ্রিকা ট্যুরের টেস্ট ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টি ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করেছে দর্শকদের দারুণ আস্থার টি স্পোর্টস।

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ ২০২০, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলের হোস্ট চ্যানেল টি স্পোর্টস। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের ঐতিহ্যের আসর ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের গত ২ মৌসুমের সুপার লিগের ম্যাচগুলো সম্পূর্ণ নিজস্ব কারিগরি ব্যবস্থাপনায় সম্প্রচার করেছে টি স্পোর্টস। বাদ যায়নি ইন্টারন্যাশনাল কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। পাকিস্তান সুপার লিগ-পিএসএল, আবুধাবি টি টেন, লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ, ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেডের পাশাপাশি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ-আইপিএল সরাসরি দেখা যাচ্ছে এখানে।

শুধুমাত্র ফুটবল-ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ নেই টি স্পোর্টস। কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, টেনিসের মতো ইভেন্টের ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক আসরগুলো সরাসরি সম্প্রচার করছে টি স্পোর্টস। বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল কাবাডির টানা ২ আসর সম্পূর্ণ নিজস্ব কারিগরি ব্যবস্থাপনায় প্রডাকশন ও সম্প্রচার হয়েছে। তৃণমূলের ক্রীড়া উন্নয়নে ভূমিকা রাখার চেষ্টা অব্যাহত শুরু থেকেই। যে কারণে অ্যামেচার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, ব্যাংকার্স চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেটের মতো আসরগুলো সরাসরি সম্প্রচার করেছে টি স্পোর্টস।

১৩ নভেম্বর ২০২০ আনুষ্ঠানি সম্প্রচার শুরু থেকে ২২ এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত ৫১৯ দিনে ৩ হাজার ৪শ ১৫ ঘন্টা লাইভ কন্টেন্ট সরাসরি সম্প্রচার করেছে টি স্পোর্টস। মে ২০২১ থেকে এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৩১৮ দিনই কোন না কোন ঘরোয়া কিংবা আন্তর্জাতিক খেলা সরাসরি সম্প্রচার করেছে টি স্পোর্টস। আন্তর্জাতিক যেকোন স্পোর্টস চ্যানেলের সঙ্গে তুলনা করলে যেটি কোন অংশে কম না।

তবে, এখানেই থামতে চায় না টি স্পোর্টস। সম্পূর্ণ নিজস্ব কারগরি ব্যবস্থাপনায় ইন্টারন্যাশনাল যেকোন স্পোর্টস ইভেন্ট প্রডাকশনের সক্ষমতা টি স্পোর্টসের আছে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কারিগরি দিক দিয়ে আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন চ্যানেলটি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য গর্বের প্রতীক হতে চায় টি স্পোর্টস।

ডিজিটাল প্লাটফর্মে দারুণ সমৃদ্ধ টি স্পোর্টস। ইউটিউব চ্যানেলে টি স্পোর্টসের সাবস্ক্রাইবার ২.২৪ মিলিয়নের বেশি। আর ফেসবুক পেজে ফলোয়ার ২ মিলিয়নের বেশি। ডিজিটাল রাইটস থাকা সব ইভেন্টই সরাসরি দেখা যাচ্ছে টি স্পোর্টসের ডিজিটাল প্লাটফর্মে। খুব শিঘ্রিই নিজস্ব অ্যাপ চালু করবে টি স্পোর্টস। পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইটের কাজ চলছে। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক সব ক্রীড়া ইভেন্টের তরতাজা সব খবর সবার আগে পাওয়া যাবে টি স্পোর্টসের সাইটে।


আরও খবর