আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

সিলেটে গ্যাসের চাপ কম থাকায় গ্রাহকদের ভোগান্তি

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৬৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেট থেকে মুহাম্মদ আমজাদ হোসাইন:

সিলেট নগরীর কয়েকটি এলাকার মানুষ গ্যাস সংকটে ভুগছেন। এ সকল এলাকার গ্রাহকদের অভিযোগ ভোর, সকাল কিংবা দুপুরবেলা গ্যাস সংকট দেখা দেয়। রান্না-বান্নার কাজ শুরু করতে যাওয়া মাত্র গ্যাসের লুকোচুরি শুরু হয়ে যায়। গ্যাসের চাপ কম থাকায় এই সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে বলে তাদের ভাষ্য। তবে এ অভিযোগ আমলে নিচ্ছেন না গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

গত একমাস ধরে সিলেট নগরীর কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভোর থেকে সকাল এগারোটা পর্যন্ত আবার কোথাও সকাল এগারোটা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত এই সমস্যা স্থায়ী থাকছে। বিকেলে পর অবশ্য যথারীতি পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় যারা ভোর কিংবা দুপুরবেলা রান্নাঘরে যান, তাদের রান্নার কাজ করতে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে এ সমস্যায় বেশি পড়তে হচ্ছে দরগা মহল্লা ঝর্ণারপার, দর্শনদেউড়ী এলাকার বাসিন্দাদের।

দর্শনদেউড়ী এলাকার গৃহিনী সাদিয়া আক্তার অভিযোগ করে বলেন, পরিবারের প্রয়োজনে ভোর থেকে তাদের রান্নার কাজ করতে হয়। কিন্তু তখন গ্যাসের চুলায় আগুন পাওয়া যায়না, কখনো পাওয়া গেলেও জ্বলছে নিভু নিভু করে। এতে রান্না করা কঠিন হয়ে পড়ে। ঝরনার পার পায়রা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা রনি আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে এই সমস্যায় ভুগছি। কবে যে মুক্তি পাবো জানি না। গ্যাস সংকট নিরসনে কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন শুধু সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গ্যাসের চাপ এতটাই কম থাকে যে সামান্য পরিমাণ চা বানাতেও ঘণ্টাখানেক সময় লেগে যায়। একই এলাকার সৈয়দা সালামা সুলতানা ও সালমা বেগম জানান, একই সমস্যায় ভুগছেন তারা। তবে সবসময় নয়। মাঝে মধ্যে দুপুরের দিকে রান্নার ব্যস্ত সময়ে প্রয়োজনীয় গ্যাস পাওয়া যায়না। ওই এলাকার সাব্বির আহমদ ও জুবের আহমদ অভিযোগ করে বলেন, বিষয়টি কয়েক দফায় কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, কিন্তু গুরুত্ব দেয়া হচ্ছেনা। ফলে সমস্যা দিনদিন প্রকট হচ্ছে।

যোগাযোগ করা হলে জালালাবাদ গ্যাসের প্রকৌশলী মো. মনজুর আহমদ চৌধুরী জানান, এ ধরণের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে এটা গ্যাসের সমস্যা নয়, পাইপ লাইনের সমস্যা। সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী যদি নির্দিষ্টভাবে সীমানা উল্লেখ করে আবেদন করেন, তাহলে আমরা সমাধান করে দেবো।

পরিসংখ্যান বলছে, দেশে মোট গ্যাস মজুতের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। এরমধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ ৩০ টিসিএফ। এখন পর্যন্ত উত্তোলন করা হয়েছে ১৮ দশমিক ৫৩ টিসিএফ। অবশিষ্ট আছে ১১ দশমিক ৫২ টিসিএফ। পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, এখন প্রতি বছর গড়ে এক টিসিএফ করে গ্যাস উত্তোলন হয়ে থাকে। অর্থাৎ অবশিষ্ট মজুদে আর ১০ বছর মতো চলবে। কিন্তু ক্রমান্বয়ে প্রতি বছরই গ্যাস উত্তোলন ক্ষমতা কমে আসবে। এতে করে শেষের বছরগুলাতে সংকট আরও প্রকট হবে। দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে আসলে আনুপাতিক হারে আমদানি বাড়াতে হবে।

জানা গেছে বাপেক্স-এর ৮টি গ্যাস ক্ষেত্রের মোট মজুত ১ দশমিক ৪৬ টিসিএফ থেকে ৪৭৩ বিসিএফ তোলা হয়েছে। অবশিষ্ট রয়েছে ৯৮৭ বিসিএফ। বাপেক্সের সিলেট অঞ্চলের খনিগুলোর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জে ৩২৯ বিসিএফ মজুতের ১৬২ তোলা হয়েছে মজুত রয়েছে ১৬৬ বিসিএফ। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানির মোট মজুত ১২ দশমিক ২৫২ টিসিএফ, এরমধ্যে তোলা হয়েছে ৮ দশমিক ৭৬৮ টিসিএফ। বাকি রয়েছে ৩ দশমিক ৪৮৪ টিসিএফ। সিলেটের খনিগুলোর মধ্যে হবিগঞ্জে দুই দশমিক ৭৮৭ টিসিএফ মধ্যে ২ দশমিক ৫৮৮ টিসিএফ তোলা হয়েছে। বাকি রয়েছে ১৯২ বিসিএফ।

শেভরন বাংলাদেশের তিন ক্ষেত্রের মোট মজুত ৯ দশমিক ৭৪২ টিসিএফ। উত্তোলন করা হয়েছে ৬ দশমিক ৪৫৩ টিসিএফ। বাকি রয়েছে ৩ দশমিক ২৮৯ টিসিএফ। শেভরনের বিবিয়ানাতে এখনও ২ টিসিএফ এর একটু বেশি, মৌলভীবাজারে ১৫৮ বিসিএফ এবং জালালাবাদে এক দশমিক ২৬ টিসিএফ মজুত অবশিষ্ট রয়েছে। সিলেট গ্যাস ফিল্ডের মোট মজুতের পরিমাণ ৭ দশমিক ৩৩ টিসিএফ এরমধ্যে এক ১ দশমিক ৭৮৪ টিসিএফ তোলা হয়েছে। এখানের ৫টি খনিতে এখনও মজুত রয়েছে ৫ দশমিক ২৪৯ টিসিএফ। এখানের পাঁচটি খনি হচ্ছে কৈলাসটিলা, সিলেট, রশিদপুর, ছাতক এবং বিয়ানীবাজার।


আরও খবর



পুঁজিবাজারে সূচকের পতন

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শেষ দেড় ঘণ্টার শেয়ার বিক্রির চাপে টানা ছয় কার্যদিবস উত্থানের পর সোমবার (৪ অক্টোবর) পুঁজিবাজারে সূচক পতন হয়েছে। বেশিরভাগ শেয়ার ও সূচক পতন হলেও বেড়েছে লেনদেন।

ব্যাংক-বিমা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় সব খাতের শেয়ারের দাম কমায় এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক কমেছে ২৮ পয়েন্ট। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমেছে ৩৭ পয়েন্ট।

ডিএসইর তথ্য মতে, সোমবার ডিএসইতে ৩৭৬টি কোম্পানির ৫৭ কোটি ৮৯ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৯টি শেয়ার হাত বদল হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ২৯৭টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টির।

দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২৮ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৩২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। প্রধান সূচকের পাশাপাশি ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক দশমিক ২২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৯৩ পয়েন্টে ও ডিএসই-৩০ সূচক ২৩ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৭৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৭৫৫ কোটি ২০ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৪৩৯ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে।

ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ার। দ্বিতীয় স্থানে ছিল লর্ফাজহোলসিমের শেয়ার, তৃতীয় স্থানে ছিল ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের শেয়ার। এরপর যথাক্রমে ছিল বেক্সিমকো ফার্মা, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ইফাদ অটোস, জিপিএস ইস্পাত, শাইনপুকুর সিরামিক এবং পাওয়ার গ্রিড লিমিটেড।

অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৭ পয়েন্ট কমে ২১ হাজার ৪৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ২৪৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

 

নিউজ ট্যাগ: সূচকের পতন

আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




কারাগারে বন্দি বেশিরভাগই মাদক মামলার আসামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ৫৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এখন প্রকাশ্যে কেউ ধূমপান করে না, সেই দৃশ্যটাও আমরা দেখছি। তামাক যে ক্ষতিকর সেটা আমাদের জনগোষ্ঠী জেনে গেছে। সে কারণে অনেকেই তামাক ছেড়ে সাধারণ জীবনযাপন করছে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা যদি মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি, তাহলে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, বর্তমানে কারাগারে বন্দি বেশিরভাগই মাদক মামলার আসামি।

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মাদকাসক্তি নিরাময় ও মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ কেন্দ্রের (ওয়েসিস) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের জেলখানায় ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি বন্দি রয়েছে। এখানে যে আসামি রয়েছে তার বেশিরভাগই মাদক মামলার আসামি। মাদকের ডিমান্ড হ্রাস, সাপ্লাই হ্রাস এবং হার হ্রাসআমরা এই তিন ধরনের কাজ করে থাকি। এলাকায় যারা জনপ্রতিনিধি আছেন, তাদের কাছে আহ্বান রাখবোমাদকের ডিমান্ড হ্রাসে আপনারা সবাইকে উদ্বুদ্ধ করুন।

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদক থেকে সবাইকে বিরত রাখতে হবে। মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে তাদের জানাতে হবে। আইজি সাহেব বলেছেন, মাদক আমাদের দেশে তৈরি হয় না। এমনকি ফেনসিডিলও আমরা তৈরি করতে দিই না।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, হেরোইন-ইয়াবার পরে আসছে ভয়ানক মাদক এলএসডি। এই এলএসডি যে কতটা ভয়ানক তা আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র নিজের গলা নিজে কাটতে গিয়েছিল, সেই দৃশ্যও আপনারা দেখেছেন। আপনাদের ঐশীর কথাও মনে আছে। আপনাদের সন্তান যখন মাদকাসক্ত হয় তখন প্রকাশ করতে চান না। ভাবেন সমাজের মানুষ কী বলবে। যখন আপনার সন্তান মাদকাসক্ত হয়, তখন তাকে চিকিৎসার দোরগোড়ায় নিয়ে আসেন, যোগ করেন তিনি।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন কেউ প্রকাশ্যে ধূমপান করে না। তামাকের বিরুদ্ধে আমরা যে আন্দোলন শুরু করেছিলামতাতে মনে হয় আমরা মোটামুটি সফল হয়েছি। তিনি বলেন, এখন প্রকাশ্যে কেউ ধূমপান করে না, সেই দৃশ্যটাও আমরা দেখছি। তামাক যে ক্ষতিকর সেটা আমাদের জনগোষ্ঠী জেনে গেছে। সে কারণে অনেকেই তামাক ছেড়ে সাধারণ জীবনযাপন করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জঙ্গি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছিলেন। আমাদের পুলিশ বাহিনীর প্রচেষ্টায় আমরা সফল হয়েছি। মাদকের বিরুদ্ধেও প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। সেই যুদ্ধেই আজ আমরা অবতীর্ণ। এ যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতেই হবে। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা রক্ষা করতে পারবো না।

তিনি আরও বলেন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে আমাদের সরকারি একটি মাদক নিরাময় হাসপাতাল রয়েছে। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো, আপনি নিজে একবার এই হাসপাতাল দেখতে যাবেন। আমাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এটা নিয়ন্ত্রণ করে। এই হাসপাতালে অনেক কিছু নেই, অনেক সমস্যা। তারপরেও হাসপাতালটি চলছে। আপনাদের সন্তান যখন মাদকাসক্ত হয়, আপনারা তখন প্রকাশ করতে চান না। যখন ক্ষতি হয়ে যাবে, তখন কেঁদেও কূল পাবেন না। মাদকাসক্তির হার হ্রাসের মাধ্যমে আমরা যদি ৮০ লাখ মাদকাসক্ত থেকে ৮ লাখেও আনতে পারি, এটাও আমাদের একটা সফলতা বয়ে আনবে।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




গ্রুপ সিডিংয়ের নিয়ম বদলে ফেলল আইসিসি

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ১৭ অগাস্ট টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশের দিনই আইসিসি জানিয়েছিল, বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা যেকোনোভাবে প্রথম রাউন্ডে পার হতে পারলেই যথাক্রমে 'বি-১' ও 'এ-১' হিসেবে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ গ্রুপ রানার্সআপ হলেও 'বি-১' হিসেবে সুপার টুয়েলভে 'গ্রুপ-২'তে পড়ার কথা বাংলাদেশের। কিন্তু বুধবার সংশোধনী পাঠিয়ে আইসিসি জানাল, এমনটি হচ্ছে না। টুর্নামেন্টের তিন দিন পার হওয়ার পর বদলে ফেলা হয়েছে গ্রুপ সিডিং।

সংশোধনী অনুসারে, 'বি' গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হলেই কেবল সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশের গন্তব্য 'গ্রুপ-১'। যেখানে আগে থেকেই আছে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। রানার্সআপ হলে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে গড়া 'গ্রুপ-২'তে যাবে মাহমুদউল্লাহর দল।

বিশ্বকাপের তিন দিনের খেলা চলে যাওয়ার পর গণমাধ্যমে পাঠানো মেইলে গ্রুপ সিডিং নিয়ে এমন সংশোধনের কথা জানায় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা। প্রথম রাউন্ডে অবস্থানের ভিত্তিতেই করা হবে সিডিং।

১৭ অগাস্ট পাঠানো আইসিসির প্রথম মেইলে ছিল শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ 'এ-১' ও 'বি-১' হিসেবে বিবেচিত হবে।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ায় প্রথম পর্বে 'বি' গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশের জন্য কিছুটা কঠিন। এমনকি বিষয়টা পুরোটা নিজেদের হাতেও নেই। শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ড যদি ওমানকে হারায় তাহলে সব ম্যাচ জেতায় তারাই হবে গ্রুপ সেরা। তবে ওমান জিতে গেলে আসবে রানরেটের হিসাবনিকাশ।

সংশোধনীতে ভিন্ন কথা তাদের

আইসিসির প্রথম ঘোষণার পর বাংলাদেশকে 'বি-১' ধরে বিশ্বকাপ কাভার করার ইচ্ছার কথা জানিয়ে ম্যাচ সিলেকশন করেছিলেন সাংবাদিকরা। তাদের ম্যাচ সিলেকশন করার ফের সুযোগ দিচ্ছে আইসিসি। তবে বাংলাদেশকে 'বি-১' ধরে বিশ্বকাপের টিকেট কাটা দর্শকদের বেলায় কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা জানায়নি সংস্থাটি। কেন এমন বদল, আগের জানানো ঘোষণায় কি কোনো ভুল ছিল- এসব কোনো কিছুই পরিষ্কার করেনি তারা।

 

 


আরও খবর
অজিদের কষ্টার্জিত জয়

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো ফিলিপাইন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেপে উঠলো ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপ। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে দেশটির বাতাঙ্গাস প্রদেশে এই ঘটনাটি ঘটে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল তালিসে শহর থেকে আট কিলোমিটার পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল অন্তত ৯৪ কিলোমিটার। ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান কম্পনটি ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী।

প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার-এ অবস্থিত ফিলিপাইন নিয়মিতই ভূমিকম্প হয়। কম্পনপ্রবণ এ অঞ্চলটি জাপান থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগর জুড়ে বিস্তৃত।


আরও খবর



স্ত্রীকে হত্যার অভিনব উপায়

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্ত্রী হত্যার দায় এড়াতে অভিনব উপায় খুঁজে বের করেছিলেন এই ব্যক্তি। একদম ফিল্মি স্টাইলে প্রথমে স্ত্রীকে রাসেলস ভাইপারের কামড় খাইয়েছিলেন তিনি। ভাগ্যক্রমে সে সময় স্ত্রী বেঁচে যান। পরের দফায় স্ত্রীকে ফেলে দেন কোবরার মুখে। কোবরার কামড়ে স্ত্রীর মৃত্যু হয়। এই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই ব্যক্তিকে দুই দফায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বিবিসি বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের কেরালার সুরাজ কুমারের স্ত্রী উথরা গত বছর কোবরার কামড়ে মারা যান।

এ ঘটনায় সুরাজের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ দায়ের করে উথরার পরিবার।  সুরাজ তাদের কাছে যৌতুকের দাবি করেছিলেন বলে উথরার পরিবারের অভিযোগ করেছেন।

গত সোমবার সুরাজের বিরুদ্ধে ঘুমন্ত স্ত্রীর বিছানায় কোবরা ছেড়ে দেওয়ার প্রমাণ পায় আদালত।

গত বছরের মে মাসেই উথরাকে বিষাক্ত রাসেলস ভাইপার কাপড় দিয়েছিল। ওই সাপের কামড়ে কোনোমতে প্রাণে বেঁচে যান উথরা। ওই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরই ফের কোবরার ছোবলে উথরার মৃত্যু হলে তার পরিবারের সন্দেহ হয়। তারা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।

পুলিশ তদন্তে জানতে পারে, উথরার দুইবার সাপের কামড়ের পেছনেই সুরাজের হাত রয়েছে। সুরাজের অপরাধের ধরন বিবেচনা করে তাকে দুই দফায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

 

নিউজ ট্যাগ: স্ত্রীকে হত্যা

আরও খবর