আজঃ সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

শ্রীবরদীতে বিদ্যুতায়িত জিআই তারে জড়িয়ে বন্য হাতির মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের গারো পাহাড়ে বিদ্যুতায়িত জিআই তাড়ে জড়িয়ে একটি বন্য হাতি মারা গেছে। আজ ভোরে শ্রীবরদী উপজেলার মালাকুচা নেয়া বাড়ি টিলার কাছে আমির উদ্দিনের সবজি বাগানে বিদ্যুতায়িত জিআই তারের বেড়ার সাথে জড়িয়ে হাতিটি মারা যায়।

শেরপুরের গারো পাহাড়ের বন্যহাতির বিচরণ এলাকায় স্থানীয় লোকজন বনবিভাগের জবর দখলকৃত জমিতে বাড়ি-ঘর নির্মাণ এবং ধান ও সবজি বাগান করে আসছে। এসব স্থানে বনবিভাগের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে সবজি, ধান ক্ষেত ও বাড়ির চারপাশে বিদ্যুতায়িত জিআই তারের বেড়া দিয়েছে। এসব জিআই তারে জড়িয়ে প্রায়ই হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে আসছে।

বন কর্মকর্তাদের নানাভাবে হুমকি ও আন্দোলন করে আসছে তারা। বনবিভাগের পক্ষ থেকে বিদ্যুতায়িত জিআই তারের বেড়া তুলে নেয়ার জন্য বারবার নিষেধ করার পরও তারা তা মানছে না। একারণেই আজ মালাকুচা নেয়া বাড়ি টিলার কাছে আমির উদ্দিনের সবজি বাগানে বন্য হাতিটি বিদ্যুতায়িত জিআই তারে জড়িয়ে মারা যায়।

মৃত হাতিটির ময়না তদন্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: রবিউল ইসলাম জানান।

অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা আক্তার জানান, আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



মিরপুরে সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছে গার্মেন্টস শ্রমিকরা। সেখানে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকা থেকে মিরপুর-১৩ নম্বর এলাকার সড়ক বন্ধ রয়েছে। যানবাহনে ভাঙচুর চালাচ্ছে গার্মেন্টস শ্রমিকরা।

এমন পরিস্থিতিতে অফিসগামী অনেকেই চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। আটকে রয়েছে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি পরিবহন।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক অবরোধ

আরও খবর
মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৪৬

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




পরিবেশ দূষণের কারণেই হুমকির মুখে সুন্দরবন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাহাজ ডুবে বা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সুন্দরবনে দূষণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে পর্যটকের উপস্থিতি। সুন্দরবনে প্রতিদিন বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা। প্রতি বছর কয়েক লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেন সুন্দরবন। পর্যটকের আনাগোনা যত বাড়ছে ততই বাড়ছে পরিবেশ দূষণ।

পরিবেশ দূষণই এখন সুন্দরবনের জন্য সবচেয়ে বেশি হুমকির কারণ হয়ে উঠছে। বাগেরহাটের শরণখোলা থেকে শুরু করে মোংলা প্রান্ত, সাতক্ষীরা এলাকায় একই পরিস্থিতি। কোথাও পরিবেশ দূষণ আটকানো যাচ্ছে না।

পুরো সুন্দরবন এলাকায় গেলেই চোখে পড়ছে নানা ধরনের মনুষ্য ব্যবহৃত জিনিসপত্র। মানব বসতি থেকে গভীর জঙ্গলের মধ্যে গেলেও দেখা যাচ্ছে নানা ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ। এর মধ্যে  নানা ধরনের প্লাস্টিক, বোতল, জুতা, পলিথিন, খাবার প্যাকেট, বস্তা, দড়ি, জালের টুকরা, কৌটা, ওষুধের খালি প্যাকেটসহ কাপড়ের জিনিসপত্রে সয়লাব হয়ে থাকছে এলাকা।

সম্প্রতি সুন্দরবন ঘুরে দেখা গেছে, মোংলা প্রান্তের করমজল থেকে শুরু করে দক্ষিণে ডিমচর পর্যন্ত সব স্পটেই পরিবেশ দূষণের নানা বর্জ্য পদার্থ।  মোংলা বন্দরে বিভিন্ন কারখানায় ব্যবহৃত জিনিসপত্রও দেখা মেলে এসব স্পটে। এই রুটের স্পটগুলো হচ্ছে করমজল, হারবাড়িয়া, কটকা, কটকা বিচ, জামতলা, ডিমচর। নদীর পাড়ে কিংবা সৈকতে শুধু নয়, গভীর জঙ্গলের মধ্যে ঢুকলেও দেখা মেলে নানা ধরনের ক্ষতিকর বর্জ্য। ডিমচর একেবারে বঙ্গোপসাগর লাগোয়া।

ডিম্বাকৃতির বলে এই চরটির নাম ডিমচর। এখানে নানা ধরনের পাখি, হরিণের অভয়ারণ্য। হাজার হাজার হরিণের পদচারণ ও পাখির কলতানে মুখরিত থাকে। মোংলা থেকে কয়েক শ কিলোমিটার দূরে পুরো চরটি নদী দ্বারা বেষ্টিত। এখানে স্পষ্ট সূর্যোদয় ও সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। এই নির্জন চরের সৈকতে গিয়ে দেখা গেছে, নানা বর্জ্য। এসব বর্জ্যরে মধ্যে প্লাস্টিক বোতল, কাচের বোতল, ওষুধের প্যাকেট, জালের অংশ, প্লাস্টিকে বস্তার সমাহার।

ডিমচরের সঙ্গে কোনো ধরনের সংযোগ নেই অন্য স্পটের। বিশাল জলরাশির মাঝে মনে হয় সমুদ্রের মধ্যে একটি সবুজ ডিম। এর কাছাকাছি স্পটের নাম কচিখালী। কচিখালীর চরে গেলে দেখা মেলে নোনা জলের কুমির। কচিখালীর নির্জন সরু খালের মধ্যে ঢুকলে দুই পাশে জঙ্গলের মধ্যেই চোখে পড়ে হরিণের পদচারণ।

এই খালের পাড়েও দেখা গেছে বিভিন্ন ধরনের মনুষ্য ব্যবহৃত জিনিসপত্র। কচিখালীর আগে কটকা স্পট। কটকা স্পটে রয়েছে মোবাইল টাওয়ার। এখানে সহজে দেখা মেলে বাঘের। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে যে কেউ বাঘ দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেন। রয়েছে হরিণের পাল। অন্যান্য স্পটের তুলনায় এখানে সবচেয়ে বড় হরিণের পালের দেখা মেলে। পুরো কটকা স্পটেই দেখা গেছে চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিক দ্রব্য। কোনো ভ্রমণ ক্রুজ বা জাহাজ থেকে এসব ফেলা হয় না বলে জানান ক্রুজের কর্মীরা। বিষয়টি রেঞ্জ কর্মকর্তাও স্বীকার করেন। রেঞ্জ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলে, মধু আহরণকারী, গোলপাতা সংগ্রহকারী,  ছন সংগ্রহকারীরা বেশি অসচেতন।


আরও খবর



৩৩ রানে সাজঘরে দুই ওপেনার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবি ও এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজ হারের হতাশা কাটিয়ে চট্টগ্রাম টেস্ট জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে চান মুমিনুলরা।

আর সেই মিশনে নেমে চট্টগ্রাম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। শুরুটা অবশ্য ভালো হয়েছে বাংলাদেশ দলের। প্রথম ৬ ওভারে ৬টি বাউন্ডারি এসেছে।

তবে ভালো শুরু করেও উইকেটে বেশিক্ষণ টেকেননি দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সাদমান। ৫ম ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদির ৩য় ডেলিভারিটি বাউন্সার ছিল। দ্রুত গতিতে আসা সেই বল খেলা তো দূরের কথা বলের লাইন থেকেই সরতে পারেননি সাইফ।

ব্যাটিংয়ের কানায় লেগে ক‍্যাচ যায় শর্ট লেগে আবিদ আলির হাতে। তিন চারে ১২ বলে ১৪ রান করেন সাইফ। ভাঙ্গে ১৯ রানের উদ্বোধনী জুটি।

১২ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফের বিদায়ের পর তাকে অনুসরণ করেন আরেক ওপেনার সাদমান।

৮ম ওভারে হাসান আলির শেষ বলটিতে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরে যান সাদমান। ওপেনার সাদমানাও ১৪ রানের বেশি করতে পারলেন না। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৩ রান।

দুই ওপেনারের  বিদায়ের পর ব্যাট হাতে নেমেছেন নাজমুল হাসান শান্ত ও অধিনায়ক মুমিনুল হক।  


আরও খবর
হারের শঙ্কায় টাইগাররা

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




প্রশ্ন ফাঁস করে পরীক্ষা, ফাঁস চক্রের ১০ জন আটক

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৩৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অবশেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ৫ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সত্যতা পেয়েছেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ । ফাঁস চক্রের সদস্যরা প্রথম ব্যক্তির কাছে একটি প্রশ্ন বিক্রি করে ১৫ লাখ টাকায়। সেই প্রশ্ন হাত বদল করে কোটি কোটি টাকা পকেটে তুলেছে চক্রের সদস্যরা।

যারা প্রশ্ন ফাঁস করেছেন এবং যারা প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের ১০ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। এদের মধ্যে দুজন এর আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়ে ব্যাংকের চাকরি পান। তখন থেকেই প্রশ্ন ফাঁস চক্রে জড়িত তারা। এ চক্রে জড়িত তেজগাঁওয়ের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কেও খোঁজখবর নিচ্ছেন গোয়েন্দা শাখা।

শনিবার নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পরই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ করেন অনেক চাকরিপ্রত্যাশী। তাদের অভিযোগ ছিল, পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি প্রশ্নের প্রিন্ট করা উত্তরপত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার তদন্তে বের হয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগের সূত্র ধরে প্রাথমিক তদন্তে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ  বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ৫টি ব্যাংকের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাটি সত্য। প্রশ্নপত্র যারা ফাঁস করেছেন এবং যারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় টেন্ডারের মাধ্যমে এ প্রশ্নপত্র তৈরি ও পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। প্রথম ব্যক্তি ১৫ লাখ টাকায় একটি প্রশ্নপত্র কিনেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে ধরা হবে।

গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত সব ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে হয়। নিয়োগ কমিটি সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন। আর পরীক্ষা নেওয়ার জন্য তারা দরপত্র আহ্বান করে। এবার ৫টি রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংকে নিয়োগের এ পরীক্ষা নেওয়ার কাজ পায় তেজগাঁওয়ের একটি বেরসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সেখান থেকেই মূলত প্রথমে প্রশ্ন ফাঁস হয়।

ডিবির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃত ১০ জনের মধ্যে ৮ জনই ব্যাংক কর্মকর্তা। আর ২ জন চাকরি প্রার্থী পরীক্ষার্থী। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন প্রথম ১৫ লাখ টাকায় একটি প্রশ্ন কেনেন। এরপর তিনি একজন ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে ওই প্রশ্ন বিক্রি করেন। তার মাধ্যমেই চক্রের অন্য সদস্যরা এ প্রশ্ন বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। সর্বনিম্ন ৩ লাখ টাকায় একটি প্রশ্ন বিক্রি হয় বলে গোয়েন্দারা জানতে পারেন।


আরও খবর



বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ ১২ নভেম্বর, বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস। ২০০৯ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ২০১৭ সালের তথ্য হিসেবে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর ৮ লাখের বেশি শিশু প্রাণ হারায়। সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি থাকে।

২০১৯ সালে বিশ্ব জুড়ে শিশু ও বয়স্ক মিলিয়ে এই রোগে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের। অংকের হিসেব বড় হলেও সবচেয়ে বেশি অবহেলা করা হয় এই রোগকে।

শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত দুই ধরনের নিউমোনিয়া হতে পারে। ভাইরাসঘটিত ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ। চিকিৎসকরা বলছেন, স্ট্রেপ্টোকক্কাস নামের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ নিউমোনিয়া রোগের একটি অন্যতম প্রধান কারণ।

নিউমোনিয়া প্রতিরোধে টিকাকরণ বিষয়ে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডিপথেরিয়া ও হেমফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি (এইচআইবি) টিকা এবং নিউমোকক্কাল কনজুগেট টিক দিয়ে শিশুর রোগ প্রতিরোধ করা যায়। বেসরকারিভাবে বাজারে ৩ ধরনের নিউমোনিয়া টিকা রয়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকাও খুবই কার্যকর। পারটুসিস (হুপিং কাশি), হাম, এইচআইবি সংক্রমণ, রোটা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ টিকা সবাইকেই দেওয়া জরুরি।

তবে বেশকিছু ভাইরাল নিউমোনিয়া রয়েছে যার প্রতিরোধে এখনও কোনো টিকা আবিষ্কার হয়নি। সদ্যোজাতদের ক্ষেত্রে হুপিংকাশি থেকে নিউমোনিয়া সংক্রমণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রতিরোধেরও কোনও উপায় নেই। এমন পরিস্থিতিতে সদ্যোজাতর আশেপাশে যারা আসেন তাদের কিছু নিয়ম মানা জরুরি। যার মধ্যে মাস্ক পরা, প্রয়োজনীয় টিকাকরণ অন্যতম।

নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সাধারণ কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। এগুলো হচ্ছে-

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।

নিয়মিত হাত ধোয়া।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুকে ভিটামিন-এ খাওয়ানো যেতে পারে।

বাড়ির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা।

ঘরোয়া বায়ুদূষণ কমানো।

বাড়িতে উনুন বা রান্নার ধোঁয়া, সিগারেটের ধোঁয়া, ধুলো-ময়লা থেকেও ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

বিশুদ্ধ পানীয় জল, শৌচালয়ের সু-ব্যবস্থা।

মাস্কের ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা।

ভিড় থেকে ছোটদের দূরে রাখা।

অসুস্থদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।

গত ১১ বছরে সচেতনতা বাড়ায় মৃত্যু হার অনেকাংশে কমিয়ে আনা গেছে। আগামী ২০২৫ সালে শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে তিনের নিচে নামিয়ে আনাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের লক্ষ্য।

 


আরও খবর