আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

সুন্দরবনের বাঘ লোকালয়ে, আতঙ্কে গ্রামবাসী

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৬৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শরণখোলা প্রতিনিধি:

সুন্দরবন থেকে বাঘ লোকালয়ের প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতরে ডুকে পড়েছে।  শুক্রবার (৬ মে) রাত ৮টায় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার বানিয়াখালী গ্রামে বাঘ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসী। এর পর মাইকিং করে গ্রামবাসীকে সতর্ক করা হয়।  খবর পেয়ে বনরক্ষীদের একটি দল ওই গ্রামে ছুটে গেছে। শনিবার (৭ মে) সকালে বাঘটির পায়ের ছাপ দেখে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন বনরক্ষীরা।

বানিয়াখালীর ইউপি সদস্য ছিদ্দিক গাজী জানান, সুন্দরবন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পূর্বদিকে পশ্চিম বানিয়াখালী ৩৭ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন মাঠে স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন হাওলাদার গরু আনতে যান। এ সময় টর্চ লাইটের আলোতে তিনি গরুর সঙ্গে সুন্দরবনের একটি বাঘ দেখতে পান। এ সময় তার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে লাঠিসোটা নিয়ে তাড়া করলে বাঘটি পালিয়ে যায়।

শরণখোলা থানার ওসি মো. ইকরাম হোসেন জানান, খবর পেয়ে ওই রাতেই পুলিশের একটি দল বানিয়াখালী গ্রাম পরিদর্শন করে।

বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে বনকর্মীরা সবসময় সতর্ক আছেন। এ ছাড়া কমিউনিটি প্যাট্রলিং দল (সিপিজি) ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিমের (ভিটিআরটি) সহযোগিতায় গ্রামে গ্রামে মাইকিং করাসহ জনসাধারণকে সচেতন করে চলছেন। বাঘ লোকালয়ে গেলে বনে ফিরিয়ে আনতে বনরক্ষীদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



১০ দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৯৭

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদযাত্রা ও ঈদ উদযাপনের গত ১০ দিনে সারা দেশে ৯৭ জন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৫১ জনই ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক। অর্থাৎ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৫৭ শতাংশের বয়স ছিল ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত সারা দেশে ১৭৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ২৪৯ জন। নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন ৯৭ জন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। নিহত ৫১ জনের বয়স ছিল ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। অর্থাৎ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৫৭ শতাংশ ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এত বেশি নিহতের কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ঈদযাত্রায় গণপরিবহনের বিকল্প হিসেবে মোটরসাইকেল ব্যবহৃত হয়েছে। তাই দুর্ঘটনাও বেশি হয়েছে।

সংস্থাটির অপর একটি পরিসংখ্যান বলছে, গত ১ মে থেকে ৫ মে পর্যন্ত ১১২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৩৯ জন নিহত হয়েছেন। একই সময় ৫৬ জন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ৪০ দশমিক ২৮ শতাংশ।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শহর থেকে মানুষ গেছে। এই যাত্রায় বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনের পাশাপাশি এবার ব্যাপকহারে যুক্ত হয়েছে মোটরসাইকেল। যেসব মোটরসাইকেল রাজধানীতে রাইড শেয়ার করত, তারাই বাড়ি যাওয়ার সময় নিজ নিজ এলাকার যাত্রীদের নিয়ে চলে গেছে। মোটরসাইকেলের চাপে এবার ফেরিঘাটগুলোতে আলাদা ফেরি দিতে হয়েছিল। আর এ কারণে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাও বেশি ছিল।

মোটরসাইকেল গণপরিবহন না, তবে গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সড়কের ঝুঁকি আরো বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এখন অনেকেই কোনোরকম মোটরসাইকেল চালানো শিখেই রাস্তায় যাত্রী বহন করতে নেমে পড়ছে। এতে যাত্রী ও চালকের দু’জনেরই ঝুঁকি বাড়ছে।

‘মানুষ বাধ্য হয়ে গণপরিবহন হিসেবে মোটরসাইকেল ব্যবহার করছে’ বলে মনে করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের গণপরিবহন ব্যবস্থা নাজুক। তাই মানুষ মোটরসাইকেলকে বিকল্প হিসেবে দেখছে। এতে অনেকে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারলেও তাদের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে।’

তিনি বলেন, গণপরিবহন ব্যবস্থা জনবান্ধব করলে এসব মৃত্যু থেকে মানুষকে রক্ষা করা যাবে।’


আরও খবর



সার কারখানার পানি খেয়ে ১৩ মহিষের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানাধীন রাঙ্গাদিয়া এলাকায় চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানির (সিইউএফএল) বর্জ্যের বিষাক্ত পানি খেয়ে ১৩ মহিষের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৪ এপ্রিল) সিইউএফএল কারখানার পশ্চিমে মাঝের চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগেও গত ১৪ এপ্রিল একইভাবে আরও দুটি গরুর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা ঘটনা তদন্ত করে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিইউএফএল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জসিম উদ্দীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বারশত ইউনিয়নের মাঝের চরে এলাকায় সিইউএফএলের সার কারখানার পশ্চিমে খালের বিষাক্ত বর্জ্যের পানি পান করে স্থানীয় পারকি এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহিম, ইছহাক, নূর মোহাম্মদ ও ইলিয়াসের ১৩টি মহিষ মারা যায়। মহিষগুলোর আনুমানিক মূল্য ২২ লাখ টাকা বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

তাদের অভিযোগ, শনিবার রাতে সিইউএফএল কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই বিষাক্ত বর্জ্য খালে অপসারণ করে। এতে খালের পানি বিষাক্ত হয়ে পড়ে। ওই পানি পান করে ১৩ মহিষের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী রোববার দুপুরে মৃত মহিষগুলো উদ্ধার করে সিইউএলএফ কারখানা গেটের সামনে নিয়ে আসেন। পরে ক্ষতিগ্রস্তরা সার কারখানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

মহিষের মালিক মো. ইলিয়াছ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, সিইউএফএল কর্তৃপক্ষ স্থানীয়দের কোনো ধরনের অবহিত না করে বিষাক্ত বর্জ্য খালে ছেড়ে দেয়। ওই পানি খেয়ে আমাদের গরু মহিষ মারা যাচ্ছে। বার বার এধরনের ঘটনা ঘটলেও আমরা ঠিকমত ক্ষতিপূরণ পাই না। তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর কয়েক দফা এ ধরনের ঘটনা ঘটলেও কারখানা কর্তৃপক্ষকে টনক নড়ে না।

সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান স্থানীয়দের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বর্তমানে সিইউএফএল কারখানায় উৎপাদন চলমান আছে। আর কারখানা উৎপাদন চলাকালীন কোনো ধরনের বর্জ্য অপসারণ করা হয় না। গত ১৪ এপ্রিল যে দুটি গরু মারা গেছে সে ঘটনায় আমরা পানির নমুনা পরীক্ষা করে দেখেছি, এসব বর্জ্য মিশ্রিত পানি সিইউএফএল সার কারখানার ছিল না। এসব বর্জ্য ডিএপি সার কারখানার।

নিউজ ট্যাগ: মহিষের মৃত্যু

আরও খবর



‘নিখোঁজ’ নুসরাতের সন্ধান চেয়ে পোস্টার!

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিতর্কিত মন্তব্য বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা সময়ে খবরের শিরোনামে থাকেন টলিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। তবে, সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে চোখ রাখলে সারাক্ষণই সক্রিয় থাকতে দেখা যায় তাকে। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকার মধ্যেই হঠাৎ শোনা গেল নিখোঁজ নুসরাত জাহান! হ্যাঁ, এমন পোস্টারেই সয়লাব হাড়োয়া বিধানসভার চাপাতলা পঞ্চায়েত এলাকা।

ক্ষমতাসীনদের দ্বন্দ্বের জেরেই এই ধরনের পোস্টার লাগানো হয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতারা। দেগঙ্গা ব্লকের হাড়োয়া বিধানসভার চাপাতলা পঞ্চায়েতটি বসিরহাট লোকসভার অন্তর্গত। সোমবার এই পঞ্চায়েতের কেয়াডাঙা এবং চাপাতলা এলাকায় অভিনেত্রী-সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানের নামে নিখোঁজ এবং সন্ধান চাই পোস্টার দেখা যায়। কোন পোস্টারের নিচে লেখা সাধারণ জনগণ, আবার কোনটায় লেখা প্রতারিত জনগণ। ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।

তৃণমূলের একাংশের দাবি, ঘটনাটি নুসরাতের উপর এলাকাবাসীর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এই প্রসঙ্গে দেগঙ্গার চাপাতলা পঞ্চায়েতের প্রধান হুমায়ুন রেজা চৌধুরী বলেন, গত ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বসিরহাটের সংসদ সদস্য ছিলেন হাজি নুরুল ইসলাম। এলাকার উন্নয়নসহ সব কাজে সাধারণ মানুষ থেকে তৃণমূলের কর্মীরা তাকে কাছে পেয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে তৃণমূল সংসদ সদস্যকে পাওয়াই যায় না। সম্ভবত সেই কারণেই এলাকার মানুষ এই ধরনের পোস্টার লাগিয়েছে। তবে বিষয়টি জানার পরেই দলের কর্মীদের দিয়ে পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয় বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে নুসরাতের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাদের দাবি, এটা বিরোধীদের কাজ। কোনও ইস্যু না থাকার কারণেই বিরোধীরা এই ধরনের কুৎসা রটাচ্ছেন। এলাকার উন্নয়নে নুসরাতের ভূমিকা রয়েছে। স্থানীয় নেতাদের সঙ্গেও তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন।  তৃণমূলের চাপাতলা অঞ্চলের সভাপতি আব্দুল রাজ্জাক বলেন, বিষয়টি শুনেছি। যারাই কাজটি করুক না কেন, অন্যায় কাজ হয়েছে।

এদিকে, তারকা সংসদ সদস্যের অনুপস্থিতির অভিযোগে ক্ষুব্ধ বসিরহাটের সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, বসিরহাট উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভার তৃণমূলের একাংশও। তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের একাংশের অভিযোগ, তিনি ধূমকেতু। বসিরহাটে শুধু প্রচার করতে আসেন। করোনাকালে বসিরহাটে তাকে দেখা যায়নি। গত বছর আমফানের সময়ও মানুষ তাকে পাশে পায়নি। তবে এ নিয়ে এখনও অভিনেত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



একাধিক ফিটনেস ফিচারসহ আসছে স্মার্টওয়াচ

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্মার্টফোনের বাজারে নিজেদের পোক্ত স্থান দখল করার পর স্মার্টওয়াচে মনোযোগ দিয়েছে হুয়াওয়ে। এবার নতুন আরও একটি স্মার্টওয়াচ নিয়ে এলো সংস্থাটি। যার নাম হুয়াওয়ে ওয়াচ ফিট ২ স্মার্টওয়াচ। ১.৭৪ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লেতে অসংখ্যা ফিটনেস ফিচারসহ আসছে স্মার্টওয়াচটি। স্মার্টওয়াচটি প্রেস টু রিলিজ লিংক ডিজাইনের সঙ্গে আসছে। ফলে ইউজাররা তাদের পছন্দমতো এর ব্যান্ড পরিবর্তন করতে পারবেন। হুয়াওয়ে ওয়াচ ফিট ২ স্মার্টওয়াচটি ১.৭৪ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লের সঙ্গে এসেছে, যার রেজোলিউশন ৩৩৬x৪৮০ পিক্সেল।

স্মার্টওয়াচটিতে থাকছে অলওয়েজ অন ডিসপ্লে এবং ওয়াচফেস স্টোর থেকে ঘড়িটির বিভিন্ন ওয়াচফেস ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে। এছাড়া ঘড়িটির ডানদিকে রয়েছে একটি বাটন এবং এটিকে স্পর্শের মাধ্যমে চালনা করা সম্ভব।

অন্যদিকে, অ্যাক্টিভ এডিশন মডেলে পলিমার ফ্রন্ট এবং রেয়ার কেস দেওয়া হয়েছে। ক্লাসিক এবং এলিগ্যান্ট এডিশনে রয়েছে পলিমার রেয়ার কেসের সঙ্গে এলমিনিয়াম ফ্রন্ট কেস। হুয়াওয়ে ওয়াচ ফিট ২ স্মার্টওয়াচে পছন্দমতো ফটো ওয়াচফেস হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য হুয়াওয়ে হেলথ অ্যাপ কিংবা ওয়ানহোপ অ্যাপের সাহায্য নিতে হবে ব্যবহারকারীদের।

ঘড়িটিতে একাধিক ফিটনেস ফিচার উপস্থিত। এর মধ্যে থাকছে সাইক্লিং রানিং সুইমিং ইত্যাদি। এছাড়াও ঘড়িটি রিয়েল টাইম রানিং ডেটা, সিডেন্টারি রিমাইন্ডার জানান দেওয়ার পাশাপাশি এবং ৯৭ টি ওয়াকআউট মোড সাপোর্ট করবে। হেলথ ফিচার হিসেবে থাকছে ব্লাড অক্সিজেন লেভেল, হার্ট রেট মনিটর, স্লিপ এবং স্ট্রেস ট্র্যাকার। স্মার্টওয়াচটি একবার চার্জে এটি ১০ দিন পর্যন্ত চলবে। এছাড়া ঘড়িটিকে ম্যাগনেটিক চার্জারের মাধ্যমেও চার্জ দেওয়া যাবে। এর কানেক্টিভিটি অপশনে থাকছে ওয়াইফাই এবং ব্লুটুথ ৫.২ সাপোর্ট। স্মার্টওয়াচটিতে ব্লুটুথ কলিং ফিচার, মিউজিক কন্ট্রোল এবং ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট সাপোর্ট করবে।

পানি থেকে সুরক্ষা দিতে ৫এটিএম রেটিংসহ এসেছে স্মার্টওয়াচটি। অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস উভয় ডিভাইসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নতুন এই স্মার্টওয়াচটি অ্যাক্টিভ এডিশন, ক্লাসিক এডিশন এবং এলিগ্যান্ট এডিশন এই তিনটি মডেলে পাবেন। এর মধ্যে অ্যাক্টিভ এডিশন সিলিকন স্ট্র্যাপের, ক্লাসিক এডিশন লেদার স্ট্র্যাপের এবং এলিগ্যান্ট এডিশন মেটাল স্ট্র্যাপযুক্ত। ইউরোপীয় বাজারে হুয়াওয়ে ওয়াচ ফিট ২ অ্যাক্টিভ এডিশনের দাম করা হয়েছে ১৪৯ ইউরো (প্রায় ১৪ হাজার টাকা)। এটি আইজেল ব্লু ,মিডনাইট ব্লাক এবং সাকুরা পিংক এই তিনটি কালারের স্ট্র্যাপ অপশনে এসেছে। ঘড়িটির ক্লাসিক এডিশনের দাম ধার্য করা হয়েছে ১৯৯ ইউরো (প্রায় ১৮ হাজার টাকা)। এটি মুন হোয়াইট এবং নেবুলা গ্রে কালার স্ট্র্যাপে পাওয়া যাবে। এলিগ্যান্ট এডিশনের দাম পড়বে ২৪৯ ইউরো (প্রায় ২৩ হাজার টাকা)। এটি প্রিমিয়াম গোল্ড এবং সিলভেরফ্রস্ট মিলানিস স্ট্র্যাপ অপশনে পাওয়া যাবে।


আরও খবর



‘জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগ নেই’

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, র‌্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ রয়েছে তার সুরাহার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ এবং বাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই।

আজ রোববার রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্ট্যাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত একথা বলেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশের র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং এই বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে আসছে বাংলাদেশ সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ অংশীদারত্ব নিয়ে সেমিনারে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, র‌্যাব এখন যেভাবে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করছে, সেইভাবে বাহিনীটিকে কার্যকর দেখতে চান তারা। তবে তাদের মৌলিক মানবাধিকারও মেনে চলতে হবে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে জোরাল নিরাপত্তা সহযোগিতা রয়েছে। র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা এই সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদ দমন, সীমান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করে যাবে বলে জানান পিটার হাস।


আরও খবর