আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

আর বিনামূল্যে নয় টুইট : ইলন মাস্ক

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টুইটার ব্যবহার করতে আগামী দিনে টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্বের শীর্ষধনী ইলন মাস্ক। তবে সবাইকে টাকা খরচ করতে হবে না, কেবলমাত্র বাণিজ্যিক ও সরকারি ব্যবহারকারীদের টুইটার ব্যবহারে খরচ করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৪ মে) এক টুইটে ইলন মাস্ক এ তথ্য জানিয়েছন। তিনি বলেন, টুইটার সবসময়ই সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি থাকবে। তবে বাণিজ্যিক/সরকারি ব্যবহারকারীদের জন্য সামান্য খরচ করতে হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে জানতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে টুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা কোনো মন্তব্য করেনি।

সব জল্পনা-কল্পনা এবং দরদামের পর টুইটার কিনে নিয়েছেন ইলন মাস্ক। এই মাইক্রো ব্লগিং সাইটটি কিনতে মাস্কের খরচ পড়েছে ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরই মধ্যে সংস্থার সব কর্মীর কাছে একটি মেইল করে পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন টুইটারের সিইও পরাগ আগরওয়াল। ২৫ এপ্রিল পুরো বিষয়টি সম্পন্ন হয়।

টুইটার কিনে নেওয়ার পর থেকেই এতে বেশকিছু পরিবর্তন আনার বিষয়ে চিন্তাভাবনার কথা জানান টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্ক। তিনি জানান, টুইটারের ফিচারে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হবে। ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে টুইটারের অ্যালগরিদমে পরিবর্তন আনার কথাও জানান তিনি।

 

 


আরও খবর



হলিউডকে নকল করতে গিয়ে ডুবছে বলিউড : রবিনা ট্যান্ডন

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৫৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাহুবলী থেকে পুষ্পা বা হাল আমলের আরআরআর বা কেজিএফ ২। বলিউডকে যেন প্রতি ম্যাচে বলে বলে ১০ গোল দিচ্ছে দক্ষিণী সিনেমাগুলি।কেন এমন অবস্থা? তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন কেজিএফ ২ অভিনেত্রী রবিনা ট্যান্ডন।

রবিনার মতে হলিউডের ছবিকে নকল করতে গিয়েই ডুবছে বলিউড।হলিউডের অন্ধ অনুকরণ মানুষ ভাল চোখে দেখছেন না।দক্ষিণের ছবির সাফল্যের রহস্যও তিনি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, দক্ষিণের ছবি তৈরি হয় দেশীয় গল্পের উপর ভিত্তি করে।

এর ফলে দর্শকরা নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন গল্পের সঙ্গে। রবিনার মতে, এটাই হল দক্ষিণের ছবির সাফল্যের রহস্য।এ প্রসঙ্গে তিনি নব্বই দশকের বলিউড ছবির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন।রবিনা বলেন, ওই সময় পর্যন্ত গান ও গল্পে ছিল দেশীয় ছোঁয়া। তার পর থেকে হলিউডের নকল করা শুরু হয়।

রবিনার মতে, বলিউড ছবিতে পশ্চিমী সংস্কৃতির প্রভাব, নায়কের বা ভিলেনের চপারে যাতায়াতএ সব আরও দূরে সরিয়েছে ভারতীয় দর্শককে।অন্য দিকে, দক্ষিণী ছবিতে দেশের গল্প, দেশীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া থাকার ফলে মানুষের মধ্যে তার আকর্ষণ বাড়ছে। এমনকি অ-হিন্দিভাষী ভারতীয়রাও দক্ষিণের ছবি দেখতে হলে ভিড় করছে।

রবিনা নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমি নিজেও যখন স্ক্রিপ্ট পড়তাম, তখন বুঝতে পারতাম কোথাও যেন গল্পগুলো আলাদা হয়ে যাচ্ছে। দেশের সংস্কৃতি এবং ভাবনার সঙ্গে মিলছে না।রবিনা মনে করেন, হাল আমলে বলিউড ছবির পশ্চিমীকরণের শুরু হয়েছে যশরাজ এবং ধর্মা প্রোডাকশনসের হাত ধরে। দুটিই বর্তমানে বলিউডে সবচেয়ে বড় প্রোডাকশন হাউস।

একটা সময় অবধি মানুষ তাদের প্রযোজিত ছবিগুলি পছন্দ করেছেন। কিন্তু লাগাতার পশ্চিমী সংস্কৃতির প্রাধান্যে দর্শক দূরে সরেছেন সেই ধরনের ছবিগুলি থেকে।আয়ের অঙ্কেও সম্মিলিত দক্ষিণী চলচ্চিত্র (তেলুগু, তামিল, কন্নড় এবং মালায়লাম) বলিউডকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

২০২১ সালে বক্স অফিসের হিসাবে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে তেলুগু সিনেমা।দক্ষিণী ছবির বিষয়বস্তু বেছে নেওয়া হয় বৃহৎ অংশের দর্শকদের কথা মাথায় রেখে। অল্লু অর্জুনের পুষ্পার কথাই ধরা যাক। এই ছবির বিষয়বস্তু একেবারেই অনন্য। গল্প বলার পদ্ধতিতেও নিজস্বতা রয়েছে।শুধু বিষয়বস্তু নয়, দক্ষিণী অভিনেতারাও মন ছুঁয়ে যাচ্ছেন দর্শকের। অভিনেতার স্টাইলও সাফল্যের একটি অন্যতম সূত্র।

যে স্টাইলের শুরু করেছিলেন রজনীকান্ত, তা বজায় রেখেছেন তেলুগু তারকা অল্লু অর্জুন, প্রভাস, মহেশ বাবু, জুনিয়র এনটিআর এবং রাম চরণ।আর্থিক বিশেষজ্ঞ রমেশ বালার মতে, সিনেমার বৃহত্তর বাজারকে এড়িয়ে যাচ্ছে বলিউড। আর সেই জায়গাতেই ঢুকে পড়ছে দক্ষিণী ছবি।

রমেশের মতে, বলিউড গত কয়েক বছর ধরে সিনেমার যে বৃহৎ বাজার রয়েছে, তাকে উপেক্ষা করছে। রাজকুমার রাও, আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত চলচ্চিত্রগুলি বৃহত্তর ভারতীয় দর্শককে ছুঁতে পারে না।অক্ষয়কুমার সামাজিক বার্তাবাহী ছবি টয়লেট: এক প্রেম কথা কিংবা পুরোদস্তুর কৌতুকধর্মী করছেন। রমেশের প্রশ্ন, দক্ষিণ কি এই ধরনের ছবি করবে? বরং তারা বিজিল, বিস্ট বা পুষ্পার মতো ছবি তৈরি করবে, যা বৃহৎ অংশের দর্শককে ধরবে।

তা হলে হাতে রইল কী? স্রেফ নিজস্বতা এবং দেশের মানুষ যে ধরনের গল্প পছন্দ করেন, তেমন সিনেমা করেই বাজিমাত করছে দক্ষিণ।

নিউজ ট্যাগ: রবিনা ট্যান্ডন

আরও খবর



মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার প্রদান কার্যক্রমে ইউওন'র প্রেস ব্রিফিং

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৯৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মোংলা প্রতিনিধি:

মোংলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহারের ঘরে উঠছেন ১৪০টি পরিবার। আশ্রয়ণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে দেয়া এই ঘরে কেউ ইতিমধ্যে উঠছেন আবার কেউ কেউ উঠার অপেক্ষায় রয়েছেন। সোমবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার।

তিনি বলেন, উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের মাকড়ঢোন এলাকায় নির্মিত হচ্ছে ঘরগুলো। বেশির ভাগ ঘরেরই কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। পৌরসভার শেষ সীমান্তে ও উপজেলার চাঁদপাই এবং বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের মাঝে আন্তর্জাতিক মোংলা-ঘাষিয়াখালী বঙ্গবন্ধু চ্যানেলের পাড়ে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক এ ঘরগুলো।

 সেখানকার পরিবেশ দেখে যে কেউই ভাববেন এটি কোন রিসোর্টই হবে। এখানে ঘরের পাশাপাশি খোলা জায়গা ও পুকুর রয়েছে। রয়েছে ক্ষেত ও ফসল চাষের মাঠও। নতুন এ ঘরে দেয়া হচ্ছে বিদ্যুৎ সংযোগও। প্রত্যেক পরিবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘর ও জমির কাগজপত্র বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

তৃতীয় পর্যায়ের এ ঘরগুলো পূর্বের দুই দফায় দেয়া ঘরের চেয়ে মজবুত ও ব্যয়বহুলও। এবারের প্রতিটি এ ঘরে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। এর আগে প্রতিটিতে ব্যয় ছিলো ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন, অত্যন্ত সুন্দর একটি পরিবেশে এ ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। ঘর নির্মাণে মানসম্মত সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে খুব টেকসই হয়। কাজ শেষ পর্যায়ে উপকারভোগীরা নতুন এ ঘরেই ঈদ করতে পারবেন। 


আরও খবর



ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪৩, আহত ৮৬৮

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদুল ফিতরের ১৫ দিনে সড়ক, রেল ও নৌ-পথে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪০২টি। এতে নিহত হয়েছেন ৪৪৩ জন। আহত ৮৬৮ জন। এর মধ্যে সড়কে ৩৭২টি দুর্ঘটনায় ৩৭৬ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ৮৪৪ জন। বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২৬ এপ্রিল থেকে ঈদ শেষে কমস্থলে ফেরা ১০ মে পর্যন্ত গত ১৫ দিনে ৩৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ জন নিহত ও ৮৪৪ জন আহত হয়েছেন। ২০২১ সালের ঈদুল ফিতরে যাতায়াতের সঙ্গে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ১৪.৫১ শতাংশ, নিহত ২২.৩৫ শতাংশ এবং আহত ২৬.৩০ শতাংশ বেড়েছে। উল্লেখিত সময়ে রেলপথে ২৭টি দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ৩টি দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১৬৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৪৫ জন নিহত, ১১০ জন আহত হয়েছে। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৪৪.০৮ শতাংশ, নিহতের ৩৪.৮৫ শতাংশ এবং আহতের ১৩.০৩ শতাংশ প্রায়।

আরও বলা হয়, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩৩.৮৭ শতাংশ মহাসড়কে, ৪৪.৩৫ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে, ১৩.৪৪ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এছাড়াও সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.৮৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ২.৪১ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে সংঘটিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজ্জাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এবারের ঈদে করানো সংক্রমণ কম থাকার কারণে বেশি মানুষের যাতায়াত হয়। বিগত ২ বছর করানো সংকটের কারণে গণপরিবহন বন্ধ-চালুর ফাঁকে প্রায় ১০ লাখ মোটরসাইকেল ও ২০ লাখ ইজিবাইক রাস্তায় নামে। ফলে এবারের ঈদযাত্রায় ২৫ লাখ মোটরসাইকেল, ৪০ লাখ ইজিবাইক বহরে থাকার পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার উল্লেখযোগ্য তৎপরতার কারণে ঈদ যাত্রা খানিকটা স্বস্তিদায়ক হলেও সড়ক দুর্ঘটনা বরাবরের মতো বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার এই চিত্রকে একটি প্রতীকী চিত্র বলা চলে। প্রকৃতপক্ষে দেশে বর্তমানে মামোটরসাইকেল ও ইজিবাইক ক্যান্সারের মতো বেড়ে যাওয়ার কারণে পঙ্গু হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ পঙ্গু রোগী ভর্তি হলেও ঈদের এইসময়ে ২০০ থেকে ২৫০ জন হারে প্রতিদিন রোগী ভর্তি হয়েছে। যার ৬০ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৫ শতাংশ ইজিবাইক দুর্ঘটনায় শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ২'শতাধিক সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে। দেশের বিভাগীয় হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৮০ থেকে ১০০ সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে। জেলা সদর হাসপাতালে ও আক্রান্ত রোগীর যে ধরনের ভয়াবহ চিত্র দেখা যায় প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের চিত্র সংবাদপত্রে উঠে আসে না বলেই আমরাও এই ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরতে পারি না।

তিনি আরাও বলেন, সড়ক, রেল ও নৌ পথের উন্নয়নে সরকার কয়েক লাখ কোটি টাকার প্রকল্প প্রায় একযুগ ধরে বাস্তবায়ন করে আসছে। তিনি মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের আমদানি বন্ধের পাশাপাশি গণপরিবহনকে বিকশিত করার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মলনে বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, প্রতি বছর ৫ লাখ মোটরসাইকেল বিপণন করে কোম্পানিগুলোর ৫ হাজার কোটি টাকা আয় হলেও দুঘটনায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

তিনি বেশি সিসির মোটরসাইকেল অনুমোদন দেওয়ায় বিআরটির সমালোচনা করেন। এ সিদ্ধান্ত দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার জন্য বিষ ফোড়া হয়ে দাঁড়াবে। আমরা এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহবান জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্যরা বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইন দৈনিক এ প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করে।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ: জেলেদের ১৬৭৫২ মেট্রিক টন ভিজিএফ বরাদ্দ

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ৬৫ দিন (২০ মে-২৩ জুলাই) মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারের মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৬ হাজার ৭৫১ দশমিক ৫৬ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। উপকূলীয় ১৪ জেলার ৬৭ উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ১৩৫ টি জেলে পরিবারের জন্য এ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এর আওতায় নিবন্ধিত প্রতিটি জেলে পরিবারকে ১ম ধাপে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে ৪২ দিনে (২০ মে-৩০ জুন) মোট ৫৬ কেজি চাল প্রদান করা হবে।

গত ১২ মে (বৃহস্পতিবার) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এ সংক্রান্ত মঞ্জুরী আদেশ জারী করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ভিজিএফের চাল ১০ জুন ২০২২ তারিখের মধ্যে উত্তোলন ও মৎস্যজীবীদের মাঝে বিতরণ সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কার্ডধারী জেলে ব্যতীত এ ভিজিএফ প্রদান না করা এবং মৃত কিংবা পেশা পরিবর্তনের কারনে জেলে সংখ্যার পরিবর্তন হলে তা পর্যালোচনা করে নীতিমালা অনুযায়ী ভিজিএফ বিতরণের জন্য মঞ্জুরীপত্রে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বরাদ্দপ্রাপ্ত উপজেলাগুলো হলো খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা, দাকোপ, পাইকগাছা, কয়রা, ডুমুরিয়া, দিঘলিয়া ও রূপসা, বাগেরহাট জেলার মোংলা, মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি ও শ্যামনগর, চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী, আনোয়ারা, মিরসরাই, সন্দ্বীপ, কর্ণফুলী, সীতাকুন্ড ও চট্টগ্রাম মহানগর, কক্সবাজার জেলার সদর, চকরিয়া, মহেশখালী, উখিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, টেকনাফ ও রামু, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া, সদর, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জ, ফেনী জেলার সোনাগাজী, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি, সদর, কমলনগর ও রায়পুর, বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ, হিজলা, সদর ও উজিরপুর, ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর, বরগুনা জেলার সদর, পাথরঘাটা, আমতলী ও তালতলী, পিরোজপুর জেলার সদর, মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া, নাজিরপুর, নেছারাবাদ, কাউখালি ও ইন্দুরকানি, পটুয়াখালী জেলার সদর, কলাপাড়া, বাউফল, দুমকি, মির্জাগঞ্জ, গলাচিপা, রাঙ্গাবালি ও দশমিনা এবং ভোলা জেলার সদর, বোরহানউদ্দিন, চরফ্যাশন, দৌলতখান, লালমোহন, তজুমুদ্দিন ও মনপুরা।

উল্লেখ্য সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য চলতি বছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে গত ২৪ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



আজ জি৭ নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসছেন জেলেনস্কি

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গ্রুপ অব সেভেন বা জি-৭ জোটের নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। হোয়াইট হাউসের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় আজ রোববার দুপুরে বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে।

আজকের আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ পরিস্থিতির পাশাপাশি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ওপর আলোকপাত করবেন নেতারা। আগামীকাল (৯ মে) মস্কো বিজয় দিবস উদ্‌যাপন করবে। এর এক দিন আগে জি৭ নেতারা জেলেনস্কির সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসছেন।

জি৭ হচ্ছে জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি জোট। ইউরোপীয় ইউনিয়নও জি৭-এ প্রতিনিধিত্ব করে। এ সাতটি দেশ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল স্বীকৃত বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশ।


আরও খবর