আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

ভারতে রেকর্ড দাবদাহে আকাশ থেকে পড়ছে পাখি

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতে বইছে তীব্র দাবদাহ, বিশেষ করে গুজরাটে। কমে গেছে পানির উৎস। সেখানে পানি শূন্যতায় ভুগছে পাখিরা। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদিন আকাশ থেকে উড়ন্ত পাখি মাটিতে পড়ছে। রাজ্যটির উদ্ধারকর্মীরা এরই মধ্যে কয়েকডজন পাখি উদ্ধার করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়। কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্মে দক্ষিণ এশিয়ার বড় অংশ শুকিয়ে যাচ্ছে। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগুন ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

আহমেদাবাদের অলাভজনক জীবদয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দ্বারা পরিচালিত একটি পশু হাসপাতালের চিকিৎসকারা বলেছেন, গত কয়েক সপ্তাহে তারা হাজার হাজার পাখির চিকিৎসা করেছেন। তাছাড়া উদ্ধারকারীরা প্রতিদিন আকাশের বেশি ওপরে উড়ে এমন কয়েক ডজন পাখি নিয়ে আসছেন বলেও জানান তারা।

মনোজ ভাবসার বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে চলতি বছরের পরিস্থিতি বেশি খারাপ। এই সময়ে প্রচণ্ড তাপদাহে আক্রান্ত পাখির সংখ্যা ১০ শতাংশ বেড়েছে। মনোজ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পাখিদের উদ্ধার করছেন ও ট্রাস্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।

গুজরাটের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে হিট স্ট্রোক ও অন্যান্য তাপ-সম্পর্কিত রোগের জন্য হাসপাতালগুলোতে বিশেষ ওয়ার্ড স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: ভারত

আরও খবর



কানাডায় খাদ্যশস্য উৎপাদন বাড়ার পূর্বাভাস ইউএসডিএর

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০২২-২৩ মৌসুমে কানাডায় খাদ্যশস্য উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবাদি জমির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং মাটিতে আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায় এমন সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২-২৩ মৌসুমে কানাডায় খাদ্যশস্য উৎপাদন ৩০ শতাংশ বাড়বে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫ কোটি ৮০ লাখ টনে। বসন্তকালীন গম, দুরাম ও জইয়ের আবাদ লক্ষণীয় মাত্রায় বেড়েছে। কানাডার অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য আবাদি অঞ্চল আলবার্টা ও পশ্চিম সাসক্যাচুয়ান। এসব অঞ্চলে খরা পরিস্থিতি কতটুকু দীর্ঘায়িত হয় তার ওপরই সংস্থাটির এ পূর্বাভাস নির্ভর করছে। এ ঝুঁকি কেটে গেলে পূর্বাভাস মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে ইউএসডিএ।

কানাডায় খরার কারণে চলতি মৌসুমে খাদ্যশস্য উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। আবাদের পরিমাণও ছিল নিম্নমুখী। এ কারণে ২০২২-২৩ মৌসুমে কয়েক বছরের সর্বনিম্নে নামতে পারে গম, যব ও জইয়ের প্রাথমিক মজুদ। ভুট্টার প্রাথমিক মজুদ কমে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টনে নামার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ শস্যটির মজুদ আট বছরের সর্বনিম্নে নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পশুখাদ্য উৎপাদনে ঊর্ধ্বমুখী স্থানীয় চাহিদাকে এর পেছনে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।

ইউএসডিএ বলছে, ২০২২-২৩ মৌসুমে কানাডায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার টন গম উৎপাদন হতে পারে। মৌসুম শেষে শস্যটির মজুদ দাঁড়াবে ৪০ লাখ টনে। ২০২২-২৩ মৌসুম শেষে গমের মজুদ ও ব্যবহারের অনুপাত কমে ১২ শতাংশে নামার পূর্বাভাস মিলেছে। ১৯৩৮ সালের পর এমন নিম্নমুখিতা দেখা যায়নি।

২০২২-২৩ মৌসুমে গম, যব ও জই রফতানি গত বছরের তুলনায় ৩২ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ। ফলন পরিস্থিতির উন্নতি দেশটির রফতানিযোগ্য গম সরবরাহ ৬০ লাখেরও বেশি বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শস্যটির মজুদ ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করবে বলে জানিয়েছে ইউএসডিএ। কারণ বিশ্বজুড়ে গমের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে শস্যটির সরবরাহ সংকট তীব্র। এদিকে ২০২২-২৩ মৌসুমে কানাডায় ৯৪ লাখ টন যব উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো দাম ও আবাদ বৃদ্ধির কারণে জই উৎপাদন ৪০ লাখ ৩০ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে।

আগামী মৌসুমে ভুট্টা উৎপাদন ১ কোটি ৩৬ লাখ টনে নামবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ। চলতি মৌসুমে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৮০ হাজার টন উৎপাদন হয়েছে। মূলত আবাদ কমে যাওয়ার কারণেই উৎপাদন কমতে পারে। অন্যদিকে ভুট্টা, যব, গম ও জই আমদানি ৪০ শতাংশেরও বেশি কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত পশুখাদ্য উৎপাদন খাতে ভুট্টা ও যবের নিম্নমুখী চাহিদা এতে ভূমিকা রাখবে।

নিউজ ট্যাগ: কানাডা

আরও খবর



জ্যাকলিনের সাড়ে ৭ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগে ইডি এবার তলব করল শ্রীলঙ্কান অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে। জানা গিয়েছে, প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তির মালিকানা রয়েছে তাঁর। যার মধ্যে ৫ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার সম্পদ সুকেশই তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন, কালো টাকা সাদা করতে।

ইডির অনুমান, সুকেশ তোলাবাজির অর্থ ব্যবহার করেই জ্যাকলিনের জন্য উপহার কিনেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি জ্যাকলিনের পরিবারের সদস্যদের জন্যও ১৭৩,০০০ মার্কিন ডলার এবং প্রায় ২৭,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের কাছাকাছি খরচ করেছেন। যার সবটাই বেআইনি পথে উপার্জন করা বলে জানা গিয়েছে। অতএব সেই সমস্ত সম্পত্তি এখন বাজেয়াপ্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে ইডি।

ওদিকে সুকেশের নামও অপরাধের খাতায় পরপর। রাজনীতিবিদ টিটিভি ধীনাকরণের সঙ্গে একটি পাঁচ বছরের পুরনো প্রতারণার মামলায় নাম জড়িয়ে রয়েছে সুকেশের। এবছর ৪ এপ্রিল তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।

গত বছর, ছদ্মবেশে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর স্ত্রীর কাছ থেকে ২১৫ কোটি টাকা তোলার জন্য সুকেশকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তাঁর সঙ্গে এবার জ্যাকলিনের নাম জড়াতে নতুন করে শোরগোল পড়ল।


আরও খবর



কোন মশলা নিয়মিত খেলে কম সময়ে কমবে পিঠের ব্যথা?

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সারা দিন কাজ করেন ল্যাপটপে মুখ গুঁজে। তার পর রয়েছে বাড়ির হাজার কাজ। ফলে রাতে যখন বিছানায় গিয়ে বালিশে মাথা ঠেকান, সেই মুহূর্ত থেকে শুরু হয়ে যায় নানা অঙ্গে ব্যথা।

কারও পায়ে ব্যথা বেশি হয়। কারও আবার হয় ঘাড় কিংবা পিঠে। একটু বেশি কাজের চাপ পড়লেই পিঠে ব্যথা হতেই থাকে। এমন সময়ে কী ভাবে মুক্তি মিলতে পারে সেই অস্বস্তি থেকে, তা বুঝে ওঠাই দায়!

কেউ কেউ ব্যথার ওষুধ খেয়ে ফেলেন বাধ্য হয়ে। কিন্তু নিয়মিত ব্যথা কমানোর ওষুধ স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। তা হলে কী খেলে কমবে ব্যথা?

একটি মশলায় কিন্তু মিলতে পারে আরাম। নিয়ম করে তা খেতে হবে। তা হলেই আর সারা দিন ঘাড় নিচু করে কাজ করলেও কষ্ট হবে না।

কোন মশলায় কমে ব্যথা?


দারচিনিতে রয়েছে নানা ধরনের উপকারী উপাদান। তাতে ফাইবার, ক্যালশিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক সব রয়েছে। থাকে নানা ধরনের অ্যান্ট-অক্সিড্যান্টও। সব কটি উপাদান মিলে শরীরের বিভিন্ন অংশে তৈরি হওয়া ক্ষত ঠিক করে। কমতে শুরু করে সব ধরনের ব্যথা।

কী ভাবে খাবেন দারচিনি?

সাধারণত বাঙালি বহু রান্নায় দারচিনি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু তা নিয়মিত খাওয়া হয়ে ওঠে না। নিয়ম করে দারচিনি খেতে হলে চায়ে মিশিয়ে খেতে পারেন। তাতে খানিকটা আরাম মিলবে। রোজ সকালে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস আর দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে চা খান। ক্রমশ কমতে থাকবে ব্যথার সমস্যা।

নিউজ ট্যাগ: দারচিনি

আরও খবর



️যশোরে ভুয়া চিকিৎসকের ৩ মাসের জেল ও লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যশোর চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা মল্লিক পাড়ায় ননী ফল নার্সারির আড়ালে যৌন ও ক্যান্সার চিকিৎসা প্রতারণা ও অবৈধভাবে ওষুধ তৈরির দায়ে খন্দকার কবীর হোসেনকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ সময় আরও ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস, ওষুধ প্রশাসন যশোরের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সৌম্য চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে এই জেল- জরিমানা করা হয়। সিভিল সার্জন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস জানান, খন্দকার কবীর হোসেন চিকিৎসক পরিচয়ে সাধারণ মানুষের সাথে দীর্ঘদিন প্রতারণা করে আসছিলেন। আসলে তিনি চিকিৎসক নন। কবীরের চিকিৎসা প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার তার ডেরায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় প্রতারণা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

এছাড়া তিনি চিকিৎসক হিসেবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। ফলে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন অনিযায়ী ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। সিভিল সার্জন আরও জানান, এছাড়া কবীরের চিকিৎসা কার্যক্রমের চেম্বার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

 ওষুধ প্রশাসন যশোরের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান জানান, ওষুধ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই তিনি অবৈধভাবে নিম্নমানের ওষুধ করে বিক্রি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও বিক্রির প্রমান পাওয়ায় ওষুধ আইনের ১৯৪০ এর ১৮ ও ২৭ ধারা অনুযায়ী ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। কবীরের তৈরি ভুয়া ওষুধ জব্দ করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। অভিযানকালে সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রেহেনেওয়াজ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ও র‌্যাব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



চলতি দশকে বিক্রি দ্বিগুণ করার লক্ষ্য ক্যাসিওর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক পণ্য বিক্রি ৫০ হাজার কোটি ইয়েনে (৩৮৩ কোটি ডলার) উন্নীত করতে চায় ক্যাসিও কম্পিউটার। এ বিক্রি লক্ষ্যমাত্রা ৩১ মার্চ শেষ হওয়া অর্থবছরের প্রায় দ্বিগুণ। উচ্চমূল্যের ঘড়ি এবং উদীয়মান বাজারগুলোয় নতুন গ্রাহকদের কাছে ব্যবসা বিস্তৃত করার লক্ষ্য জাপানি বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির। খবর নিক্কেই এশিয়া। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অনুসারে, ক্যাসিওর অর্ধেক রাজস্ব আসবে টাইমপিস বিভাগ থেকে। যেখানে গত অর্থবছরে এ বিভাগ থেকেই সংস্থাটির বেশির ভাগ আয় এসেছে। সংস্থাটির লক্ষ্য সামগ্রিক পরিচালন মার্জিন ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা। ক্যাসিওর কৌশল হলো বিদ্যমান ব্যবসার প্রতিযোগিতাপূর্ণ সক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা এবং উদীয়মান বাজারে ব্যবসা আরো প্রসারিত করা। বিশেষ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকা দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ঘড়ি নির্মাতা হিসেবে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি দশকের মধ্যে টাইমপিসগুলো সংস্থাটির বার্ষিক আয়ে ২৫ হাজার কোটি ইয়েন অবদান রাখবে। এ বিক্রির পরিমাণ ২০২১ অর্থবছরে বিক্রির তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি। জাপানের বাইরে বিশ্বজুড়ে সংস্থাটির জি-শক ব্র্যান্ডের তুমুল চাহিদা রয়েছে। সংস্থাটির মোট রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশ অবদান রাখে এ ঘড়িগুলো।

প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, উদীয়মান বাজারে মধ্যম আয়ের লোকদের কাছে উচ্চমূল্যের জি-শক ঘড়ি বিক্রি করা। ক্যাসিও নারী ভোক্তাদের আকর্ষণ করতেও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। নারীরা সংস্থাটির মোট আয়ে ১০ শতাংশ বা তার কিছুটা বেশি অবদান রাখে। বিদ্যমান পণ্যের পাশাপাশি সংস্থাটি আরো বেশি পণ্য যুক্ত করবে। বিশেষ করে সংস্থাটি এমন ঘড়ি তৈরিতে মনোযোগ দিচ্ছে, যেগুলো নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ব্যবহার করতে পারে। এজন্য সংস্থাটি ঘড়িতে ব্যবহূত ধাতুর উজ্জ্বলতা কমিয়ে আনবে।

ক্যাসিও কম্পিউটারের লক্ষ্য, শিক্ষা সম্পৃক্ত পণ্যগুলোর বিক্রি ৮০ শতাংশ বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি ইয়েনে উন্নীত করা। এর অংশ হিসেবে সফটওয়্যার ব্যবসা প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে তোলা হবে। এ বিভাগ হার্ডওয়্যারের তুলনায় অধিক লাভজনক। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সুপরিচিত ইলেকট্রনিক অভিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে অভিধানগুলো সহজলভ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের জন্য সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার প্লাটফর্মও তৈরি করছে ক্যাসিও। গত বছরের মাঝামাঝিতে সংস্থাটি ২০২৩ অর্থবছরে ৩২ হাজার ৫০০ কোটি ইয়েন বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছিল। তবে কভিড-১৯ মহামারীসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে লক্ষ্যের তারিখটি ২০২৩ কিংবা তার পরের অর্থবছরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ক্যাসিও নতুন কার্যক্রম থেকে ৩০০ কোটি ইয়েন বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। তবে সংস্থাটি গত অর্থবছরের এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানত বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) কার্যক্রমে পিছিয়ে গেছে সংস্থাটি। ক্যাসিওর প্রেসিডেন্ট কাজুহিরো ক্যাশিও বলেন, অভিজ্ঞতার অভাবে আমরা বিটুবি কার্যক্রম ভালো করতে পারিনি। এক্ষেত্রে আমরা আমাদের সক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারিনি। আমরা এখন দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করার কাজ করছি। ফলে আগামীতে আমরা এ বিভাগেও ভালো করতে পারব বলে আশা করছি। পাশাপাশি আমরা এখন বিদ্যমান অঞ্চলে নতুন ব্যবসা বিকাশের মাধ্যমে মুনাফা বাড়াতে জোর দিচ্ছি।

নিউজ ট্যাগ: ক্যাসিও

আরও খবর