আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

যবিপ্রবির ল্যাবে ৩ জনের ওমিক্রন শনাক্ত

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন ভারতীয় ও একজন বাংলাদেশি নাগরিক। আজ বুধবার যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জিনোম সিকোয়েন্সের মাধ্যমে করোনার নতুন এ ধরনটি শনাক্ত করে।

যবিপ্রবির জিনোম সেন্টার থেকে জানানো হয়, ভারতীয় দুই নাগরিকের মধ্যে একজন পুরুষ, যার বয়স ৩০ বছর এবং নারীর বয়স ৪১ বছর। তাঁদের মধ্যে করোনার তেমন কোনো উপসর্গ নেই। বাংলাদেশি নাগরিক একজন পুরুষ এবং তাঁর বয়স ২৫ বছর। যিনি স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন বলে গবেষক দলটি ধারণা করছে। তাঁর তিন দিন ধরে ঠান্ডা, গলা ব্যথা ছাড়া অন্য কোনো উপসর্গ নেই।

গবেষক দলটি জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের নতুন এ ধরনটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে যায়। এটি করোনার ডেলটা ধরনের চেয়ে প্রায় চারগুণ শক্তিশালী। এরই মধ্যে নতুন এই ধরনের স্পাইক প্রোটিনে ৩০ টিরও বেশি মিউটেশন বিদ্যমান। ওমিক্রন শনাক্ত হওয়া তিনজনের তথ্য জিআইএসএআইডি ডাটাবেজে জমাও দেওয়া হয়েছে।

করোনার নতুন এ ধরনটি শনাক্তের বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ওমিক্রন খুবই দ্রুত সংক্রমনশীল। এ জন্য টিকা গ্রহণ, মাস্ক ব্যবহারসহ কঠোরভাবে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিনি জানান, করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্তের কাজটি জিনোম সেন্টারে অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, করোনাভাইরাসের ডেলটা ধরনটির স্থানীয় সংক্রমণের বিষয়টিও যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে শনাক্ত করা হয়।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে করোনার নতুন এ ধরন শনাক্তে গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসান মো. আল-ইমরান, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শোভন লাল সরকার, এ এস এম রুবাইয়াতুল আলম, প্রভাষক শামিনুর রহমান, জিনোম সেন্টারের গবেষণা সহকারী প্রশান্ত কুমার দাস, আলী আহসান সেতু ও তৌকির আহম্মেদ প্রমুখ।

নিউজ ট্যাগ: ওমিক্রন শনাক্ত

আরও খবর



পাকিস্তানে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। বৃহষ্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটার মধ্যাঞ্চলের একটি কলেজের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য মতে, রাজধানী কোয়েটায় বিজ্ঞান কলেজের বাইরে যখন এ বিস্ফোরণে ঘটে তখন কলেজের শীতকালীন ছুটি চলছিলো। তাৎক্ষণিক কেউ বোমা হামলার দায় স্বীকার করেনি।

উল্লেখ্য, বিচ্ছিন্নতাবাদি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি অথবা পাকিস্তানি তালিবান যারা তেহরিকে তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামে পরিচিত, তারা প্রায় এ ধরণের সহিংসতার ঘটায়। 


আরও খবর
হাসপাতালে ভর্তি মাহাথির মোহাম্মদ

শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২




মৃত বঙ্গবন্ধু জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে শক্তিশালী: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, মৃত বঙ্গবন্ধু জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে শক্তিশালী। বিচারপতিরা বঙ্গবন্ধুকে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধার আসনে রেখে তার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (১ জানুয়ারি) ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত বাসভবন ঘুরে দেখেন প্রধান বিচারপতি। এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ননী, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আমার মনে হয় ৭৫ এর ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে বটে, তিনি শাহাদাত বরণ করেছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেন মানুষের মধ্যে এবং বাংলার আনাচে কানাচে আমরা বঙ্গবন্ধুকে অনুভব করি। মৃত বঙ্গবন্ধু এখন জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।

তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে ১৫ আগস্টে আমরা সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠান করেছি। প্রত্যেকটা বিচারপতি উনাকে (বঙ্গবন্ধু) শ্রদ্ধা নিবেদন করে কথা বলেছেন। এখান থেকে আমার মনে হয় জীবিত বঙ্গবন্ধুর থেকে মৃত বঙ্গবন্ধু অনেক অনেক অনেক বেশি শক্তিশালী। যারা বঙ্গবন্ধুকে মারতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধু মরেননি, আমাদের মনে জীবিত আছেন।

এর আগে ৩০ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়সরকার। ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী কুষ্টিয়ার সন্তান। তিনি জেলার খোকসা উপজেলার রমানাথপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম আব্দুল গফুর মোল্লা। তিনি ১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ১৯৭৪ সালে সাতক্ষীরার সরকারি পিসি কলেজ থেকে আইএসসি পাস করেন। বিএ পাস করেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে। এমএ পাস করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। এলএলবি পাস করেন ধানমন্ডী কলেজ থেকে। ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।

২০০১ সালে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। তার আরেক ভাই বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী আপিল বিভাগের বিচারপতি ছিলেন। কয়েক মাস আগে তিনি অবসরে গেছেন।


আরও খবর



‘আমার বয়স আসলে ৮৫-৮৬ হতে পারে’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল প্রায় ৯০ বছর বয়সে বিয়ে করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টির ৪০ বছর বয়সী এক নারীকে বিয়ে করেন তিনি।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসমাইল কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন পাঁচবার। তার পাঁচ ছেলে রয়েছে। বিয়েতে ৫০ জনের মতো আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন। 

নতুন এই দম্পতির বিয়ের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ রসঘন আলাপ চলছে। বরের বয়স নিয়ে অনেকেই রসিকতা করার চেষ্টা করছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষই বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

তার প্রথম স্ত্রী মাহমুদা বেগম সাত বছর আগে মারা গেছেন। তাই নিঃসঙ্গতা কাটানোর জন্যই তিনি বিয়ে করেছেন। তিনি ১৯৭০ সালে কুমিল্লার আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। এখনও তিনি নিয়মিত আদালতে যান, মামলা লড়ে।

বিয়ে প্রসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, শেষ বয়সে শরীরে শক্তি থাকে না। এ সময় একজন সঙ্গী হলে পথচলা সহজ হয়। তাই বিয়ে করলাম। বয়স নিয়ে তিনি বলেন, ৯০-৯৩ বলা হলেও আমার বয়স আসলে অত না। ৮৫-৮৬ হতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: কুমিল্লা

আরও খবর
বাসচাপায় কুমিল্লায় ২ অটোরিকশা যাত্রী নিহত

বৃহস্পতিবার ০৬ জানুয়ারী ২০২২




বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে বাধার জেরেই খুলনায় ৩ খুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রায় আড়াই মাস পর খুলনার কয়রায় আলোচিত তিন খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। প্রতিবেশী নারীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে বাধা দেওয়ার জেরে পরিকল্পিতভাবে প্রথমে স্ত্রী, মেয়েকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের পর স্বামীসহ তিন জনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে লাশ গুমের জন্য পাশের পুকুরে ফেলে দেয় খুনিরা। খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান সোমবার (১০ জানুয়ারি) তার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, চাঞ্চল্যকর এ মামলার অন্যতম আসামি আবদুর রশিদ গাজী ও জিয়াউর রহমানসহ মোট ১৪ জনকে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর রশিদ গাজী পলাতক ছিলেন। তাকে ৮ জানুয়ারি যশোর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আরও ছয় জনকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে রশিদ গাজী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রশিদ গাজী জানান, একই গ্রামের মো. জিয়াউর রহমান ও রাজিয়া সুলতানার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে হাবিবুল্লাহ বাধা হয়ে দাঁড়ান। সুলতানার স্বামী কুদ্দুস গাজী খুলনা শহরে কাঁচামালের ব্যবসার সুবাদে বাড়িতে কম যাতায়াত করেন। এ সুযোগে জিয়ার সঙ্গে সুলতানার সম্পর্ক হয়। সুলতানা হাবিবুল্লার প্রতিবেশী হওয়ায় তার চোখে বিষয়টি ধরা পড়ে। এ কারণে তিনি তাদের সম্পর্কের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ান। ঘটনার বছর খানেক আগে জিয়াকে হাতেনাতে ধরে ফেলার পর সুলতানা ক্ষিপ্ত হয়ে হাবিবুল্লাকে বটি দিয়ে কোপ দেন। পরে এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে জিয়া হাবিবুল্লার ওপর আরও ক্ষিপ্ত হন। বিভিন্ন সময় সে হাবিবুল্লাকে শায়েস্তা করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা করতে থাকেন। পরে জিয়া ও রশিদের নেতৃত্বে গত ২৫ অক্টোবর রাত ১২টার দিকে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে গিয়ে প্রথমে হাবিবুল্লাহ, তার স্ত্রী ও মেয়ের হাত-পা বাঁধে। এরপর মা-মেয়েকে ধর্ষণের পর তিন জনকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। হত্যাকাণ্ডে কমপক্ষে ছয়জন সরাসরি অংশ নেয়।

পুলিশ সুপার বলেন, বিকৃত যৌন লালসা, প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনায় দলবদ্ধভাবে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে ছয় জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, রাজিয়া সুলতানা, শামসুর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম বাবলু, আল আমিন হোসেন, আসলাম সরদার, আবদুল ওহাব ওরফে হক, তাসলিমা, শামীমুল ইসলাম অঞ্জন, আব্দুর রশিদ গাজী ও মোস্তফা কামাল।

উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর বামিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিবুল্লাহ, তার স্ত্রী বিউটি বেগম ও মেয়ে হাবিবা সুলতানা টুনির লাশ বাড়ির পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন সন্ধ্যায় নিহত হাবিবুল্লার মা কোহিনুর খানম বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে কয়রা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি প্রথমে কয়রা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি উজ্জ্বল কুমার দত্ত আলোচিত মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান। পাশাপাশি জেলা পুলিশের ট্রেনিং অ্যান্ড আইটি শাখার ইনচার্জ এজাজ শফি মামলাটির ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখেন।

নিউজ ট্যাগ: খুলনা

আরও খবর



যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে তাড়িয়ে দিল স্বামী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিয়ের পর মাত্র এক সপ্তাহ সংসার করতে না করতেই স্বামী ফারুক হোসেন তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। ২ লাখ টাকা দেওয়ার পরও আরও ৩ লাখ টাকা যৌতুক না দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের কুলিয়া গ্রামের ফারুক হোসেন। নিরূপায় হয়ে স্ত্রী মামলা করেছেন সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে। তবে ফারুক হোসেন দাবি করেছেন, তাকে জোর করে ধরে নিয়ে গিয়ে বিবাহ রেজিস্ট্রারের সামনে স্বাক্ষর করিয়ে বিয়ে করানো হয়েছে।

এ সময় তাকে মারধর করে দুজনের ছবিও তুলে রাখে তারা। কুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙা গ্রামের ওই নারী জানান, ফারুক হোসেনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৯ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার থানাঘাটায় বিবাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে তাদের দুজনের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এ সংক্রান্ত কাবিননামায়ও ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে স্বাক্ষরিত হয়। এদিকে বিয়ের পর বাড়ি আসতেই ফারুক হোসেন তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তিনি তাকে ২ লাখ টাকা দেন। কিন্তু আরও ৩ লাখ টাকা না দেওয়ায় মাত্র কয়েকদিনের মাথায় ফারুক তাকে বাড়ি থেকে ১৭ ডিসেম্বর মারধর করে বের করে দেয়।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, ফারুক তাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এমনকি একজন ইউপি সদস্যকে তাদের বাড়িতে এনে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি মিটমাট করে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ফারুক হোসেন বলেন, আমি কাউকে বিয়ে করিনি। আমার কাছ থেকে জোর করে স্বাক্ষর করিয়ে বিয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর