আজঃ মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

যুদ্ধাপরাধ: মোমিনের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
১৯৭১ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে আবদুল মোমিন তালুকদার রাজাকার ও পাকিস্তানি বাহিনী নিয়ে আদমদিঘী থানার তালশন গ্রামের অভিযান চালিয়ে চারজনকে হত্যা করেন

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আব্দুল মোমিনতালুকদার ওরফে খোকার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পলাতক মোমিন তালুকদার বগুড়ার আদমদিঘীর আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য।

আজ বুধবার (২৪ নভেম্বর) বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।

রায়ের পর প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন সাংবাদিকদের বলেন,আসামির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ ছিল। প্রথমটিতে ১০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। দ্বিতীয়টিতে পাঁচজনকে হত্যা, যার মধ্যে দুজনকে ঘটনাস্থলেই হত্যা, বাকি তিনজনকে ধরে রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা। আর তৃতীয় অভিযোগে চারজন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। ফাঁসির দঁড়িতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা বলা হয়েছে রায়ে।

মোমিনের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

প্রথম অভিযোগ, ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল দুপুরের দিকে আসামি আবদুল মোমিন তালুকদারসহ পাঁচ থেকে ছয়জন মিলে ২০ জন পাকিস্তানি সেনা নিয়ে বগুড়ার আদমদিঘী থানার কলসা বাজার, রথবাড়ি ও তিয়রপাড়ার মুক্তিযোদ্ধা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে হত্যা করতে অপারেশন চালায়। ওইদিন আসামি নিজে তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কলসা গ্রামের ইসলাম উদ্দিন প্রামাণিকসহ হিন্দু-মুসলিম মিলিয়ে ১০ জনকে গুলি করে হত্যা করেন।

দ্বিতীয় অভিযোগ, ১৯৭১ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবরে অভিযান চালিয়ে একই থানার কাশিমালা গ্রামে হামলা চালিয়ে ১৬ থেকে ১৭টি বাড়ি লুণ্ঠন করে এবং সেদিন পাঁচজনকে গুলি করে হত্যা করেন।

তৃতীয় অভিযোগ, ১৯৭১ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে আবদুল মোমিন তালুকদার রাজাকার ও পাকিস্তানি বাহিনী নিয়ে আদমদিঘী থানার তালশন গ্রামের অভিযান চালিয়ে চারজনকে হত্যা করেন।


আরও খবর



মন্ত্রণালয় থেকে ফাইল চুরি ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’, আমরা ক্ষুব্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল গায়েব হওয়ার ঘটনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, এ ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং এ ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ। এ ব্যাপারে যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার আমরা নিয়েছি। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

ফাইল চুরির ঘটনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে। তদন্ত করে যা যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, আমরা তা নেব।

সচিবালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) শাহাদৎ হোসাইনের কক্ষের লাগোয়া ঘর থেকে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের কেনাকাটার ১৭টি নথি খোয়া গেছে। গত ২৭ অক্টোবর নথিগুলোর ফাইল কেবিনেটে রাখা হয়েছিল। পরের দিন ফাইলগুলো আর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে সিআইডি।

এ ঘটনায় পরদিন বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাদিরা হায়দার বাদী হয়ে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ থেকে ১৭টি নথি খোয়া যাওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডিতে ১৭টি নথির নম্বর ও বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজসহ অন্যান্য মেডিকেল কলেজের কেনাকাটা সংক্রান্ত একাধিক নথি, ইলেকট্রনিক ডেটা ট্র্যাকিংসহ জনসংখ্যাভিত্তিক জরায়ু মুখ ও স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং কর্মসূচি, রিপোর্ট অধিদপ্তরের কেনাকাটা, ট্রেনিং স্কুলের যানবাহন বরাদ্দ ও ক্রয় সংক্রান্ত নথি। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের একাদিক প্রকল্পের নথি খোয়া গেছে বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়।

ফাইল চুরির এই ঘটনায় মন্ত্রণালয়টির অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. শাহ্‌ আলমকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এই কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (চিকিৎসা শিক্ষা) মো. আহসান কবীর এবং উপসচিব (চিকিৎসা শিক্ষা-১) মোহাম্মদ আবদুল কাদের।

এদিকে ৩১ অক্টোবর সিআইডি ফরেনসিক বিভাগ এবং শাহবাগ থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে তদন্ত চালায়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় মন্ত্রণালয়ের ৯ জন কর্মচারী ও একজন ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি।

তিন দিন আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬ কর্মচারী এবং গতকাল (১ নভেম্বর) আরও ৩ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়। তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত তাদেরকে কোনো মামলায় গ্রেফতার কিংবা আটক দেখানো হয়নি।

এরা হলেন- মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা অহিদ খান, মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী সেলিম, হাবিব বেল্লাল পলাশ, আব্দুল বারী, আয়েশা সিদ্দিকা, যোশেফ সরদার, বাদল, মিন্টু এবং রাজশাহীর ঠিকাদার নাসিমুল ইসলাম গণি টোটন।

এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইল গায়েবের এই ঘটনায় গতকাল (১ নভেম্বর) রাতে রাজশাহী থেকে ঠিকাদার নাসিমুল ইসলাম গণি টোটনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় নিয়ে এসেছে সিআইডি। টোটনকে সোমবার সন্ধ্যায় সিআইডির ঢাকার একটি দল রাজশাহী মহানগরীর কেশবপুর এলাকায় টোটনের বাসায় অভিযান চালায়। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সিআইডি কাউকে ওই বাড়িতে প্রবেশ করতে বা বাড়ি থেকে বের হতে দেয়নি। এরপর রাত সাড়ে ১০টায় সিআইডি সদস্যরা তাকে একটি মাইক্রোবাসে ঢাকার নিয়ে আসে।

সিআইডির রাজশাহীর বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১৭টি ফাইল গায়েব হয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের কেনাকাটা সংক্রান্ত। ওই কেনাকাটার ঠিকাদার ছিলেন টোটন। এ ঘটনায় সিআইডি মনে করেছে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সিআইডি

হেডকোয়ার্টারের নির্দেশনার কারণে তাকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। তাকে এখনো গ্রেফতার বা আটক দেখানো হয়নি।


আরও খবর



নরসিংদীতে প্রাণের জুস কারখানায় আগুন

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | ৫৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নরসিংদীর পলাশে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার ঘোড়াশালে প্রাণের জুস কারখানায় আগুন লাগে।

আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে বলে নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে প্রাণের জুস কারখানার তিন তলা এবং চার তলায় হঠাৎ আগুন দেখতে পান কর্মীরা। খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে পলাশ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে কাজ শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসও তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে।

নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আগুন নেভাতে মোট সাতটি ইউনিট কাজ করছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো, ভেতরে কী কী মালামাল আছে তা এখনও নিশ্চিত নই আমরা।

এদিকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শাহীন আলম বলেন, আগুন এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে। তবে পুরো অভিযান শেষ হতে আরেকটু সময় লাগবে।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু নির্মাণে ব্যবহৃত হবে বসুন্ধরা সিমেন্ট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বসুন্ধরা সিমেন্ট ও আইএইচআই-এসএমসিসি জেভির মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু প্রকল্পে সিমেন্ট সরবরাহ চুক্তি সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) বসুন্ধরা সিমেন্ট ও আইএইচআই-এসএমসিসি জেভির মধ্যে ওই চুক্তি সই হয়।

স্বনামধন্য দুটি জাপানি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান আইএইচআই (ইশিকাবাজিমা-হারিমা হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ কো. লিমিটেড) এবং এসএমসিসি (সুমিতোমো মিতসুই কনস্ট্রাকশন কো. লিমিটেড) এর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই প্রকল্পের মধ্য দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন ও সহজীকরণ সম্ভব হবে।

দেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধুনিক ভিআরএম প্রযুক্তিতে তৈরি বসুন্ধরা সিমেন্ট। ফ্যাক্টরি, উৎপাদন ক্ষমতা, সরবরাহ ব্যবস্থা ও সর্বোপরি গুণগতমানের নিশ্চয়তা যাচাই সাপেক্ষে বসুন্ধরা সিমেন্টেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু প্রকল্প নির্মাণ কাজে ব্যবহার করার যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ দুটি জাপানি প্রতিষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে আইএইচআই-এসএমসিসি জেভির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট ম্যানেজার শিনজি কাইফুকু, ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়াসুইয়োশি ওয়াতানাবে, লিড, কিউএ/কিউসি তানজিল আহমেদ আপন এবং বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিমেন্ট সেক্টর) খন্দকার কিংশুক হোসেন, চিফ এক্সেকিউটিভ অফিসার (বিআইডিএল-ড্রেজিং) কমোডর এম খুরশিদ মালিক (অব.), হেড অব ফাইন্যান্স (ট্রেজারার, সেক্টর বি) নূরে আলম ছিদ্দিকী, এজিএম (করপোরেট সেলস) এ কে এম লুৎফুল হক (খসরু) এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


আরও খবর
আগামীকাল জাতীয় আয়কর দিবস

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




মোবাইলে কথা বলায় সন্দেহ, স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীর ফাঁসি

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনায় মোবাইলে কথা বলায় সন্দেহ করে স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে (২৫) পুড়িয়ে হত্যার দায়ে তার স্বামী রফিক শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় ৫০ হাজার টাকা জারিমানাও করা হয়েছে। এ ছাড়া অপর একটি ধারায় তাকে সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার দুপুরে খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনামুল হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিকভাবে আসামি রফিক শেখের সঙ্গে ফকিরহাট উপজেলার হালিমা বেগমের ছোট মেয়ে মরিয়মের বিয়ে হয় ২০১৭ সালে।

মোবাইলে কথা বলায় তাকে সন্দেহ করত স্বামী। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ বিবাদ লেগেই থাকত। একপর্যায়ে তারা উভয় নেহালপুর থেকে ফকিরহাট উপজেলার খাজুরা এলাকায় রকি শেখের ভাড়া বাড়িতে এসে ওঠে। সেখানে এসেও স্ত্রীর ওপর একই অভিযোগে নির্মম নির্যাতন করা হয়।

২০২০ সালের ১২ আগস্ট দুপুর ১২টায় বাড়ি এসে রফিক তার স্ত্রীকে না পেয়ে সন্দেহের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। বাইরে থাকার কারণ জানতে চান তিনি। উত্তর দিতে না পারায় স্ত্রীকে হত্যার জন্য পরিকল্পনা করতে থাকে স্বামী।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, একই দিন সকালে রফিক রূপসা উপজেলার দেবীপুর গ্রামের দীপক দাসের পানের বরজের মধ্যে পেট্রল ও একটি বস্তার মধ্যে কয়েকটি ইট রেখে আসে। রাতে বেড়ানোর কথা বলে দুজন রূপসা ব্রিজসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে থাকে।

রাত ১০টায় উভয় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে রফিক পানের বরজের সামনে এনে ছলনার আশ্রয় নিয়ে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভিকটিমকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরিয়মের শরীরে বস্তা পেঁচিয়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এর পর আসামি রফিক শেখ বাড়ি ফিরে গিয়ে মরিয়মের মাকে প্রতিবেশী রঞ্জন বৈরাগীর মাধ্যমে জানায়, মরিয়মকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মরিয়মের মা সম্ভাব্য আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নিতে থাকে। এর দুদিন পর তার অর্ধগলিত ও পোড়া মরদেহ পাওয়া যায় রূপসা উপজেলার দেবীপুর গ্রামে দীপকের পানের বরজের মধ্যে।

এ ব্যাপারে নিহতের মা রূপসা থানায় ১৪ আগস্ট বাদী হয়ে রফিক শেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শাহাবুদ্দিন গাজী রফিক শেখকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণেরর মাধ্যমে আসামি দোষী সাব্যস্ত হয়।  বিচার শুরুর ৯ কার্যদিবসের মধ্যেই এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করলেন খুলনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত।



নিউজ ট্যাগ: খুলনা

আরও খবর



করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৪

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু তার আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় কমেছে। সোমবার (২২ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (২১ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ২২ নভেম্বর সকাল ৮টা) পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দুজন, যা কিনা গতকাল ছিল সাতজন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৬৪ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৩৫২ জন। এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছেন ২৭ হাজার ৯৫৫ জন। করোনাতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৩৯ জন, তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫৩৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৮ হাজার ৬৯৭টি। নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৮ হাজার ৬১৪টি।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি সাত লাখ ৪২ হাজার ৪১১টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৭৭ লাখ নয় হাজার ৬৭১টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৩০ লাখ ৩২ হাজার ৭৪০টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার এক দশমিক ৪২ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজনই নারী এবং তাদের মৃত্যু হয়েছে সরকারি হাসপাতালে। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, দুজনের বয়সই ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। তাদের একজন ঢাকা বিভাগের আরেকজন চট্টগ্রাম বিভাগের।


আরও খবর
করোনায় ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১